Thursday, June 25, 2015

প্রতিদিন মাত্র ২ কোয়া রসুন খাওয়ার ৩৪ টি উপকারিতা

কাঁচা রসুন খাওয়া অনেকেই একেবারে পছন্দ করেন না। মুখে দুর্গন্ধ হওয়ার
ভয়ে অনেকেই কাঁচা রসুনের কাছ থেকে দূরেই থাকেন। কিন্তু বিভিন্ন
গবেষণায় দেখা যায় কাঁচা রসুনের স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক বেশি। বিশেষ
করে নানা ধরণের শারীরিক সমস্যা দূর করতে কাঁচা রসুনের জুড়ি নেই।
ইউনিভার্সিটি অফ হেলথ অ্যান্ড মেডিক্যাল সাইন্সের গবেষণায় রসুনের
এইসকল গুণাবলী প্রকাশ পায়। আজ জেনে নিন রসুনের এমনই অসাধারণ
কিছু গুণাবলী সম্পর্কে। জেনে নিন প্রতিদিন মাত্র ২ কোয়া রসুন খাওয়ার উপকারিতা।



১) হৃদপিণ্ডের সুস্থতায় কাজ করে। কোলেস্টেরল কমায়। এতে করে হার্ট
অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে।
২) শিরা উপশিরায় প্লাক জমতে বাঁধা প্রদান করে। রক্ষা করে শিরা
উপশিরায় মেদ জমার মারাত্মক রোগ অথেরোস্ক্লেরোসিসের হাত থেকে।
৩) উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যা দূর করে।
৪) গিঁট বাতের সমস্যা থেকে রক্ষা করে।
৫) ফ্লু এবং শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে।
৬) অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান দেহে খারাপ ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ, জন্ম
এবং বংশবিস্তারে বাঁধা প্রদান করে।
৭) যক্ষ্মা রোগের হাত থেকে রক্ষা করে।
৮) দেহের বিভিন্ন অংশের পুঁজ ও ব্যথাযুক্ত ফোঁড়ার যন্ত্রণা কমায়।
৯) যৌনমিলনের অসাবধানতা বশত রোগ ট্রিকোমোনিয়াসিসের হাত
থেকে রক্ষা করে।
১০) হজমশক্তি বাড়ায় ও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে।
১১) কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
১২) গলব্লাডার ক্যান্সার মুক্ত রাখে।
১৩) স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
১৪) রেক্টাল ক্যান্সারের হাত থেকে রক্ষা করে।
১৫) প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে।
১৬) পরিপাকতন্ত্রের নানা সমস্যা দূর করে।
১৭) ইষ্ট ইনফেকশন দূর করে।
১৮) শিরা উপশিরায় জমাট বাঁধা রক্ত ছাড়াতে সহায়তা করে।
১৯) ক্ষুধামন্দা ভাব দূর করে।
২০) দেহের অভ্যন্তরীণ ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া এবং কৃমি ধ্বংস করে।
২১) চোখে ছানি পড়ার হাত থেকে রক্ষা করে।
২২) হাতে পায়ে জয়েন্টের ব্যথা দূর করে এবং বাতের ব্যথা সারায়।
২৩) ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
২৪) স্টাফিলোকোক্কাস ইনফেকশন দূর করে।
২৫) দাঁতের ব্যথা সারাতে সহায়তা করে।
২৬) ব্রণ সমস্যা দূরে রাখে।
২৭) আঁচিলের সমস্যা সমাধান করে।
২৮) দাদ, খোস-পাঁচড়া ধরণের চর্মরোগের হাত থেকে রক্ষা করে।
২৯) চামড়ায় ফোসকা পড়ার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেয়।
৩০) রসুনের ফাইটোনসাইড অ্যাজমা সমস্যা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
৩১) দীর্ঘমেয়াদী হুপিং কাশি ও ব্রঙ্কাইটিসের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
৩২) ঘুম না হওয়া, অনিদ্রা রোগ মুক্ত রাখে।
৩৩) ত্বককে বুড়িয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে।
৩৪) দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

সতর্কতাঃ
১) দিনে ২ কোয়ার বেশি কাঁচা রসুন খাওয়া যাবে না। রান্নায় রসুন ব্যবহার
হলেও দিনে মাত্র ২ কোয়া রসুন খাওয়া যায়।
২) রসুনে অ্যালার্জি কিংবা কোনো বিশেষ কারণে রসুন খাওয়া বন্ধ থাকলে
তাদের রসুন না খাওয়াই ভালো।
৩) অতিরিক্ত রসুন খেলে নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ, বমিভাব হতে পারে।

Monday, June 22, 2015

টকদই এর রেসিপি

উপকরণ :
দুধ ২ লিটার (আমরা দুই লিটারকে ষ্ট্যান্ডার্ড ধরে নিলাম), পানি ২ কাপ,
দইয়ের বীজ (আগের দই) ১.৫ টেবিল চামচ, মাটির বড় হাঁড়ি ১টি।
k

