Saturday, March 28, 2015

যৌন দুবর্লতার হোমিওপ্যাথিক ঔষধসমূহ

Image result for homoeopathyরাস্তাঘাটের দেয়ালে দেয়ালে যে-সব ডাক্তারী বিজ্ঞাপন দেখা যায়, সেগুলো দেখলে যে কারো এমন ধারণা হওয়াই স্বাভাবিক যে আমাদের দেশে পুরুষদের যৌন দুবর্লতার সমস্যা একটু বেশী। আবার এসব বিজ্ঞাপনের বেশীর ভাগই দেখা যায় হোমিও ডাক্তারদের বিজ্ঞাপন। এতে অনেকের মনে হতে পারে যে, সম্ভব হোমিওপ্যাথিতে যৌন রোগের সবচেয়ে ভালো চিকিৎসা আছে। হ্যাঁ, বাস্তবেও কথাটি সত্য। অন্য যাবতীয় রোগের মতো যৌনরোগেরও সবচেয়ে ভালো চিকিৎসা আছে হোমিওপ্যাথিতে।

হোমিও ডাক্তারদের কাছে যৌন দুবর্লতার যত রোগী যান, তাদের প্রত্যেকেই বলেন যে, এলোপ্যাথিক বা কবিরাজি চিকিৎসায় তারা কোন সত্যিকারের উপকার পান নাই। (যতদিন ঔষধ খাই ততদিনই ভাল থাকি ; ঔষধ বন্ধ করলেই অবস্থা আগের মতো।) অন্যদিকে মহিলাদেরও যৌন দুরবলতা, যৌনকর্মে ‍অনীহা ইত্যাদি থাকতে পারে এবং হোমিওপ্যাথিতে তারও চমৎকার চিকিৎসা আছে।

আবার নারী-পুরুষ উভয়েরই যৌনশক্তি মাত্রাতিরিক্ত থাকতে পারে এবং অনেকে সময়মতো বিবাহ করতে না পারার কারণে অথবা অকালে স্ত্রীর মৃত্যু-তালাক-বিধবা হওয়ার কারণে তাদের যৌন চাহিদা পূরণ করতে পারেন না এবং এই সমস্যা নিয়ে তারা বিপদে পড়েন। এসব ক্ষেত্রে হোমিও ঔষধের মাধ্যমে কিছুদিনের জন্য যৌনশক্তি কমিয়ে রাখা যায় এবং এতে আপনার শরীরের বা যৌনশক্তির কোন ক্ষতির সম্ভাবনা নাই।

Lycopodium clavatum:
লাইকোপোডিয়াম ধ্বজভঙ্গের একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ। মাত্রাতিরিক্ত ধূমপানের কারণে ধ্বজভঙ্গ হলে এটি খেতে পারেন। লাইকোপোডিয়ামের প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো এদের পেটে প্রচুর গ্যাস হয়, এদের ব্রেন খুব ভালো কিন্তু স্বাস্থ্য খুব খারাপ, এদের প্রস্রাব অথবা পাকস্থলী সংক্রান্ত কোন না কোন সমস্যা থাকবেই, অকাল বার্ধক্য, সকাল বেলা দুর্বলতা ইত্যাদি ইত্যাদি।

Selenium:
যৌন শক্তির দুর্বলতা, দ্রুত বীর্য নির্গত হওয়া, স্বপ্নদোষ, মাথার চুল পড়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যায় সেলিনিয়াম একটি প্রথম শ্রেণীর ঔষধ। বিশেষত যাদের কোষ্টকাঠিন্যের সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে এটি ভালো কাজ করে।
Agnus Castus:
সাধারণত গনোরিয়া রোগের পরে যৌন দুর্বলতা দেখা দিলে এটি ভালো কাজ করে। পুরুষাঙ্গ ছোট এবং নরম হয়ে যায়, পায়খানা এবং প্রস্রাবের আগে-পরে আঠালো পদার্থ নির্গত হয়, ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়।

Caladium seguinum:
যারা যৌনমিলনে কোন আনন্দ পান না বা যৌনমিলনের পর বীরয নির্গত হয় না বা যাদের বীরয তাড়াতাড়ি নির্গত হয়ে যায় বা যারা মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুন করে দুবর্ল হয়ে পড়েছেন, তাদের জন্য কার্যকরী।

Origanum marjorana:
ওরিগ্যানাম ঔষধটি পুরুষ এবং নারীদের যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধিতে একটি শ্রেষ্ট ঔষধ। তবে এটি নিম্নশক্তিতে খাওয়া উচিত কেননা উচ্চশক্তিতে কোন ফল পাওয়া যায় না।

Moschus Moschiferus:
ডায়াবেটিস রোগীদের ধ্বজভঙ্গে এটি ভালো কাজ করে। এটি ক্ষুদ্রাকৃতি হয়ে যাওয়া পুরুষাঙ্গকে পূর্বের আকৃতিতে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারে।

Staphisagria:
পুরুষদের যৌন দুর্বলতা দূর করার ক্ষেত্রে স্টেফিসেগ্রিয়া একটি শ্রেষ্ট ঔষধ। বিশেষত অতিরিক্ত যৌনকর্ম করার কারণে বা মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে যাদের ধ্বজভঙ্গ হয়ে গেছে, তাদের ক্ষেত্রে বেশী প্রযোজ্য। বিয়ের প্রথম কিছুদিনে মেয়েদের প্রস্রাব সম্পর্কিত অথবা যৌনাঙ্গ সম্পর্কিত কোন সমস্যা হলে নিশ্চিন্তে স্টেফিসেগ্রিয়া নামক ঔষধটি খেতে পারেন। কারণ স্টেফিসেগ্রিয়া একই সাথে যৌনাঙ্গ সম্পর্কিত রোগে এবং আঘাতজনিত রোগে সমান কাযর্কর।

