Sunday, August 30, 2015

কী হয় মাত্র একটি তুলসীপাতা প্রতিদিন খেলে?

তুলসীপাতা প্রতিদিন খাওয়া মাথাব্যথা রোধে সাহায্য করে। ছবি : ওয়ান্ডারহারর্বস
তুলসীপাতাকে ভেষজের রানি বা মা বলা হয়। এই ছোট্ট পাতাটি বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। এটি মাথাব্যথা, মুখে দুর্গন্ধ রোধ এবং বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। সবগুলো গুণই আপনি পেতে পারেন কেবল প্রতিদিন তুলসীপাতা খেলে। লাইফস্টাইল ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই জানিয়েছে তুলসীপাতার কিছু গুণের কথা।

মাথাব্যথা সারাতে
মাথাব্যথা সারাতে তুলসীপাতা খেতে পারেন। এর মধ্যে রয়েছে শক্তিশালী নাসারন্ধ্রের বন্ধ নিবারক উপাদান। যেটা মাথাব্যথা থেকে মুক্তি দেয়। মাইগ্রেন, সাইনাস, চাপের কারণে মাথাব্যথা ইত্যাদি দূর হতে পারে কেবল প্রতিদিন নিয়মিত তুলসীপাতা খেলে।

জ্বরের চিকিৎসায়
যদি আপনার জ্বর ওষুধে একেবারেই না কমতে চায়, তবে প্রাকৃতিক চিকিৎসায় যেতে পারেন। প্রতিদিন তিনবার তুলসীর পাতা খান এবং জ্বর কমা না পর্যন্ত এটা খেয়ে যান। 

ইনফেকশন বা সংক্রমণের চিকিৎসায়
এই শক্তিশালী পাতা দিয়ে ইনফেকশন দূর করা যায়। তুলসীর মধ্যে রয়েছে ফাংজিসাইডাল এবং অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান। তাই এটি ইনফেকশন সহজে দূর হতে সাহায্য করে।

কিডনির পাথর
বিশেষজ্ঞরা বলেন, তুলসীর পাতা কিডনির পাথর সারাতে সাহায্য করে। যদি প্রতিদিন সকালে খালি পেটে তুলসীর পাতা খাওয়া হয় তবে এটা প্রাকৃতিকভাবে কিডনির পাথর দূর করতে সাহায্য করবে। 

কাশি রোধ করবে
আপনি যদি কাশির সমস্যায় ভোগেন, তাহলে পানির সঙ্গে তুলসীপাতা খেয়ে দেখতে পারেন। এর অ্যান্টিটুসিভ উপাদান কফ দূর করতে সাহায্য করবে। এক্সপেকটোরেন্ট উপাদান বুকের শ্লেষ্মাকে বের করতে সাহায্য করে।

ফুসফুসের জন্য
একটি তুলসীপাতা প্রতিদিন খাওয়া ফুসফুসকে ভালো রাখে। এর মধ্যে পলিফেনল উপাদান ফুসফুসের রক্তাধিক্যজনিত সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।

মুখের স্বাস্থ্যে
দাঁত ব্রাশের পর মাড়িতে তুলসীর পাতা ঘষতে পারেন। এটি মাড়ির প্রদাহ দূর  করবে এবং মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে সাহায্য করবে।

রোগ প্রতিরোধক্ষমতা
এর মধ্যে থাকা ইমিউনোমোডিওলোটোরি উপাদান রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এটি শরীরের সব ধরনের ইনফেকশন প্রতিরোধে সাহায্য করে।
------------------------
 

ডাবের পানির সাত উপকার

নিয়মিত ডাবের পানি পান করলে ত্বক পরিষ্কার এবং সজীব থাকবে।
 
গরম থেকে মুক্তি পেতে এক গ্লাস ডাবের পানি হতে পারে খুব ভালো অপশন। এই পানিতে রয়েছে জাদুকরি সব স্বাস্থ্যকর উপাদান। ডাবের পানির কিছু স্বাস্থ্যগুণের কথা হয়তো শুনে থাকবেন। সারা বিশ্বেই ডাবের পানির কদর রয়েছে। ডাবের পানি নিয়মিত পান করলে আপনি পেতে পারেন বেশ কিছু উপকার। এসব উপকারের কথা জানিয়েছে হেলদি ফুড টিম।
 
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
ডাবের পানি আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। মূত্রনালি-সংক্রান্ত ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে। এ ছাড়া নিয়মিত এই পানি পান করলে দাঁতের মাড়ির সমস্যা দূর হয়। যেসব ভাইরাসের কারণে ঠান্ডা লাগে, সেই ভাইরাস প্রতিরোধে সাহায্য করে। শরীরের টক্সিন (বিষাক্ত উপাদান) দূর করতে সাহায্য করে।

পরিপাকে সাহায্য করে
ডাবের পানিতে রয়েছে উচ্চ পরিমাণে ফাইবার, যা পরিপাকের জন্য ভালো। নিয়মিত পানে গ্যাস্ট্রিক এসিড থেকে পরিত্রাণ পাবেন।

ওজন কমায়
ডাবের পানির মধ্যে অল্প পরিমাণে চর্বি রয়েছে, তাই বেশি করে এটা খাওয়া যায়। এটা ক্ষুধা কমাতে সাহায্য করে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

ত্বকের জন্য ভালো
ডাবের পানিতে তুলা ভিজিয়ে নরম করে ব্রণের মধ্যে লাগালে এটি দ্রুত দূর হয়ে যায়। তৈলাক্ত বা শুষ্ক উভয় ত্বকের জন্য এটি কার্যকর। সাত দিন নিয়মিত এই পানি পান করলে আপনার ত্বক সজীব থাকবে। আপনি যদি ত্বকের ব্যাপারে যত্নশীল হন এবং ত্বক আর্দ্র রাখতে চান, নিয়মিত এক কাপ ডাবের পানি পান করার অভ্যাস গড়ে তুলুন। শারীরিক পরিশ্রমের পরে যদি খুব ক্লান্ত বোধ করেন, তবে নারকেল পানি পান করুন। প্রতিটি অঙ্গে এটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

সকালের ক্লান্তি দূর করতে
মাথাব্যথা দূর করতে সাহায্য করে এবং সকালের দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে।