প্রণালী:
১। ২ লিটার দুধে ২ কাপ পানি মিশিয়ে প্রায় সাত/আট মিনিট চুলায় গরম করতে হবে।
২। যখন একটু বলক উঠবে তখন চুলার জ্বাল কমিয়ে দিতে হবে।
৩। এরপর এই অল্প জ্বালে প্রায় ২০ মিনিট রাখতে হবে। (পাতিলের নিচে দুধ যাতে না ধরে যায় এজন্য মাঝে মাঝে চামচ দিয়ে নাড়তে হবে)
৪। মিশ্রণটি যখন একটু ঘন হয়ে আসবে তখন মাটির ঐ হাঁড়িতে ঢালতে হবে।
৫। এরপর দইএর বীজ আধাকাপ পানিতে গুলিয়ে মাটির হাঁড়িতে রাখা দুধের মধ্যে ঢেলে দিতে হবে।
৬। এরপর হাঁড়িটি ঢেকে রাখতে হবে। ঠান্ডা হলে ফ্রিজিং করা যেতে পারে।

দই এর বীজ কিভাবে বানাবেন?
১ম পদ্ধতি: আগের যেকোন দই থেকে অল্প কিছু দই পরের দই এর বীজ হিসেবে ব্যাবহার করা যায়।
২য় পদ্ধতি: এককাপ দুধের মাঝে ৩/৪ চামচ ভিনেগার দিলে সেটা জমে দই এর বীজ হবে।
৩য় পদ্ধতি: এককাপ দুধের মাঝে দশ বারো ফোঁটা লেবুর রস দিলেও সেটা দই এর বীজ হিসেবে।

দই এর পরিচয় এবং সংক্ষিপ্ত ইতিহাস:
দই হল এক ধরনের দুগ্ধজাত খাদ্য যা দুধের ব্যাক্টেরিয় গাঁজন হতে প্রস্তুত করা হয়। ল্যাক্টোজের গাঁজনের মাধ্যমে ল্যাক্টিক এসিড তৈরি করা হয়, যা দুধের প্রোটিনের ওপর কাজ করে দইয়ের স্বাদ ও এর বৈশিষ্ট্যপূর্ণ গন্ধ প্রদান করে। মানুষ ৪৫০০ বছর ধরে দই প্রস্তুত করছে এবং তা খেয়ে আসছে। সারা পৃথিবীতেই এটি পরিচিত। পুষ্টিকর এবং সুস্বাদু খাদ্য হিসেবে এর সুনাম আছে। দই প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, রাইবোফ্ল্যাভিন, ভিটামিন বি৬ এবং ভিটামিন বি১২ এ অত্যন্ত সমৃদ্ধ।

টক দই এর ১০টি উপকারীতা:
১। টক দই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ঠান্ডা লাগা , সর্দি ও জ্বর না হওয়ার জন্য এটি ভালো কাজ করে।
২। টক দইয়ের উপকারী ব্যাকটেরিয়া ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলে এবং শরীরের উপকারী ব্যাকটেরিয়াকে বাড়িয়ে হজম শক্তি বাড়ায় বা ঠিক রাখে।
৩। টক দইয়ের ব্যাকটেরিয়া হজমে সহায়ক তাই এটি পাকস্থলীর জ্বালাপোড়া কমাতে বা হজমের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।
টক দই হাড় ও দাঁতের গঠনে ও মজবুত করতে সাহায্য করে ।
৪। কম ফ্যাট যুক্ত টক দই রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল এলডিএল কমায়।
৫। টক দইয়ের আমিষ দুধের চেয়ে সহজে হজম হয়, এটি দুধের চেয়ে অনেক কম সময়ে হজম হয়। তাই যাদের দুধের হজমে সমস্যা তারা দুধের পরিবর্তে এটি খেতে পারেন।
৬। টক দই রক্ত শোধন করে। উচ্চ রক্ত চাপের রোগীরা নিয়মিত টক দই খেলে রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন।
৭। ডায়বেটিস, হার্টের অসুখ এর রোগীরা নিয়মিত টক দই খেলে এসব অসুখ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন। নিয়মিত টক দই খেলে তা অন্য খাবার থেকে পুষ্টি নিয়ে শরীরকে সরবরাহ করে ।
৮। টক দইয়ে আমিষ থাকে, যেহেতু আমিষ হজম হতে সময় লাগে, তাই পেট ভরা বোধ হয় ও শক্তি পাওয়া যায় | অতিরিক্ত খাবারও খেতে ইচ্ছা করে না।
৯। দই এর পুষ্টি উপাদানগুলো হজমের সময় তাড়াতাড়ি শরীরে শোষিত হয়ে দ্রুত শরীরকে শক্তি দেয়।
১০। টক দই শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে | তাই গ্রীষ্মকালে টক দই খেলে ভালো।

তো আজকেই হয়ে যাক, ইফতারের পরে নিজের হাতে বানানো টক দই। আর খেয়ে বলেন কেমন লাগলো?

