Friday, May 27, 2016

ওজন কমাতে ৫ ফলের গুনাগুন

রোগীদের জন্য ও ওজন কমাতে ফলমূল বেশ উপকারী। কিন্তু কোনও কোনও ফল বেশি খেলে হিতে বিপরীত ফল হতে পারে।

জেনে নিন ওজন কমাতে কোন ৫ ফলের গুনাগুন:

তরমুজ: ফ্লুইডের সঠিক মাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে তরমুজ। লো-ক্যালরি যুক্ত এই ফল ওজন কমাতে দারুণ উপকারী।

বেদানা: এই ফলে থাকা এন্টিঅক্সিড্যান্ট কোলেস্টেরল ও ফ্যাটের পরিমাণ কমায়। এবং ওজন নিয়ন্ত্রনে রাখে।

পেঁপে: এর মধ্যে থাকা প্যাপেইন লিভার পরিস্কার রাখতে সাহায্য  করে। ভিটামিন এ এবং সি রক্তে শর্করার মাত্রা কম করে ফলে ওজন কমে।

আপেল: পেনটিক নামক সলিউবল থাকায় এই ফল শরীরের ফ্যাট মেটাবলিজমে সাহায্য করে।

ডাব: ডাবের বা নারকেলের পানিতে তেল থাকে যা শরীরের তাপমাত্রা বাড়ায় ফলে মেটাবলিক রেট বাড়ে এবং ওজন কমে। সুত্র-এবিপি

রোগ নিরাময়ে করলার জুস

করলায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, বি এবং সি রয়েছে। একই সঙ্গে এতে বিটা-ক্যারোটিন, লুটেইন, আয়রন, জিঙ্ক, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ও ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। এ জন্য এটি শরীরের জন্য অনেক উপকারী।

ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে করলার পর্যাপ্ত ভেষজগুণ রয়েছে।

জ্বর ও শরীরের কোনো অংশ ফুলে গেলে তা থেকে পরিত্রাণ পেতে করলা ভালো পথ্য। তা ছাড়া করলার তরকারি বাত রোগে, লিভারে ও প্লীহার রোগে এবং ত্বকের অসুখে উপকার দেয়। নিয়মিত করলা খেলে জ্বর, হাম ও বসন্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়।

যেভাবে তৈরি করবেন করলার জুস

গাঢ় সবুজ রঙের কাঁচা করলা নিয়ে টুকরো করে কাটতে হবে। বিচিগুলো সরিয়ে ফেলতে হবে। তিতা কমাতে চাইলে করলা কেটে ঠাণ্ডা লবণ পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। এরপর ব্লেন্ডারে জুস তৈরি করে নিতে হবে। প্রয়োজন মত লবণ দেয়া যেতে পারে।

উপকারিতা

তিতা করলার রস পানে অগ্ন্যাশয় ক্যানসারের কোষ ধ্বংস হয় বলে সম্প্রতি গবেষকরা জানিয়েছেন।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে করলার রস সহায়তা করে। দাঁত ও হাড় ভালো রাখে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে ও চোখের সমস্যা সমাধানে করলার বিটা ক্যারোটিন খুবই উপকারী।

ত্বক ও চুল ভালো রাখার জন্যও একান্ত  জরুরি। চর্মরোগ সারাতে সাহায্য করে। এছাড়া করলার রস ক্রিমি দূর করে।

Tuesday, May 17, 2016

♦♦ মাত্র ৩০ সেকেন্ডেই দূর!♦♦
আমাদের অনেকেরই প্রায়ই মাথাব্যথা হয়। অনেকেই আবার নানা করণে টেনশনে থাকি। এই খারাপ লাগার অনুভূতিগুলো সত্যিই খুব যন্ত্রণা দেয় আমাদের।

ওষুধ খেলে এগুলো থেকে মুক্তি পাওয়া যায়, কিন্তু সেজন্য অনেক সময় লাগে। যদি এমন হয় মাত্র ৩০ সেকেন্ডে এই দুঃসহ যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়, তাও আবার কোনো ওষুধ ছাড়াই।

অসম্ভব মনে হচ্ছে? একদমই না বন্ধুরা। এটা সম্ভব। আমরা অনেকেই জানি, ব্যথা ও রোগ নিরাময় করার জন্য ব্যবহৃত প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি হচ্ছে আকুথেরাপি।  মানবদেহের রোগ নির্ণয়, রোগ নিরাময় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ব্যবহার করা হয় আকুথেরাপি। শরীরে সুচের মতো চাপ প্রয়োগ করে আকুথেরাপি দেওয়া হয়।

কিন্তু ভয় পাবেন না, আপনার মাথাব্যথা আর টেনশন থেকে মুক্তি পেতে মাথায় সুই ফোটাতে হবে না।

মাত্র ৩০ সেকেন্ড বাম হাতের পয়েন্টে ডান হাতের আঙ্গুল দিয়ে ছবির মতো চাপ দিয়ে ধরে রাখুন।

আর মুহূর্তেই অনুভব করুন মাথাব্যথা কোথায় পালিয়েছে, আর দুশ্চিন্তাও উধাও!

