Thursday, December 15, 2016

ফেইসবুক পেজে অটো রিপ্লাই দেবেন যেভাবে

শুধু তারকাদের কিংবা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেরই নয়, চাইলে ব্যক্তিগত ফেইসবুক পেইজেও অটো রিপ্লাই পদ্ধতি সেট করা যায়। এটা করলে অনলাইনে না থাকলেও যারা বার্তা পাঠাবেন তারা অটো রিপ্লাই পেয়ে যাবেন।


ফলে প্রেরক বুঝতে পারবে আপনি বার্তা পেয়েছেন এবং অনলাইনে এলে উত্তর দেবেন।

এজন্য যে পেইজে অটো রিপ্লাই চালু করতে চান সেটিতে গিয়ে বাম পাশে থাকা সেটিংস অপশনে ক্লিক করুন। এরপর অনেকগুলো অপশন দেখাবে। এগুলো থেকে ‘messaging’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। সেখান থেকে ‘Send Instant Replies to anyone who messages your Page’-এ যান। সেখানে অটোমেটিক বার্তা অপশনটি অন করতে ‘yes’ করে দিতে হবে।

ব্যস এটুকুই। এরপর থেকে আপনাকে যারা বার্তা পাঠাবেন তারা 'Thanks for messaging us. We try to be as responsive as possible. We’ll get back to you soon.' বার্তাটি পেয়ে যা্বেন।


চাইলে এই বার্তাটি পরিবর্তন করতে পারবেন আপনি। সেজন্য ‘yes’ বাটনের নিচে ‘change’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। তারপর ‘Your Instant Reply’ বক্সে নিজের পছন্দের বার্তাটি লিখুন। এরপর থেকে অনলাইনে না থাকলেও প্রেরক স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার পছন্দের বার্তাটি পেয়ে যাবেন।

Monday, October 10, 2016

ফেসবুকে শুধুমাত্র এক শব্দের নাম ব্যবহার করবেন যেভাবে

আমরা অনেকেই বলতে গেলে প্রায় সারা দিন ফেসবুকে পরে থাকি আর তাই আজকের টিউটোরিযালটি মূলত ফেসবুকের একটি বিষয় নিয়েই। নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন যে ফেসবুকে অনেকেই একটি মাত্র নাম ব্যবহার করে থাকে? এবং, এটি দেখার পর হয়ত আপনিও দু-একবার অ্যাকাউন্ট সেটিংসে গিয়ে চেষ্টা করে দেখেছেন। কিন্তু, কাজ হয়নি! তাহলে কীভাবে করে সবাই? চলুন, আমি আজকে আপনাদের শিখিয়ে দিচ্ছি কীভাবে সিঙ্গেল নাম ব্যবহার করতে হয়।

এই সমগ্র প্রোসেসটির জন্য আপনার শুধু মাত্র একটি ইন্দোনেশিয়ান প্রোক্সির দরকার হবে। প্রশ্ন করতে পারেন,

প্রশ্ন ১প্রক্সি’র দরকার কী?
উত্তরঃ আপনি ইন্দোনেশিয়ান প্রক্সি ব্যবহার করলে ফেসবুকে লগইন করার সময় ফেসবুক সাইটটি বুঝে নেবে যে আপনি আসলে ইন্দোনেশিয়া থেকে লগ ইন করেছেন।

প্রশ্ন ২‘ইন্দোনেশিয়ান’ প্রক্সিই কেন?
উত্তরঃ ইন্দোনেশিয়ানদের নামের শেষের অংশটুকু অর্থাৎ, ‘লাস্ট নেম’ অনেক সময়ই বেশ দীর্ঘ হয়ে থাকে। এ কারণে ফেসবুক ইন্দোনেশিয়ানদের ক্ষেত্রে শুধু মাত্র ‘ফার্স্ট নেম’ ব্যবহার করার সুযোগ প্রদান করে থাকে।

যাই হোক, আপনার মনে যে যে প্রশ্ন আসতে পারে আমি সেই প্রশ্নের উত্তর গুলো দিয়ে দিয়েছি। এখন চলুন কীভাবে কি করব দেখে নেয়া যাক।
ধাপ সমূহঃ
১। গুগলে ‘hide my ass’ লিখে সার্চ দিন। অথবা আপনি সরাসরি সাইটের ইউআরএল-ও টাইপ করতে পারেন। সার্চ দেয়ার পর সার্চ রেজাল্টে আপনি www.hidemyass.com নামের একটি সাইট পাবেন এবং সাইটের নিচে অনেক গুলো অপশন পাবেন। আপনি ‘Proxy List’-এ ক্লিক করুন। বুঝতে অসুবিধা হলে নিচের চিত্রটি খেয়াল করতে পারেন।
১২। সাইটটিতে ঢোকার পরে আপনি নিচের চিত্রের মত একটি অংশ দেখতে পারবেন। দেখুন, Proxy Country এর নিচে ‘All countries’ এ টিক চিহ্ন দেয়া আছে। তবে, আপনার যেহেতু শুধু মাত্র ইন্দোনেশিয়ান প্রক্সি দরকার সেহেতু আপনি টিক চিহ্ন তুলে দেয়ার পর ইন্দোনেশিয়া সিলেক্ট করে ‘Update Results’-এ ক্লিক করুন।
২৩৩। পেজটি রিফ্রেশ হবার পর নিচের দিকে দেখবেন অনেক গুলো ইন্দোনেশিয়ান আইপি দেয়া আছে। এবং এই আইপি গুলো পোর্ট নম্বর সহ কতক্ষন আগে লিস্টে যোগ হয়েছে এসব তথ্য দেয়া আছে। এখান থেকে আপনি ইচ্ছেমত আইপি ব্যবহার করতে পারেন, তবে যেহেতু প্রতিনিয়ত আপডেট হচ্ছে সেহেতু আপনি চেষ্টা করুন সবচাইতে শেষে আপলোড হওয়া আইপিটি নিতে। এখান থেকে আপনি যে কোন এক সেট আইপি এবং এর পোর্ট অ্যাড্রেস ব্যবহার করবেন।
৪৪। এরপর মোজিলা ফায়ারফক্স ওপেন করে Option এ যান এবং Option উইন্ডো খোলার পর Advanced ট্যাবে গিয়ে কানেকশনের পাশে থাকা ‘Settings’-এ ক্লিক করুন। দরকার হলে চিত্রটি খেয়াল করুন।
৫৫। Settings এ ক্লিক করার পর নতুন একটি ‘Connection Settings’ উইন্ডো ওপেন হবে। এখানে নিচের চিত্রের মত প্রথমে ম্যানুয়াল প্রোক্সি সেটিংস-এ টিক চিহ্ন দিন এবং পরবর্তীতে HTTP Proxy’র ঘরে একটু আগে সংগ্রহ করা ইন্দোনেশিয়ান আইপি অ্যাড্রেসটি দিন এবং Port’এর ঘরে সেই ইন্দোনেশিয়ান আইপি’র পোর্ট বসিয়ে দিন। এরপর Ok ক্লিক করে বের হয়ে আসুন।
৬৬। এবার, ফেসবুকে লগ ইন করুন এবং অ্যাকাউন্ট সেটিংসে গিয়ে প্রথমে ‘Choose Language’ অপশন থেকে ‘Bhasha Indonesia’ সিলেক্ট করুন। এরপর, আপনি আপনার নামের ঘরে গিয়ে First Name এর ঘরে আপনি যে নামে ফেসবুক ব্যবহার করতে চান সেই নামটি দিয়ে Save করুন।
ব্যাস, দেখুন...। আপনিও এখন সিঙ্গেল নামে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করছেন। এই টিউটোরিযালটি আমি পরীক্ষা করেই আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। তাই, টিউটোরিয়ালটিতে কোন ভুল নেই। আপনারা যারা চেষ্টা করতে চান তারা সব গুলো ধাপ ভালো ভাবে অনুসরণ করলেই সফল হবেন।

Wednesday, August 31, 2016

যেভাবে পাবেন জাতীয় পরিচয়পত্রের স্মার্ট কার্ড

জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডির উন্নত প্রযুক্তি নির্ভর স্মার্ট কার্ড বিতরণ ২ অক্টোবর শুরু হচ্ছে। প্রাথমিক পর্যায়ে রাজধানী ঢাকার পাশাপাশি এক বা একাধিক জেলার কার্ড বিতরণ করা হবে। 
 
পর্যায়ক্রমে ২০১৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সব ভোটারকেই স্মাট কার্ড দেওয়া হবে। তবে এই স্মার্ট কার্ড নেওয়ার সময় নাগরিকদের পুরনো কার্ড জমা দেওয়ার পাশাপাশি ১০ আঙুলের ছাপ ও চোখের মণির ছবি দিতে হবে। এক্ষেত্রে কারও কার্ড হারিয়ে গেলে প্রথমে পুরনো কার্ডটি তুলে তা জমা দিয়ে স্মার্ট কাড নিতে হবে।
 


ইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্মার্ট কার্ড নেওয়ার সময় ভোটারদের নতুন করে কোনও ছবি তুলতে হবে না বা কোনও তথ্য দিতে হবে না। নির্বাচন কমিশনে প্রত্যেক ভোটারের যে ছবি ও অন্যান্য তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে, তারই ভিত্তিতে তৈরি হচ্ছে স্মার্ট কার্ড। 
অর্থাৎ ভোটারদের হাতে বর্তমানে যে লেমিনেটেড জাতীয় পরিচয়পত্র রয়েছে, তার ছবি ও অন্যান্য তথ্যযুক্ত থাকবে নতুন স্মার্ট কার্ডে। তবে, কোনও ভোটার স্মার্ট কার্ড তৈরি হওয়ার আগে ছবি পরিবর্তন বা অন্যান্য তথ্য সংশোধন করে থাকলে স্মার্ট কার্ডে নতুন ছবি পাবেন।
 