ইলেকট্রোলাইটসের ভারসাম্য বজায় রাখে
কেবল এক কাপ ডাবের পানি শরীরের ইলেকট্রোলাইটসের সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখে। ইলেকট্রোলাইটসের ভারসাম্যহীনতা উচ্চ রক্তচাপ বাড়িয়ে তোলে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, নিয়মিত ডাবের পানি পান করলে গর্ভকালীন বেশ কিছু জটিলতা কমে যায়।

কিডনির পাথর
কিডনিতে পাথরের জটিলতা রোধে খাবারের তালিকায় ডাবের পানি রাখতে পারেন। প্রতিদিন এই পানি পান করলে কিডনির পাথরগুলো ভেঙে যাবে এবং কিডনি পরিষ্কার থাকবে।

ডাবের পানির গুণ আছে বলে সবার জন্যই এটি উপকারী হবে, এমনটা নিশ্চিতভাবে ধরে নেওয়ার কোনো কারণ নেই। সবার শরীরের অবস্থা সব সময় একরকম থাকে না। তাই যেকোনো খাবার নিয়মিত গ্রহণের আগে আপনার শরীরের অবস্থা বুঝে এবং পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়ে গ্রহণ করলে ঝুঁকিমুক্ত থাকতে পারবেন।

নারকেল তেলের আশ্চর্য ১০ গুণ

হাড়ের সুরক্ষায় কাজ করে নারকেল তেল ।
নারকেল তেল হচ্ছে এমন একটি খাবার যাকে বলা হয় ‘সুপার ফুড’। এর মধ্যে ফ্যাটি অ্যাসিডের চমৎকার সমন্বয় রয়েছে। নারকেল তেল মস্তিষ্কের কার্যক্রম ভালো রাখে, বাড়তি ওজন কমাতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এর রয়েছে আরো অনেক স্বাস্থ্যকর গুণ। অর্গানিক ফ্যাক্ট জানিয়েছে নারকেল তেলের আশ্চর্য স্বাস্থ্য উপকারের কথা।
 ১. ওষুধ হিসেবে
নারকেল তেলকে আগে তেমন উপকারী বলা হতো না কারণ এর মধ্যে স্যাচুরেটেড ফ্যাট রয়েছে। মূলত নারকেল তেল হলো স্যাচুরেটেড ফ্যাটের একটি বড় উৎস, যার মধ্যে ৯০ শতাংশ ফ্যাটি এসিড সংযুক্ত রয়েছে। তবে নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, স্যাচুরেটেড ফ্যাট ক্ষতিকারক নয়। নারকেল তেলের মিডিয়াম চেইন ফ্যাটি এসিড ভিন্নভাবে বিপাক হয়। এটা মস্তিষ্কের অসুখ আলঝাইমার প্রতিরোধ করে, দ্রুত শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। লিভারের ডাইজেসট্রিভ ট্যাক্ট ভালো রাখে।  
২. সংক্রমণ প্রতিরোধ করে
নারকেল তেলের ফ্যাটি এসিডে ৫০ শতাংশ ১২-কার্বন লিউরিক এসিড থাকে। যা বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাসকে দূর করে সংক্রমণ দূর করতে সাহায্য করে। 
৩. হৃদরোগে
অনেকেই মনে করেন নারকেল তেল হার্টের জন্য ভালো নয়। এর কারণ হলো এর মধ্যে স্যাচুরেটেড ফ্যাট রয়েছে। তবে গবেষকরা বলছেন, নারকেল তেল হার্টের জন্য ক্ষতিকারক নয়। এর মধ্যে  থাকা ৫০ শতাংশ লিউরিক এসিড হৃদরোগ হওয়ার অনেক কারণ প্রতিরোধে সাহায্য করে। যেমন : উচ্চ কোলেস্টেরল , উচ্চ রক্তচাপ। নারকেল তেল সবজির তেলের মতোই। নারকেল তেল ক্ষতিকর কোলেস্টেলের মাত্রা বাড়ায় না। এটা অ্যাথেরোসক্লেরোসিস প্রতিরোধ করে। 
৪. ত্বকের যত্নে
ত্বক ম্যাসাজের জন্য নারকেল তেল সব সময় ভালো। এটা সব ধরনের ত্বকে খুব ভালো ময়েশ্চারাইজারের কাজ করে, এমনকি শুষ্ক ত্বকেও। ত্বকের বলিরেখা এবং ত্বক ঝুলে পড়া রোধে সাহায্য করে। সোরিয়াসিস, ডারমাটাইটিস, অ্যাকজিমা এবং ত্বকের বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। ত্বকের যত্নে ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী তৈরিতে নারকেল তেল ব্যবহার করা হয়। অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান থাকার কারণে এই তেল অকাল বার্ধক্য রোধেও কার্যকর। 
৫. ওজন কমাতে
ওজনাধিক্য পৃথিবীর একটি বড় সমস্যা। নারকেল তেল ওজন ঝরাতে সাহায্য করে। এর মধ্যে রয়েছে ছোট এবং মধ্যম চেইনের ফ্যাটি এসিড যা বাড়তি ওজন দূর করতে সাহায্য করে। এটা হজমে সাহায্য করে এবং থাইরয়েড ও এন্ডোক্রাইন পদ্ধতির কার্যক্রম ভালো রাখে। মোটা মানুষদের ক্ষেত্রে ওজন কমাতে সাহায্য করে এটি। বিভিন্ন উপকূলবর্তী এলাকার লোকেরা রান্নায় নিয়মিত নারকেল তেল ব্যবহার করেন।   
৬. রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়
নারকেল তেল রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। অ্যান্টিমাইক্রোবাইয়াল লিপিডস, ল্যাউরিক এসিড, ক্যাপরিক এসিড এবং ক্যাপরিলিক এসিড যার মধ্যে অনেক রোগ প্রতিরোধক্ষমতা রয়েছে।
৭. হজমে সাহায্য করে
রান্নায় নারকেল তেল ব্যবহার করা যায়। এটি পরিপাক ক্ষমতাকে ভালো রাখে। এ ছাড়া পাকস্থলী এবং পরিপাক সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যা প্রতিরোধ করে।
৮. ডায়াবেটিস
নারকেল তেল রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ইনসুলিন নিঃসরণে সাহায্য করে। এটা রক্তের গ্লুকোজকে ভালোভাবে ব্যবহারে সাহায্য করে। ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে।
৯. হাড়ের সুরক্ষায়
নারকেল তেলে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম এবং ক্যালসিয়াম, যা হাড় ভালো রাখে। মধ্য বয়সে অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে সাহায্য করে।  
১০. দাঁতের যত্নে
নারকেল তেলের মধ্যে রয়েছে ক্যালসিয়াম, যা দাঁতের জন্যও ভালো। এটি ক্ষয় রোধ করে দাঁতকে মজবুত রাখে। তবে যেকোনো খাবার নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখার আগে আপনার শরীরের অবস্থা বুঝে, চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
-------------------------