Friday, June 12, 2015

চুল পড়ার ৮ টি কারণ

""চুল তো সবারই পড়ে। কোনো কোনো পুরুষের মাথায় চকচকে টাক দেখা যায় আবার কারো মাথা ভরা চুল। নারীদের মাথায় টাক দেখা না গেলেও চুলের গোছা অনেকেরই কম। এই চুল পড়ার ধরণ ও কারণ এক এক জনের ক্ষেত্রে এক এক রকম। বিভিন্ন রকম শারীরিক মানসিক ও পুষ্টির সমস্যার জন্য চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে। এবার তাহলে দেখে নেয়া যাক কি কি কারণে চুল পড়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেতে পারে।

১)শারীরিক চাপ

শরীরের ওপর আকস্মিক কোনো চাপ গেলে অনেক সময় চুল পড়া বেড়ে যায়। যে কোনো ধরণের অপারেশন, হঠাৎ করে কোনো দূর্ঘটনা হওয়া, বড় কোনো অসুস্থতা এমনকি জ্বর হলেও চুল পড়া বেড়ে যায়। যে কোনো ধরণের শারীরিক অসুস্থতা চুলের স্বাভাবিক জীবনচক্রে ব্যাঘাত ঘটায়। ফলে চুল পড়ার হার বেড়ে যায়।

২)গর্ভধারণ

গর্ভধারণ করলে অথবা বাচ্চা প্রসবের পড়ে প্রচুর চুল পড়ে। এসময়ে শরীর বিভিন্ন হরমোনজনিত পরিবর্তন আসে। তাই চুল পড়ার হার বেড়ে যায়। তবে এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তাই পরবর্তিতে আবার নতুন চুল গজিয়ে যায়।
৩)অতিরিক্ত ভিটামিন এ

আমেরিকার একাডেমী অফ ডার্মাটোলোজি এর মতে শরীরে প্রয়োজনের অতিরিক্ত ভিটামিন এ এর উপস্থিতিতে চুল পড়া বেড়ে যায়। একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের শরীরের দৈনিক ভিটামিন এ এর চাহিদা হচ্ছে ৫০০০ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিট। প্রতিদিন এর বেশি ভিটামিন এ গ্রহণ করলে চুল পড়ার পরিমান বেড়ে যেতে পারে।

৪)প্রোটিনের অভাব

প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিনের উপস্থিতি না থাকলে চুল পড়ার প্রবণতা বাড়তে পারে। প্রোটিন চুলের গঠনে সহায়তা করে। তাই প্রোটিনের অভাব হলে চুলের বৃদ্ধি কমে যায় এবং চুল পড়ার হাত বেড়ে যায়। তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় মাছ, মাংস, ডিম ও ডাল জাতীয় খাবার থাকা উচিত।

৫)মানসিক চাপ

প্রচন্ড মানসিক চাপ থেকে চুল পড়ে যায়। বিচ্ছেদ, প্রিয় মানুষের মৃত্যু, এমন কি পরীক্ষার চাপেও চুল পড়া বেড়ে যেতে পারে। সম্পর্কের টানাপোড়েন গেলেও চুলের বৃদ্ধি কমে যায় এবং অনেক চুল ঝরে যেতে পারে। তাই মানসিক চাপ যতটা সম্ভব এড়ানোর চেষ্টা করুন।

৬)থাইরয়েড হরমোন ঘাটতি

শরীরে থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি হলে একে হাইপোথাইরয়েডিসম বলা হয়। হাইপোথাইরয়েডিসমের কারণে মাথার চুল পড়ে যায় এবং চুলের বৃদ্ধি কমে যায়।

৭)অস্বাভাবিক ওজনহ্রাস

অতিরিক্ত ডায়েটিং

Thursday, June 4, 2015

নিহারি / গরুর পায়া রান্না



নিহারি/পায়া

উপকরণ:

গরুর পা ২০/২৫ পিচ, পিয়াজ কুচি ২ কাপ,

আদাবাটা ১/২কাপ, রশুনবাটা, জিরাবাটা টে-চামুচ ২চামুচ করে,

হুলদ গুরা, দনে গুরা চা-চামুচের ১চামুচ করে,

শুকনা মরিচ গুরা টে-চামুচের ১ চামুচ করে,

ভাজা জিরার গুরা চ-চামুচের ১ চামুচ,

পিয়াজ ভাজা আর গড়মমস্ললা পরিমাণ মত,

তেজপাতা ২/৩ ,তেল ২-চামুচ ( তেল কম লাগে ,রান্নাতে তেল বের হয়ই ,লবন সবাদ মত ,

কাচামড়িচ ( ঝাল  ইচ্ছমত )