Salix nigra:
মাত্রাতিরিক্ত যৌনকর্ম, হস্তমৈথুন, স্বপ্নদোষ প্রভৃতি কারণে সৃষ্ট পুরুষদের যৌনকর্মে দুর্বলতা বা অক্ষমতার একটি শ্রেষ্ট ঔষধ হলো স্যালিক্স নাইগ্রা। এসব কারণে যাদের ওজন কমে গেছে, এই ঔষধ একই সাথে তাদের ওজনও বাড়িয়ে দিয়ে থাকে যথেষ্ট পরিমাণে। পাশাপাশি অবিবাহিত যুবক-যুবতী বা যাদের স্বামী-স্ত্রী বিদেশে আছেন অথবা মারা গেছেন, এই ঔষধ তাদের মাত্রাতিরিক্ত উত্তেজনা কমিয়ে দিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপনে সাহায্য করে।

Sabal serrulata:
সেবাল সেরুলেটা পুরুষদের যৌনশক্তি বৃদ্ধি করে এবং পাশাপাশি হজমশক্তি, ঘুম, শারীরিক শক্তি, ওজন (কম থাকলে) ইত্যাদিও বৃদ্ধি পায়। এটি মেয়েদেরও যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি করে থাকে এবং ক্ষুদ্রাকৃতির স্তনবিশিষ্ট মেয়েদের স্তনের আকৃতি বৃদ্ধি করে থাকে। বয়ষ্ক পুরুষদের প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের বৃদ্ধিজনিত যে-কোন সমস্যা এবং ব্রঙ্কাইটিস নির্মূল করতে পারে।

Conium:
স্ত্রী সহবাসের ইচ্ছা অধিক কিন্তু অক্ষম।সহবাস কালে সোহাগ আলিঙ্গনের সময় লিঙ্গ শিথিল হইয়া পড়ে।

Calcarea Carbonica:
ক্যালকেরিয়া কার্ব যৌনশক্তি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ। বিশেষত মোটা, থলথলে স্বাস্থ্যের অধিকা
http://www.homeopathybd.com/jowno-durbolotar-homeo-osud/

Sunday, March 8, 2015

কান ব্যথা? ওষুধ রয়েছে রান্নাঘরেই

dw2

প্রায়শই ছোট-বড় অনেকের কান ব্যথা হওয়ার কথা শোনা যায়? সমস্যা নেই, আপনার রান্নাঘরেই রয়েছে এর সমাধান। অ্যান্টিবায়োটিক ছাড়াই এই ব্যথা সারতে পারে পেঁয়াজের গরম ভাঁপ দিয়ে।

পেঁয়াজে রয়েছে সংক্রমণ দমনকারী এক ধরনের পদার্থ, যা কানের ব্যথা বা সংক্রমণে বেশ উপকারী।
প্রথমে একটি বা দু’টি পেঁয়াজ ছোটছোট করে কেটে নিন, তারপর গরম করুন এবং গরম পেঁয়াজের টুকরোগুলো একটি পরিষ্কার কাপড়ে ঢেলে পুটলি করে নিন। লক্ষ্য রাখবেন পেঁয়াজ যেন অতিরিক্ত গরম না হয়৷ পুটলিটাকে যেখানে ব্যথা বা ফোলা সেখানে আধঘণ্টা ধরে রাখুন।
আরো একটি উপায় হচ্ছে, কানে ব্যাথা হলে গরম অলিভ অয়েলে একটি ছোট নরম কাপড় ভিজিয়ে সেটা কানের ঠিক পেছনে কয়েক মিনিট চাপ দিয়ে রাখুন। দেখবেন এতে অনেক আরাম বোধ করছেন এবং ব্যথাও কমে গেছে।
এছাড়া কানব্যথা সারাতে পেপারমিন্ট বা মেন্থল যুগ যুগ ধরে ব্যবহার হয়ে আসছে। তবে কানব্যথার সঙ্গে যদি জ্বরও থাকে, তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত। তাছাড়া ‘ভেষজ ওষুধে যারা বিশ্বাসী নন, তাদের চিকিৎসকের পরমর্শ না নিয়ে তা ব্যবহার করাও বুদ্ধিমানের কাজ নয়’– এ কথা বলেন জার্মানির নাক, কান, গলা বিশেষজ্ঞ ডা. বনডর্ফ।

কানব্যথা এড়িয়ে চলতে কী করবেন?

বিশেষজ্ঞের পরামর্শ- গাড়ি, বাস বা ট্রেনে যাতায়াতের সময় অবশ্যই মাথা এবং কান ঢেকে রাখবেন, বন্ধ করে দেবেন জানালা। কারণ সাধারণত দুই দিকের জানালা খোলা থাকলে ঠাণ্ডা বাতাস এবং ধুলোবালি কানে লাগে এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তা থেকেই কান ব্যথা বা কানে সংক্রমণ হয় বলে মনে করেন চিকিৎসকরা।

কী কী কারণে কান ব্যথা হয়?

বাইরের কোনো সংক্রমণ থেকে কানের ভেতরে ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস জন্মালে কানে ব্যথা হতে পারে৷ যেমন সাতাঁর কাটা, ঠান্ডা লাগা, কানের পর্দায় আঘাত লাগা বা কোনো ধরনের অ্যালার্জি, কানে ময়লা বা খৈল জমা, এমনকি দাঁত বা চোয়ালের সমস্যা থেকেও কানে ব্যথা হতে পারে৷ তবে কার কী কারণে কান ব্যথা হচ্ছে, তা ডাক্তারের কাছ থেকেই জেনে নেয়া উচিত।
এছাড়াও চিকিৎসকরা পরামর্শ দেন, সাঁতার কাটার সময় অবশ্যই বাথক্যাপ পরে নেবেন। কারণ স্নান করা বা সাঁতার কাটার সময় কানে পানি ঢুকে গেলেও কানে সংক্রমণ হতে পারে। তাই সাঁতার বা গোসলের পর ভালো করে কান মুছে ‘হেয়ায়ড্রায়ার’ দিয়ে চুল শুকিয়ে নেয়াও ভালো। চিকিৎসকরা জানান, সাধারণত কানে পানি ঢুকে ‘ইনফেশন’ হয় গ্রীষ্মকালে।
আর নিজে নিজে কান পরিষ্কার করতে গেলেও অনেকসময় হিতে বিপরীত হওয়ার আশংকা থাকে। তাই চিকিৎসকদের বিশেষ পরামর্শ- দিনে দুই থেকে তিন লিটার পানি পান করুন। কারণ এতে কানের ত্বক বা পর্দার ভেতরে লুকিয়ে থাকা জীবাণুগুলো বেরিয়ে পরিষ্কার হয়ে যায়।