খাদ্য হিসাবে নারিকেল তেলের বিস্ময়কর উপকারিতা!

নারিকেল তেল নাকি অন্যান্য সব তেলের চাইতে অনেকটাই আলাদা। কারণ এর ভেতরে আছে কিছু অদ্ভূত রকমের ক্ষমতা যা কিনা নানার কম মিরাকল ঘটাতে খুবই কার্যকর। বিশেষ করে ক্যান্সার, কিডনি পাথর, আর অতিরিক্ত ওজন থেকে দূরে থাকতে নারকেল তেলের কোন জুড়িই নেই। চলুন জেনে নেওয়া যাক। আর এর সাথে সাথে জানা যাক নারকেল তেলের অন্যান্য কিছু উপকারী দিকও। খাদ্য হিসেবে নারকেল তেলের উপকারিতা গুলো হলো-
হৃদরোগ কমানো নারকেল তেল কোলেস্টরলের পরিমাণ কমিয়ে দেয় শরীরে। এটি এল,ডি,এল-এর মাত্রা কমিয়ে শরীরে বাড়িয়ে দেয় এইচ,ডি,এল-এর মাত্রা। ফলে কমে যায় হৃদরোগের ঝুকি। ওজন কমাতে সাহায্য করা নারকেল তেলের আরেকটি জাদুকরী দিক হলো এটি এক সপ্তাহেই আপনার ওজন কমাতে অত্যন্ত সাহায্য করে থাকে।– বলে থাকেন স্বাস্থ্যগুরু জোসেফ মারকোলা। নারকেল তেল ওজন কমাতে সাহায্য করে- এটা প্রায়ই বলা হয়ে থাকে। কিন্তু আসলে কি তাই? তিন মাসের একটি গবেষণা চালায় সেন্ট ওঙ্গি এবং ফলাফলে দেখা যায় যেসব মানুষ এই তিন মাসে নারকেল তেল খেয়েছেন, অন্য তেল গ্রহীতাদের চাইতে তাদের ওজন কমেছে চার পাউন্ড বেশী। এম,সি,টির কারণেই এমনটা হয় বলে অনেকের ধারণা। শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমতে না দেওয়া নারকেল তেলে থাকে মিডিয়াম চেইন ট্রিগলিসেরাইডস বা এম,সি,টি, যেখানে অন্যসব তেলে থাকে লং চেইন ট্রিগলিসেরাইডস বা এল,সি,টি। মিডিয়াম চেইন ট্রিগলিসেরাইড স্নেহ পদার্থকে অন্ত্র থেকে সরাসরি যকৃতে নিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে এর বেশিরভাগটাই সেখানেই পুড়িয়ে ফেলে। অন্যদিকে এল,সি,টি সেই স্নেহ পদার্থগুলোকে জমা করে শরীরের বিভিন্ন অংশে ফ্যাট টিস্যু হিসেবে। ফলে এম,সি,টি হওয়ায় নারকেল তেল শরীরে স্নেহপদার্থ জমতে না দিয়ে পুড়িয়ে ফেলে এবং শরীরকে রাখে চর্বিমুক্ত। আলঝেইমারের প্রতিরোধ সারা বিশ্বে বয়স্কদের জন্যে একটি ভীতি মূলক রোগ হল আলঝেইমার, যেটা কিনা খুব সহজেই কমিয়ে দেয় একজন মানবশরীরের গ্লুকোজ গ্রহণের ক্ষমতা। আর এটা প্রতিরোধ করা সম্ভব একমাত্র শরীরে কেটন এর পরিমান বৃদ্ধি করে। যা কিনা নারকেল তেল সচরাচর করেই থাকে। ক্যান্ডি তৈরীতে ক্যান্ডি! যার নাম শুনলেই জিভে জল আসে ছেলে-বুড়ো সবারই- সেই ক্যান্ডি প্রস্তুতিতেও দরকার হয় নারকেল তেলের। নারকেল তেলের মধ্যে স্নেহ পদার্থ পরিপূর্ণ মাত্রায় বিদ্যমান। প্রায় ৯০%, অন্যদিকে যেখানে সয়াবন আর অলিভ তেলে এর পরিমাণ ১৫%, গরুর মাংসে ৫০%, মাখনে ৬৩%। আর এজন্যেই নারকেল তেল খুব সহজেই শক্ত হয়ে যায়, জমে যায়। যেটা কিনা ক্যান্ডি প্রস্তুতকারীদের জন্যে সুবিধাজনক। তাই বিভিন্ন ক্যান্ডি প্রস্তুত করতে কারিগরেরা নারকেল তেলকেই প্রাধান্য দিয়ে থাকেন।
ইনফেকশন থেকে বাচাঁতে ইনফেকশন, ইনজুরি থেকে বাচঁতে। নারকেল তেলের ৫০% স্নেহ পদার্থই ১২- কার্বন লোরিক এসিড। নারকেল তেল পরিপাক হবার সময় মনোলোরিয়াম নামক এক ধরনের পদার্থ উত্পাদন করে। আর এই দুই পদার্থ এক হয়ে নানা ধরনের ব্যাকটেরিয়া ও ইনফেকশন হওয়া থেকে শরীরকে বাচাঁয়। এছাড়াও একজিমার সমস্যা দূর করতে, শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা বাড়াতে এবং হরমোনের উত্পাদন বাড়াতেও সাহায্য করে নারকেল তেল।
বয়সের ছাপ দূরীকরণ নারকেল তেলের আরেকটি উপকারিতা হচ্ছে চেহারা থেকে বয়সের ছাপ দূর করতে সাহায্য করা। * সৌন্দর্যবৃদ্ধির উপাদান হিসেবে নারকেল তেলের উপকারিতা আমাদের প্রায় সবারই জানা। ১. নারিকেল তেল উদ্বিগ্নতা এবং অস্থিরতা দূর করতে সাহায্য করে। ২. চোখের মেক-আপ তুলতে সাহায্য করে। ৩. মাতৃত্বজনিত দাগ দূর করতে। এছাড়া নারকেল তেল ব্যবহার করা যায় লোশন, লিপজেল হিসেবেও। এতসব কাজের বাইরেও নারকেল তেল আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত হয় আরো নানা কাজে।