এদিকে স্মার্ট কার্ড পাওয়ার পরও ভোটারদের ছবি বা অন্যান্য তথ্য সংশোধন/হালনাগাদের সুযোগ রয়েছে। এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিমাণ// ফি জমা দিয়ে তাদের নিজ নিজ নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে। সংশোধিত নতুন স্মার্টকার্ড তৈরি হলে ভোটারের মোবাইলে এসএমএস’র মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। পরে তারা উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে তা সংগ্রহ করবেন।
 
কোন প্রক্রিয়ায় স্মার্ট কার্ড বিতরণ করা হবে, জানতে চাইলে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মিহির সারওয়ার মোর্শেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা এখনও কোনও নির্দেশনা পাইনি। তবে জেনেছি ঢাকা শহরে ওয়ার্ড ভিত্তিক কার্ড দেওয়া হবে। এখনও তো হাতে এক মাসের মতো সময় রয়েছে। এর আগে নিশ্চয়ই আমরা বিষয়টি পুরোপুরি জানতে পারব।’
 
কার্ড বিতরণের প্রক্রিয়ার বিষয়ে কমিশনের মাঠ প্রশাসনেও এখনও কোনও নির্দেশনা যায়নি বলে জানান বগুড়া জেলা নির্বাচন অফিসার ইউনুচ আলী। বাংলা ট্রিবিউন তিনি বলেন, ‘কবে থেকে এবং কিভাবে কার্ড বিরতণ করা হবে, সে বিষয়ে আমাদের প্রতি কোনও নির্দেশনা এখনও আসেনি। ২০০৮ সালে যখন ছবিযুক্ত ভোটার কার্ড প্রথম বিতরণ করা হয়, তখন ওয়ার্ড ও ইউনিয়নভিত্তিক হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে তথ্য সংগ্রহকারীদের মাধ্যমে কার্ড বিতরণ করা হয়। এবার যেহেতু কার্ড নেওয়ার সময় ভোটারদের আঙুলের ছাপ ও চোখের মণির ছবি দিতে হবে, সেহেতু নির্দিষ্ট কোথাও ক্যাম্প করে এটা দিতে হবে।’
ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে বিতরণ
 
নির্বাচন কমিশন ঢাকার প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে স্ব-স্ব ওয়ার্ডের ভোটারদের স্মার্ট কার্ড দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে প্রতিটি ওয়ার্ডের নির্দিষ্ট কোনও স্থানে ক্যাম্প করে কমিশনের প্রতিনিধিরা ভোটারদের ১০ আঙুলের ছাপ ও চোখের মণির ছবি নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে স্মার্ট কার্ড নেবেন। আঙুলের ছাপ ও চোখের মণির ছবি সংশ্লিষ্ট ভোটারের তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে স্মার্ট কার্ড নিতে হলে ভোটারকে অবশ্যই নির্ধারিত ক্যাম্পে যেতে হবে।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, ওয়ার্ড থেকে কার্ড বিতরণ করা হলেও সব ওয়ার্ড থেকে একযোগে কার্ড দেওয়া হবে না, পর্যায়ক্রমে দেওয়া হবে। কার্ড বিতরণের আগে মাইকিংসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ভোটারদের জানানো হবে বলে কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণের মতো অন্যান্য সিটিকরপোরেশন এলাকায় ওয়ার্ডভিত্তিক ক্যাম্প করে কার্ড বিতরণ হবে।
 
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি সচিব সিরাজুল ইসলাম জানান, ‘রাজধানীতে স্মার্ট কার্ড বিতরণের জন্য আমাদের ৭৫টি টিম রয়েছে। আর রাজধানীতে রয়েছে ১৫টি থানা অফিস। প্রত্যেক থানার একটি করে ওয়ার্ড বেছে নিয়ে এক বা একাধিক দিনে আমাদের টিমগুলো কার্ড সরবরাহ করবে।’
 
পৌরসভা ও ইউনিয়ন কার্যালয়ে কার্ড
সিটি করপোরেশন ছাড়া দেশের অন্যান্য এলাকায় পৌরসভা কার্যালয় ও ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ভোটারদের মাঝে কার্ড দেওয়া হবে বলে ইসি সচিব জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘পৌরসভা কার্যালয় ও ইউনিয়ন পরিষদে ক্যাম্প করে ওই এলাকার ভোটারদের স্মার্ট কার্ড দেওয়া হবে। তবে, কোন পৌরসভার আয়তন বড় হলে আমরা একাধিক স্থানে কার্ড বিতরণের ক্যাম্প করার পরিকল্পনা করেছি। প্রয়োজন হলে ইউনিয়নের ক্ষেত্রে একাধিক ক্যাম্প করা হতে পারে।
 
পুরনো কার্ড জমা না দিয়ে নতুন কার্ড নয়
প্রত্যেক ভোটারকে স্মার্ট কার্ড নেওয়ার সময় তাদের কাছে থাকা কার্ডটি জমা দিতে হবে। পুরনো কার্ড না দিয়ে নতুন কার্ড পাওয়া যাবে না। কারও কার্ড হারিয়ে গেলে কেবল পুলিশি ডায়রির কপি বা অন্য কোনও অঙ্গীকারনামা দিলেও হবে না। এক্ষেত্রে জিডি করে ভোটারকে ইসির নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে আগে পুরনো কার্ড তুলতে হবে।  এরপর সেই কার্ড জমা দিয়ে  স্মার্ট কার্ড নিতে হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি সচিব সিরাজুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘কারও কার্ড হারিয়ে গেলে বা বিনষ্ট হলে সেই ভোটারকে স্মার্ট কার্ড দেওয়ার সুযোগ নেই। নতুন কার্ড নিতে হলেও বর্তমান কার্ড ফেরত দিতে হবে। কার্ড হারিয়ে গেলে যেহেতু ফি দিয়ে তা তোলার বিধান রয়েছে, সেহেতু জিডির কপি নিয়ে কার্ড দিলে সেটা বিদ্যমান আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে। এজন্য কারও কার্ড হারিয়ে গেলে আগে পুরনো কার্ড তুলে সেটা জমা দিয়ে নতুনটা নিতে হবে।’
বর্তমানে প্রায় ৯ কোটি ভোটারে কাছে বিদ্যমান লেমিনেটেড জাতীয় পরিচয়পত্র রয়েছে বলে ইসি সূত্রে জানা গেছে।
 
নতুন ভোটাররা পাবেন জমা স্লিপে স্মাট কার্ড
গত ২০১৪ ও ২০১৫ সালে নির্বাচন কমিশন ভোটার হালনাগাদ করলেও এই দু্‌ই বছরে যারা নতুন ভোটার হয়েছেন, তাদের এখনও কোনও  কার্ড সরবরাহ করা হয়নি। কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এসব ভোটারের মাঝে একবারে স্মার্ট কার্ড সরবরাহের পরিকল্পনা থেকেই কমিশন বর্তমানে বিদ্যমান সাধারণ মানের লেমিনেটেড কার্ড তাদের দেয়নি। গত ২০১৪ সালে ৪৬ লাখ ৯৫ হাজার ৬৫০ এবং ২০১৫ সালে ৪৪ লাখ ৩২ হাজার ৯২৭ জন নতুন ভোটার হয়েছেন। এসব নতুন ভোটার ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির সময় যে জমা স্লিপ পেয়েছেন, তা জমা দিয়ে স্মার্ট কার্ড নেবেন। তবে, জরুরি প্রয়োজনে এসব নতুন ভোটারের মধ্য থেকে কেউ লেমিনেটেড জাতীয় পরিচত্রপত্র নিয়ে থাকলে স্মার্ট কার্ড নেওয়ার সময় সেই কার্ড ফেরত দিতে হবে।
এ বিষয়ে ইসি সচিব জানান, ‘২০১৪ সালের পর যারা ভোটার হয়েছেন, কমিশন তাদের এখনও কোনও ধরনের কার্ড দেয়নি। ফলে তাদের আমরা সরাসরি স্মার্ট কার্ড দেব। এক্ষেত্রে তাদের স্লিপ বা প্রমাণ নিয়ে আসতে হবে।’
কেন ১০ আঙুল ও চোখের মণির ছবি
এনআইডির তথ্যভাণ্ডারে নাগরিকদের হাতের বৃদ্ধাঙুল ও তর্জনির ছাপ রয়েছে। ২০০৮ সালে এই ছাপ সংগ্রহে অনেক ত্রুটি ছিল। এছাড়া বয়স বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন কারণে আঙুলের ছাপে পরিবর্তন হতে পারে। এমনটা চিন্তা করে ইসি নতুন করে দুই হাতের ১০ আঙুলের ছাপ চোখের মণির (আইরিশ) ছবি সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
 
জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক  ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুজ্জামান মো. সালেহ উদ্দীন ১০ আঙুলের ছাপ ও চোখের মণির ছবি সংগ্রহ সম্পর্কে বলেন, ‘আন্তর্জাতিকভাবেও এটির চাহিদা রয়েছে। এ ছাড়া বেশি বয়সী নাগরিকদের অনেকের  বৃদ্ধাঙুল ও তর্জনির ছাপ স্পষ্ট নয়। এ কারণে ১০ আঙুলের ছাপ নেওয়া হবে।’
প্রসঙ্গত, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন-২০১০-এ বলা হয়েছে, জাতীয় পরিচয়ের জন্য একজন নাগরিকের বায়োমেট্রিক ফিচার যথা আঙুলের ছাপ, হাতের ছাপ, তালুর ছাপ, আইরিশ বা চোখের কণিকা, মুখাবয়ব, ডিএনএ, স্বাক্ষর ও কণ্ঠস্বর সংগ্রহ এবং সংরক্ষণ করতে হবে। কিন্তু এ কাজের অনেকটাই বাকি রয়ে গেছে।
 