Wednesday, March 4, 2015

মাইগ্রেন দূর করবে যে পানীয়

মাইগ্রেনের ভয়াবহ মাথা ব্যথার সাথে যারা পরিচিত তারাই জানেন, এটি কতটা যন্ত্রণাদায়ক। মাইগ্রেনের মাথাব্যথা একবার শুরু হলে যেতেই চায়
না। যন্ত্রণার তীব্রতা অনুযায়ী এর স্থায়িত্ব ২/৩ দিন পর্যন্ত হতে পারে। সাধারণ পেইনকিলারে এই মাইগ্রেনের মাথা ব্যথা দূর করা সম্ভব হয়ে ওঠে না।
এই মাইগ্রেনের ব্যথা দূর করার রয়েছে দারুণ কিছু উপায়। সাধারণ একটি জুস পানের ফলে নিমেষে দূর হয়ে যাবে মাইগ্রেনের মারাত্মক মাথা ব্যথা।
চলুন জেনে নেয়া যাক সেই পানীয় সম্পর্কে।
ব্রকোলী, গাজর ও আপেলের পানীয়
উপকরণ
– ছোট আকারের ব্রকলির আট ভাগের এক ভাগ
– দুটি মাঝারি আকারের গাজর
– একটি আপেল
পদ্ধতি
– ব্রকলি, আপেল ও গাজর ছোটো ছোটো টুকরা করে ব্লেন্ডারে সামান্য পানি দিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন।
– মিহি ব্লেন্ড করে ছেঁকে নিতে পারেন। প্রয়োজন না পড়লে ছেঁকে নেয়ার দরকার নেই।
– এতে এক চিমচি লবণ ও এক চিমটি বিট লবণ মেশান।

এবার এই পানীয় পান করে নিন। ভালো ফল পাবেন।

Sunday, March 1, 2015

ঝরিয়ে ফেলুন নিতম্ব ও থাইয়ের মেদ

jogging_62993
মুটিয়ে যাওয়া নিয়ে এখন শহুরেরা বড় বেশি দুঃশ্চিন্তায় ভোগেন। গ্রামীন জীবনে অবশ্য দৈনন্দিন কাজের চাপে বিষয়টা খুব একটা ভাবানোর সুযোগ পায় না। এমনিতেই শরীরচর্চা হয়ে যায়। শহরের বিষয়টা উল্টো। একদিকে ফাস্টফুড নির্ভরতা, অন্যদিকে হাঁটা বা পর্যাপ্ত শরীরচর্চার অভাব। এছাড়া ভুল ব্যায়ামের কারণেও কাঙ্খিত সাফল্য আসে না মেদ ঝরানোর ক্ষেত্রে। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে দেখেই বিরক্ত লাগে অনেকের। নিজেকে সুন্দর দেখাতে সবাই অতিরিক্ত চর্বি কমিয়ে ফেলতে চান। বিশেষ করে নিতম্ব ও থাইয়ের। আসুন জেনে নেই দ্রুত চর্বি কমানোর ৫টি বিষয়-

১। পানি:

পানির অপর নাম জীবন, পানি পানে শরীরের ক্ষতিকারক টক্সিন বেরিয়ে যায়। প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান আপনাকে দেবে মানসিক প্রশান্তি। নিয়মিত পরিমিত পানি পান করলে আপনার শরীরের তাপমাত্রা ঠিক থাকবে, এছাড়া পানি খাদ্য বিপাকে সহায়তা করে। পরিমিত পানি পান আপনার নিতম্ব এবং থাইয়ের চর্বি কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।

২। সাইক্লিং:

নিতম্ব ও থাইয়ের চর্বি কমাতে সাইক্লিং অতি জনপ্রিয় ও কার্যকর একটা ব্যায়াম। নিয়মিত সাইকেল চালান, না পারলে অচল সাইকেলের ওপর উঠে দ্রুত প্যাডেল ঘোরান। নিতম্ব ও থাইয়ের চর্বি কমে যাবে।

৩। যোগ ব্যায়াম:

প্রতিদিন যোগ ব্যায়াম অনুশীলনে আপনার সাতটি সমস্যা সমাধান হতে পারে। যোগব্যায়াম অনুশীলন আপানার শরীরকে সুস্থ ও সুন্দর রাখবে। শুধুমাত্র নিয়মিত অনুশীলনই আপানাকে যোগ ব্যায়ামের উপকারিতা দিতে পারে। যোগ ব্যায়াম ওজন কমাতে সহায়তা করে ও আপনাকে খুব সহজেই বুড়িয়ে যাওয়া হতে রক্ষা করে। এছাড়াও যোগব্যায়াম পেশীকে শক্ত ও ত্বক সুন্দর করতে সহায়তা করে।

৪। নারকেল তেল:

নারকেল তেল আপনার ম্যাসেজের জন্য খুবই উপকারি। নারকেল তেল আপনার শরীর থেকে অতিরিক্ত চর্বি কমাতে চমৎকার কাজ করে। এছাড়াও, নারকেল তেল চামড়ায় পুষ্টিকর টিস্যু গঠনে সহায়তা করে। নিতম্ব ও থাইয়ের চর্বি কমাতে প্রতিদিন ১০ মিনিট করে ম্যাসাজ করুন।

৫। কফি গ্রাউন্ড:

যদি আপনার শরীরের মেদ কমাতে চান তাহলে নিয়মিত চিনি ছাড়া কফি পান করুন। কফির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের মেদ কমাতে সাহায্য করে। কফিতে মধু মিশিয়ে খেলে ত্বক সুস্থ থাকে ও পেটের মেদ কমে যায়।

ব্রেস্ট ইমপ্ল্যান্টের জানা-অজানা

20130405000218_0আমাদের দেশে মুখে কেউ স্বীকার না করলেও আজকাল অনেক নারীই কিন্তু করিয়ে থাকেন ব্রেস্ট ইমপ্ল্যান্ট। এছাড়া পাশের দেশ ভারত সহ অন্যান্য উন্নট দেশগুলতে আসলে এটা নিয়ে খুব বেশী রাখঢাক এখন নেই। খুবই সাধারণ অপারেশনের মাধ্যমে স্তনে সিলিকন ইমপ্ল্যান্ট ভরে স্তনকে আকারে বৃদ্ধি ও সুগঠিত করে দেয়াটাই হচ্ছে সোজা ভাষায় ব্রেস্ট ইমপ্ল্যান্ট। এর উদ্দেশ্য একটাই, সৌন্দর্য বৃদ্ধি। কিন্তু এই সৌন্দর্য বৃদ্ধির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া গুলো কী কী? স্তনে অপারেশনের পর কি বাচ্চাকে দুধ খাওয়াতে সমস্যা হয়? স্তনের আকার কি নষ্ট হয়ে যেতে পারে? ঝুঁকিগুলো কী কী? এই সমস্ত প্রশ্নের জবাব নিয়ে আজকের ফিচার।
ব্যাপারটি আসলে কী?

সিলিকনে তৈরি বেলুনের মাঝে সিলিকন ভরে তৈরি করা হয় স্তনে ভরার ইমপ্ল্যান্ট গুলো। নানান আকারের ইমপ্ল্যান্ট তৈরি হয়, যার যা প্রয়োজন। এক পর্যায়ে মনে করা হচ্ছিল যে সিলিকনের কারণে হতে পারে স্তন ক্যান্সার। তখন সিলিকন বেলুনের মাঝে সাধারণ স্যালাইন ওয়াটার ভরেও ইমপ্ল্যান্ট তৈরি করা হয়েছে। তবে অনেক কিছু মিলিয়ে এই সিলিকন ইমপ্ল্যান্টই গ্রাহকদের বেশী পছন্দ। যদিও সিলিকন থেকে ক্যান্সার হবেই না, এমনটা জোর দিয়ে বলা যায় না। স্তনের নিচের ভাঁজে কেটে এই ইমপ্ল্যান্টগুলো বসিয়ে দেয়া হয়। ভাঁজের মাঝেই অপারেশনের দাগ হারিয়ে যায়। অপারেশনের পর মোটামুটি ২০/২৫ বছর এই ইমপ্ল্যান্টগুলো ঠিক থাকে। তবে মোটামুটি ১০ বছর পেরিয়ে গেলেই সমস্যা দেখা দিতে পারে। মাঝে মাঝেই ডাক্তারি পরীক্ষা করিয়ে নিশ্চিত হয়ে নেয়া ভালো যে ইমপ্ল্যান্ট কোথাও লিক করছে কিনা। লিক করলে অবিলম্বে বদলে নিতে হবে, দেরি করা চলবে না।
সুবিধা-অসুবিধা

ব্রেস্ট ইমপ্ল্যান্টের সুবিধা যে সৌন্দর্য বৃদ্ধি, সে কথা তো সকলেই জানেন। অসুবিধার দিকটিও জেনে রাখুন।

    -ইমপ্ল্যান্টের পর আপনি শতভাগ নিশ্চিত, বিষয়টি মোটেও তেমন নয়। প্রতিনিয়তই আপনাকে ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে থাকতে হবে।
    -যার যার শরীর নিজের গঠনের সাথে সমঝোতা করে নিয়েই বড় হয়। হুট করে স্তন আকারে বড় ও ভারী হয়ে গেলে মারাত্মক পিঠে ব্যথা সহ কোমরে ও কাঁধেও ব্যথা হতে পারে।
    -স্তনের ওপরে খুব বেশী চাপ পড়ে এমন কাজ করতে ডাক্তাররাই সাধারণত মানা করে থাকেন।
    -এই অপারেশনের পর সংক্রমণের সম্ভাবনা খুব বেশী থাকে। তাই খুব সাবধানে থাকতে হয় প্রথম ৭ দিন।
    -যদিও ছোট অপারেশনের, কিন্তু ৩ সপ্তাহ পর্যন্ত খুব সাবধানে জীবন যাপন করতে হয়।
    -ইমপ্ল্যান্ট করার সময় মিল্ক ডাকট কাটা পড়ে যেতে পারে যদি দক্ষ সার্জন না হন। সেক্ষেত্রে বাচ্চাকে দুধ খাওয়াতে সমস্যা হবে।
    -বড় ইমপ্ল্যান্ট হলে সময়ের সাথে সাথে শেপ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে ঝুলে পড়ার সমস্যা দেখা দেয়।
    -অপারেশনের পর স্তনের টিস্যু শক্ত বা আড়ষ্ট হয়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে।
    -অনেকেই মনে করেন স্তন বড় করার পর সন্তান কে দুধ খাওয়ানো যায় না। এটি অবশ্য ভুল ধারণা। স্তনের ভাঁজের নিচে কাটলে দুধ খাওয়াতে বা দুধের মান এবং পরিমাণে কোন পার্থক্য হবে না। তবে নিপলের আশেপাশে কাটা হলে সমস্যা দেখা দিতে পারে।

দিন শেষে বিষয় এটিই যে দেহটি আপনার, সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনাকেই। হুজুগে গা না ভাসিয়ে বুঝেশুনে ঠিক করুন আপনি কী করবেন। – প্রি