প্রণালী : পা গুলা ভাল করে ছাড়িয়ে পরিস্কার করে ধুয়ে নিন একটু লবণ হুলুদ পানি দিয়ে সেদ্ধ চাপিয়ে দিন এই টা সেদ্ধ  হতে অনেক সময় লাগে পেসার কুকারে অল্প পানি দিয়ে ১০/১২ টা শিটি দিয়ে নিন যদি সেদ্ধ  না হয় তবে আবার পানি দিযে আবার শিটি দিয়ে নিন এভাবে কয়েকবার করলে পায়া  সেদ্ধ  হয়ে যাবে। প্রেসার  বন্ধ রাখুন। এবার কড়ায়ে তেল দিন। পেয়াজ ভেজা তুলুন। এ তেলে সমস্ত উপকরণ দিয়ে দিন।কড়ায়ে কযি্যে সেদ্ধ করা পায়া ঢেলে দিন।  ভাল করে নেড়ে দিন।  মনে রাখবেন এর রঙ সোনালি হবে। এবারে জিরার গুরা, পিয়াজ ভাজা, কাচা মরিচ ফালি দিয়ে নেড়ে চুলায় দমে বসিয়ে রাখুন।

ব্যস এখন ঝাল লবন চেখে গরম গরম নিহারি পরিবেশন করুন পরোটা, রুটি বা নান দিয়ে সাজিয়ে। আশা করি এভাবে রান্না করলে আপনাদেরও ভাল লাগবে।

বোরহানি কিভাবে বানাবেন


বোরহানি কিভাবে বানানো যায় ? বোরহানি বানাতে কি কি লাগে ?

উপকরণ: টকদই, পুদিনা ও ধনেপাতা, কাঁচামরিচ, লবঙ্গ, চিনি, লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালি: সবকিছু মিশিয়ে এক ঘণ্টার মতো রাখতে হবে। রাখার পর পরিমাণমতো উপকরণ দিয়ে ব্লেন্ড করে তৈরি করতে হবে বোরহানি।


বোরহানি বানানোর অনেক পদ্ধতি রয়েছে | আমি ২টি পদ্ধতি দিচ্ছি আপনার পছন্দ মত বানিয়ে নিতে পারেন |

পদ্ধতি-১ :- উপরকরণ: টক দই এক কেজি, পানি এক লিটার, কাঁচা মরিচ বাটা আধা চা চামচ। পুদিনা পাতা বাটা এক চা চামচ, সাদা গোল মরিচ গুঁড়া, সরিষা গুঁড়া এক চা চামচ, জিরা ভাজা গুঁড়া এক চা চামচ, ধনেপাতা বাটা এক চা চামচ, লবণ এক চা চামচ, প্রয়োজনে বেশি, কালো লবণ এক চা চামচ, প্রয়োজনে বেশি, চিনি স্বাদমতো।

প্রণালী: দই, পানি ও ওপরের সব উপকরণ একসঙ্গে খুব ভালোভাবে মিলিয়ে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে বোরহানি পরিবেশন করতে হবে।
...........
পদ্ধতি ২ :-শাহি বোরহানি
উপকরণ: টকদই ৩ কেজি, মিষ্টিদই ১ কেজি, মালাই দেড় কাপ, আমন্ড বাদাম (কাঠবাদাম) ৪ টেবিল-চামচ, পোস্তদানা বাটা ১ টেবিল-চামচ, সরিষা গুঁড়া ২ টেবিল-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, বিট লবণ ১ টেবিল-চামচ, পুদিনাপাতা বাটা ২ টেবিল-চামচ, কাঁচামরিচ বাটা ২ চা-চামচ বা পরিমাণমতো, সাদা গোলমরিচ গুঁড়া দেড় চা-চামচ, জিরা (টালা গুঁড়া) দেড় চামচ, ধনে (টালা গুঁড়া) দেড় চামচ, টকদই (টক বুঝে) আন্দাজমতো, পানি (দইয়ের ঘনত্ব বুঝে) আন্দাজমতো, বোরহানি বেশি পাতলা হবে না, তেঁতুলের মাড় (বোরহানির টক বুঝে) আন্দাজমতো।
প্রণালি: দুই কাপ পানির সঙ্গে সব মসলা মিশিয়ে ছেঁকে নিতে হবে। পাতলা কাপড় দিয়ে দই ছেঁকে নিতে হবে। সব উপকরণ একসঙ্গে খুব ভালোভাবে মিশিয়ে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে পরিবেশন করতে হবে।
..................

