Sunday, January 31, 2016

১ মিনিটে মাইগ্রেনের ব্যথা কমিয়ে ফেলুন মাত্র ২টি উপাদানে!

মাইগ্রেন’ অসহনীয় মাথা ব্যথার অপর নাম। আর দশটা মাথা ব্যথা থেকে ভিন্ন এই মাথা ব্যথা। সাধারণত মাইগ্রেনের ব্যথা মাথার একপাশ থেকে শুরু হলেও আস্তে আস্তে এটি সম্পূর্ণ মাথায় ছড়িয়ে যেতে থাকে। মাথা ব্যথার সাথে আরও কিছু শারীরিক সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে মাইগ্রেনের সময়। ঘাড়সহ মাথা ব্যথা, আবছা দেখা, অস্বস্তিকর অনুভূতি, বমি বমি ভাব, শব্দ এবং উজ্জ্বল আলো, বিষন্নতা, অনিয়মিত ঘুম ইত্যাদি মাইগ্রেনের অন্যতম লক্ষ্যণ। মাইগ্রেনের স্থায়ী কোন সমাধান নেই। ব্যথা কমানোর জন্য সাধারণত ব্যথানাশক ঔষুধ বা পেইনকিলার খেয়ে থাকেন। আবার অনেকে ঘরোয়া উপায়ে এই ব্যথা থেকে মুক্তি পাবার চেষ্টা করে থাকে।


মাইগ্রেন ব্যথা দূর করার সহজ এবং কার্যকরী একটি উপায় হল হিমালয় সল্ট বা বিট লবণ। বিট লবণ মাইগ্রেনের ব্যথা দূর করতে বেশ কার্যকরী। এর জন্য বেশি কিছু করার প্রয়োজন পড়বে না।

যা যা লাগবে:

    অর্ধেকটা লেবুর রস
    হিমালয় সল্ট বা বিট লবণ

যেভাবে তৈরি করবেন:

১। প্রথমে অর্ধেকটা লেবুর রস করে নিন।

২। এর সাথে এক টেবিল চামচ উচ্চ পরিবেশিত ঘনত্ব সম্পন্ন হিমালয়  মিশিয়ে নিন।

৩। সাধারণত অর্ধেকটা লেবুর রসের সাথে হিমালয় সল্ট মেশানো হয়ে থাকে। তবে আপনি চাইলে একগ্লাস লেবুর রসের সাথে হিমালয় ক্রিস্টাল সল্ট মিশিয়ে নিতে পারেন।

৪। মাইগ্রেনের ব্যথার সময় এই পানীয়টি খেতে পারেন।

যেভাবে কাজ করে:

হিমালয় সল্টে ৮৪টির মত মিনারেল, ইলেক্ট্রোলাইট উপাদান আছে, যার মাত্র ১১৮টি উপাদান বৈজ্ঞানিকরা আবিস্কার করতে পেরেছেন। হিমালয় সল্টের কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। যাদের অ্যাসিডিটি সমস্যা আছে তারা অর্ধেকটা লেবুর রসের সাথে হিমালয় সল্ট মিশিয়ে পান করুন। এই পানীয়টি আপনার মাইগ্রেনের ব্যথা কমিয়ে দেবার পাশাপাশি বমি বমি ভাবসহ অন্যান্য শারীরিক সমস্যাও দূর করে দিবে। এটি ব্যথা হ্রাস করে আপনাকে কাজে শক্তি যুগিয়ে থাকে।

সতর্কতা: যাদের উচ্চ রক্তাচাপের সমস্যা আছে বা অন্য কোনো কারণে অতিরিক্ত লবণ খাওয়া মানা, তারা অবশ্যই ডাক্তারের সাথে কথা বলে নিন এই উপায়টি অনুসরণ করার আগে।