গত বছর অক্টোবর থেকে আমেরিকা থেকে কেনা ১০টি মেশিনে এনআইডি’র স্মার্টকার্ড তৈরির কাজ শুরু হয়। প্রতিমাসে ৫০ লাখ কার্ড তৈরির ক্ষমতা রয়েছে এসব মেশিনের। প্রতি ঘণ্টায় একটি মেশিনে ৯৫০টি কার্ড উত্পাদন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে রাজধানীর অধিকাংশ কার্ড তৈরি শেষ হয়েছে। পাশাপাশি ২০১৪-১৫ সালে হালনাগাদে যারা ভোটার হয়েছেন, তাদের কার্ড তৈরি সম্পন্ন হয়েছে।

Sunday, July 31, 2016

৫০ দেশে যেতে বাংলাদেশিদের ভিসা লাগবে না

৫০ দেশে যেতে বাংলাদেশিদের ভিসা লাগবে না
একজন বাংলাদেশি হিসেবে আপনি গর্ব করতেই পারেন। কারণ ভিসা ছাড়াই শুধু বাংলাদেশের পাসপোর্টের জোরে আপনি ৫০টি দেশ ভ্রমণ করতে পারবেন। আর্থিক খাতের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান আরটন ক্যাপিটাল প্রভাবশালী পাসপোর্টের তালিকা তৈরি করেছে, যেখানে বাংলাদেশের অবস্থান ৬৭তম।

অরটন ক্যাপিটালের নিয়ন্ত্রিত পাসপোর্ট ইনডেস্ক ডটঅর্গ ওয়েবসাইট সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা ৫০টি দেশে ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারেন। এ দেশগুলোর কয়েকটিতে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের কোনো ভিসার প্রয়োজনই হয় না। বাকি দেশগুলোর প্রায় সবগুলোর ক্ষেত্রেই সেখানে পৌঁছে ‘অন অ্যারাইভাল ভিসা’ করে নিতে হবে। আর, দু-একটি দেশের ক্ষেত্রে ভিন্ন ব্যবস্থা প্রযোজ্য।

পাসপোর্ট ইনডেক্স ডটঅর্গে বিভিন্ন দেশের পাসপোর্টের প্রভাব নিয়ে ৮০ পর্যন্ত তালিকা করা হয়েছে, যেখানে বাংলাদেশের অবস্থান ৬৭। কোনো দেশের পাসপোর্টধারী ভিসা ছাড়াই অন্য দেশের যাওয়ার সংখ্যার ভিত্তিতে এই তালিকা করা হয়েছে। বাংলাদেশ ছাড়াও মাইক্রোনেশিয়া ও টোগোর পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়াই ৫০টি দেশে ভ্রমণ করতে পারেন। পাসপোর্টের প্রভাবের তালিকায় সার্কভুক্ত দেশগুলোর অবস্থান হলো, আফগানিস্তান ৭৯ (পূর্বে ভিসা লাগবে না ৩৮ দেশে), ভারত ৫৯ (ভিসাহীন ৫৯), পাকিস্তান ৭১ (ভিসাহীন ৪৬), মালদ্বীপ ৫৩ (ভিসাহীন ৬৫), নেপাল ৭৯ (ভিসাহীন ৩৮), ভুটান ৭৯ (ভিসাহীন ৪০), শ্রীলংকা ৭০ (ভিসাহীন ৪৭)। 

বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী পাসপোর্ট হলো যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের। তালিকায় এক নম্বরে থাকা দেশ দুটির পাসপোর্ট দিয়ে ভিসা ছাড়াই ১৪৭ টি দেশে যাওয়া যায়। আর তালিকার একদম তলানিতে ৮০তম অবস্থানে আছে সাওটম ও প্রিন্সিপে, ফিলিস্তিন, সলোমন আইল্যান্ড, মিয়ানমার ও দক্ষিণ সুদান। এই দেশগুলোর পাসপোর্টে মাত্র ২৮টি দেশে ভিসা ছাড়া প্রবেশাধিকার আছে।
বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ৫০টি দেশে ভিসা ছাড়াই প্রবেশের অনুমতির কথা বলা হলেও পার্সপোর্ট ইনডেস্ক ডট অর্গ দেশগুলোর তালিকা প্রকাশ করেনি। আর উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন দেশের দূতাবাস সূত্রে নিন্মোক্ত ৪৫ টি দেশের ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের 

পাসপোর্টধারীদের কোনো ভিসাই লাগবে না এমন দেশগুলো হলো :
১. বাহামাস (চার সপ্তাহ পর্যন্ত)
২. বার্বাডোস (ছয় মাস)
৩. ডোমিনিকা (ছয় মাস)
৪. ফিজি (চার মাস)
৫. গাম্বিয়া (তিন মাস)
৬. গ্রানাডা (তিন মাস)
৭. হাইতি (তিন মাস)
৮. জ্যামাইকা
৯. লেসোথো (তিন মাস)
১০. মালাওয়ি (তিন মাস)
১১. মাইক্রোনেশিয়া (এক মাস)
১২. সেইন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস
১৩. সেইন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড দ্য গ্রানাডিনস (এক মাস)
১৪. ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো
১৫. ভানুয়াতু (এক মাস)
১৬. মন্টসেরাত (তিন মাস)
১৭. টার্ক অ্যান্ড সিসেরো আইল্যান্ড (এক মাস)
১৮. ব্রিটিশ ভার্জিনিয়া আইল্যান্ড (এক মাস)
১৯. মাক্রোনেশিয়া (এক মাস)
২০. নিউয়ি (এক মাস)
বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়াই যেতে পারবেন, তবে সেখানে পৌঁছে ভিসা করতে হবে এমন দেশগুলো হলো:
১. ভুটান
২. বলিভিয়া (তিন মাসের ভিসা)
৩. কেপ ভার্দে
৪. কমোরোস
৫. গিনি বিসাউ (তিন মাস)
৬. মাদাগাস্কার (তিন মাস)
৭. মালদ্বীপ (এক মাস)
৮. মাওরিতানিয়া
৯. মোজাম্বিক (এক মাস)
১০. নেপাল (এক মাস)
১১. নিকারাগুয়া (তিন মাস)
১২. তিমরলেস্টে (এক মাস)
১৩. টোগো (সাত দিন)
১৪. তুভালু (এক মাস)
১৫. উগান্ডা
১৬. বুরুন্ডি
১৭. জিবুতি (এক মাস)
১৮. আজারবাইজান (এক মাস)
১৯. ম্যাকাউ (এক মাস)
বাংলাদেশের পাসপোর্ট থাকলে ভিসা লাগবে না তবে বিশেষ অনুমোদন লাগবে এমন দেশগুলো হলো :
১. কিউবা (টুরিস্ট কার্ড জোগাড় করতে হবে, মেয়াদ তিন মাস)
২. সামোয়া (ঢোকার অনুমতিপত্র থাকলেই হলো, মেয়াদ দুই মাস)
৩. সেচেলেস (ভ্রমণের অনুমতিপত্র থাকতে হবে, মেয়াদ এক মাস)
৪. সোমালিয়া (ওই দেশে থাকা কেউ স্পন্সর করলে ভিসা পৌঁছেও করা যাবে, যার মেয়াদ হবে এক মাস। তবে সোমালিয়া পৌঁছানোর দুদিন আগে সেখানকার বিমানবন্দরে বিষয়টি জানিয়ে রাখতে হবে)
৫. শ্রীলংকা (ভ্রমণের জন্য ইলেকট্রনিক অনুমোদনপত্র, মেয়াদ এক মাস)
৬. লাওস (সরকারি কোনো সফরের নথিপত্র থাকলে ভিসা প্রয়োজন হবে না)

Saturday, July 2, 2016

মোটরযান আইনের ধারা & অপরাধগুলোঃ


ধারা : ১৩৮। লাইসেন্স ব্যতীত মোটরযান চালাইলে সর্বোচ্চ চার মাসের কারাদণ্ড অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয়বিধ শাস্তি পাইতে হইবে।
মোটরযান আইনের ধারা
ধারা : ১৩৯। নিষিদ্ধ হর্ণ কিংবা শব্দ উৎপাদনকারী যন্ত্র লাগান ও ব্যবহারঃ
# যদি মোটরযানে এমন ধরণের হর্ণ বা শব্দ উৎপাদনকারী যন্ত্র সংযোজন বা ব্যবহার করে যাহা সংশ্লিষ্ট এলাকায় যথাযোগ্য কর্র্তৃপক্ষ এই আইন অথবা তদধীনে প্রণীত কোন বিধি বা প্রবিধান মোতাবেক নিষিদ্ধ করিয়াছেন তাহা হইলে নির্দিষ্ট সর্বোচ্চ একশত টাকা পর্যন্ত জরিমানা হইবে।
(ইদানীং এই কারণে মামলা বেশি হচ্ছে। অনেকেই বেআইনী হুটার লাগাচ্ছেন গাড়িতে)

ধারা : ১৪১। লাইসেন্স সংক্রান্ত অপরাধসমূহঃ
(৩) যেকোন সময় মোটরযান চালনাকালে এই আইন অনুযায়ী কর্মরত যেকোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক চাহিবামাত্র বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদর্শন করিতে ব্যর্থ হইলে দণ্ডস্বরূপ পঞ্চাশ টাকা জরিমানা করা হইবে।
ধারা : ১৪২। নির্ধারিত গতির চেয়ে দ্রুতগতিতে গাড়ি চালাইলেঃ
# প্রথমবার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ এক মাস কারাদণ্ড কিংবা সর্বাধিক তিনশত টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং
# তৎপরবর্তী অনুরূপ অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ তিন মাস কারাদণ্ড কিংবা সর্বাধিক পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তাহার ড্রাইভিং লাইসেন্স অনধিক এক মাস মেয়াদের জন্য সাসপেণ্ড করা হইবে।