বাসায় বোরহানি বানানো খুবই সহজ l
বোরহানি বানাতে যা যা প্রয়োজন :
১. টক দই- ১ লিটার
২. ধনেপাতা বাটা - ২ চা চামচ
৩. পুদিনা পাতা বাটা- ২ চা চামচ
৪. কাঁচা মরিচ বাটা - ১ চা চামচ
৫. বিট লবন/ সাদা লবন - পরিমান মত
৬. চিনি- ১ চা চামচ
৭. সাদা সরিষা, কালো সরিষা বাটা- ১ চা চামচ
৮. ধনে গুরা- আধা চা চামচ
৯. গোল মরিচ বাটা - আধা চা চামচ
উপকরণ গুলো একটা পাত্রে নিয়ে ভালো ভাবে মিশিয়ে নিন, প্রয়োজনে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিতে পারেন l অতপর ফ্রিজে রেখে অথবা বরফ মিশিয়ে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন l
.............
বোরহানি তৈরির উপাদনসমূহ:
১. দই ১ কেজি ২. সরিষা গুঁড়া ১ টেবিল চামচ
৩. পানি ০.৫ কাপ ৪. পুদিনা পাতা বাটা ১ টেবিল চামচ
৫. জিরা গুঁড়া ১ চা চামচ ৬. কাঁচা মরিচ বাটা ২ চা চামচ
৭. ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ ৮. চিনি ১.৫ টেবিল চামচ
৯. আদা গুঁড়া ০.৫ চা চামচ ১০. লবণ ২.৫ চা চামচ
১১. শুকনা মরিচ গুঁড়া ০.৫ চা চামচ ১২. বীট লবণ ২ চা চামচ
১৩. সাদা গোল মরিচ গুঁড়া ০.৫ চা চামচ
যেভাবে করবে:
১. পুদিনা পাতা ডাটাসহ মিহি করে বেটে নাও। গুঁড়া মসলার পরিবর্তে বাটা মসলা দেওয়া যাবে।
২. সরিশার সাথে পানি মিশিয়ে দই এর সাথে মিশাও। পাতলা কাপড় দিয়ে দই ছেনে নাও অথবা ব্লেন্ডারে মসৃণ করে ফেট। বেশি ঘন হলে প্রয়োজনমতো পানি মিশাও।
৩. দই এর সাথে অন্যান্য সব উপকরণ মিশাও। চিনি ও লবণের পরিমাণ নিজের রুচিমতো বাড়ানো কমানো যাবে। পরিবেশনের আগে পর্যন্ত রেফ্রিজারেটরে রাখ।

Monday, June 1, 2015

টেলিফোন সংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে

phoneart
এসএমএস দিয়ে অভিযোগ জানাতে:
ঢাকা মাল্টি এক্সচেঞ্জের গ্রাহকগণ তাদের ৭ ডিজিটের ফোন নম্বর 01550152000 নম্বরে এসএমএস করে পাঠাতে পারেন যদি উদ্ভূত সমস্যা স্থানীয় ক্যাম্প সমাধান করতে না পারে। উদাহরন: গ্রাহকের নম্বর 8190100 হলে এসএমএস: 8190100>01550152000
টেলিফোন সংক্রান্ত ও অন্যান্য অভিযোগঃ বিটিসিএল কলসেন্টারে ১৬৪০২ নাম্বারে ঢাকার গ্রাহকেরা ফোন করুন যেকোন সময়, গ্রামীন ছাড়া যেকোন ফোন থেকে। অনলাইনেও দেয়া যাবে অভিযোগঃ http://123.49.0.107:8888/userbtcl/
অথবা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের এসএসআই সেলে জানান- ফোনঃ ৯৩২০০০০, ৯৩২০১১১, ৯৩২০২২২, ৯৩২০৩৩৩। ফ্যাক্সঃ ৫৫১৪১৭০৪, যেকোন সময়।
ওয়েবসাইটে অভিযোগ দিতে চাইলে: http://www.btcl.gov.bd/complaint/complaint.htm

মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশন করবেন যেভাবে

যাদের মোটর সাইকেলের রেজিস্ট্রেশন নেই তারা বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথোরিটি(বিআরটিএ) থেকে রেজিস্ট্রেশন করিয়ে নিতে পারেন।

আসুন জেনে নেই মোটর সাইকেলের রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া।

বাংলাদেশের সড়কে ৫০ সিসি থেকে ১৫০ সিসি‘র মোটর সাইকেল চলাচলের অনুমতি আছে। বিআরটিএর তথ্য মতে ৫০ এবং ৮০ সিসির মোটর সাইকেলের রেজিস্ট্রেশন ফি ১৫ হাজার ৬১৩ টাকা। ১০০ সিসির মোটর সাইকেলের রেজিস্ট্রেশন ফি ২১ হাজার ৩৬৩ টাকা। এবং ১৫০ সিসির মোটর সাইকেলের রেজিস্ট্রেশন ফি ২৩ হাজার ৬৬৩টাকা।

রেজিস্টেশনের জন্য সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ অফিসে এসে নির্ধারিত ফরমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ মোটরযানের রেজিস্ট্রেশনের জন্য আবেদন করবেন। রেজিস্ট্রেশন ফর্ম বিআরটিএ ওয়েবসাইটেও পাওয়া যায়। এখান থেকে(www.brta.gov.bd) ফর্ম ডাউনলোড করে নেয়া যাবে।


অতঃপর বিআরটিএ অফিস কর্তৃক আবেদনকারীর আবেদন ফর্ম ও সংযুক্ত দালিলাদি যাচাই-বাছাই করে সঠিক পাওয়া গেলে গ্রাহককে প্রয়োজনীয় রেজিস্ট্রেশন ফি জমা প্রদান করতে একটি এ্যাসেসমেন্ট স্লিপ প্রদান করা হবে। ফি জমা প্রদানের পর গাড়িটি পরিদর্শনেরর জন্য বিআরটিএ অফিসে হাজির করতে হবে।