বন্ধুরা আরও নানা বিষয়ে জানতে ও আপনার মতামত জানাতে https://www.facebook.com/bnlifestyle

Monday, May 16, 2016

পবিত্র কাবার ভেতরের দূর্লভ ৯টি ছবি

সৌদি আরবের বাসিন্দা ইয়াসির আহমেদ। এই সৌভাগ্যবান মানুষটি ২০১৫ সালের মে মাসে পবিত্র কাবা শরিফের ভেতরে প্রবেশের সুযোগ পান। তখন তিনি কাবার ভেতরের কিছু ছবি উঠিয়েছিলেন। সম্প্রতি তিনি আরবি ক্যাপশনসহ তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ওই ছবিগুলো পোস্ট করেছেন। ওই ছবিগুলো হলো-

কাবার ভেতরে ঝুলন্ত লন্ঠন। আর ভেতরকার থামের স্বর্ণালী কারুকাজ বিশেষ।

এগুলো কাবার শরিফের ভেতরে ঝুলন্ত নানা স্মৃতিবাহী প্রাচীন আমলের লন্ঠন। যা কাবার ভেতের দুই থামের মাঝে ঝুলছে।

এই দরজা দিয়ে কাবা শরিফের ভেতর থেকে ছাদে যাওয়া যায়। তবে এ দরজা ছাদে যাওয়ার জন্য খুব কমই ব্যবহার করা হয়। বর্তমানে কাবার ছাদে যাওয়ার কাজটি সম্পন্ন হয় ট্রলি লাগানো বিশেষ ক্রেন দ্বারা।

এই অংশের ঠিক বাইরে হাজরে আসওয়াদ বা কালো পাথার লাগানো। এটা কাবা শরিফের দক্ষিণ কোণ।

কাবার ভেতরের দেয়ালে লাগানো এই শিলালিপিতে কাবার সর্বশেষ সংস্কারক হিসেবে বাদশা খালেদের নাম লেখা আছে। এখানে দেখা যাচ্ছে- প্রথমে লেখা হয়েছে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। এর পর প্রশংসা করা হয়েছে মহান সৃষ্টিকর্তা ও উভয়জাহানের মালিক আল্লাহতায়ালার। পরে সালাম ও দরূদ পাঠ করা হয়েছে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি। লেখার পরের অংশে রয়েছে, আল্লাহর অশেষ রহমতে সম্পাদিত খাদেমুল হারামাইন শরিফাইন বাদশা খালেদ বিন আবদুল আজিজ আলে সউদের সব ভালো কাজ আল্লাহ কবুল করে নিন।  রবিউল আউয়াল মাস, ১৩৯৭ হিজরি। আমিন।

এটা একটি টেবিল। এর ওপর বিশেষ এক প্রকারের সুগন্ধি রাখা হয়। যার ফলে কাবার ঘর বন্ধ থাকলেও আবদ্ধ ঘরের গুমোট গন্ধ সৃষ্টি হয় না।

কাবা শরিফের মেঝের এই সাদা চিহ্নসূচক পাথর দ্বারা নির্দিষ্ট জায়গায় দাঁড়িয়ে নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করেছেন।

মার্বেল পাথরের ওপর আরবি ক্যালিওগ্রাফি। এ ক্যালিওগ্রাফিতে লেখা রয়েছে, নবী করিম সাল্লাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক। অনুমান করা হয়, এ জায়গাটি বিশেষ কোনো জায়গা। কিংবা নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এখানে বসে ইবাদত-বন্দেগি করেছেন।

এই কোণ বরাবর বাইরে রুকনে ইয়ামানি অবস্থিত। রুকনে ইয়ামানি কাবা শরিফের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণ।

 http://www.banglanews24.com/islam/news/489134/%E0%A6%AA%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%AD-%E0%A7%AF%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%9B%E0%A6%AC%E0%A6%BF

Wednesday, May 11, 2016

হাড়ের স্যুপের (Nehari) অসাধারণ কার্যকরী স্বাস্থ্য উপকারিতা

আপনি হয়তো মুরগীর স্যুপ বা হাড় দিয়ে তৈরি অন্য কোন খাবার যেমন- নেহারি খেয়েছেন। কিন্তু এই হাড়ের জুস বা স্যুপের যে অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে তা কি জানেন? আসলে বিভিন্ন ধরণের স্বাস্থ্য সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে হাড়ের জুস।