ধারা : ১৪৩। বেপরোয়াভাবে কিংবা বিপজ্জনকভাবে গাড়ি চালনাঃ
# প্রথমবার এই অপরাধ করিলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড কিংবা পাঁচশত টাকা জরিমানা হইবে এবং তাহার ড্রাইভিং লাইসেন্স একটা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য সাসপেন্ড থাকিবে।

ধারা : ১৪৪। মদ্যপান কিংবা মাদকদ্রব্য সেবনের পর মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালানোঃ
# তিনি গাড়ির উপর যথাযথ নিয়ন্ত্রণ কার্যকর করিতে অক্ষম, এমতাবস্থায় যদি তিনি গাড়ি চালান কিংবা চালানোর চেষ্টা করেন, তবে অনুরূপ অপরাধ প্রথমবার সংঘটনের জন্য সর্বোচ্চ তিন মাস কারাদণ্ড কিংবা সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা জরিমানা কিংবা উভয়বিধ শাস্তি হইবে।

ধারা : ১৪৫। শারীরিক কিংবা দৈহিকভাবে অনুপযুক্ত অবস্থায় গাড়ি চালনাঃ
# প্রথমবার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ শত টাকা জরিমানা হইবে এবং তাহার ড্রাইভিং লাইসেন্স নিদিষ্ট মেয়াদে বাতিল করা হইবে।

ধারা : ১৪৭। কতিপয় অপরাধ করিতে সহায়তার জন্য শাস্তিঃ
>> কোন ব্যক্তি ১৪৩ কিংবা ১৪৫ ধারা অনুযায়ী কোন একটি অপরাধ সংঘটনের সহায়তা করিলে তিনি সেই অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তি পাওয়ার যোগ্য হইবেন।

ধারা : ১৪৮। মোটরগাড়ির দৌড়বাজি কিংবা গতি পরীক্ষাঃ
# সর্বোচ্চ এক মাস কারাদণ্ড অথবা পাঁচশত টাকা জরিমানা কিংবা উভয়বিধ শাস্তি পাইবার যোগ্য হইবেন এবং তাহার ড্রাইভিং লাইসেন্স সর্বোচ্চ এক বৎসরের জন্য সাসপেন্ড করা যাইতে পারে।

ধারা : ১৪৯। নিরাপত্তাবিহীন অবস্থায় গাড়ি ব্যবহারঃ
# সর্বোচ্চ এক মাস কারাদণ্ড কিংবা সর্বাধিক দুইশত পঞ্চাশ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডণীয় হইবেন। সর্বোচ্চ তিন মাস কারাদণ্ড কিংবা সর্বাধিক এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয়বিধ দণ্ড হইবে।

ধারা : ১৫০। ধোঁয়া বাহির হওয়া মোটরযান ব্যবহারঃ
# এমনভাবে ধোঁয়া বাহির হয় যাহার ফলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হইতে পারে, অনুরূপ মোটরগাড়ি কেহ প্রকাশ্য স্থানে চালাইলে, সর্বোচ্চ দুইশত টাকা জরিমানা হইবে।

ধারা : ১৫১। এই অধ্যাদেশের সাথে সঙ্গতিবিহীন অবস্থায় গাড়ি বিক্রয় অথবা গাড়ির পরিবর্তন সাধনঃ
# সর্বোচ্চ দুই বৎসর মেয়াদী কারাদণ্ড কিংবা পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয়বিধ দণ্ড দেওয়া হইতে পারে।

ধারা : ১৫৪। অননুমোদিত ওজন অতিক্রমপূর্বক গাড়ি চালনাঃ
# কোন ব্যক্তি ৮৬ অথবা ৮৮ ধারার অধীনে আরোপিত কোন নিষেধাজ্ঞা লংঘন করে গাড়ি চালাইলে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা জরিমানা।

ধারা : ১৫৬। অনুমতি ব্যতীত গাড়ি চালনাঃ
# কোন ব্যক্তি কোন মোটরযানের কিংবা অন্য কোন আইনানুগ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত সংশ্লিষ্ট মোটরগাড়ি চালাইয়া বাহিরে লইয়া গেলে সর্বোচ্চ তিন মাস কারাদণ্ড অথবা সর্বাধিক দুই হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয়বিধ শাস্তি পাইবার যোগ্য হইবেন।

ধারা : ১৫৭। প্রকাশ্য সড়কে অথবা প্রকাশ্য স্থানে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিঃ
# সর্বোচ্চ পাঁচশত টাকা জরিমানা হইবে এবং অনুরূপ মোটরযান কিংবা খুচরা যন্ত্র বা জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত করা হইতে পারে।

ধারা : ১৬০। ওয়ারেন্ট ব্যতীত গ্রেফতারের ক্ষমতাঃ
# এক ইউনিফরমধারী পুলিশ অফিসারের সামনে কেহ ৩২, ৫১, ১৪৩, ১৪৪, ১৪৫, ১৪৬, ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯, ১৫৪ কিংবা ১৫৬ ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধ করিলে তিনি উক্ত অপরাধীকে ওয়ারেন্ট ব্যতীতই গ্রেফতার করিতে পারেন।
কালেক্টঃ ট্রাফিক ডিভিশন গাজীপুর
Sakhawat Hossain
Senior ASP

মোটরসাইকেলের মাইলেজ বাড়ান

একটি মোটরবাইক কতটা মাইলেজ দেবে তা বেশ খানিকটা নির্ভর করে বাইকের যত্ন-আত্তির উপর। কীভাবে বাড়ানো যায় বাইকের মাইলেজ?

নতুন বাইক কেনার পরে বেশ কিছুদিন অপেক্ষাকৃত কম মাইলেজ পাওয়া যায়। নতুন বাইক অন্তত ১০০০ কিলোমিটার বা ১৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত চালানোর পরে যতক্ষণ না দুই থেকে তিনবার সার্ভিস করানো হয়, ততক্ষণ সচরাচর মাইলেজ বাড়ে না।

তবে বাইকের পারফরম্যান্স আর মাইলেজের মধ্যে সম্পর্ক সব সময়েই ব্যস্তানুপাতিক। ৩৫০ সিসি বা ৪০০ সিসি বাইকের মাইলেজ কখনওই ১৫০ সিসি বাইকের মতো হবে না। তবে কয়েকটি সহজ এবং সাধারণ পদ্ধতি রয়েছে যেগুলি অনুসরণ করলে বাড়ানো যায় মাইলেজ-


১. কার্বোরেটর নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। কার্বোরেটরে ধুলোবালি জমে জেট এবং ফ্লোট বোল নিডল জ্যাম হয়ে যায়। এর ফলে জ্বালানি বেশি খরচ হয়।

২. এয়ার ফিল্টার বুজে গেলেও ইঞ্জিন তুলনামূলকভাবে বেশি জ্বালানি খরচ করে। তাই ভালভ পরিষ্কার রাখাটা জরুরি।

৩. ক্লাচ প্লেট যেন ঠিকঠাক থাকে। নাহলে ইঞ্জিনের উপর চাপ পড়ে এবং জ্বালানি খরচ বেড়ে যায়।

৪. বাইকের দুটি টায়ারেই যেন কোম্পানি নির্দিষ্ট এয়ার প্রেশার থাকে। নাহলে বাইক চালানোর সময়ে অতিরিক্ত চাপ পড়বে ইঞ্জিনে এবং জ্বালানি বেশি খরচ হবে।

৫. বাইকের ম্যানুয়ালে যে গিয়ার চেঞ্জ স্পিড নির্দিষ্ট করা আছে, সেই স্পিডই বজায় রাখলে ঠিকঠাক মাইলেজ পাওয়া যায়।

৬. বাইকটি স্টার্ট দেওয়ার পরে প্রথম ৪০০ মিটার যতটা সম্ভব আস্তে যাবেন। প্রথমেই স্পিড তুললে জ্বালানি বেশি পোড়ে।

৭. ক্লাচ এবং ব্রেক যতটা কম ব্যবহার করবেন ততই ভাল। স্পিড কমানোর সময় ক্লাচ পুল না করে পরিবর্তী গিয়ার ব্যবহার করুন। এতে ব্রেক এবং ক্লাচের ব্যবহার অনেকটা কমানো যায়। এর ফলে অনেকটা জ্বালানি সাশ্রয় হয়।

**: চেক করুন মোটরসাইকেলের চাকা freely ঘুরছে কিনা। অনেক সময় ব্রেক অতিরিক্ত টাইট থাকার কারনে চাকা জ্যাম হয়ে থাকে। আবার চাকার বেয়ারিং ভেংগে গেলেও চাকা জ্যাম হয়ে থাকে। আর চাকা জ্যাম থাকলে একই গতিতে ইঞ্জিনে বেশি চাপ বহন করতে হবে। আর ফলাফল স্বরুপ মাইলেজ কমে আসবে।

যদি চাকা জ্যাম থাকে তাহলে অবশ্যই তার সমাধান করুন। অনেক সময় চাকার মেইন নাট মাত্রাতিরিক্ত টাইট করার কারনেও চাকা জ্যাম হতে পারে। সাবধান থাকুন কারন অতিরিক্ত টাইট নাট যেকোন সময় গোড়া থেকে ভেঙ্গে আসতে পারে। যার ফলাফল শুভ হবেনা

**: চেইন অতিরিক্ত টাইট থাকাও চাকা জ্যামের কারন। সেই সাথে চেইন নিয়মিত পরিস্কার না করা বা লুব্রিকেন্ট না দেয়া হলেও মাইলেজে কিছু কমতি দেখা যায়। ম্যানুয়ালে উল্লেখিত মাত্রায় চেইন টাইট রাখুন।
নোটঃ অতিরিক্ত টাইট চেইন থাকলে স্প্রোকেট খুব তাড়াতাড়ি ক্ষয়ে যায় আর চলন্ত অবস্থায় ছিড়ে যাবার সম্ভাবনাও থাকে।