গাড়িটি পরিদর্শন করার পর মালিকানা ও গাড়ি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য বিআরটিএ ইনফরমেশন সিস্টেমে এন্টি করার পর সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি:) কর্তৃক রেজিস্টেশনের অনুমোদন প্রদান করা হয় এবং রেজিস্ট্রেশন রেজিস্ট্রেশন নম্বর উল্লেখপূর্বক একটি প্রাপ্তিস্বীকার পত্র, ফিটনেস সার্টিফিকেট ও ট্যাক্স টোকেন প্রিন্ট করে সংশ্লিস্ট কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর সম্বলিত গ্রাহককে প্রদান করা হয়।


ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট (ডিআরসি) তৈরির জন্য গ্রাহকের বায়োমেট্রিক্স (ডিজিটাল ছবি, ডিজিটাল স্বাক্ষর ও আঙ্গুলের ছাপ) প্রদানের জন্য গ্রাহককে সংশ্লিষ্ট অফিসে উপস্থিত হতে হবে। এজন্য গ্রাহককে তার মোবাইল ফোনে এসএমএস এর মাধ্যমে অবগত করা হয়। বায়োমেট্রিক্স প্রদানের পর ডিআরসি গ্রহণের জন্যও গ্রাহককে এসএমএস এর মাধ্যমে অবগত করা হয়।


মোটর সাইকেল এবং অন্যান্য গাড়ির রেজিস্ট্রেশনের জন্য কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করা হয়। এগুলো হলো:


১ । মালিক ও আমদানিকারক/ডিলার কর্তৃক যথাযথভাবে পূরণ ও স্বাক্ষর করা নির্ধারিত আবেদনপত্র। আবেদন ফরম এ ওয়েবসাইটের DOWNLOAD FORMS থেকে বা বিআরটিএ অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে।

একাধিক ব্যক্তি যৌথভাবে কোনো গাড়ির মালিক হলে সেক্ষেত্রে একজনের নামে রেজিস্ট্রেশনের জন্য সকলের সম্মতি সম্বলিত হলফনামা এবং প্রতিষ্ঠান/কোম্পানির ক্ষেত্রে স্বাক্ষর ও সিলমোহর, ব্যাংক অথবা অর্থলগ্নি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে গাড়ির মালিকানার আর্থিক সংশ্লিষ্টতা থাকলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্যাডে রেজিস্ট্রেশন কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন করতে হবে।

২ । বিল অব এন্ট্রি, ইনভয়েস, বিল অব লেডিং ও এলসিএ কপি।

৩ । সেল সার্টিফিকেট /সেল ইন্টিমেশন/বিক্রয় প্রমাণপত্র (আমদানিকারক/বিক্রেতা প্রদত্ত)

৪ । প্যাকিং লিস্ট, ডেলিভারি চালান ও গেইট পাশ (সিকেডি গাড়ির ক্ষেত্রে)

৫ । টিন সার্টিফিকেট এবং অগ্রিম/অনুমিত আয়কর প্রদানের প্রমাণপত্র

৬ । বিদেশি নাগরিকের নামে রেজিস্ট্রেশন/মালিকানা বদলি হলে বাংলাদেশের ওয়ার্ক পারমিট এবং ভিসার মেয়াদের কপি।

৭ । (ক) মূসক-১ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে), (খ) মূসক-১১(ক)/ভ্যাট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে), (গ) ভ্যাট পরিশোধের চালান (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে )

৮ । প্রস্তুতকারক/বিআরটিএ কর্তৃক অনুমোদিত বডি ও আসন ব্যবস্থার স্পেসিফিকেশন সম্বলিত ড্রইং (বাস, ট্রাক, হিউম্যান হলার, ডেলিভারী ভ্যান, অটো টেম্পু ইত্যাদি মোটরযানের ক্ষেত্রে)।

৯ । সিকেডি মোটরযানের ক্ষেত্রে বিআরটিএ’র টাইপ অনুমোদন ও অনুমোদিত সংযোজনী তালিকা।

১০। বডি ভ্যাট চালান ও ভ্যাট পরিশোধের রসিদ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

১১। প্রযোজ্য রেজিস্ট্রেশন ফি জমাদানের রসিদ।

১২। কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ছাড়পত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

১৩। ব্যক্তি মালিকানাধীন আবেদনকারীর ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র/পাসপোর্ট/টেলিফোন বিল/বিদ্যুৎ বিল ইত্যাদির যেকোনটির সত্যায়িত ফটোকপি এবং মালিক প্রতিষ্ঠান হলে প্রতিষ্ঠানের প্যাডে চিঠি।

১৪। নিলামে ক্রয়কৃত প্রতিরক্ষা বিভাগের গাড়ির ক্ষেত্রে লগবুকে বর্ণিত প্রস্তুতকাল ও প্রস্তুতকারকের বিস্তারিত বিবরণ সম্বলিত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রদত্ত ছাড়পত্র।

