Monday, November 24, 2014

রোগ নিরাময়ে মধু

মধু হলো মানুষের জন্য আল্লাহ প্রদত্ত এক অপূর্ব নেয়ামত। স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং যাবতীয় রোগ নিরাময়ে মধুর গুণ অপরিসীম। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) একে ‘খাইরুদ্দাওয়া’ বা মহৌষধ বলেছেন। আয়ূর্বেদ এবং ইউনানী চিকিৎসা শাস্ত্রেও মধুকে বলা হয় মহৌষধ। এটা যেমন বলকারক, সুস্বাদু ও উত্তম উপাদেয় খাদ্যনির্যাস, তেমনি নিরাময়ের ব্যবস্থাপত্রও। আর তাই তো খাদ্য ও ওষুধ- এ উভয়বিধ পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ নির্যাসকে প্রাচীনকাল থেকেই পারিবারিকভাবে ‘পুষ্টিকর ও শক্তিবর্ধক’ পানীয় হিসেবে সকল দেশের সকল পর্যায়ের মানুষ অত্যন্ত আগ্রহ সহকারে ব্যবহার করে আসছে।
মধুতে যে সকল উপকরণ রয়েছে এর মধ্যে প্রধান উপকরণ সুগার। সুগার বা চিনি আমরা অনেকই এড়িয়ে চলি। কিন্তু মধুতে গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ এ দুটি সরাসরি মেটাবলাইজড হয়ে যায় এবং ফ্যাট হিসাবে জমা হয় না।
মস্কো বিশ্ববিদ্যালয়ে মধুর নমুনা পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, এতে এলুমিনিয়াম, বোরন, ক্রোমিয়াম, কপার, লেড, টিন, জিংক ও জৈব এসিড (যেমন- ম্যালিক এসিড, সাইট্রিক এসিড, টারটারিক এসিড এবং অক্সালিক এসিড), কতিপয় ভিটামিন, প্রোটিন, হরমোনস, এসিটাইল কোলিন, এন্টিবায়োটিকস, ফাইটোনসাইডস, সাইস্টোস্ট্যাটিক্স এবং পানি (১৯-২১%) ছাড়াও অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে। ভিটামিন যেমন- ভিটামিন সি বা অ্যাসকারবিক এসিড, ভিটামিন বি-১, বি-২, বি-৩, বি-৫, বি-৬, ভিটামিন-ই, ভিটামিন-কে, ভিটামিন-এ বা ক্যারোটিন ইত্যাদি বিদ্যমান। মধু এমন ধরনের ঔষধ, যার পচন নিবারক (এন্টিসেপটিক), কোলেস্টেরল বিরোধী এবং ব্যাকটেরিয়া বিরোধী ধর্ম আছে।
মধু দ্বারা ব্রঙ্কোনিউমোনিয়ার জীবাণু চতুর্থ দিনে, টাইফয়েডের জীবাণু পঞ্চম দিনে এবং আমাশয়ের জীবাণু ১০ ঘণ্টায় ধ্বংস হয়।
As a safe diet নিয়মিত ও পরিমিত মধু সেবন করলে নানাবিধ উপকার পাওয়া যায়।
১ – হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। রক্তনালী প্রসারণের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা করে এবং হৃদপেশীর কার্যক্রম বৃদ্ধি করে।
২ – রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
৩ – ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
৪ – দাঁতকে পরিষ্কার ও শক্তিশালী করে।
৫ – দৃষ্টিশক্তি ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করে।
৬ – মধুর রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষমতা, যা দেহকে নানা ঘাত-প্রতিঘাতের হাত থেকে রক্ষা করে বার্ধক্য ঠেকাতে সাহায্য করে।
৭ – মধুর ক্যালরি রক্তের হিমোগ্লাবিনের পরিমাণ বাড়ায়, ফলে রক্তবর্ধক হয়।
৮ – আন্ত্রিক রোগে উপকারী। মধুকে এককভাবে ব্যবহার করলে পাকস্থলীর বিভিন্ন রোগের উপকার পাওয়া যায়।
৯ – দুর্বল শিশুদের মুখের ভেতর পচনশীল ঘা-এর জন্য খুবই উপকারী।
১০- শরীরের বিভিন্ন ধরনের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং উষ্ণতা বৃদ্ধি করে।
১১- ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ মধু স্নায়ু এবং মস্তিস্কের কলা সুদৃঢ় করে।
১২- মধুতে স্টার্চ ডাইজেস্টি এনজাইমস এবং মিনারেলস থাকায় চুল ও ত্বক ঠিক রাখতে অনন্য ভূমিকা পালন করে।
১৩- মধু কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
১৪- যারা রক্ত স্বল্পতায় বেশি ভোগে বিশেষ করে মহিলারা, তাদের জন্য নিয়মিত মধু সেবন অত্যন্ত ফলদায়ক।
১৫- শিশুদের প্রতিদিন অল্প পরিমাণ মধু খাওয়ার অভ্যাস করলে তার ঠাণ্ডা, সর্দি-কাশি, জ্বর ইত্যাদি সহজে হয় না।
১৬- ক্ষুধা, হজমশক্তি ও রুচি বৃদ্ধি করে।
১৭- রক্ত পরিশোধন করে।
১৮- শরীর ও ফুসফুসকে শক্তিশালী করে।
১৯- জিহ্বার জড়তা দূর করে।
২০- মধু মুখের দুর্গন্ধ দূর করে।
২১- বাতের ব্যথা উপশম করে।
২২- মাথা ব্যথা দূর করে।
২৩- শিশুদের দৈহিক গড়ন ও ওজন বৃদ্ধি করে।
২৪- কাশি-হাঁপানি এবং ঠাণ্ডাজনিত রোগে বিশেষ উপকার করে।
২৫- শারীরিক দুর্বলতা দূর করে এবং শক্তি-সামর্থ্য দীর্ঘস্থায়ী করে।
২৬- মধু খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়, ফলে শরীর হয়ে ওঠে সুস্থ, সতেজ এবং কর্মক্ষম।
২৭- যৌন অক্ষমতা দূর করে এবং অটুট যৌবন ধরে রাখে। যৌন অক্ষমতা দূর করার জন্য বিশ্বের প্রখ্যাত মধু বিজ্ঞানীদের মতে দৈনিক পর্যাপ্ত মধুই যথেষ্ট।
২৮-নিয়মিত মধু সেবন করলে ধাতু দুর্বল (ধ্বজভঙ্গ) রোগ হয় না।