মাইগ্রেন’ অসহনীয় মাথা ব্যথার অপর নাম। আর দশটা মাথা ব্যথা থেকে ভিন্ন এই মাথা ব্যথা। সাধারণত মাইগ্রেনের ব্যথা মাথার একপাশ থেকে শুরু হলেও আস্তে আস্তে এটি সম্পূর্ণ মাথায় ছড়িয়ে যেতে থাকে। মাথা ব্যথার সাথে আরও কিছু শারীরিক সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে মাইগ্রেনের সময়। ঘাড়সহ মাথা ব্যথা, আবছা দেখা, অস্বস্তিকর অনুভূতি, বমি বমি ভাব, শব্দ এবং উজ্জ্বল আলো, বিষন্নতা, অনিয়মিত ঘুম ইত্যাদি মাইগ্রেনের অন্যতম লক্ষ্যণ। মাইগ্রেনের স্থায়ী কোন সমাধান নেই। ব্যথা কমানোর জন্য সাধারণত ব্যথানাশক ঔষুধ বা পেইনকিলার খেয়ে থাকেন। আবার অনেকে ঘরোয়া উপায়ে এই ব্যথা থেকে মুক্তি পাবার চেষ্টা করে থাকে।
মাইগ্রেন ব্যথা দূর করার সহজ এবং কার্যকরী একটি উপায় হল হিমালয় সল্ট বা বিট লবণ। বিট লবণ মাইগ্রেনের ব্যথা দূর করতে বেশ কার্যকরী। এর জন্য বেশি কিছু করার প্রয়োজন পড়বে না।
যা যা লাগবে:
  • অর্ধেকটা লেবুর রস
  • হিমালয় সল্ট বা বিট লবণ
যেভাবে তৈরি করবেন:
১। প্রথমে অর্ধেকটা লেবুর রস করে নিন।
৩। সাধারণত অর্ধেকটা লেবুর রসের সাথে হিমালয় সল্ট মেশানো হয়ে থাকে। তবে আপনি চাইলে একগ্লাস লেবুর রসের সাথে হিমালয় ক্রিস্টাল সল্ট মিশিয়ে নিতে পারেন।
৪। মাইগ্রেনের ব্যথার সময় এই পানীয়টি খেতে পারেন।
যেভাবে কাজ করে:
সতর্কতা: যাদের উচ্চ রক্তাচাপের সমস্যা আছে বা অন্য কোনো কারণে অতিরিক্ত লবণ খাওয়া মানা, তারা অবশ্যই ডাক্তারের সাথে কথা বলে নিন এই উপায়টি অনুসরণ করার আগে।
লিখেছেন
- See more at: http://www.priyo.com/2016/Jan/31/194064-%E0%A7%A7-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0-%E0%A7%A8%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87#sthash.nBk416Os.dpuf

Wednesday, January 20, 2016

HP যেকোন প্রিন্টারে CISS পদ্ধতি কালি রিফিল করুন

আজকে আমি আপনাদের জন্যে HP পিন্টার এ CISS (Continuous Ink Supply system) নিয়ে আলোচনা  করব।




তো বন্ধুরা শুরু করা যাক।
আমি + আমার এক ফ্রেন্ড “মুন” ওর HP deskjet 1650  পিন্টার এ CISS করেছিলো ।
তার কারটিজ  hp60 মডেল।
আর আমার টা HP 61 মডেল।আমি HP deskjet 1000 এবং HP deskjet 1050 all in one পিন্টার ব্যবহার করছি।
HP deskjet 1000 এ বারবার রিফিল করে প্রিন্ট করতাম একটু ঝামেলা হোতো এই Black কারটিজে ৭ মিলি কালি ভরলে ৫০০ পেজ এর মত প্রিন্ট হোতো ,আবার Color কারটিজে ৩+৩+৩ মিলি কালি ভরলে ২৫০ পেজ এর মত প্রিন্ট করা যেত ,আর এই কালি রিফিল করা আমার কাছে ঝামেলা ,আমার অনেক বেশি প্রিন্ট করা লাগে তাই এমন সিস্টেম খুজছিলাম।
বন্ধুরা যারা HP কিনেছেন তাদের বলছি ,যারা HP দিয়ে অনেক বেশি প্রিন্ট করবেন তারাই CISS করবেন ,কারন HP পিন্টারে খুব ভালো CISS  করা যাই না কারন HP এর কারটিজের হেড এর ছিদ্র গুলো বড় তাই কালি চুইয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে তবে সব গুলোতেই এমন হই না।
ভয় পাবেন না CISS করে যদি সন্তুস্ট ণা হন তবে CISS সিস্টেম বাদ দিবেন,শুধু কারটীজ় থেকে পাইপের লাইন খুলে দিলেই হবে।
কারটিজ নস্ট হবার ভই নেই ।
এখন যারা HP পিন্টার কিনেছেন তাদের সাধারন্ত 61 কারটিজ থাকে।তাই প্রব্লেম না হ আরই কথা।
আচ্ছা যাই হোক……