 

Wednesday, August 26, 2015

আমড়ার আচার অন্যতম

achar
বিভিন্ন রকমের আচারের মধ্যে আমড়ার আচার অন্যতম। আমড়া দিয়ে তৈরি টক-মিষ্টি-ঝাল আচার খেতে খুবই সুস্বাদু ও মজাদার।

উপকরণ

- আমড়া ২ কেজি
- সরিষার তেল আধা লিটার
- আদা-রসুন বাটা ৬ টেবিল চামচ
- লবণ পরিমাণ মতো
- চিনি স্বাদ অনুযায়ী
- কাটা শুকনামরিচ ৪ থেকে ৫টি
- আদাকুচি ২ টেবিল চামচ
- পাঁচফোড়ন ২ চা-চামচ
- মরিচ গুঁড়ো ২ চা-চামচ

যেভাবে করবেন

আমড়া ধুয়ে খোসা ছিলে ফালি করে কাটুন। এবার চিনি বাদে তেল, আদা-রসুন, মসলা মেখে আমড়া ১ দিন রোদে শুকিয়ে নিতে হবে। চুলায় পাত্রে তেল দিয়ে পাঁচফোড়ন ভাজতে হবে। তারপর বাকি সব মশলা সামান্য পানি দিয়ে ভালো মতন কষিয়ে নিন। পানি ফুটে উঠলে মাখানো আমড়া দিয়ে কষাতে থাকুন।

ভালোমতো কষিয়ে চিনি দিয়ে মাঝারি আঁচে রান্না করুন। তেল আমড়ার ওপরে উঠলে নামিয়ে আনুন মজার স্বাদের আমড়া আচার। এই আচার পোলাও, বিরিয়ানি, খিচুরি অথবা ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করতে পারেন। চাইলে শুধুও খেতে পারেন। বাষ্প নিরোধী কাঁচের বয়ামে সংরক্ষণ করলে আচার অনেকদিন পর্যন্ত ভালো রাখা সম্ভব। তাই এখনি বানিয়ে নিন মজাদার আমড়ার আচার।

Saturday, August 8, 2015

আদা সর্বরোগের মহৌষধ

Displaying আদা প্রাকৃতিক 
ঔষধি গুণাগুণেও ভরপুর। অতি প্রাচীনকাল থেকেই এটি ভেষজ ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

আদাতে আছে শক্তিশালী এন্টি-অক্সিডেন্ট, এন্টি-ইনফ্লেমেটরি ও অ্যালার্জি প্রতিরোধক উপাদান। রান্নায় আদা বিভিন্নভাবে ব্যবহার করা ছাড়াও আদার রস ও আদা চা খাওয়ার প্রচলন রয়েছে প্রায় সব ঘরেই। এবার আদা চা বা আদার রসে কী কী গুণাগুণ রয়েছে তা একবার জেনে নিই চলুন।
 
পেটে ব্যথা

পেটে ব্যথা হলে আদা চা খেতে পারেন। আদাতে রয়েছে বেদনানাশক উপাদান যা সহজেই তাৎক্ষণিকভাবে পেটে ব্যথা কমায় ও আরাম দেয়।
রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়

আদার রস শরীরের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। এতে রয়েছে ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যামিনো এসিড। প্রতিদিন আদার রস বা আদা চা খেলে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া ঠিক থাকে ও হৃদরোগ হওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়। আদার রস ধমনীতে চর্বি জমতে দেয় না, ফলে হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
ঋতুস্রাব

যাদের ঋতুস্রাবের সময় তলপেটে ব্যাথা হয়, তারা আদা সেদ্ধ পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে পেটে সেঁক দিতে পারেন। এসময় আদা চায়ে মধু মিশিয়েও খেতে পারেন। এতে করে মাসিক চক্র ঠিক থাকবে।
বাতের ব্যথা

জয়েন্টে বাতের ব্যথা কমাতে আদা খুব ভালো কাজ করে। আদার প্রদাহ ও ব্যথানাশক উপাদান বাতের ব্যথা খুব সহজেই নিরাময় করে। এক্ষেত্রে নিয়মিত আদা চা খান, পানিতে আদা সেদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে স্নান সেরে নিন, আরাম পাবেন। এখন বাজারে আদার তেলও পাওয়া যায়। ব্যথাস্থানে সেই তেল ম্যাসাজ করলেও আরাম পাবেন।
হজম ও আলসার

আদা হজমে সহায়তা করে। ভারি খাবার খাওয়ার পর খানিকটা আদা চিবিয়ে খান। দেখবেন পেটের অস্বস্তিভাব কেটে যাবে। আদার রস খাদ্যের ভেতরকার  পুষ্টিকে শরীরে দ্রুত ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করে। এছাড়াও এটি পাকস্থলিতে এক প্রকার শ্লেষ্মা তৈরি করে যা আলসার হওয়ার সম্ভাবনা দূর করে।
বমিভাব

দূরের যাত্রাপথে বমিভাব হলে আদা খেতে পারেন। ব্যাগে আদা ছোট ছোট করে কেটে রাখুন। পুদিনা পাতা ও খানিকটা আদা চিবিয়ে খান। বমিভাব কেটে যাবে। এছাড়াও বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে মধু দিয়ে আদা চা খেয়ে বের হলে ভালো অনুভব করবেন।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা

আদা শরীরের জীবাণু ধ্বংস করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। প্রতিদিন খাওয়ার সময় দুই টুকরো আদা খান। এতে বুকে জমা কফ বেরিয়ে আসবে ও অসুখ-বিসুখ হওয়ার ঝুঁকি কমে যাবে অনেকাংশেই।
মুখ পরিষ্কার করে

আদায় রয়েছে এন্টি-ব্যাক্টেরিয়াল উপাদান যা মুখের ভেতরে জীবাণুকে মেরে ফেলে ও দাঁতের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখে।
সংক্রামণ রোগ

আদাতে রয়েছে এন্টি-ফাংগাল ও এন্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা শরীরের বাইরের অংশের ঘা ও সংক্রামণ রোগের বিনাশ করে।
আর নয় দুশ্চিন্তা

আদা চা মস্তিষ্ককে শান্ত রাখে। সারাদিন পর এক কাপ আদা চা আপনাকে দেবে প্রশান্তি। এছাড়াও অফিস থেকে বাড়ি ফিরে আদা সেদ্ধ পানি দিয়ে স্নান  নিতে পারেন। শরীর ঝরঝরে লাগবে।
ক্যান্সার নিরাময়ক

এতে রয়েছে এন্টি-ক্যান্সার প্রপার্টিজ। আদার উচ্চমানের এন্টি-অক্সিডেন্ট শরীরে ক্যান্সারের সেল তৈরি হতে দেয় না। অনেক সময় শরীরে ক্যান্সারের সেল তৈরি হলেও তা ছড়িয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে।
মাইগ্রেন

আদার রস রক্তনালীর প্রদাহ দমন করে। মাইগ্রেনের কারণে মাথাব্যথা হলে আদা পেস্ট করে কপালে লাগাতে পারেন। ধীরে ধীরে ব্যথা কমে যাবে।
ঠাণ্ডা, কাশি ও ফ্লু

অতি প্রাচীনকাল থেকেই ঠাণ্ডা, কাশি ও ফ্লু-র ওষুধ হিসেবে আদার রস ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ঠাণ্ডা বা কাশির সমস্যা সমাধানে আদার রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে ১০ সেকেন্ড গরম করে খান। শিঘগিরই সেরে উঠবেন।

Sunday, August 2, 2015

মাইগ্রেন কমাতে...অসহ্য মাথা যন্ত্রণা

সারা বিশ্বের প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার প্রায় ১০ শতাংশ ভোগেন মাইগ্রেনে। অতিরিক্ত গরম, বর্ষা, মেঘলা দিনে যেই সমস্যা মাথার ওপর জাঁকিয়ে বসে দুর্বিসহ করে তোলে। অসহ্য মাথা যন্ত্রণার সাথে আলোর ঝলকানি, দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যাওয়া, বমি বমি ভাব কখনো বা ডায়রিয়ার মতো উপসর্গ নিয়ে হাজির হয় মাইগ্রেন।

কী এই মাইগ্রেন?
মাথা ও ঘাড়ের কাছের শিরা ফুলে গিয়ে স্নায়ুর ফাইবারে অতিরিক্ত রক্তের চাপ সৃষ্টি হয়। ফলে শুরু হয় মাইগ্রেনের ব্যাথা। অতিরিক্ত মানসিক চাপ, আবহাওয়া পরিবর্তনই মাইগ্রেনের অন্যতম কারণ।



মাইগ্রেন কমানোর ঘরোয়া পদ্ধতি-
যেকোনো শারীরিক সমস্যাই কমানো যায় সঠিক খাওয়া দাওয়ায়। ডায়েটে যদি ভিটামিন B2 সমৃদ্ধ খাবারের পরিমান বেশি থাকে তাহলে অনেকটাই কমানো যায় মাইগ্রেন। চিকেন, মাছ, ডিম, ছোলা বাদাম, দুগ্ধজাত খাবার, সবুজ শাকসবজি বেশি খান। প্রতিদিন অনন্ত চার শ' মিলিগ্রাম ভিটামিন B2 খেলে মাইগ্রেন কমতে পারে। এছাড়াও ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ মাছের তেলও মাইগ্রেন কমাতে উপকারী। কাঠবাদামের মধ্যেও আছে প্রচুর পরিমান ওমেগা থ্রি।

চটজলদি রেহাই পেতে
আদা
শিরার ফোলা কমানোর গুণ রয়েছে আদার। বমি বমি ভাব কাটাতে একটু কুচি আদা মুখে দিয়ে চিবিয়ে খেয়ে নিন। আদা থেঁতো করে গরম পানিতে ফেলে ছেঁকে সেই পানি খেলেও উপকার পাবেন। এই পানি কপালে লাগালেও আস্তে আস্তে যন্ত্রণা কমে যাবে।

কফি
অতিরিক্ত ক্যাফেন যদিও যন্ত্রণা বাড়িয়ে তোলে, এক কাপ গরম ধোঁয়া ওঠা কফি তেমনই আরাম দিতে পারে মাইগ্রেন থেকে। কফির কাপে ফেলে দিন একটা অ্যাসপিরিন ট্যাবলেট। এই কফিতে চুমুক দিলেও নিমেষে কমে যাবে ব্যাথা।

অন্ধকার ঘরে বিশ্রাম
উজ্জ্বল আলোয় থাকলে, টিভি বা কম্পিউটারের সামনে, আগুনের সামনে বেশিক্ষণ থাকলে মাইগ্রেনের যন্ত্রণা বাড়ে। অতিরিক্ত আওয়াজও অসহ্য লাগে। এই সময় ঘর অন্ধকার করে শান্ত জায়গায় ঘুমিয়ে নিন। ঘুম না হলেও চোখ বন্ধ করে শুয়ে থাকুন কিছুক্ষণ।

আইস ব্যাগ থেরাপি
যেকোনো ফোলা কমানোর সবথেকে ভালো উপায় বরফ। কপালে আইস ব্যাগ চেপে রাখুন হালকা করুন। ব্যাথা কমে আরামে শরীর জুড়িয়ে যাবে।

