Tuesday, January 27, 2015

অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র

 অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্রজাতীয় পরিচয়পত্র পেতে বা সংশোধন করতে আর ভোগান্তি পোহাতে হবে না। জেলা উপজেলা জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অনুবিভাগে গিয়ে অনলাইনেই সহজে সব কাজ সারা যাবে।

আগামী জানুয়ারি থেকেই প্রাথমিকভাবে এ কার্যক্রম শুরু করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সে লক্ষ্যে ইসির জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অনুবিভাগ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সার্ভার স্টেশনগুলোর সঙ্গে ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্কের (ভিপিএন) মাধ্যমে ইসির তথ্যভাণ্ডারের (ডাটাবেজ) সঙ্গে সংযোগের কাজ শেষ হলে ভোটাররা জেলা-উপজেলা অফিস থেকেই যাবতীয় সেবা নিতে পারবেন। খবর বাংলামেইলের

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় সার্ভার স্টেশনগুলোর সরঞ্জাম ও সংযোগ স্থাপন সংক্রান্ত কার্যক্রম শেষের দিকে। সার্ভার স্টেশন সংযোগ চালু হলে সহজেই ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তি, সংশোধন, হারিয়ে যাওয়া কার্ড উত্তোলন করা যাবে।

জানা যায়, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির কারিগরি সহায়তায় ২০০৮ সালে কনস্ট্রাকশন অব উপজেলা অ্যান্ড রিজিওনাল সার্ভার স্টেশনস ফর ইলেক্টোরাল ডাটাবেজ (সিএসএসইডি) প্রকল্পের আওতায় শুরু হওয়া ৪৬৪টি সার্ভার স্টেশনের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। গত সেপ্টম্বর পর্যন্ত ৯টি আঞ্চলিক কার্যলয় রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট, কুমিল্লা ও চট্টগ্রামের সার্ভার স্টেশনসহ ৩৯৩টি থানা-উপজলা সার্ভার স্টেশন নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। বাকি রয়েছে আরো ৭১টি সার্ভার স্টেশনের নির্মাণ কাজ।

নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখা সূত্রে জানা যায়, এই প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছিল ৩৫৫ কোটি ৯১ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ২৫১ কোটি ৪১ লাখ টাকা এবং প্রকল্প সাহায্য (অনুদান) ১০৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এ প্রকল্পের অনুকূলে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে এডিপিতে মোট বরাদ্দ দেয়া হয় ৩৫ কোটি ২৯ লাখ টাকা। একই অর্থবছরে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এডিপি থেকে ব্যয় হয়েছে ৭ কোটি ৩৪ লাখ টাকা যা বরাদ্দের ২১ শতাংশ।

প্রকল্পের বাস্তবায়নের মেয়াদ ধরা হয়েছে নভেম্বর ২০০৮ থেকে ২০১৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ব্যয় হয়েছে ৩০৪ কোটি ১২ লাখ টাকা। যা প্রকল্প ব্যয়ের ৮৫ শতাংশ।

বর্তমানে নির্মাণ হওয়া সার্ভার স্টেশনগুলো থেকে ইসির মূল তথ্যভাণ্ডারে প্রবেশ করা যায় না। এ কারণে চলমান ভোটার তালিকা হালানাগাদের তথ্য সিডি, ডিভিডি ও হার্ডডিস্কের মাধ্যমে মূল তথ্যভাণ্ডারে রাখা হচ্ছে। তবে ভিপিএন সংযোগ দেয়া হলে মূল তথ্যভাণ্ডারে প্রবেশ করে ভোটাদের তথ্য হালনাগাদ করা যাবে।

জেলা-উপজেলার সার্ভার স্টেশনগুলোর কাজের অগ্রগতির ব্যাপারে জানতে হওয়া হলে জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলনাতানুজ্জামান মো. সালেহ উদ্দীন বলেন, ‘আশা করছি জানুয়ারি থেকেই সার্ভার স্টেশনগুলোর কার্যক্রম শুরু হবে। সে লক্ষ্যেই সার্ভার স্টেশনগুলোর কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। সার্ভার স্টেশন সংযোগ চালু হলে উপজেলা থেকেই ভোটাররা খুব সহজেই জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত সেবা নিতে পারবেন।’

অন্যদিকে সার্ভার সেশ্টনগুলো চালু হলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ না করার চিন্তা করছে ইসি। সার্ভার স্টেশনগুলো চালু হলে ভোটার হওয়ার যোগ্য ব্যক্তিরা জেলা-উপজেলা অফিসে গিয়েই ভোটার হতে পারবেন।

এ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশন সচিব সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘সার্ভার স্টেশনগুলোর কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে বিভাগীয়, জেলা-উপজেলার সার্ভার স্টেশনগুলোর ভিপিএন কানেকশন সম্পন্ন হলে আর বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার পরিকল্পনা রয়েছে ইসির। ভোটার হওয়ার যোগ্য ব্যক্তিরা স্থানীয় নির্বাচন অফিসে এসে ফরম পূরণ করে ভোটার হতে পারবেন এবং বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।’