সাতটি ‘ভিডিও চ্যাট অ্যাপ’ আপনার স্মার্টফোনে থাকা উচিত

#স্মার্টফোনের কারণে আজকাল শুধু অডিও নির্ভর ফোনালাপ কমে যাচ্ছে৷ বরং সেখানে জায়গা করে নিচ্ছে ভিডিও চ্যাট৷ এই ভিডিও চ্যাট করার জন্য আবার রয়েছে অনেক অ্যাপ৷ ‘সার্চ ইঞ্জিন জার্নালের’ বিবেচনায় সেরা সাতটি অ্যাপ পাবেন এখানে৷ 
স্কাইপ
স্কাইপ পৃথিবীর অন্যতম পুরনো এবং সম্ভবত সবচেয়ে পরিচিত ভিডিও অ্যাপ৷ এরব্যবহারকারীর সংখ্যা ২৯৯ মিলিয়ন৷ শুধু ভিডিও চ্যাট নয়, স্কাইপ ব্যবহার করেভয়েস চ্যাট, তাৎক্ষণিক ক্ষুদে বার্তাও পাঠানো সম্ভব৷

ট্যাঙ্গো
মূলত দু’টি কারণে ট্যাঙ্গো জনপ্রিয়৷ এটা ব্যবহার করা খুব সোজা এবংএটার জন্য কোনো আলাদা পাসওয়ার্ড দরকার হয় না৷ অর্থাৎ এটা ব্যবহারের জন্যশুধুমাত্র আপনার নাম, মোবাইল নম্বর এবং ই-মেল ঠিকানার প্রয়োজন হয়৷ তবে ‘বিজনেস কলে’-র জন্য অ্যাপটি ব্যবহার ঠিক নয়৷

হ্যাংআউটস

যেহেতু সবাই আজকাল গুগল ব্যবহার করেন, তাই হ্যাংআউটস ব্যবহারকারী খুঁজেপাওয়া আজ আর তেমন কোনো কষ্টের ব্যাপার নয়৷ গুগল-এর এই সেবা ব্যবহার করেএকত্রে দশজন পর্যন্ত চ্যাট করতে পারেন৷ এটিতে ছবি এবং ‘ইমোজিস’ শেয়ার করারওঅপশন রয়েছে৷