হাড়ের এই স্যুপ তৈরি হয় গরু বা মুরগীর অস্থি ও তরুণাস্থি দিয়ে। হাড়ের মধ্যে বিভিন্ন ধরণের মিনারেল থাকে এবং এর পাশাপাশি জেলাটিন ও কোলাজেন থাকে। এ কারণেই হাড়ের স্যুপের স্বাস্থ্য উপকারিতা প্রচুর।

হাড়ের স্যুপে মিনারেলের পাশাপাশি ভিটামিন ও থাকে। এতে উচ্চমাত্রার ম্যাগনেসিয়াম থাকে। এছাড়াও আয়রন, সেলেনিয়াম, কপার, ফসফরাস, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, ভিটামিন সি ও বি৬ এর ভালো উৎস হাড়ের স্যুপ। হাড়ের স্যুপে কন্ডিশনাল অ্যামাইনো এসিড থাকে। এই ধরণের অ্যামাইনো এসিড আমাদের শরীরে উৎপন্ন হয় না, তাই খাদ্য থেকে এদের গ্রহণ করতে হয়। হাড়ের স্যুপে যে ৪টি অ্যামাইনো এসিড থাকে সেগুলো হল- আরজিনিন, গ্লিসাইন, গ্লুটামিন ও প্রোলিন। এই অ্যামাইনো এসিড গুলো ইমিউন ফাংশন, অন্ত্রের কাজ, জ্ঞানীয় ক্ষমতা এবং বডি ডিটক্সের জন্য প্রয়োজনীয়।

হাড়ের স্যুপের স্বাস্থ্য উপকারিতা সমূহঃ

১. অন্ত্রের সমস্যা নিরাময়ে সাহায্য করেঃ

যাদের অন্ত্রের বিভিন্ন ধরণের সমস্যা যেমন- লিকি গাট বা হজমের সমস্যা থাকে তারা প্রতিদিন ১ কাপ হাড়ের স্যুপ খেলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব। অন্ত্রের ছিদ্রগুলোকে মেরামত করতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে হাড়ের স্যুপের জেলাটিন। ডায়রিয়া, খাদ্যের অসহনীয়তা, কোষ্ঠকাঠিন্য ও পেট ফাঁপার সমস্যাগুলো হয় অন্ত্রের ছিদ্রের অসামঞ্জস্যতার জন্য।—-

২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করেঃ

হাড়ের স্যুপ ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে পারে কিনা তা এখনো জানা যায়নি। তবে অনেক ধরণের স্বাস্থ্যগত সমস্যা সমাধান করতে সাহায্য করে হাড়ের স্যুপ এবং এই কাজটি করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটানোর মাধ্যমে। হাড়ের স্যুপের প্রচুর খনিজ উপাদানের উপস্থিতি, অ্যামাইনো এসিড ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের জন্যই এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটাতে পারে।

৩. ভাইরাস ও ঠান্ডার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেঃ

গবেষণায় পাওয়া গেছে যে, সাধারণ ঠান্ডার উপসর্গগুলো কমতে সাহায্য করে হাড়ের স্যুপ। হাড়ের স্যুপ সাইনাস ও শ্বাসনালীর পথ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। এটি হজম সহায়ক পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ। তাই অসুস্থ হলে মুরগীর স্যুপ খাওয়ার কথা বলা হয়।

৪. জয়েন্টের ব্যথা দূর করেঃ

বছরের পর বছর ধরে মানুষ জয়েন্টের ব্যথায় আরাম পাওয়ার জন্য গ্লুকোসামাইন সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করছেন। হাড়ের স্যুপে গ্লুকোসামিন থাকে, তার অর্থ হাড়ের স্যুপ অস্থি সন্ধির ব্যথা কমাতে কার্যকরী হতে পারে। এছাড়াও হাড়ের স্যুপ হাড়কে শক্তিশালী করে এবং অষ্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ করে।

৫. ঘুমের উন্নতি ঘটায়ঃ

হাড়ের স্যুপে গ্লিসাইন থাকে যার অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে। আসলে গবেষণায় পাওয়া গেছে যে, গ্লিসাইন ঘুমের মান উন্নত করতে পারে এর পাশাপাশি স্মৃতিরও উন্নতি ঘটায়।

তাছাড়া হাড়ের রসে কোলাজেন থাকে বলে এই স্যুপ খেলে ত্বককে দৃঢ়, উজ্জ্বল ও তরুণ রাখে, অন্ত্রের যে ব্যাকটেরিয়া স্থূলতার জন্য দায়ী তাদের দূর করে ওজন কমতে সাহায্য করে হাড়ের স্যুপ, মিনারেল ও ইলেক্ট্রোলাইটের উপস্থিতির জন্য শরীর হাইড্রেটেড থাকতে সাহায্য করে হাড়ের স্যুপ