**: দূর্বল পিস্টন-রিং কম মাইলেজের আরেকটি কারন। এ সমস্যা থাকলে ইঞ্জিন অয়েল পিস্টন চেম্বারে (combustion chamber) এ চলে আসে আর পেট্রলের দাহ্যগুন কমিয়ে দেয়। ফলাফলঃ কম মাইলেজ + কম শক্তি।

**: ভালভ ক্লিয়ারেন্স মাইলেজ ও শক্তি কম দেয়ার সবচেয়ে বড় কারন বলে আমি মনে করি। (সাধারনত মেকানিকরা একে টেপিট মিলানো বলে।) অতিরিক্ত টাইট ভালভ ইঞ্জিনের শব্দ কমিয়ে দেয় ঠিকই, কিন্তু টাইমিং চেইনের উপর এর প্রভাব পড়ে। এতে করে ইঞ্জিনের মধ্যকার ফ্রিকশন বেড়ে যায়। সহজভাবে বললে ইঞ্জিন সহজভাবে ঘুরতে বাধা পায়। এতে অতিরিক্ত জ্বালানী খরচ হয়। সেই সাথে টাইমিং চেইনটাও বেশিদিন টিকেনা।

একইভাবে বেশি ভালভ ক্লিয়ারেন্সের ক্ষেত্রে early অথবা late combustion হয় যা কাম্য নয়। সোজা কথা ভালব ক্লিয়ারেন্স যতটা নিখুঁত হবে, মোটরসাইকের পারফর্মেন্স এবং মাইলেজ ততটা বৃদ্ধি পাবে।

**: কার্বুরেটর। এইবার আসা যাক এখানে। হ্যা এটা দিয়ে তেল বাড়ানো কমানো যায়। কিন্তু এখানে যত কম হাত দিবেন ততই মঙ্গল। কার্বুরেটর এবং এর adjustment স্ক্রু গুলি অত্যন্ত sensitive হয়ে থাকে। অনভিজ্ঞ মেকানিক দ্বারা কখনও কার্বুরেটর টিউন করাবেন না। এতে এটি নষ্ট হবার সম্ভাবনা বাড়ে আর তখন উচ্চমূল্যে আরেকটি কেনা ছাড়া উপায় থাকেনা।

**: কোম্পানি নির্ধারিত গ্রেডের ইঞ্জিন অয়েল ব্যাবহার করুন। এতে আপনার মোটরসাইকেলের ইঞ্জিনের স্থায়ীত্বও বৃদ্ধি পাবে।

**:  টায়ার প্রেশার প্রস্তুতকারকের পরামর্শ অনুযায়ী রাখুন এবং প্রতি দুই সপ্তাহে একবার চেক করুন

**: উন্নতমানের স্পার্ক প্লাগ ব্যাবহার করুন। বাজারে ngk irridium plug পাওয়া যাচ্ছে এখন।

** : এয়ার ফিল্টারের কথা একেবারেই ভুলে গেছিলাম। অবশ্যই মনে করে প্রতি সার্ভিসিং এ এয়ার ফিল্টার পরিস্কার করুন এবং নির্ধারিত সময় পর পর বদলে ফেলুন। একটি ময়লা হয়ে যাওয়া এয়ার ফিল্টার কম মাইলেজের অন্যতম প্রধান কারন।

এসব কারন ছাড়াও RPM অতিরিক্ত বাড়িয়ে রাখা, বার বার ব্রেক করে আবার গতি বাড়িয়ে চালানো, সিগনালে স্টার্ট বন্ধ না করা, নিম্নমানের পেট্রল/অকটেন ব্যাবহার প্রভৃতি কারনেও মাইলেজ কমে আসে। ভবিষ্যতে আরও কোন কারন মনে হলে জানানোর চেষ্টা করা হবে।

Saturday, June 4, 2016

চিকেন থাই স্যুপ তৈরির সহজ উপায়

চিকেন থাই স্যুপ রেসিপিঃ বিথী জগলুল

সাধারণ “নর স্যুপ” দিয়ে ঘরেই তৈরি করে ফেলুন রেস্টুরেন্টের স্বাদের অসাধারণ চিকেন থাই স্যুপ । কিভাবে? খুব সিম্পল, খুব সহজ। চলুন, রেসিপি দেখে নেয়া যাকঃ
সময়ঃ ৩০ মিনিট


উপকরন:


  • নর থাই স্যুপ– ১ প্যাকেট
  • চিকেন ব্রেস্ট– ১ টি মুরগীর
  • ডিমের কুসুম–৩টি (হাঁসের ডিমের কুসুম হলে স্যুপের রঙ সুন্দর হবে)
  • কর্ণস্টার্চ/ কর্নফ্লাওয়ার– ২ টে চামচ
  • টমাটো সস– ২ টে চামচ
  • ফিশ সস– ২ টে চামচ
  • সয়াসস– ১ টে চামচ
  • লেবুর রস– ২ চা চামচ
  • গোলমরিচ গুঁড়া– স্বাদমতো
  • চিনি– ১ চা চামচ( স্বাদমতো)
  • কাঁচামরিচ ফালি– ৫-৬টি( বিচি ফেলা)
  • পানি– ৫-৬ বাটি ( নরমাল স্যুপের বাটি দিয়ে মাপা)

যেভাবে করবেনঃ

কিউব করে চিকেন কেটে নিন। সামান্য আদা-রসুন বাটা ও লবন দিয়ে চিকেন সেদ্ধ করে রাখুন।
একটি সসপ্যানে লেবুর রস, চিনি ও কাঁচামরিচ ফালি ছাড়া পানির সাথে সব উপকরন মিশিয়ে চুলায় জ্বাল দিন। ফুটে উঠলে কাঁচামরিচ, চিনি ও লেবুর রস মিশিয়ে নিন।
যদি আপনার কাছে মনে হয় স্যুপের ঘনত্ব কম, তাহলে অল্প একটু ঠান্ডা পানিতে আর একটু কর্নফ্লাওয়ার গুলিয়ে দিতে পারেন।

পরিবেশন :-

** অনথন, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই দিয়ে পরিবেশন করুন ইয়াম্মি থাই চিকেন স্যুপ।

চিকেন কর্ণ ভেজিটেবল স্যূপ

উপকরণ:

  • চিকেন স্টক ৬কাপ
  • গাজর কুচি ২ টেবিল চামচ
  • ক্যাণ কর্ণ ২-৩ টেবিল চামচ
  • কাচাঁমরিচ কুচি ২টি ( ঝাল পছন্দ মত)
  • সুগন্ধি লেবুর রস ২টেবিল চামচ
  • লেমন গ্রাস ২-৩ টুকরা (না দিলে ও অসুবিধা নেই ,তবে লেমন গ্রাস স্যূপের স্বাদ দ্বিগুন করে )
  • পেয়াজঁ পাতা কুচি ২ টেবিল চামচ
  • ধনেপাতার ডাটা থেতলানো ৩টেবিল চামচ
  • লবণ আন্দাজ মত
  • কর্ণফ্লাওয়ার ২ টেবিল চামচ
  • ডিমের সাদা অংশ ২টি (ফেটানো )

পদ্ধতি :

স্টক তৈরি করতে যা যা লাগবে :

  • হাড় যুক্ত চিকেন ২৫০ গ্রাম
  • আদা -রসূন বাটা ১টেবিল চামচ
  • লবণ ১চা চামচ
  • গোলমরিচের গুড়াঁ ১/২ চা চামচ
  • বাটার বা সেসিমি অয়েল ১চা চামচ
  • চিকেন কিউব ১ টি (ইচ্ছা )
  • পানি ২ লিটার
একটি পাত্রে বাটার গরম করে আদা-রসূন বাটা ,চিকেন দিয়ে ,একে একে বাকি উপকরণ দিয়ে পানি দিয়ে নেড়ে ঢেকে সিদ্ধ করতে হবে ৪০-৪৫ মিনিট।হয়ে গেলে নামিয়ে স্টক ছেকেঁ নিন এবং চিকেন হাড় থেকে আলাদা করে রাখুন স্যূপ বা অন্য কিছু বানাতে ব্যবহার করতে পারেন।

ভেজিটেবল স্যূপ বানানোর পদ্ধতি :-

১: একটি পাত্রে ৬কাপ চিকেন স্টক মেপে নিন ।
২: চুলায় জ্বাল দিয়ে, এবার চিকেন স্টকে, গাজর কুচি, কর্ণ, লেমন গ্রাস দিয়ে বলক আনুন। দু বার বলক তোলে, এখন গুলে রাখা কর্ণফ্লাওয়ার দিন এবং নেড়ে মিশান। চুলার আচঁ মিড়িয়াম রাখুন। এবার কাচাঁমরিচ কুচি ,ধনেপাতার ডাটা ছেচাঁ দিন ,অল্প পেয়াজঁ পাতা কুচি দিন।অল্প গোলমরিচের গুড়াঁ দিন এবং লবণ চেক করে লবণ দিন।
৩: ফেটানো ডিম নেড়ে মিশান আস্তে আস্তে । এবার লেবুর রস দিয়ে নেড়ে নামিয়ে নিন।
৪: গরম গরম স্যূপ বাটিতে ঢেলে উপরে পেয়াজঁ পাতা কুচি ছিটিয়ে পরিবেশন করুন অন্হুুন বা স্প্রিং রোলের সাথে ।

চিকেন কর্ন স্যুপ

উপকরনঃ

  • চিকেন ৩০০ গ্রাম
  • ডিম ২টা
  • সাদা গোল মরিচ ১ চা চামচ
  • কর্ন ফ্লাওয়ার ৩ চা চামচ
  • টেষ্টিং সল্ট ১ চা চামচ
  • লবন পরিমানমত
  • চিকেন স্টক ৪ কাপ
  • বাটার ১ চা চামচ
  • বেবি কর্ন ১/২ কাপ

প্রনালি:

– চিকেন কিউব করে কেটে নিন। এবার প্যানে বাটার দিয়ে চিকেনে সামান্য লবন মেখে হালকা করে ভেজে নিন।
– বাটারে চিকেন স্টক দিয়ে দিন, পরিমানমত লবন, টেষ্টিং সল্ট, বেবি কর্ন, গোল মরিচ দিয়ে রান্না করুন, যতখন না মাংসটা ভালভাবে সেদ্ধ হয়।
– এবার ২ টা ডিমের সাদা অংশ আলাদা করুন,ফেটে নিন ভাল করে। কর্ন ফ্লাওয়ার ঠান্ডা পানিতে গুলে চিকেন স্টকে দিয়ে ভাল করে নাড়তে থাকুন।
– কিছুখন পর ফেটানো ডিমটা দিয়ে আবার ভালো করে নেড়ে নিন। ঘন হয়ে আসলে নামিয়ে নিন। গরম গরম পরিবেশন করুন 

বাসায় তৈরি করুন দোকানের মিষ্টি দই

উপকরনঃ

  • দুধ দেড় কেজি
  • চিনি পৌনে ১ কাপ
  • দইয়ের বীজ ৩ চা চামচ

প্রনালি :

– দুধ জ্বাল দিয়ে দেড় কেজিকে ১ কেজি করতে হবে। বার বার নেড়ে দিন যাতে সর না পরে। এবার অন্য পাত্রে ১ চামচ চিনি ১ চা চামচ পানি জ্বাল দিয়ে ক্যারামেল করুন, গরম দুধে ঢেলে দিন। এতে দইয়ের সুন্দর রং আসবে। বাকি চিনি ও দিন, ভালো করে নেড়ে আরো কিছুটা সময় জ্বাল দিয়ে এবার দুধটা ঠান্ডা হতে দিন। একটু পর পর নেড়ে দিন।
– ঠান্ডা হলে দইয়ের বীজ ২ চা চামচ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে দিন দুধের সাথে। আর বাকি বীজটা দই পাতার জন্য ব্যবহৃত মাটির পাত্রের ভেতরে লাগিয়ে দিন।
– এবার পাত্রে দুধটা উপর থেকে একবারে ঢেলে দিন। যাতে উপরে ফেনা জমে। পাত্রটি ঢেকে এবার মোটা কম্বল বা কাথা দিয়ে জড়িয়ে দিন কিংবা কোন গরম স্থানে রাখুন ৭/৮ ঘন্টার জন্য। খেয়াল রাখবেন ডাতে নাড়াচাড়া না লাগে।
৭/৮ ঘন্টা পর দেখবেন দই জমে গেছে।

বেকড্ লেয়ার সন্দেশ

উপকরনঃ

১)
  • ছানা ৩ কাপ
  • ডিম ১টা
  • কনডেন্সড মিল্ক ১/২ কাপ
  • দারচিনি গুড়া সামান্য
২)
  • গাজর কুচি ৩ কাপ
  • গুড়া দুধ ১/২ কাপ
  • কনডেন্সড মিল্ক ১/৩ কাপ
  • বাটার ২-৩ টেবিল চামচ
৩)
  • বাটার ২চেবিল চামচ
  • ওভেন প্রুফ চারকোনা ডিস (৫.৫)

প্রণালীঃ

  • গাজর কুচি গরম পানিতে বয়েল করে পানি চিপে রাখুন।
  • ২ নং উপকরন দিয়ে গাজর কুচি ভেজে নিন। বেশি ভাজবেন না। ঠান্ডা করে নিন।
  • ১ নং উপকরন গুলি বিটার দিয়ে ৩-৪ মিনিট বিট করুন।
  • ২চেবিল চামচ বাটার ওভেন প্রুফ চারকোনা ডিসে ব্রাশ করে নিন।
  • অর্ধেক ছানা বাটিতে সমান করে দিন, তার উপরে গাজর সমান করে দিন, বাকি অর্ধেক ছানা উপরে দিয়ে ১৬০ ডিগ্রীতে ৩৫-৪০ মিনিট বেইক করুন।
  • পুরা ঠান্ডা করে পিস পিস করে কেটে পরিবেশন করুন মজাদার লেয়ার সন্দেশ।

দুধ মালাই মিষ্টি

উপকরণ:

  • গুড়াঁ দুধ ১ কাপ,
  • ডিম ১টা,
  • বেকিং পাউডার ১চা চামচ,
  • ময়দা ১ চামচ,
  • এলাচ গুড়া ২ চিমটি,
  • গোলাপজল ১/২ চা চামচ,
  • চিনি ২ টেবিল চামচ,
  • তরল দুধ আধা কেজি।

প্রস্তুত প্রনালীঃ

– হাড়িতে চিনি, দুধ, ১ চিমটি এলাচ গুড়োঁ সব দিয়ে অল্প আচেঁ চুলায় জ্বাল দিন। এবার আরেকটি পাত্রে  গুড়াঁ দুধ ১ কাপ, বেকিং পাউডার ১চা চামচ, ময়দা ১ চামচ, এলাচ গুড়া ১ চিমটি, গোলাপ জল সব মিশিয়ে নিন। ডিম ফেটিয়ে এই মিশ্রনে মিশিয়ে দিন।সব ভাল ভাবে মিশিয়ে নিন। বেশি মাখাবেন না সব ভাল ভাবে মিশে গেলেই হবে।
– প্রথমে খামিরটা হাতের সাথে আঠালো ভাবে আটকে যাবে। এটা ৫ মিনিট রেখে দিলেই ঠিক হয়ে যাবে। এবার হাতে তেল বা ঘি মেখে পছন্দ মত আকারে মিষ্টি বানিয়ে নিন।এবার দুধে বলক তুলে মিষ্টিগুলো দিয়ে দিন।মিষ্টিগুলো ফুলে উঠলে চুলার জাল কমিয়ে ঢাকনা দিয়ে দিন। ১০ মিনিট পর ঢাকনা তুলে দেখুন মিষ্টি ভাল ভাবে সিদ্ধ হয়েছে কিনা। হয়ে গেলে নামিয়ে ঠান্ডা বা গরম দুইভাবেই পরিবেশন করতে পারেন।

পারফেক্ট রসগোল্লা রেসিপি

উপকরনঃ
  • -লিকুইড দুধ -১ লিটার
  • -সিরকা ৩ টে চা + পানি ৩ টে চা
  • -ময়দা-১/২চা চামচ
  • -বেকিং পাউডার – ১ চিমটি

সিরার জন্যঃ

  • -১ – ১/২ কাপ চিনি
  • – ৫ কাপ পানি
  • -এলাচ- ২ টা
একটি পাত্রে চিনি, পানি আর এলাচ নিয়ে চুলায় অল্প আঁচে জ্বাল দিয়ে নেড়ে নেড়ে চিনি আর পানিটা মিশে গেলেই চুলা বন্ধ করে রাখুন।

প্রস্তুত প্রনালীঃ

একটি পাত্র চুলায় দিয়ে দুধ জ্বাল দিতে হবে ও দুধ ফুটে উঠলে একটু একটু করে সিরকা ও পানির মিশ্রন দুধে ছড়িয়ে দিয়ে নাড়তে হবে ও  যখন দুধ ছানা হয়ে যাবে এবং পানিটা সবুজাভ হবে তখন পাত্র টাকে প্রায় ঠান্ডা হওয়া পর্যন্ত রাখতে হবে। ঠাণ্ডা হলে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে একটা সুতির পাতলা কাপড়ে ছানার পানি ঝরাতে হবে।এবং কলের নিচে একটা পাত্রের উপর ছানার কাপড়টা রেখে পানি দিয়ে ছানা টাকে নেড়েচেরে ধুয়ে নিতে হবে। এবার কাপরটাকে হাত দিয়ে চেপে চেপে পানি যতটুকু বের করা যায় বের করতে হবে।তারপর কাপড় সহ ছানাটাকে ঝুলিয়ে রাখতে হবে পানি ঝরার জন্য ২ ঘণ্টা। পানি ঝরে গেলে ছানাটা একটা ছড়ানো প্লেটে রাখতে হবে। ৫ /৭ মিনিট হাত দিয়ে একটু বাতাসে ছড়িয়ে দিয়ে বাড়তি পানি টা শুকিয়ে নিতে হবে। ছানাটা খুব নরম হবে।
এবার ছানার সাথে ময়দা ও বেকিং পাউডার মিশিয়ে হাতের তালু দিয়ে প্লেটের উপর ছানাটা ঘষে ঘষে মথে নিতে হবে১০/১২ মিনিট । খেয়াল রাখতে হবে যেন ছানার মধ্যে কোনো দলা দলা না থাকে এবং বল করলে যেন খুব মসৃন বল হয়।
ছানাটা ১২ ভাগ করে ১২ টা মসৃণ বল বানাতে হবে। বল করার সময় চুলায় সিরা বসিয়ে অল্প আচে রাখতে হবে। সিরা যাতে ঘন না হয়ে যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এবার বলগুলি  হয়ে গেলে একসাথে সিরাতে ছেড়ে দিবে এবং ঢাকনা দিয়ে আচ বাড়িয়ে বলক আসা পর্যন্ত রাখতে হবে। বলক আসলে চুলার আচ কমিয়ে দিতে হবে ও মিষ্টি নাড়াচড়া করা যাবে না।
১০ মিনিট পর আবার ১/২ কাপ পানি দিতে হবে সিরা যেন ঘন না হয়। এভাবে ২০ মিনিট জ্বাল দিতে হবে অল্প আচে। এবার চুলা বন্ধ করুন। ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখুন ২ ঘন্টা। এবার হয়ে গেলে পাত্রে ঢেলে সুন্দর করে সাজিয়ে পরিবেশন করুন দারুন মজার রসগোল্লা