প্রসঙ্গত, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন কাজে বাধ্যতামূলক জাতীয় পরিচয়পত্র চাওয়া হচ্ছে। এ কারণেই দিন দিন বাড়ছে জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্ব।

২০০৮ সালে ছবিসহ ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম শুরু হওয়ার আগে জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্ব সম্পর্কে জনগণের মধ্যে খুব একটা ধারণা ছিল না। অনেকটাই দায়সাড়াভাবেই ভোটারদের অনুপস্থিতিতেই ফরম পূরণ করেছে তথ্য সংগ্রকারীরা। এ কারণে বিভিন্ন ধরনের ভূলভ্রান্তি থেকে যায়। পরে ভুল সংশোধন করতে গিয়ে ভোটারদের পড়তে হয় মহাভোগান্তিতে। জেলা-উপজেলা নির্বাচন অফিসে মাসের পর মাস ধরনা দিয়েও কাজ হয় না। দালালদের খপ্পরে পড়ে কখনো গুণতে হয় মোটা অংকের টাকা। শেষমেষ আসতে হয় রাজধানীতে। কিন্তু সেখানেও কাজটি সহজ নয়। পদে পদে হয়রানি, প্রতারণা।

মোবাইল অ্যাপসে জাতীয় পরিচয়পত্র

 মোবাইল অ্যাপসে জাতীয় পরিচয়পত্র
জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ, সংশোধনসহ নানা বিষয়ে সহজে পরামর্শ পেতে তৈরি করা হয়েছে মোবাইল অ্যাপস। দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে সেবা পৌঁছাতেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। অ্যাপসটি এখন গুগল প্লে-স্টোর থেকে ডাউনলোড করা যাচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনের সহযোগিতায় অ্যাপসটি তৈরি করেছে সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ। মোবাইল অ্যাপসটি চালু হলে দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে, সংশোধন করার জন্য, নতুন পরিচয়পত্র পাওয়ার জন্য বা এলাকা স্থানান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা পাওয়া যাবে।

ন্যাশনাল মোবাইল অ্যাপলিকেশন ডেভেলপমেন্ট এওয়ারনেস অ্যান্ড কেপাসিটি বিল্ডিং প্রোগ্রাম নামে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে আইসিটি মন্ত্রণালয়। এরই ধারাবাহিকতায় জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়েও একটি মোবাইল অ্যাপস তৈরির জন্য মন্ত্রণালয় নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সহায়তা চায়। সে অনুযায়ী ‘ন্যাশনাল আইডি’ নামের ওই অ্যাপসটি তৈরি করে আইসিটি মন্ত্রণালয়।

অ্যাপসটি গুগল প্লে-স্টোরে গিয়ে ইংরেজিতে ‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল আইডি’ লিখে সার্চ দিলেই চলে আসবে। এটি ডাউনলোড করে ইনস্টল করার পর মোবাইলে ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই কেবল তথ্যগুলো দেখা যায়।

জাতীয় পরিচয়পত্র হারালে ও সংশোধন করতে

 জাতীয় পরিচয়পত্র হারালে ও সংশোধন করতেবাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের প্রকল্প অফিসে প্রতিদিন দেখা যায় অসংখ্য মানুষের ভিড়। তাঁদের কেউ এসেছেন হারানো জাতীয় পরিচয়পত্র নতুন করে তুলতে, কেউ এসেছেন পরিচয়পত্রের তথ্য সংশোধন করে নিতে। জেনে নিন এ জন্য কী করতে হবে।

জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে-

জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে পুনরায় তোলার জন্য প্রকল্প পরিচালক, পিইআরপি, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় বরাবর আবেদন করতে হবে। আর এ আবেদন সরাসরি প্রকল্প অফিসে করা যাবে অথবা ওই ব্যক্তির নির্দিষ্ট উপজেলা বা জেলা নির্বাচন কমিশন কর্মকর্তার কার্যালয়ে করা যাবে। নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে নির্ধারিত আবেদনপত্র বিনামূল্যে পাওয়া যাবে।

আবেদনপত্রে আপনার পূর্ণনাম, পরিচয়পত্রের নম্বর ১৩ অথবা ১২ সংখ্যায় ভোটার নম্বর উল্লেখ করতে হবে। যদি পরিচয়পত্র নম্বর না থাকে, তবে ভোটার নম্বর দিতে হবে। এই নম্বর পাওয়া যাবে জেলা বা উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে। তবে পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে প্রথমে আপনাকে স্থানীয় বা নিকটবর্তী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে হবে।