রিল্যাক্সেশন থেরাপি
শুধু যন্ত্রণার সময় ক্ষণিকের আরামই নয়, মাইগ্রেনকে জীবন থেকেই সরিয়ে দিতে পারে রিল্যাক্সেশন থেরাপি। তবে হ্যাঁ, যদি মেনে চলেন নিয়মিত। মাথায় ম্যাসাজ, ডিপ ব্রিদিং, মেডিটেশন বা যোগাভ্যাস কমাতে পারে স্ট্রেস। কমবে মাইগ্রেনের সমস্যা।

কীভাবে করবেন?
ডিপ ব্রিদিং
আরামদায়ক ভাবে বসে বা শুয়ে নাক দিয়ে বড় শ্বাস নিন, আস্তে আস্তে মুখ দিয়ে ছাড়ুন। এইভাবে ৫ থেকে ১০ বার গভীর শ্বাস নিলেই আপনার শরীর নিজে থেকেই হালকা হয়ে যবে, শ্বাস আপনা থেকে ছোট হয়ে আসবে। রেহাই মিলবে যন্ত্রণা থেকে।

মেডিটেশন
এর কোনো বিশেষ নিয়ম নেই। আরামদায়ক ভাবে বসে বা শুয়ে মেডিটেশন করতে পারেন। অনেকক্ষণ টানা ধ্যান করারও প্রয়োজন নেই। প্রতিদিন ১০ মিনিটই যথেষ্ট। চালিয়ে নিন পছন্দ মতো মিউজিক। আস্তে আস্তে ডিপ ব্রিদিং করলে শান্ত হবে মন, শরীর রিল্যাক্স হবে।

মেহেদী দেয়ার সময় যে ভুলগুলো মোটেও করবেন না!

Image result for মেহেদি ডিজাইনমেহেদি নিয়ে আনন্দের শেষ নেই। অনেক আয়োজন করে নানা ডিজাইন করে মেহেদি দেওয়া হল। বাজার ঘুরে সবচেয়ে ভাল মেহেদিটা কেন হল। কিন্তু একদিন যেতে না যেতেই সেই মেহেদির রং ফিকে যায়! এত কষ্ট সব শেষ। কিন্তু জানেন কি, মেহেদির রং ফিকে হওয়ার জন্য অনেকাংশে আমরা নিজেরাই দায়ী!

খুব অবাক হচ্ছেন? মেহেদির দেওয়ার পর আমরা এমন কিছু কাজ করে ফেলি যার জন্য মেহেদির রং ফিকে হয়ে যায়। আসুন জেনে নেই এমন কিছু কাজ যা মেহেদির দেওয়ার সময় কখনোই করা যাবে না।

Image result for মেহেদি ডিজাইন

Image result for মেহেদি ডিজাইন১। মেহেদি দেওয়ার পর অনেকে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে থাকেন যা কখনোই করবেন না। সাবানের ক্ষারীয় উপাদান মেহেদির রং কে ফিকে করে দেয়।২। মেহেদি দেওয়ার আগে ওঅ্যাক্সিং করাবেন না। ওঅ্যাক্সিং করার ফলে আপনার ত্বক মসৃন হয়ে যায়। ফলে মেহেদি রং ভালভাবে বসে না এবং রং গাঢ় হয় না।
Image result for মেহেদি ডিজাইন৩। মেহেদি দেওয়ার কিছুক্ষণ পরই হাত ধুয়ে ফেলবেন না। কমপক্ষে ৬ ঘণ্টা মেহেদি হাতে রাখার চেষ্টা করুন। সম্ভব হলে রাতে মেহেদি দিয়ে পরের দিন সকালে তা তুলে ফেলুন। গোসলের কাজটা মেহেদি দেওয়ার পূর্বে শেষ করে ফেলুন। মনে রাখবেন মেহেদি যত বেশি সময় হাতে রাখবেন তত বেশি গাঢ় রং হবে৪। চিনি, লেবুরপানি মেহেদির রংকে গাঢ় করে থাকে।কিন্তু খুব বেশি ব্যবহারে মেহেদি খয়েরি রং হয়ে যায়। যা দেখতে একদমই ভাল না।


৫। মেহেদি শুকানোর জন্য কখনই হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করবেন না। এতে আপনার ডিজাইন নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। প্রাকৃতিকভাবে মেহেদি শুকাতে দিন। প্রয়োজন হলে ফ্যান ব্যবহার করতে পারেন মেহেদি শুকানোর জন্য।

Image result for মেহেদি ডিজাইন
৭। হালকা বা আবছা আলোর মধ্যে মেহেদি দিবেন না।ভাল মেহেদি ডিজাইনের জন্য পর্যাপ্ত আলোর প্রয়োজন।

৬। মেহেদি দেওয়ার পূর্বে খুব বেশি পানি বা পানি জাতীয় খাবার খাবেন না।


৭। হালকা বা আবছা আলোর মধ্যে মেহেদি দিবেন না।ভাল মেহেদি ডিজাইনের জন্য পর্যাপ্ত আলোর প্রয়োজন।Image result for মেহেদি ডিজাইন


৮। লেবুতে যাদের এলারজি তারা অনেক সময় সরিষার তেল ব্যবহার করে থাকেন মেহেদি রং গাঢ় করার জন্য । তেল ব্যবহারে হাতের শুষ্কতা অনেকটাই কমে যায়।তবে তেল ব্যবহেরের পূর্বে এর মান সম্পকে নিশ্চত হয়ে নেবেন।


৯। অনেকে মেহেদি তেল ব্যবহার করেন। মেহেদি তেল কেনার পূর্বে এর মেয়াদ এবং তৈরির উপাদান দেখে নিবেন। এটি মেহেদি লাগানোর পূর্বে ব্যবহার করতে হয়। কখনোই মেহেদির লাগানোর পর এই তেল ব্যবহার করবেন না।