তথ্য সূত্র-
১) উইমেন হেলথ
২) ডা. কৌশিক নন্দী- স্তন উইথ সিলিকন
----------------------------
ইমপ্ল্যান্টের পর আপনি শতভাগ নিশ্চিত, বিষয়টি মোটেও তেমন নয়। প্রতিনিয়তই আপনাকে ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে থাকতে হবে।
-যার যার শরীর নিজের গঠনের সাথে সমঝোতা করে নিয়েই বড় হয়। হুট করে স্তন আকারে বড় ও ভারী হয়ে গেলে মারাত্মক পিঠে ব্যথা সহ কোমরে ও কাঁধেও ব্যথা হতে পারে।
-স্তনের ওপরে খুব বেশী চাপ পড়ে এমন কাজ করতে ডাক্তাররাই সাধারণত মানা করে থাকেন।
-এই অপারেশনের পর সংক্রমণের সম্ভাবনা খুব বেশী থাকে। তাই খুব সাবধানে থাকতে হয় প্রথম ৭ দিন।
-যদিও ছোট অপারেশনের, কিন্তু ৩ সপ্তাহ পর্যন্ত খুব সাবধানে জীবন যাপন করতে হয়।
-ইমপ্ল্যান্ট করার সময় মিল্ক ডাকট কাটা পড়ে যেতে পারে যদি দক্ষ সার্জন না হন। সেক্ষেত্রে বাচ্চাকে দুধ খাওয়াতে সমস্যা হবে।
-বড় ইমপ্ল্যান্ট হলে সময়ের সাথে

হাত ঘামলে উপায় কী!

কারও সঙ্গে হাত মেলাতে গেলে, টাইপ করার সময় বা বিভিন্ন কাজে অনেকেরই হাত ঘামার সমস্যা আছে। বার বার হাতের তালু ঘেমে ভিজে পিচ্ছিল হয়ে কাজ করতেও সমস্যা হয়।

স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে ঘরোয়া পদ্ধতিতে হাতের তালুর ঘাম নিয়ন্ত্রণের উপায় সম্পর্কে জানানো হয়।

বেকিং সোডা ও বেবি পাউডার
হাতের তালুতে ঘাম হওয়া কমাতে বেকিং সোডা ও বেবি পাউডার বেশ কার্যকর। এক্ষেত্রে কুসুম গরম পানিতে বেকিং সোডা মিশিয়ে ১০ মিনিট হাত ভিজিয়ে রাখতে হবে। বেকিং সোডার ক্ষারীয় উপাদান তালুর ঘাম নিয়ন্ত্রণ করে হাত শুষ্ক রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি বেবি পাউডার দুর্গন্ধ দূর করতে কাজ করে।

টমেটোর রস

টমেটোর রস ত্বকের জন্য বেশ উপকারী। এটি ঘাম নিয়ন্ত্রণ করে আর ত্বক পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। প্রতিদিন একবার টমেটোর রস পান করুন। এক সপ্তাহ পর খেয়াল করবেন তালুতে ঘাম হওয়া কমে গেছে। সাধারণত খনিজ বা ভিটামিনের ঘাটতি থাকলে ঘাম বেশি হয়। আর টমেটোতে আছে পটাশিয়াম ও ম্যাগনিসিয়ামের মতো খনিজ উপাদান। তাই নিয়মিত টমেটোর রস পান করলে হাতের তালু থাকবে সতেজ ও শুষ্ক।

জিঙ্ক

জিঙ্ক গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থ যা স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। তাছাড়া ঘাম এবং দুর্গন্ধ রোধ করতে জিঙ্ক বেশ কার্যকার। এক্ষেত্রে সহায়ক খাবার হিসেবে ডাক্তারের পরামর্শে দিনে ৩০ থেকে ৫০ মিলিগ্রাম জিঙ্ক ট্যাবলেট খেতে পারেন। অথবা প্রতিদিন সকালে জিঙ্ক অক্সাইড পাউডার হাতের তালু ঘষলেও উপকার পাওয়া যাবে।

পাশাপাশি কপার সমৃদ্ধ খাবার খেতে ভুললে চলবে না কারণ জিঙ্ক শরীরে কপারের পরিমাণ কমিয়ে দেয়।

রোজমেরি
রোজমেরি একটি ভেষজ উপাদান। যা স্নায়ুতন্ত্রের উপর কার্যকর‌ভাবে প্রভাব ফেলে। আর স্নায়ুতন্ত্র নিয়ন্ত্রণে থাকলে ঘামের পরিমাণও কম হয়। তাছাড়া রোজমেরি হালকা সেডাটিভ হিসেবেও পরিচিত। সাধারণত উত্তেজিত হলেই ঘাম বেশি হয়। তাই ঘামের সমস্যা কমাতে শান্ত থাকার চেষ্টা করতে হবে।

সাধারনত অ্যারোমাথেরাপির তেল, মোমবাতি, শ্যাম্পু ইত্যাদি পণ্যে রোজমেরি ব্যবহার করা হয়। রোজমেরি ইসেনশল অয়েল সঙ্গে রাখতে পারেন, হাত ঘামা শুরু হলেই এই তেলের গন্ধ নিন, কাজে দেবে।

পেইনকিলার ছাড়াই সারিয়ে তুলুন অসহ্য মাথাব্যাথা

headache_collage
অনিয়মিত খাদ্যভ্যাস, মাইগ্রেন, সাইনুসাইটিস এমন অনেক কারণেই মাথাব্যাথা হয়ে থাকে। কেউ কেউ মাথাব্যাথা থেকে রেহাই পেতে পেইনকিলারের দ্বারস্থ হন। কিন্তু বেশী পেইনকিলার খাওয়া মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়। কিছু কিছু খাবার যেমন মাথাব্যাথা তৈরি করতে পারে, তেমনি কিছু খাবার মাথাব্যাথা কমাতেও সক্ষম। পেইনকিলারের বিকল্প হিসেবে চমৎকার কাজ করে সহজলভ্য এসব খাবার।
১) পালংশাক


পালংশাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে রিবোফ্লাভিন, এক ধরণের ভিটামিন বি যা মাইগ্রেনজনিত মাথাব্যাথায় কাজে দেয়।
২) তৈলাক্ত মাছ