ডায়েরির কপি, পূরণকৃত আবেদনপত্র (নিজে স্বাক্ষরিত), যোগাযোগের ঠিকানা ও ফোন নম্বরসহ আবেদনপত্রটি সরাসরি প্রকল্প পরিচালকের কার্যালয় বা জেলা/উপজেলা নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে জমা দিতে হবে। জমা দেওয়ার দিন সংশ্লিষ্ট কার্যালয় থেকে প্রাপ্তি রসিদ (হারানো) দেবে এবং ওই রসিদ নিয়ে নির্ধারিত তারিখে আপনি আপনার পরিচয়পত্র হাতে পাবেন। সাধারণত আবেদনের ৩৯ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন পরিচয়পত্র সরবরাহ করা হয়। তবে মনে রাখতে হবে যেদিন আপনার পরিচয়পত্র দেওয়ার কথা, এর পাঁচ দিনের মধ্যে সংগ্রহ না করলে আপনি আবারও ঝামেলায় পড়ে যেতে পারেন। এ-সংক্রান্ত যাবতীয় কাজ সংশ্লিষ্ট কার্যালয়গুলো বিনা খরচে করে দেবে। তাই কারও সঙ্গে কোনো আর্থিক লেনদেন করবেন না।

সংশোধন করবেন কীভাবে-
জাতীয় পরিচয়পত্রে দুই ধরনের ভুল থাকতে পারে। নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ইস্যুকৃত পরিচয়পত্রে যে দুই ধরনের সংশোধনী হচ্ছে, তা হলো- ছাপা-সংক্রান্ত ভুল ও তথ্যের পরিবর্তন। ছাপা সংক্রান্ত ভুলগুলো খুব সহজভাবেই সমাধান করা যায়। এ জন্য আবেদন করতে হয় প্রকল্প পরিচালক বরাবর। নির্ধারিত আবেদন ফরম সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কমিশন অফিসে পাওয়া যায়।

সংগৃহীত আবেদনপত্রটিতে পরিচয়পত্র নম্বর, ভুল তথ্য ও সংশোধিত তথ্য উল্লেখ করার জন্য নির্ধারিত ঘর রয়েছে। আবেদনপত্রের নিচে স্বাক্ষর, নাম, ঠিকানা ও ফোন নম্বর লিখতে হবে। আবেদনপত্রের আগের ভুল তথ্যসংবলিত ভোটার পরিচয়পত্রটি সংযুক্ত করে দিতে হবে। কারণ কমিশন আপনাকে নতুন করে পরিচয়পত্র প্রদান করবে। তথ্য পরিবর্তনের জন্য আপনাকে আবেদনপত্রের সঙ্গে সংশোধিত তথ্যের পক্ষে প্রামাণিক দলিল দিতে হবে।

তথ্য পরিবর্তন প্রক্রিয়া-
জন্ম তারিখ সংশোধন করতে চাইলে এসএসসি/সমমান পরীক্ষার সনদপত্রের সত্যায়িত কপি সঙ্গে জমা দিতে হবে। তবে প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা যদি এসএসসির কম হয়, তবে পরিচয়পত্রের আগে ব্যবহৃত কোনো প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে। যেমন- পাসপোর্ট, জন্মনিবন্ধন সনদ, নিকাহনামা প্রভৃতি।

-নাম সংশোধন করতে চাইলে তাকে কোর্টের মাধ্যমে নাম এফিডেভিট করত হবে এবং সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে পরিচয়পত্রে ব্যবহৃত নাম, ঠিকানা ও প্রকৃত নাম উল্লেখ করতে হবে এবং এর সঙ্গে অন্যান্য কাগজপত্র জমা দিতে হবে।

-যাঁরা বিয়ের পর বাবার নামের বদলে স্বামীর নাম লিখতে চান, তাঁদের আবেদনের সঙ্গে কাবিননামা ও স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে।

-স্বামীর নাম বাদ দিয়ে বাবার নাম বসাতে চাইলে প্রামাণিক দলিল হিসেবে তালাকনামা ও বাবার জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি আবেদনের সঙ্গে জমা দিতে হবে।

-কারও পরিচয়পত্রে মায়ের নাম ভুল থাকলে তা সংশোধনের জন্য মা ও বাবা উভয়ের জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি আবেদনের সঙ্গে জমা দিতে হবে।

পরিচয়পত্র সংশোধনের আবেদন পাওয়ার ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে সংশোধিত নতুন পরিচয়পত্র প্রদান করা হয়। তবে সংশোধনের জন্য আবেদনের সঙ্গে দেওয়া প্রমাণপত্র যথাযথ না হলে সেগুলো তদন্ত করে সঠিক প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে পাঠানো হয়। এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

মনে রাখতে হবে, আপনি আপনার আবেদন নির্বাচন কমিশনের যে কার্যালয়ে জমা দেবেন, ঠিক সেখান থেকেই তা সংগ্রহ করতে হবে। তবে হারানো জাতীয় পরিচয়পত্র পুনরায় পাওয়া অথবা সংশোধনের যাবতীয় কাজ আপনি চাইলে সরাসরি নির্বাচন কমিশনের প্রকল্প অফিসে করতে পারবেন। উভয় ক্ষেত্রে যে নতুন পরিচয়পত্র দেওয়া হয়, তা প্রার্থীকে নিজে এসে অথবা প্রাপ্তি রসিদে অন্য কাউকে উত্তোলনের যথাযথ অনুমতি দিলে তিনিও তা তুলতে পারবেন।

এ-সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন আপনার জেলা/উপজেলা নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে অথবা ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও জাতীয় পরিচয়পত্র সহায়তা প্রদান প্রকল্প, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, আগারগাঁও, ঢাকা।