১৫। নিলামে ক্রয়কৃত সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের গাড়ির ক্ষেত্রে নিলাম সংক্রান্ত কাগজপত্র এবং মেরামতের বিস্তারিত বিবরণ।

১৬।রিকন্ডিশন্ড মোটরযান রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত অতিরিক্ত কাগজপত্র প্রয়োজন হবে-

ক) ‘টিও’ ফরম (ক্রেতা কর্তৃক স্বাক্ষরিত), ‘টিটিও’ ফরম ও বিক্রয় রসিদ (আমদানিকারক কর্তৃক স্বাক্ষরিত)।

খ) ডি-রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের মূল কপি এবং ডি-রেজিস্ট্রেশনের ইংরেজি অনুবাদের সত্যায়িত কপি (সার্টিফিকেট অব ক্যানসেলেশন এর সত্যায়িত কপি)

গ) এক কপিতে একাধিক গাড়ির বর্ণনা থাকলে মূলকপি প্রদর্শনপূর্বক সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ/বিভাগ কর্তৃক সত্যায়িত কপি দাখিল করা যাবে।

১৭। মোটরযান পরিদর্শক কর্তৃক গাড়িটির পরিদর্শন প্রতিবেদন।মটর সাইকেল সংক্রান্ত সকল কাগজ পত্র যে কোম্পানি থেকে মটর সাইকেল টি ক্রয় করেছেন সেই কোম্পানি থেকে সংগ্রহ করুন।

ঢাকাই বিরিয়ানি রান্না করবেন যেভাবে

 ঢাকাই বিরিয়ানি রান্না করবেন যেভাবেবিরিয়ানি মানেই রাজকীয় একটা আমেজ, আর তা যদি হয় ঢাকাই বিরিয়ানি, তাহলে তো কথাই নেই! সব বিরিয়ানির মধ্যে ঢাকাই বিরিয়ানির স্বাদ আর সুবাসটাই যেন আলাদা। নামী দামী রেস্তোরায় গিয়ে ঢাকাই বিরিয়ানি তো খাওয়া হয়ই, চাইলে ঘরে বসেও রান্না করে নিতে পারেন এই চমৎকার স্বাদের রেসিপিটি। প্রচুর মশলাপাতি আর একটু সময়সাপেক্ষ ব্যাপার, তবে এমন দারুন স্বাদের রান্নার জন্য এটুকু তো করাই যায়। রইলো রেসিপি-

উপকরণ :
১. খাসির মাংস ২ কেজি, টকদই ১ কাপ, মিষ্টিদই সিকি কাপ, পেঁয়াজবাটা আধা কাপ, আদাবাটা ২ টেবিল-চামচ, রসুনবাটা ১ টেবিল-চামচ, শাহি জিরাবাটা ১ চা-চামচ, দারচিনি ৪ টুকরা, এলাচ ৪টি, লবঙ্গ ৬টি, তেজপাতা ৪টি, আলুবোখারা ৮টি, শুকনা মরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, তেল আধা কাপ, বেরেস্তা আধা কাপ, গরম মসলার গুঁড়া ১ চা-চামচ, জায়ফল-জয়ত্রি গুঁড়া আধা চা-চামচ।

প্রণালি :
মাংস ধুয়ে পানি ঝরিয়ে সব উপকরণ দিয়ে মাখিয়ে ২ ঘণ্টা রেখে দিন। এবার মাঝারি আঁচে কষিয়ে পরিমাণমতো পানি দিয়ে মাংস রান্না করুন। মাংস সেদ্ধ হয়ে তেলের ওপর এলে বেরেস্তা, জায়ফল-জয়ত্রি গুঁড়া, গরম মসলার গুঁড়া দিয়ে নামান।

উপকরণ : ২. আধা কেজি আলু ঘি দিয়ে ভেজে আধা সেদ্ধ করে নিতে হবে।

উপকরণ : ৩. পোলাওয়ের চাল ১ কেজি, পেঁয়াজবাটা ২ টেবিল-চামচ, আদাবাটা ১ টেবিল-চামচ, পোস্তদানাবাটা ১ টেবিল-চামচ, বাদামবাটা ১ টেবিল-চামচ, টকদই আধা কাপ, মালাই আধা কাপ, লবণ স্বাদমতো, বেরেস্তা ১ কাপ, কিশমিশ ১ টেবিল-চামচ, পেস্তা বাদামকুচি ২ টেবিল-চামচ, দারচিনি ৬ টুকরা, এলাচ ৬টি, লবঙ্গ ৮টি, কেওড়ার জল পৌনে এক কাপ, কাঁচা মরিচ ৮-১০টি।