তৈলাক্ত মাছ এবং সামুদ্রিক মাছে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড শরীরের জন্য ভীষণ উপকারি। এদের অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্যের কারণে ব্যাথা কমে আসে।
৩) তরমুজ

অনেক ক্ষেত্রেই পানিশূন্যতার কারণে মাথাব্যাথা বাড়তে থাকে। এক্ষেত্রে পানি পান করা যেমন উপকারি, তেমনি শসা বা তরমুজের মতো পানিযুক্ত ফল ও সবজিও উপকারে আসে। শুধু তাই নয়, শরীরের জন্য দরকারি ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাসিয়াম সরবরাহ করে তরমুজ।
৪) আলু
মাথাব্যাথার জন্য পটাসিয়াম বেশ উপকারি। কলায় প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম থাকে আমরা জানি, কিন্তু আলুও এক্ষেত্রে কম যায় না। মাঝারী আকৃতির একটি সেদ্ধ আলুতে থাকে ৯২৬ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম, যা একটি কলায় থাকা পটাসিয়ামের প্রায় দ্বিগুণ।
৫) ক্যাফেইন

কফি বা চায়ের ক্যাফেইনে আসক্তি হয়ে যাবার ভয় থাকলেও, পরিমিত পরিমাণে ক্যাফেইন মাথাব্যাথা কমাতে কার্যকরী। অনেক মাথাব্যাথার ওষুধেই অল্প পরিমাণে ক্যাফেইন থাকে। তবে ক্যাফেইনের ওপর বেশী নির্ভরশীল হয়ে পড়লে সমস্যা, তখন ক্যাফেইন গ্রহণ ছেড়ে দিলে দেখা দিতে পারে মাথাব্যাথা।
৬) কাঠবাদাম

কিছু কিছু গবেষণায় বলা হয় ম্যাগনেসিয়াম মাথাব্যাথার জন্য ভালো, যদিও এ ব্যাপারে শক্ত প্রমান নেই। ম্যাগনেসিয়ামের একটি ভালো উৎস হতে পারে কাঠবাদাম।

(মূল: Huffington Post)
- See more at: http://ajkersomoy.com/2015/01/25/89701.html#.VPMHES6mXiw

আপনার কি চোখের পাতা লাফায়?

ফারিয়ার বাম চোখের পাতা ক'দিন ধরে লাফাচ্ছে। তীব্র দুশ্চিন্তায় সময় কাটছে তার। কারণ সবাই বলে, বাম চোখ লাফালে নাকি খারাপ কিছু ঘটে। আর চিন্তাটা তা নিয়েই। সারাক্ষণই মনে হচ্ছে এই বুঝি কিছু ঘটবে! মোবাইল ফোন বাজলে বা দরজার কলিং বেল বাজলে বুকটা ধক করে উঠছে, কোনো দুঃসংবাদ আসেনি তো? এরকম অবস্থায় এক বিকেলে গরম চা পড়ে হাত পুড়ে যায় ফারিয়ার।

ফারিয়ার হাত পুড়ে যাওয়ার ঘটনায় আপনার মধ্যেও কি প্রচলিত কুসংস্কারটি নড়ে উঠলো? মনে রাখবেন বাম চোখ লাফালে বিপদ আসে এটা স্রেফ কুসংস্কার। চোখ লাফানো একটি শারীরিক প্রক্রিয়া। ফারিয়ার হাতে চা পড়ার ঘটনার সঙ্গে তার অসাবধনতা বা মানসিক অস্থিরতা দায়ী। অথচ এভাবেই একটি ভ্রান্ত ধারণা কখনো কখনো বিশ্বাসে পরিণত হয়ে যেতে পারে।

চোখের পাতা লাফানো একধরনের অসুখ। ডাক্তারী ভাষায় একে বলে 'মায়োকিমিয়া' (Myokymia)। মূলত পেশীর সংকোচনের কারণেই চোখের পাতা লাফায়। দুই-একবার হঠাৎ চোখের পাতা লাফালে চিন্তার কিছু নেই। কিন্তু সেটা যদি মাত্রাতিরিক্ত হয় এবং তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

 

চোখের পাতা লাফায় কেন?

 

মানসিক চাপ: কঠিন মানসিক চাপের ভেতর দিয়ে গেলে শরীর বিভিন্ন উপায়ে তার প্রতিক্রিয়া দেখায়। চোখের পাতা লাফানো মানসিক চাপের লক্ষণ হিসেবে প্রকাশ পেতে পারে।

ক্লান্তি: পরিমিত ঘুমের অভাব বা অন্য কোন কারণে ক্লান্তি থেকেও চোখের পাতা লাফানো শুরু হতে পারে। ঘুমের অভাবে চোখের পাতা লাফালে পরিমিত ঘুম হলেই সেরে যাবে।

দৃষ্টি সমস্যা: দৃষ্টিগত কোন সমস্যা থাকলে চোখের উপর চাপ পড়তে পারে। টিভি, কম্পিউটার, মোবাইল ফোনের স্ক্রিনের আলোও চোখের দৃষ্টিতে প্রভাব ফেলতে পারে। আর এই সব সমস্যা থেকে চোখের পাতা লাফানোর উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

চোখের শুষ্কতা: কম্পিউটার স্ক্রিনের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলে, চোখে কন্ট্যাক্ট ল্যান্স ঠিকমতো না বসলে কিংবা বয়সজনিত কারণে চোখ শুকিয়ে যেতে পারে। আর এ কারণে চোখের পাতা লাফাতে পারে।

পুষ্টির ভারসাম্যহীনতা: পুষ্টির ভারসাম্যহীনতা চোখের পাতা লাফানোর একটি কারণ। বিশেষ করে ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে এমনটি হতে পারে।