রাজভোগ মিষ্টি রেসিপি

রাজভোগ মিষ্টি রেসিপি

উপকরনঃ

ছানা তৈরির জন্যঃ

  • ১ কেজি দুধ ,
  • আধা কাপ ভিনেগার,
  • আধা কাপ পানি।

যেভাবে ছানা তৈরি করবেনঃ

  1. পানি ও ভিনেগার একসঙ্গে মিশিয়ে আলাদা করে রাখুন।
  2. দুধ চুলায় জ্বাল দিয়ে ফুটিয়ে নিন। দুধ ফুটে উঠলে চুলা বন্ধ করে দিয়ে এতে ভিনেগার মেশানো পানি দিয়ে দিন। ছানা হয়ে গেলে তা ছেঁকে পানি ঝরতে রেখে দিন।

মাওয়া তৈরির জন্যঃ

  • আধা কাপ গুঁড়ো দুধ,
  • ২ টেবিল চামচ মিহি চিনি,
  • ১ টেবিল চামচ ঘি,
  • ১ চা চামচ গোলাপ জল।

যেভাবে মাওয়া তৈরি করবেনঃ

  1. একটি পাত্রে সবকটি উপকরণ মিশিয়ে নিন।
  2. এবার একটি চালনি দিয়ে বড় বড় করে দানা তৈরি করে চেলে মাওয়া তৈরি করুন।

সিরা তৈরির জন্যঃ

  • ৪ কাপ চিনি,
  • ৭ কাপ পানি,
  • সামান্য জাফরান। (জাফরান মিষ্টির রঙ হলুদ করবে )

যেভাবে সিরা তৈরি করবেনঃ

  1. একটি প্যানে চিনি ও পানি জ্বাল দিয়ে পাতলা সিরা তৈরি করে নিতে হবে।
  2. এবার সিরা একটি পাতলা কাপড়ে ছেঁকে নিয়ে আবার চুলায় দিয়ে জাফরান দিন। সিরা পাতলাই থাকবে।

রাজভোগ তৈরির জন্যঃ

  • ১ কাপ ছানা,
  • ১ চা চামচ চিনি,
  • ৩ চা চামচ সুজি।

মূল প্রস্তুত প্রণালীঃ

– প্রথমে খুব ভালো করে ছানা মেখে নিয়ে এতে চিনি ও সুজি দিয়ে আবার মথে নিন। ছানার মিশ্রণ ৬/৮টি সমান ভাগে ভাগ করে নিয়ে হাতে গোল বলের মতো তৈরি করে ভেতরে মাওয়ার পুর দিয়ে দিন। লক্ষ্য রাখবেন পুর যেন ভেতর থেকে বের না হয়ে যায়।
– এরপর পাতলা চিনির সিরা জ্বাল দেয়া অবস্থায় এতে ছানার বলগুলো দিয়ে দিন। এর পর ছানার বল দিয়ে ঢেকে দিন ৪০ মিনিটের জন্য মাঝারি আঁচে।
– ছানার বলগুলো ফুলে প্রায় দ্বিগুণ হলে বুঝবেন আপনার রাজভোগ তৈরি। এবার চুলা বন্ধ করে দিয়ে নামিয়ে নিন। ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে পরিবেশন করুন মজাদার রাজভোগ মিষ্টি
http://www.bn.banglarecipe.net/%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%97-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BF/

মজাদার রসমালাই তৈরি করুন নিজ হাতে

তুলতুলে নরম রসমালাই

এই রসমালাই এর রেসিপিটি আমি তিনটি ধাপে লিখে দিলাম যাতে আপনাদের বুঝতে সুবিধা হয়। আমার টিপস গুলো ফলো করলে ইনশাআল্লাহ্‌ আপনার রসমালাই নরম হবেই। আর কখনো বানানোর পর শক্ত হয়ে যাবে না। দেখে নিন যেভাবে তৈরি করবেন 
তুলতুলে নরম রসমালাই

উপকরনঃ

ছানা তৈরি :

  • দুধ – ১ লিটার (পুর্ন ননীযুক্ত )
  • সিরকা – ৩ টেবিল চামচ সিরকা +৩ টেবিল চামচ পানি
  • ময়দা – ১ +১/২ চাচামচ 
  • প্রনালি : –
  • – দুধ জ্বাল দিয়ে নিন। ফুটে উঠলে চুলা অফ করে দিন ।
    – ভালভাবে দুধ ফুটিয়ে নিবেন ঘন করার দরকার নেই ।
    – চুলা অফ করে সিরকা আর পানি মিক্স করে অল্প অল্প করে ঢালতে থাকুন ।
    – সিরকা দিবেন আর চামচ দিয়ে আস্তে আস্তে নাড়তে থাকবেন ।
    – ছানা হয়ে গেলে ১০-১৫ মিনিট পর সামান্য গরম থাকতে ছানা পাতলা সুতির কাপরের উপর ঢেলে নিন ।
    – ভাল করে ধুয়ে নিন যাতে সিরকার ফ্লেবার না আসে ।
    – চিপে পানি ফেলে দিন । বেশি চাপবেন না এতে ও মিষ্টি শক্ত হয়ে যায় ।
    – ফ্যান এর নিচে ১-২ ঘন্টা ঝুলিয়ে রাখুন । ৪-৫ ঘন্টা রাখলেও সমস্যা নেই। তবে খেয়াল রাখতে হবে যাতে ছানা বেশি শুকিয়ে না জায় । আমি ৫-৬ ঘন্টাও রাখি ।
    – ১-২ ঘণ্টা পর ছানা ছড়ানো পাত্রে মেলে দিন ।
    – পানি পানি ভাব বেশি থাকলে ফ্যানের নিচে ৭-৮ মিনিট রেখে দিন ।
    – বেশি ভেজা ভেজা না থাকলে ফ্যানের নিচে দেয়ার প্রয়োজন নেই ।
    – বাড়তি পানি শুকিয়ে গেলে ময়দা দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে হাত দিয়ে চেপে চেপে ছানাটা মিহি করে নিন ।
    – ছানা মিহি হয়ে গেলেই আর ছানবেন না । ছানার তেল বের হয়ে গেলে আবার মিস্টি শক্ত হয়ে যেতে পারে ।
    – ৫-৬ মিনিট এভাবে করার পর আটার খামির মত হলে হাত দিয়ে চেপে চেপে শেপ ঠিক করে বল তৈরি করুন ।
    – কিছুর উপর রেখে বল তৈরি করলে অনেক ভাল বল হবে 


    স্পঞ্জ মিষ্টি তৈরি :

  • চিনি – ১ কাপ
  • পানি- ৪ কাপ

প্রনালি :-

– চিনি , ৪ কাপ পানি এক সাথে বড় একটি পাত্রে নিয়ে চুলায় অল্প আচে জ্বাল দিন ।
– আচ বাড়িয়ে দিন চিনি গলে ফুটে উঠলে একদম কমিয়ে দিন ।
– বল গুলো আস্তে আস্তে সিরাতে ছেড়ে দিন । কয়েক সেকন্ড পর ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন ৫ মিনিট । ফুটে উঠলে জ্বাল মাঝারি আচের থেকে সামান্য কমিয়ে দিন । সিরা খুব গরম অথবা ফুটন্ত অবস্থায় মিষ্টির বল গুলো ছাড়বেন না ।
– বল গুলো সিরাতে ছাড়ার আগে হাত দিয়ে একটু গোল করে নিবেন।
– ২০-২৫ মিনিট এভাবে ফুটাবেন । মিষ্টি নাড়াচাড়া করবেন না । (আমার ২০-২২ মিনিটের মধ্যেই হয়ে গিয়েছেল ।)
– মিষ্টি হয়ে গেলে নামিয়ে রেখে দিন । আরেকদিকে দুধ জ্বাল দিতে হবে মালাই এর জন্য ।

মালাই তৈরি জন্য :

  • দুধ – ১/২ কেজি বা তার বেশি
  • কর্নফ্লাওয়ার – ৩ -৪ চাচামচ (আধাকাপ নরমাল দুধের সাথে মিক্স করে রাখুন )
  • অরেঞ্জ ফুড কালার – ১ চিমটি    
  • প্রনালি :-

    – জ্বাল দিয়ে অর্ধেক এর সামান্য বেশি রাখুন ।
    – সবচেয়ে ভাল হয় একদিকে মিষ্টি সিরায় ফুটবে আরেকদিকে দুধ জ্বাল দিলে। সিরা থেকে মিস্টি নামানোর ৪-৫ মিনিটের মধ্যে দুধে দিয়ে দিলে ভাল হয়।
    – দুধ ঘন হয়ে আসলে কালার ও কর্নফ্লাওয়ার দিয়ে নাড়তে থাকুন ।
    – স্পঞ্জ মিষ্টি গুলো সিরা থেকে তুলে দুধের মধ্যে দিয়ে দিন ।
    – সব মিষ্টি এভাবে দেয়া হয়ে গেলে ৪-৫ মিনিট ফুটিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে নিন ।
    – সাথে সাথেও পরিবেশন করতে পারবেন এই মিষ্টি ।
    – ৫-৬ ঘন্টা পরে ভিতরে দুধ ঢুকে আরো নরম হয়ে যাবে । ভিতিরের পানসে ভাব ও থাকবে না ।
    – ফ্রিজে রাখা অবস্থায় মিষ্টি সামান্য শক্ত লাগতে পারে। বাহিরে কিছুক্ষন বের করে রাখলেই নরম তুলতুলে হয়ে যাবে ।

    টিপস :-

    ** সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন টিপস হচ্ছে মিস্টি ২০ মিনিট হলেই একটা টেস্ট করে দেখবেন । হয়ে গেলেই নামিয়ে নিবেন আর বেশিক্ষন জ্বাল দিবেন না। জ্বাল বেশি হলেই মিস্টি শক্ত হয় এবং চুপসে জায় । দুধে দিয়েও বেশিক্ষন জ্বাল দিবেন না ।
    * রসগোল্লা, চেক করার জন্য একটা রসগোল্লা বাটিতে নরমাল ডুবো পানিতে ছেড়ে দিতে হবে। যদি ডুবে যায় তবে বুঝবে হয়ে গেছে।
    * সিরা বেশি ঘন হলে এবং মিষ্টি বেশিক্ষণ জ্বাল দিলে মিষ্টি শক্ত হতে পারে ।তাই সিরাটা পাতলা রাখার চেস্টা করুন ।
    * মেজরমেন্ট এর কাপ দিয়ে মেপে নিতে হবে সব কিছু।