যে ৫ টি মশলা অবশ্যই থাকা উচিত আপনার

একেক বাসার রান্না করার ধরণ একেক রকম। একই খাবার হয়তো রান্না করা হচ্ছে কিন্তু একটু ভিন্ন ধরণের মশলার ব্যবহারে তা হয়ে উঠেছে ভিন্ন রকমের। সে যাই হোক না কেন, কিছু মশলার ব্যবহার প্রায় প্রতিটি ঘরেই হয়ে থাকে। আর এই মশলাগুলো অবশ্যই প্রত্যেকের রান্নাঘরে থাকা প্রয়োজন। কারণ এই মশলাগুলো শুধু রান্নার স্বাদ ও গন্ধ বাড়াতেই কাজ করে না, সেই সাথে আমাদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে। এই মশলাগুলো প্রতিদিনের রান্নায় ব্যবহারে নানা ধরণের ছোটোখাটো সমস্যা তো দূর হয়ই, পাশাপাশি মারাত্মক অনেক রোগ প্রতিরোধ সম্ভব হয়। আজ চলুন চিনে নেয়া যাক এমনই বিশেষ মশলাগুলোকে।
feature-image১) ধনিয়া
ধনিয়া প্রায় সকলের চেনেন। ধনে বীজ ভেঙে নিয়ে ধনে গুঁড়ো তৈরি করে তা আমরা রান্নায় ব্যবহার করে থাকি। অনেক সময় আস্ত ধনে বীজও রান্নায় ব্যবহার করা হয়। এই ধনিয়া দারুণ একটি আয়ুর্বেদিক উপাদান হিসেবে বেশ জনপ্রিয়। হজম সংক্রান্ত নানা সমস্যা, শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা, ত্বকের কিছু ইনফেকশন ও ইউরিন ডিজঅর্ডার প্রতিরোধ করে প্রতিদিনের খাবারে এই মশলার ব্যবহার।

২) আদা
আদা এমন একটি মশলা যার স্বাদ অন্য কোনো কিছুর মাধ্যমেই পূরণীয় নয়। আদাকে ‘ইউনিভার্সাল মেডিসিন’ হিসেবেই দেশে বিদেশে চেনা হয়। হজম সংক্রান্ত নানা সমস্যা দূর করতে আদার ব্যবহার সেই প্রাচীন কাল থেকেই হয়ে আসছে। এছাড়াও শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা, কফ-কাশি দূর করা এবং সাধারণ ঠাণ্ডা সর্দি দূর করতে প্রত্যেকের রান্নাঘরেই থাকা উচিত আদা।

৩) জিরা
জিরা রান্নার কাজে ব্যবহার করা হয় এর অসাধারণ ফ্লেভারের কারণে। কিন্তু জিরা ব্যবহারের গুনাগুন এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জিরা প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে দারুণ কার্যকরী। এছাড়াও এটি লিভার ও প্যানক্রেয়ারের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও দেহের ক্ষতিকর টক্সিন দূর করে খাবারের পুষ্টি শোষণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

৪) মেথি
মেথি অনেক বেশী জনপ্রিয় এর রোগ নিরাময় ক্ষমতার কারণে। খাবার হজম, শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা, নার্ভের সমস্যা, নারীদের মাসিকের সমস্যা, এমনকি ত্বকের নানা ধরণের সমস্যা দূর করতে মেথির তুলনা নেই। প্রতিদিন রাতে মেথি পানিতে ভিজিয়ে সকালে মেথি মিশ্রিত এই পানি পানের অভ্যাস উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যা দূর করে।

৫) হলুদ
হলুদের গুনাগুন যুগযুগ ধরেই সমাদৃত। হলুদের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টি সেপ্টিক উপাদানের কারণে দেহের নানা ধরণের সমস্যা সমাধানে ব্যবহার করা হয় অনেক আগে থেকেই। এছাড়াও রান্নায় হলুদের ব্যবহার দেহে ফ্যাট জমতে বাঁধা প্রদান করে।

প্রতিদিনের ছোট্ট কিছু কাজ চিরকাল প্রতিরোধ করবে কিডনি সমস্যা

কিডনি আমাদের দেহের অনেক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। দেহে জমতে থাকা প্রতিদিনের ক্ষতিকর টক্সিন ছেঁকে বের করার মতো জরুরী কাজটি কিডনি করে থাকে। দেহের এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটি খুব সহজেই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে আপনার ভুলের কারণে। কিডনি সমস্যা দেহের মারাত্মক সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম। সবচাইতে ভয়াবহ ব্যাপার হচ্ছে কিডনি সমস্যা এমন পর্যায়ে কিডনির রোগ ধরা পড়ে যখন কিছুই করার থাকে না। আর এ কারণেই প্রতিবছর কিডনি সমস্যায় আক্রান্ত হয় হাজার হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করে থাকেন। তাই নিজের কিডনির জন্য কোন কাজটি ভালো এবং কোনটি ক্ষতিকর তা বিবেচনা করতে হবে আপনাকেই। প্রতিদিনের কিছু কাজের অভ্যাস আপনা কিডনিকে সুস্থ রাখবে চিরকাল।feature-image


১) স্বাস্থ্যকর খাবার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায়
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এমন খাবার রাখুন যা সহজে হজম হওয়ার যোগ্য এবং যে সকল খাবার দেহে কম টক্সিন জমতে সহায়তা করে। এতে কিডনির কর্মক্ষমতা সঠিক রাখতে সাহায্য করে থাকে। কিডনি থাকে সুস্থ।


২) নিয়মিত ব্যায়াম
প্রতিদিন অন্তত ২০ মিনিট ব্যায়াম করার অভ্যাস স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। নিয়মিত ব্যায়ামের ফলে দেহের সকল অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সচল থাকে এবং দৈহিক সকল কার্যকলাপ সঠিকভাবে হতে পারে। যার প্রভাব কিদনিকেও সুস্থ রাখে।


৩) রক্তের সুগারের মাত্রা সঠিক রাখুন
কিডনির সবচাইতে বড় শত্রু হচ্ছে রক্তের সুগারের মাত্রা। সুগারের মাত্রা যতো বাড়তে থাকবে কিডনি তার কর্মক্ষমতা ততো হারাতে থাকবে। তাই অবশ্যই রক্তের সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখুন।


৪) পর্যাপ্ত পানি পান করুন
পানি কম পান করা কিডনি সমস্যার অন্যতম প্রধান কারণ। পানির অভাবে কিডনি আমাদের দেহের বর্জ্য নিষ্কাশনের কাজটি ঠিকমতো করতে পারে না এবং তার স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা হারায়। তাই দিনে অন্তত ৬-৮ গ্লাস পানি পান করুন।