এলার্জি: যাদের চোখে এলার্জি আছে, তারা চোখ চুলকায় বা হাত দিয়ে ঘষে। এতে চোখ থেকে পানির সঙ্গে কিছুটা হিস্টামিনও নির্গত হয়। হিস্টামিন চোখের পাতা লাফানোর জন্য দায়ী বলে মনে করা হয়।

ক্যাফিন এবং অ্যালকোহল: কোনো কোনো বিশেষজ্ঞ মনে করেন, ক্যাফিন এবং অ্যালকোহল অতিরিক্ত সেবনে চোখের পাতা লাফাতে পারে।

এতোক্ষণ চোখের পাতা লাফানোর কারণগুলো পড়তে গিয়ে আপনি নিশ্চয়ই চমকে উঠেছেন এই ভেবে যে, আরে তাই তো! ঘটনা তাহলে এরকম? তাই এখন থেকে ডান চোখ লাফালে সুসংবাদ আসে আর বাম চোখ লাফালে ভয়ঙ্কর কিছু ঘটতে পারে এসব চিন্তা মাথায় গেড়ে বসতে দেবেন না। মাত্রাতিরিক্ত চোখের পাতা লাফালে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যান। আর যদি হঠাৎ হঠাৎ চোখ লাফায় তাহলে এমনিতেই সেরে যাবে। শুধু অপেক্ষা করুন।
-

চোখ ভালো রাখতে যা করবেন

ডান+চোখ+লাফালে+কি+হয়চোখ আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর অঙ্গগুলোর একটি। কিন্তু চোখের আলাদা করে সত্যিই তেমন একটা যত্ন নেওয়া হয় না। শরীরের এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটি কিন্তু সামান্য যত্নআত্তিতেই নিরাপদ রাখা যায়। আসুন জেনে নিই কিভাবে।
সাঁতার কাঁটার সময় সতর্ক থাকুন

সুইমিংপুলে সাঁতার কাটার সময় জল-নিরোধক চশমা পরে নিন। এই বিশেষ চশমা পুলের পানি থেকে চোখকে সুরক্ষা দেয়। সুইমিংপুলের পানিতে ব্যবহূত হয় ক্লোরিন, যা চোখের জন্য সত্যিই ক্ষতিকর।
অতিরিক্ত লবণ খাওয়া ত্যাগ করুন

অতিরিক্ত লবণ শরীরের জন্য ক্ষতিকর। আর যাদের উচ্চরক্তচাপ আছে, তাদের জন্য লবণ বিষ। চোখে ছানি পড়ার ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয় লবণ। তাই লবণ খেতে হবে পরিমিত। অর্থাত্ তরকারির সঙ্গে যেটুকু লবণ থাকে সেটুকুই। বাড়তি লবণ একদম না।
নিয়মিত হাঁটুন

প্রাত্যহিক ব্যায়াম ও হাঁটায় চোখের ইন্ট্রাওকুলার প্রেসার কমে, যা গ্লুকোমা প্রতিরোধে সহায়ক। এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব গ্লুকোমার রোগী সপ্তাহে অন্তত চার দিন ৪০ মিনিট করে হাঁটেন, তাদের ওষুধের ওপর নির্ভরতা কমে যায় অনেকখানি।

প্রয়োজন একটু বিশ্রাম

যারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা টানা পড়াশোনা করেন, তারা প্রতি ৩০ মিনিট অন্তর চোখকে বিশ্রাম দিন। ৩০ মিনিট অন্তর মাত্র ৩০ সেকেন্ড বিশ্রামই চোখের জন্য যথেষ্ট।
মাছনখাচোখের জ্যোতি বাড়ান

মাছে থাকে উচ্চমাত্রার ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। এটা প্রমাণিত যে, ড্রাই আই সিনড্রোম প্রতিরোধে মাছ ভারি কার্যকর। প্রতিদিন মাছ খাওয়া খুবই ভালো। সেটা সম্ভব না হলে সপ্তাহে অন্তত দুই দিন মাছ খেতে হবে নিয়ম করে।

নিজেই সারিয়ে তুলুন ‘গ্যাস্ট্রিক’ সমস্যা !

Gastritis_0

গ্যাস্ট্রিক আমাদের সকলেরই খুব পরিচিত একটি সমস্যা। গ্যাস্ট্রিক সমস্যায় অনেক মানুষই ভুগে থাকেন। এর লক্ষণগুলো হল পেটে জ্বালা-পোড়া করা, বদহজম, বমি বমি ভাব , বমি করা, পেটে ক্ষুধা, ক্ষুধা হ্রাস পাওয়া, খাওয়ার পর উপরের পেট বেশি ভরে গিয়েছে অনুভূতি হওয়া ইত্যাদি। এই সমস্যাটা সাধারণত হয়ে থাকে সঠিক সময়ে খাওয়া দাওয়া না করার কারণে। আমার অনেকেই সকালের নাস্তা খাইনা বা খেলেও দেরি করে খাই। কোন খাবার সময়মতো খাওয়া হয়না, বাইরের ভাজা-পোড়া বেশি খাওয়া, জাঙ্কফুড খাওয়া, পরিমাণ মতো পানি না খাওয়া ইত্যাদি কারণে গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যা দেখা দেয়। তাই সমস্যা থেকে রেহাই পেতে জেনে রাখুন কিছু ঘরোয়া উপায়।

আদা

আদাতে আছে এমন কিছু উপাদান যা গ্যাস্ট্রিক সমস্যায় জ্বালাপোড়া হলে তা রোধ করতে সাহায্য করে। আদা খেলে বমি সমস্যা, বদ হজম, গ্যাস হওয়া কমে যায়।

১। আদা কুচি করে পানি দিয়ে ফুটিয়ে নিন। ১০ মিনিট ডেকে রাখুন, এরপর সামান্য মধু মিশিয়ে চায়ের মতো বানিয়ে নিন। এই পানীয়টি দিনে ২/৩ বার পান করুন উপকারিতা পেতে।

২। আদার রসের সাথে মধু মিশিয়েও খেতে পারেন। দুপুরে ও রাতে খাওয়ার আগে এটি খেয়ে নিন।