    রস ঘন করারা টিপস :-

    দুধ একটু বেশি পরিমানে নিয়ে জ্বাল দিয়ে ঘন করে তারপর কর্নফ্লাওয়ার মিক্স করলে একদম বাহিরের মত পারফেক্ট রস হবে ।
    এছাড়া কর্নফ্লাওয়ার না দিতে চাইলে । দুধের সাথে পাউডার মিল্ক মিক্স করে জ্বাল দিবেন । তবে আমার কাছে মনে হয় কর্ন ফ্লাওয়ার দিলেই রস্টা বেশি আঠালো হয় আর ভাল হয় ।

    http://www.bn.banglarecipe.net/%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF/%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%B0%E0%A6%AE-%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%87/

     

Friday, May 27, 2016

ওজন কমাতে ৫ ফলের গুনাগুন

রোগীদের জন্য ও ওজন কমাতে ফলমূল বেশ উপকারী। কিন্তু কোনও কোনও ফল বেশি খেলে হিতে বিপরীত ফল হতে পারে।

জেনে নিন ওজন কমাতে কোন ৫ ফলের গুনাগুন:

তরমুজ: ফ্লুইডের সঠিক মাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে তরমুজ। লো-ক্যালরি যুক্ত এই ফল ওজন কমাতে দারুণ উপকারী।

বেদানা: এই ফলে থাকা এন্টিঅক্সিড্যান্ট কোলেস্টেরল ও ফ্যাটের পরিমাণ কমায়। এবং ওজন নিয়ন্ত্রনে রাখে।

পেঁপে: এর মধ্যে থাকা প্যাপেইন লিভার পরিস্কার রাখতে সাহায্য  করে। ভিটামিন এ এবং সি রক্তে শর্করার মাত্রা কম করে ফলে ওজন কমে।

আপেল: পেনটিক নামক সলিউবল থাকায় এই ফল শরীরের ফ্যাট মেটাবলিজমে সাহায্য করে।

ডাব: ডাবের বা নারকেলের পানিতে তেল থাকে যা শরীরের তাপমাত্রা বাড়ায় ফলে মেটাবলিক রেট বাড়ে এবং ওজন কমে। সুত্র-এবিপি

রোগ নিরাময়ে করলার জুস

করলায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, বি এবং সি রয়েছে। একই সঙ্গে এতে বিটা-ক্যারোটিন, লুটেইন, আয়রন, জিঙ্ক, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ও ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। এ জন্য এটি শরীরের জন্য অনেক উপকারী।

ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে করলার পর্যাপ্ত ভেষজগুণ রয়েছে।

জ্বর ও শরীরের কোনো অংশ ফুলে গেলে তা থেকে পরিত্রাণ পেতে করলা ভালো পথ্য। তা ছাড়া করলার তরকারি বাত রোগে, লিভারে ও প্লীহার রোগে এবং ত্বকের অসুখে উপকার দেয়। নিয়মিত করলা খেলে জ্বর, হাম ও বসন্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়।

যেভাবে তৈরি করবেন করলার জুস

গাঢ় সবুজ রঙের কাঁচা করলা নিয়ে টুকরো করে কাটতে হবে। বিচিগুলো সরিয়ে ফেলতে হবে। তিতা কমাতে চাইলে করলা কেটে ঠাণ্ডা লবণ পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। এরপর ব্লেন্ডারে জুস তৈরি করে নিতে হবে। প্রয়োজন মত লবণ দেয়া যেতে পারে।

উপকারিতা

তিতা করলার রস পানে অগ্ন্যাশয় ক্যানসারের কোষ ধ্বংস হয় বলে সম্প্রতি গবেষকরা জানিয়েছেন।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে করলার রস সহায়তা করে। দাঁত ও হাড় ভালো রাখে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে ও চোখের সমস্যা সমাধানে করলার বিটা ক্যারোটিন খুবই উপকারী।

ত্বক ও চুল ভালো রাখার জন্যও একান্ত  জরুরি। চর্মরোগ সারাতে সাহায্য করে। এছাড়া করলার রস ক্রিমি দূর করে।

Tuesday, May 17, 2016

♦♦ মাত্র ৩০ সেকেন্ডেই দূর!♦♦
আমাদের অনেকেরই প্রায়ই মাথাব্যথা হয়। অনেকেই আবার নানা করণে টেনশনে থাকি। এই খারাপ লাগার অনুভূতিগুলো সত্যিই খুব যন্ত্রণা দেয় আমাদের।

ওষুধ খেলে এগুলো থেকে মুক্তি পাওয়া যায়, কিন্তু সেজন্য অনেক সময় লাগে। যদি এমন হয় মাত্র ৩০ সেকেন্ডে এই দুঃসহ যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়, তাও আবার কোনো ওষুধ ছাড়াই।

অসম্ভব মনে হচ্ছে? একদমই না বন্ধুরা। এটা সম্ভব। আমরা অনেকেই জানি, ব্যথা ও রোগ নিরাময় করার জন্য ব্যবহৃত প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি হচ্ছে আকুথেরাপি।  মানবদেহের রোগ নির্ণয়, রোগ নিরাময় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ব্যবহার করা হয় আকুথেরাপি। শরীরে সুচের মতো চাপ প্রয়োগ করে আকুথেরাপি দেওয়া হয়।

কিন্তু ভয় পাবেন না, আপনার মাথাব্যথা আর টেনশন থেকে মুক্তি পেতে মাথায় সুই ফোটাতে হবে না।

মাত্র ৩০ সেকেন্ড বাম হাতের পয়েন্টে ডান হাতের আঙ্গুল দিয়ে ছবির মতো চাপ দিয়ে ধরে রাখুন।

আর মুহূর্তেই অনুভব করুন মাথাব্যথা কোথায় পালিয়েছে, আর দুশ্চিন্তাও উধাও!

বন্ধুরা আরও নানা বিষয়ে জানতে ও আপনার মতামত জানাতে https://www.facebook.com/bnlifestyle

Monday, May 16, 2016

পবিত্র কাবার ভেতরের দূর্লভ ৯টি ছবি

সৌদি আরবের বাসিন্দা ইয়াসির আহমেদ। এই সৌভাগ্যবান মানুষটি ২০১৫ সালের মে মাসে পবিত্র কাবা শরিফের ভেতরে প্রবেশের সুযোগ পান। তখন তিনি কাবার ভেতরের কিছু ছবি উঠিয়েছিলেন। সম্প্রতি তিনি আরবি ক্যাপশনসহ তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ওই ছবিগুলো পোস্ট করেছেন। ওই ছবিগুলো হলো-

কাবার ভেতরে ঝুলন্ত লন্ঠন। আর ভেতরকার থামের স্বর্ণালী কারুকাজ বিশেষ।

এগুলো কাবার শরিফের ভেতরে ঝুলন্ত নানা স্মৃতিবাহী প্রাচীন আমলের লন্ঠন। যা কাবার ভেতের দুই থামের মাঝে ঝুলছে।

এই দরজা দিয়ে কাবা শরিফের ভেতর থেকে ছাদে যাওয়া যায়। তবে এ দরজা ছাদে যাওয়ার জন্য খুব কমই ব্যবহার করা হয়। বর্তমানে কাবার ছাদে যাওয়ার কাজটি সম্পন্ন হয় ট্রলি লাগানো বিশেষ ক্রেন দ্বারা।

এই অংশের ঠিক বাইরে হাজরে আসওয়াদ বা কালো পাথার লাগানো। এটা কাবা শরিফের দক্ষিণ কোণ।

কাবার ভেতরের দেয়ালে লাগানো এই শিলালিপিতে কাবার সর্বশেষ সংস্কারক হিসেবে বাদশা খালেদের নাম লেখা আছে। এখানে দেখা যাচ্ছে- প্রথমে লেখা হয়েছে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। এর পর প্রশংসা করা হয়েছে মহান সৃষ্টিকর্তা ও উভয়জাহানের মালিক আল্লাহতায়ালার। পরে সালাম ও দরূদ পাঠ করা হয়েছে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি। লেখার পরের অংশে রয়েছে, আল্লাহর অশেষ রহমতে সম্পাদিত খাদেমুল হারামাইন শরিফাইন বাদশা খালেদ বিন আবদুল আজিজ আলে সউদের সব ভালো কাজ আল্লাহ কবুল করে নিন।  রবিউল আউয়াল মাস, ১৩৯৭ হিজরি। আমিন।

এটা একটি টেবিল। এর ওপর বিশেষ এক প্রকারের সুগন্ধি রাখা হয়। যার ফলে কাবার ঘর বন্ধ থাকলেও আবদ্ধ ঘরের গুমোট গন্ধ সৃষ্টি হয় না।

কাবা শরিফের মেঝের এই সাদা চিহ্নসূচক পাথর দ্বারা নির্দিষ্ট জায়গায় দাঁড়িয়ে নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করেছেন।

মার্বেল পাথরের ওপর আরবি ক্যালিওগ্রাফি। এ ক্যালিওগ্রাফিতে লেখা রয়েছে, নবী করিম সাল্লাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক। অনুমান করা হয়, এ জায়গাটি বিশেষ কোনো জায়গা। কিংবা নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এখানে বসে ইবাদত-বন্দেগি করেছেন।

এই কোণ বরাবর বাইরে রুকনে ইয়ামানি অবস্থিত। রুকনে ইয়ামানি কাবা শরিফের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণ।

 http://www.banglanews24.com/islam/news/489134/%E0%A6%AA%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%AD-%E0%A7%AF%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%9B%E0%A6%AC%E0%A6%BF