পিয়ার
ব্যবসায়িক চ্যাটের জন্য একটি ভিডিও অ্যাপ খুঁজছেন? নিশ্চিন্তে বেছে নিতেপারেন পিয়ার৷ প্রফেশনালদের নেটওয়ার্ক লিঙ্কডইনের সঙ্গে সহজেই যুক্ত করাযায় অ্যাপটি৷ এই মুহূর্তে অ্যাপটি আইটিউনস-এ সহজলভ্য৷

ভাইবার
একসঙ্গে চল্লিশজনের সঙ্গে চ্যাট করার সুযোগ দেয় ভাইবার৷ আর চ্যাটসম্পর্কিত সব কিছুই করা যায় এটা ব্যবহার করে৷ এমনকি চাইলে ফাইল শেয়ারও করতেপারেন ভাইবার-এর মাধ্যমে৷

 
ক্যামফ্রগ
অপরিচিত, নতুন কারো সঙ্গে চ্যাট করতে চাইলে ক্যামফ্রগ আদর্শ৷বন্ধু-বান্ধব, পরিবারের সদস্য কিংবা পরিচিতজন ছাড়াও চ্যাট রুমে নতুনদেরসঙ্গে গল্পগুজবের সুযোগ দেয় ক্যামফ্রগ৷ এটা অ্যান্ড্রয়েড, উইন্ডোস এবং আইওস – সবকটি ‘অপারেটিং সিস্টেম’-এর মাধ্যমেই ব্যবহার করা যায়৷

 
উভু
ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেই ভিডিও চ্যাপ অ্যাপ উভু-তে লগ-ইন করাসম্ভব৷ তবে অ্যাপটির সবচেয়ে বড় মজা হচ্ছে, এটি আপনার ফেসবুক বন্ধুদের এবংআপনার স্মার্টফোনে থাকা কন্টাক্ট তালিকার মধ্যে সমন্বয় করে৷ একসঙ্গে ১২জনের সঙ্গে চ্যাট করা যায় উভু ব্যবহার করে৷ আর অ্যাপটি ব্যবহারের জন্যবাড়তি কোনো খরচও নেই৷

Wednesday, May 7, 2014

ভোজ্যতেলের ৮৭ শতাংশই ভেজাল!

এম এ বাবর
বিগত দুই দশকে দেশে ভোজ্যতেলের বাজারের আকার প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। কিন্তু সে তুলনায় দেশীয় ব্যবস্থাপনায় স্বাস্থ্যসম্মত ভোজ্যতেলের জোগান বাড়েনি। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রতি বছর ১৮-২০ লাখ টন ভোজ্যতেলের চাহিদা রয়েছে। এ বিপুল পরিমাণ চাহিদার বিপরীতে স্থানীয়ভাবে উৎপাদন হচ্ছে মাত্র দুই থেকে চার লাখ টন ভোজ্যতেল। ফলে চাহিদার প্রায় পুরোটাই মিটছে আমদানির মাধ্যমে। আর আমদানি করা বিপুল পরিমাণ ভোজ্যতেলেই ভেজালের ব্যাপকতা রয়েছে। 