৩। আপনি চাইলে আস্ত আদা ধুয়ে কেটে চিবিয়েও খেতে পারেন।
দই

দই ডায়েট করার জন্য উত্তম খাবার, বিশেষ করে যখন কারো গ্যাস্ট্রিক হয়ে থাকে দই খেলে অনেক উপকারিতা পাওয়া যায়। দই আমাদের পাকস্থলীকে ‘ এইচ পাইলোরি ব্যাকটেরিয়া’ থেকে রক্ষা করে যা গ্যাস্ট্রিক হওয়ার অনতম কারণ। তাছাড়া দই আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

১। প্রতিদিন ২/৩ চামচ দই খেয়ে নিন।

২। আপনি চাইলে কলা, দই ও মধু একসাথে পেস্ট করে খেতে পারেন দ্রুত গ্যাস্ট্রিক সমস্যা রোধ করার জন্য।
আলুর রস

গ্যাস্ট্রিক সমস্যা রোধ করার অন্যতম ভাল উপায় হল আলুর রস। আলুর অ্যালকালাইন উপাদান গ্যাস্ট্রিক সমস্যার লক্ষণগুলো রোধ করে থাকে।
১। একটি বা দুটো আলু নিয়ে গ্রেট করে নিন।

২। এর গ্রেট করা আলু থেকে রস বের করে নিন।

৩। এরপর আলুর রসের সাথে গরম পানি মিশিয়ে নিন।

৪। এই পানীয় দিনে ৩ বার পান করুন। প্রতি বেলায় খাবার ৩০ মিনিট আগে খেয়ে নিন আলুর রস। তবে অন্তত ২ সপ্তাহ পান করুন এই পানীয়।

তথ্য সুত্রঃ top10homeremedies.com, Home Remedies for Gastritis,

ঝটপট ওজন কমাতে জাদুকরী ২ টি পানীয়

drink4
যাদের ওজন স্বাভাবিকের তুলনায় একটু বেশি তাদের সাধারণভাবেই একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য থাকে নিজেদের ওজন কমিয়ে নিয়ে আসার। সেকারণে প্রয়োজন অনুযায়ী যা করার তা করতে অনেকেই প্রস্তুত হয়ে যান। কিন্তু সমস্যা হয় তখনই যখন অনেকদিন ধরে একই নিয়ম মেনে চলতে হয়। একই ডায়েট একইভাবে ব্যায়াম করতে করতে বিরক্ত হয়ে শেষে হাল ছেড়ে দেন অনেকেই। আলসেমি এসে যায়। এইধরনের আলসেমি দূর করার তো কোনো উপায় জানা নেই। তবে অলস ব্যক্তিদের জন্য সব চাইতে সহজ পদ্ধতিতে ঝটপট ওজন কমানোর গোপন উপায়গুলো বলে দিচ্ছি। তেমন কিছুই করতে হবে না। শুধু একটু কষ্ট করে বানিয়ে নিতে হবে ২ টি পানীয়। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক উপায়গুলো।
পানীয়-১
উপকরণঃ
– ১ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়ো
– ১ চা চামচ লেবুর রস
– ২ চা চামচ মধু
– ১ কাপ/ ২৩৭ মিলি লিটার পানি

পদ্ধতি ও ব্যবহারবিধিঃ
– প্রথমে পানি ফুটিয়ে নিন।
– এরপর একটি গ্লাসে দারুচিনি গুঁড়ো রেখে ফুটন্ত পানি তাতে ঢেলে দিন। এরপর গ্লাসে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রেখে দিন।
– পানি পানের যোগ্য গরম হলে অর্থাৎ কিছুটা ঠাণ্ডা হয়ে এলে এতে মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে দিন। ফুটন্ত গরম পানিতে মধু মেশাবেন না। এতে মধুর গুণ নষ্ট হয়।
– এরপর এই পানীয়ের অর্ধেকটা পরিমাণ রাতে ঘুমানোর আগে পান করে বাকি অর্ধেকটা ফ্রিজে রেখে দিন।
– সকালে উঠে খালি পেতে বাকি অর্ধেকটা পান করে নিন। সকালে নতুন করে পানীয়টি গরম করার প্রয়োজন নেই।
– এভাবে নিয়মিত এই পানীয়টি পান করতে থাকুন। ব্যস, দেখবেন ওজন কমা শুরু করবে।
পানীয়-২

উপকরণঃ
– ১ টি মাঝারি আকারের আপেল
– ৪৮৮ গ্রাম গাজর
– ১ ইঞ্চি পরিমাণে আদা
– ১ টি গোটা লেবুর রস

পদ্ধতি ও ব্যবহারবিধিঃ
– আপেল, গাজর ও আদা কুচি করে ব্লেন্ড করে নিন।
– এরপর এতে মেশান লেবুর রস।
– দিনে ১ গ্লাস করে পান করুন এই পানীয়টি।
– কিছুদিনের মধ্যেই ফলাফল পেয়ে যাবেন।
কেন কমবে ওজনঃ

অনেকেই ভাবতে পারেন পানীয় দুটি পান করলে ওজন কিভাবে কমবে? এরও ব্যাখ্যা রয়েছে। মধু একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান যা মেদ ক্ষয় করতে বিশেষভাবে সহায়ক। এছাড়াও মধু এবং দারুচিনি মিশিয়ে যখন এই পানীয় পান করবেন তখন এই পানীয়টি আপনার পরিপাক ক্রিয়া দ্রুততর করবে। এতে করে আপনার ওজন কমতে থাকবে। একই ব্যাপার ঘটে আপেল ও গাজরের জুসের ক্ষেত্রে। লেবুর সাইট্রিক অ্যাসিড মেদ কমাতে বিশেষ ভাবে কার্যকরী। আপেল ও গাজর হজমক্রিয়া উন্নত করে। এতে করে ওজন কমে।

সূত্রঃ হেলথডাইজেস্ট ও জুস রেসিপিস ফর ইউর হেলথ