প্রণালি : চাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন, কেওড়ার জলে জাফরান ভেজান। অন্য হাঁড়িতে ঘি গরম করে সব মসলা কষিয়ে চাল দিয়ে ভাজুন। এবার এতে ৫ কাপ গরম পানি দিয়ে লবণ, দই দিয়ে ঢেকে দিন। পানি কমে এলে দুধের সঙ্গে পোস্তদানা ও বাদামবাটা গুলিয়ে পোলাওয়ে দিয়ে অল্প জ্বালে ২০ মিনিট রাখুন। হাঁড়িতে অর্ধেক পোলাও উঠিয়ে দুই স্তরে মাংস, পোলাও, মালাই, আলু, কাঁচা মরিচ, বেরেস্তা, কিশমিশ, পেস্তা বাদাম, কেওড়ার জলে ভেজানো জাফরান দিয়ে সাজিয়ে হাঁড়ির মুখ বন্ধ করে ৩০ মিনিট দমে রাখুন। নামিয়ে পরিবেশন করুন।

ঢাকাই বিরিয়ানি রান্না করবেন যেভাবে

| আপডেট: ০৫:২৭  অপরাহ্ণ, ০১ জুন ২০১৫, সোমবার
 ঢাকাই বিরিয়ানি রান্না করবেন যেভাবে
বিরিয়ানি মানেই রাজকীয় একটা আমেজ, আর তা যদি হয় ঢাকাই বিরিয়ানি, তাহলে তো কথাই নেই! সব বিরিয়ানির মধ্যে ঢাকাই বিরিয়ানির স্বাদ আর সুবাসটাই যেন আলাদা। নামী দামী রেস্তোরায় গিয়ে ঢাকাই বিরিয়ানি তো খাওয়া হয়ই, চাইলে ঘরে বসেও রান্না করে নিতে পারেন এই চমৎকার স্বাদের রেসিপিটি। প্রচুর মশলাপাতি আর একটু সময়সাপেক্ষ ব্যাপার, তবে এমন দারুন স্বাদের রান্নার জন্য এটুকু তো করাই যায়। রইলো রেসিপি-

উপকরণ : ১. খাসির মাংস ২ কেজি, টকদই ১ কাপ, মিষ্টিদই সিকি কাপ, পেঁয়াজবাটা আধা কাপ, আদাবাটা ২ টেবিল-চামচ, রসুনবাটা ১ টেবিল-চামচ, শাহি জিরাবাটা ১ চা-চামচ, দারচিনি ৪ টুকরা, এলাচ ৪টি, লবঙ্গ ৬টি, তেজপাতা ৪টি, আলুবোখারা ৮টি, শুকনা মরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, তেল আধা কাপ, বেরেস্তা আধা কাপ, গরম মসলার গুঁড়া ১ চা-চামচ, জায়ফল-জয়ত্রি গুঁড়া আধা চা-চামচ।

প্রণালি : মাংস ধুয়ে পানি ঝরিয়ে সব উপকরণ দিয়ে মাখিয়ে ২ ঘণ্টা রেখে দিন। এবার মাঝারি আঁচে কষিয়ে পরিমাণমতো পানি দিয়ে মাংস রান্না করুন। মাংস সেদ্ধ হয়ে তেলের ওপর এলে বেরেস্তা, জায়ফল-জয়ত্রি গুঁড়া, গরম মসলার গুঁড়া দিয়ে নামান।

উপকরণ : ২. আধা কেজি আলু ঘি দিয়ে ভেজে আধা সেদ্ধ করে নিতে হবে।

উপকরণ : ৩. পোলাওয়ের চাল ১ কেজি, পেঁয়াজবাটা ২ টেবিল-চামচ, আদাবাটা ১ টেবিল-চামচ, পোস্তদানাবাটা ১ টেবিল-চামচ, বাদামবাটা ১ টেবিল-চামচ, টকদই আধা কাপ, মালাই আধা কাপ, লবণ স্বাদমতো, বেরেস্তা ১ কাপ, কিশমিশ ১ টেবিল-চামচ, পেস্তা বাদামকুচি ২ টেবিল-চামচ, দারচিনি ৬ টুকরা, এলাচ ৬টি, লবঙ্গ ৮টি, কেওড়ার জল পৌনে এক কাপ, কাঁচা মরিচ ৮-১০টি।

প্রণালি : চাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন, কেওড়ার জলে জাফরান ভেজান। অন্য হাঁড়িতে ঘি গরম করে সব মসলা কষিয়ে চাল দিয়ে ভাজুন। এবার এতে ৫ কাপ গরম পানি দিয়ে লবণ, দই দিয়ে ঢেকে দিন। পানি কমে এলে দুধের সঙ্গে পোস্তদানা ও বাদামবাটা গুলিয়ে পোলাওয়ে দিয়ে অল্প জ্বালে ২০ মিনিট রাখুন। হাঁড়িতে অর্ধেক পোলাও উঠিয়ে দুই স্তরে মাংস, পোলাও, মালাই, আলু, কাঁচা মরিচ, বেরেস্তা, কিশমিশ, পেস্তা বাদাম, কেওড়ার জলে ভেজানো জাফরান দিয়ে সাজিয়ে হাঁড়ির মুখ বন্ধ করে ৩০ মিনিট দমে রাখুন। নামিয়ে পরিবেশন করুন।
- See more at: http://www.jagonews24.com/%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%87%20%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%20%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%BE%20%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A8%20%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87/32179#sthash.aTla2JzP.dpuf