সম্প্রতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের (আইপিএইচ) পরীক্ষায় দেখা গেছে, দেশে বিক্রি হওয়া ভোজ্যতেলের ৮৭ শতাংশই ভেজাল। এসব ভোজ্যতেলে এসিটিক এসিডের মাত্রা অনেক বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, ২০০৯-১০ অর্থবছরে ভোজ্যতেল ও তেলবীজ আমদানি ছিল ৮ হাজার ১৬০ কোটি টাকার। পরের দুই অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৮ হাজার ৩৩৬ কোটি ও ১৪ হাজার ৪৭১ কোটি টাকা। ২০১২-১৩ অর্থবছরে আমদানি কিছুটা কমে দাঁড়ায় ১৩ হাজার ১১৭ কোটি টাকা। তবে চলতি অর্থবছরের (২০১৩-১৪) প্রথম প্রান্তিকেই আমদানি দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৫৪১ কোটি টাকা।
এদিকে জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট সম্প্রতি মান যাচাইয়ের জন্য দেশের বিভিন্ন বাজার থেকে ৪০০টি সয়াবিন তেলের নমুনা সংগ্রহ করে। এসব তেল পাবলিক হেলথ ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় করার পর ৩৪৯টি অর্থাৎ ৮৭ দশমিক ২৫ শতাংশ নমুনায় ভেজাল শনাক্ত হয়। এর মধ্যে মাত্র ৫১টি বা ১২ দশমিক ৭৫ শতাংশ নমুনায় সব উপাদান সঠিক মাত্রায় পাওয়া যায়। বাকি নমুনায় এসিটিক এসিডের মাত্রা ছিল স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি। সাধারণত ভোজ্যতেলে উপাদানটি এক শতাংশের নিচে থাকতে হয়। আইপিএইচের বিশেষজ্ঞরা মনে করেন ভোজ্যতেল, বিশেষ করে সয়াবিন তেলে এ ধরনের ভেজালের কারণে মানবদেহে শক্তির জোগান ও টিস্যু গঠন বাধাগ্রস্ত হতে পারে। আর তেলে বিদ্যমান এসিটিক এসিডের অতিরিক্ত মাত্রা হার্টের জন্য ভয়ঙ্কর ক্ষতির কারণ হতে পারে। এমনকি ক্যান্সারের মতো রোগও হতে পারে। এছাড়া মানহীন ভোজ্যতেল হাইপার টেনশন, ডায়াবেটিসসহ শরীরের ওজন অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দেয়।
এ ব্যাপারে জনস্বাস্থ্য ল্যাবরেটরির পরীক্ষক ও মান বিশ্লেষক আইয়ূব খান বলেন, সয়াবিন তেলের মান পরীক্ষা করে উচ্চমাত্রার ভেজাল পাওয়া গেছে। এসব সয়াবিন তেলের মধ্যে পাম বা নিুমানের তেল মিশ্রণের প্রমাণ মিলেছে। এছাড়া পরীক্ষায় অধিকাংশ কোম্পানির তেলে এসিডের মাত্রা বেশি রয়েছে। যেসব নমুনায় উপাদানগুলো সঠিক অনুপাতে পাওয়া যায়নি, সেগুলোকেই ভেজাল বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।
বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) তথ্যানুযায়ী, সঠিক মানের সয়াবিন তেল নির্ণয় করতে তেলের রং, এসিড ও আয়োডিন ভ্যালু, রেজিস্টিভ ইনডেক্স ও মেল্টিং পয়েন্ট পরীক্ষা করা হয়। যেসব তেল সঠিক পরীক্ষার মধ্য দিয়ে পরিশোধন করা হয়, সেগুলোয় এসিড ভ্যালু কম থাকে। যেগুলোয় এসিড ভ্যালু বেশি থাকে, সেগুলো পরিশোধন ছাড়াই বা স্বল্প পরিশোধনে বাজারজাত করা হয়।
অন্যদিকে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা (এফএও), গ্লোবাল ফোরাম ফর নিউট্রিশন ও আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, মানবদেহে দৈনিক প্রয়োজনীয় ক্যালরির ৩০ শতাংশ আসা উচিত ভোজ্যতেল থেকে। অথচ বাংলাদেশে ৩০ শতাংশ তো দূরের কথা, ক্যালরির সামান্যই আসছে ভোজ্যতেল থেকে। বর্তমানে দেশে মাথাপিছু বার্ষিক ভোজ্যতেল ব্যবহারের হিসাবে দৈনিক প্রাপ্ত ক্যালরির মাত্র ৯ শতাংশের উৎস ভোজ্যতেল। অত্যবশ্যকীয় ফ্যাটি এসিড, যা মানবদেহের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়, তারও উৎস হতে পারে ভোজ্যতেল। কিন্তু অতিমাত্রায় ভেজালের কারণে কাক্সিক্ষত মাত্রায় মিলছে না এসব। উল্টো স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যলয়ের পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক ও বিএসটিআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. গোলাম মাওলা বলেন, ভেজাল ও মানহীন ভোজ্যতেলের নিয়মিত ব্যবহার স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। স্বল্প মেয়াদে বদহজম, গ্যাস্ট্রিক, খাবারে অরুচি ও হৃদপিণ্ডের ক্ষত সৃষ্টি করে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে হৃদপিণ্ড, যকৃৎ ও ফুসফুসও আক্রান্ত হতে পারে। কারণ ভোজ্যতেলে এসিটিক এসিডের মাত্রা বেশি হলে টক্সিসিটি বেড়ে যায়। তাই স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ার আগেই ভেজাল রোধে নজরদারি বাড়ানো জরুরি। পাশাপাশি দোষীদের শাস্তির বিধানও আরো কঠোর করতে হবে।
- See more at: http://manobkantha.com/2014/05/06/171445.html#sthash.1I2HoIkE.dpuf

http://www.emanobkantha.com/2014/05/06/