CISS করতে যা যা লাগবে

  • ১| কালি রাখা ড্রাম {এগুলো পুরনো কিনতে পারেন, যারা পিন্টার ড্রাম সিস্টেম করে দেই তাদের কাছে পুরনো  পাবেন ,দাম ১০০-২০০ টাকা নিবে}
  •  
  • ২| কালি সহ ড্রাম কিনতে পাওয়া যাই নতুন দাম-৯০০টাকা থেকে ১১০০টাকা।{তবে আমি নতুন না কেনার কথা বলব কারন সেই ড্রামে খুবি নিম্ন মানের কালি দেওয়া থাকে এতে কারটিজের হেড এর প্রব্লেম হয়,
  • তাই Full Mark এর কালি দাম ও কম প্রিন্টও ভালো দেই।তাই যারা কারটিজ এ কালি রিফিল করে থাকেন তারা একটু দামি কালি ব্যবহার করাই ভাল।
  • ৩| ভ্রমর (ছিদ্র করা , স্টেশনারির দোকানে পাবেন দাম ৫-১৫ টাকা
  • ৪ | ক্লিপ / দামি কস্টেপ
  • ৫|  মোম আঠা ( যা আগুনের কাছে গলে যাই, স্টেশনারির দোকানে মোম আঠা বললেই দেবে,আঠাটা দেখতে সাদা)
:: আমি এ গুলোর ছবি নিচে দিলাম

:: এবার পিন্টার থেকে কারটিজ দুইটা খুলে নিই ,এরপর কারটিজ এর উপরের লেভেলটা আস্তে করে তুলে নিই। নিচের ছবির মত করে।

:: এরপর ভ্রমর দিয়ে Black কারটিজের বামের উপরের ছিদ্রটা ভ্রমরের মাপে ছিদ্র করি। নিচের ছবির মত করে।

Black কারটিজের কাজ শেষ।

:: এরপর Color কারটিজের উপরের লেভেল্ তুলে তীর এর জাইগাই ভ্রমর দিয়ে ছিদ্র করি। নিচের ছবির মত করে…


:: এরপর ভ্রমর দিয়ে করা ছিদ্র গুলো ফাকা রেখে বাকি ছিদ্র গুলো মোম আঠা দিয়ে বন্ধ করে দিই।

:: মোম আঠা মোমবাতিতে ধরেই নরম হবে আর তখনিই ছিদ্রে লাগিয়ে দিতে হবে। নিচের ছবির মত করে…
:: এবার পাইপের ডান এর পাইপ এবং ডান থেকে বামের দিকের তিন নাম্বারটা সমান রেখে বামের প্রথমটা এবং বাম থেকে তিন নাম্বারটা কেটে নিই।
:: এবার মোটামুটি কাজ শেষ, পাইপ গুলো কারটিজে ঢুকালেই হবে।
:: ডান দিকের প্রথম পাইপ Black কারটিজে এবং Color কারটিজের পাইপ গুলো একটু সাবধানে Color মেনেজমেন্ট সঠিক করে লাগাতে হবে।যদি একটু ভুল হয় তবে সঠিক কালার প্রিন্ট হবে না।
:: আমার প্রথমে এমন ভুল হয়েছিলো, ইউটিউবের ভিডিও টিউটেরিয়াল দেখে কোন যাচাই বাচাই না করেই কালার এর পাইপ লাগিয়েছিলাম। পরে যাইহোক ঠিক করেছিলাম।তবে অনেক ভোগান্তি ভোগেছিলাম। তাই নিচের ছবই দাখে কালার সঠিক করে লাগাবেন।

:: উপরের ছবিতে দেখতে পারছি যা একদম
উপরেরটাতে     লাল
ডানেরটাতে      নীল
এবং বামেরটাতে  হলুদ
কালার লাগাইতে হবে।
:: আমি আবার ও বলছি কালার মেনেজমেন্ট সঠিক করে করতে হবে।

:: উপরের ছবিতেও যদি বুঝতে অসুবিধা হয় তবে আপনার কালার কারটিজে ভ্রমরটা আস্তে করে ঢুকিয়ে কারটিজের ভেতরের সপঞ্জটা স্পশ করান এবং একদম সাদা টিসুতে ভ্রমরটা লাগান ,দেখবেন কী কালার আছে।
:: এভাবে অপর দুইটাতে ভ্রমর ঢুকিয়ে কালার চিন্নিত করে পাইপ লাগান।
জানিনা বুঝাতে পারলাম কিনা?
তবে আশা করি আমার বুদ্ধিমান বন্ধুরা বুঝতে পারবেন।

:: এবার নিচের ছবির মত করে পাইপটা উপরে কস্টেপ/ক্লিপ দিয়ে আটকিয়ে দিই,

:: শক্ত ভাবে আটকানোর আগে কারটিজটাকে প্রথমে ইজি ভাবে ডানে এবং বামে সরিয়ে নিই যাতে করে প্রিন্ট করার সময় কারটিজ বাধা না পাই।

এবার ড্রামের ছোট ছিপি গুলো খুলে দিয়ে ধুমছে প্রিন্ট করতে থাকি।
[বিঃদ্রঃ আপনারা যারা HP injet 1000 প্রিন্টারে CISS করবেন তারা উপরের ঢাকনাটা খুলে নিয়ে কাজটা করলে ভালো হবে।]
http://www.techtunes.com.bd/tips-and-tricks/tune-id/220213