৫) সোডিয়াম সমৃদ্ধ খাবার কম খান
সোডিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খুব সহজে হজম হতে চায় না এবং সোডিয়াম দেহে জমতে থাকে যা কিডনির কর্মক্ষমতা নষ্ট হতে থাকে।


৬) অনেক ঔষধ খাওয়ার অভ্যাস বর্জন করুন
সামান্য অসুস্থতাতেই অনেক ঔষধ সেবন করা বিশেষ করে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়াই ব্যথানাশক ঔষধ খাওয়ার অভ্যাস কিডনির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। তাই এই অভ্যাসটি বর্জন করুন।

৭) নিয়মিত চেকআপ
কিডনি সমস্যা একেবারে মারাত্মক পর্যায়ে না গেলে ধরা পড়ে না, তাই কিডনিতে কোনো ধরণের সমস্যা অনুভব হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না। ৬ মাসে অন্তত একবার হলেও ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন সাধারণ চেকআপের জন্য।

ডেঙ্গু জ্বর, সবাই সাবধান !!!!


ডেঙ্গু কী
ইংরেজিতে যার উচ্চারণ ডেঙ্গি কিন্তু বাংলাতে ডেঙ্গু নামেই অধিক পরিচিত। এটি একটি ভাইরাসজনিত জ্বর। ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণুবাহী মশার নাম এডিস মশা। অন্য ভাইরাস রোগের মতো এ রোগেরও কোনো প্রতিষেধক বা টিকা নেই। ভাইরাল ফিভারের মতো এ রোগও ৭ দিনের মধ্যে আপনাতেই সেরে যায়। তবে এর মুল সমস্যা হচ্ছে-পরবর্তীতে অনেক জটিলতা দেখা দেয়। সময়মতো সঠিকভাবে মোকাবেলা করা না গেলে রোগীর শারীরিক অবনতি ঘটতে পারে। দেখা দিতে পারে ডেঙ্গু হেমারেজিক ফিভার বা রক্তক্ষরণকারী ডেঙ্গু জ্বর।
কীভাবে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত কোনো রোগীকে এডিস মশা কামড়ালে ডেঙ্গু ভাইরাস সেই মশার দেহে প্রবেশ করে। ভাইরাস বহনকারী সেই এডিস মশা কোনো সুস্থ মানুষকে কামড়ালে ডেঙ্গু ভাইরাস তার দেহে ঢুকে পড়ে এবং ওই ব্যক্তি আক্রান্ত হয়ে পড়ে।

ডেঙ্গুর লক্ষণ
চোখে, গায়ে আর কপালে প্রচন্ড ব্যথা হয়। হঠাৎ করেই জ্বর আসে। চোখেও ব্যথা করে। এদিক-সেদিক তাকানো মুশকিল হয়ে পড়ে। দাঁতের মাড়ির পাশাপাশি পায়খানা এবং প্রশ্রাবের সাথে রক্ত পড়ে। পায়খানার রং কালো বা কালচে কালো হতে পারে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে মস্তিষ্কেও রক্তক্ষরণ হয়। এ সময় রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নেয়া উচিত।

ডেঙ্গু হেমারেজিক জ্বর বুঝার উপায়
রক্ত পরীক্ষায় যদি প্লেটলেটের সংখ্যা কমে যায়, তবে বুঝতে হবে এটি হেমোরেজিক বা রক্তক্ষরণী জ্বর। রোগী অগ্যান হওয়া, শকে চলে যাওয়া, অবসন্নতা, অস্থিরতা, তীব্র পেট ব্যথা, রক্তচাপ কমে যাওয়া, হাত পা ঠান্ডা হওয়া, অধিক পরিমানে প্রশ্রাব হওয়া- ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দিলে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। এ ক্ষেত্রে বেশী রক্তক্ষরণ হলে ‘ফ্রেশফ্রোজেন প্লাজমা’ অথবা প্রয়োজনে পূর্ণ রক্ত পরিসন্চালনের মাধ্যমে চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে। তবে মনে রাখবেন, সময়মতো সঠিক ব্যবস্থা নেয়া গেলে ডেঙ্গু হেমারেজিক জ্বর সারিয়ে তোলা যায়

রোগীর যতœ
০ রোগীকে প্রচুর পরিমানে তরল খাবার খাওয়াতে হবে
০ প্রচুর বিশুদ্ধ পানি পান করাতে হবে
০ প্রশ্রাবের পরিমাণ পর্যবেক্ষণ করতে হবে
০ জ্বর কমানোর জন্য ভেজা কাপড় দিয়ে বার বার গা মোছাতে হবে

ডেঙ্গু রোগীর রক্তের পরীক্ষা
সত্যি বলতে কী, ডেঙ্গু ভাইরাস শনাক্তনরণের অর্থাৎ জীবানু পৃথককরণের কোনো পরীক্ষা আমাদের এখানে নেই। রোগের লক্ষণ দেখে রক্তে বিশেষ অ্যান্টিবডি উপস্থিতি নির্ণয়ের মাধ্যমে সাধারণত ডেঙ্গু শনাক্ত করা হয়। তবে এটি কোনো নিশ্চিত পরীক্ষা নয়। সাধারণ জ্বর হলে এ পরীক্ষা করার প্রয়োজন নেই। কারণ এটি একটি ব্যয়বহুল পরীক্ষা। জ্বর ১০৩ ডিগ্রির বেশী হলে প্রথমে রক্তের একটি রুটিন টেস্ট করে পে¬টলেট কাউন্ট দেখে নেয়াটা জরুরি। প্লেটলেট কাউন্ট ১ লাখের কম হলে পরবর্তী চিকিৎসার জন্য বিশেষগ্জ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ বরুন।

ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসা
অধিকাংশ ডেঙ্গু জ্বরই আতংকিত হবার মতো তেমন ভয়াবহ নয়। ৭ দিনের মধ্যেই তা সেরে যায়। শুধু প্রয়োজন যথেষ্ট পরিমানে পানি, তরল খাবার আর বিশ্রামের। সাথে জ্বর কমানোর জন্য প্যারাসিটামল। তবে, রোগীকে ব্যথানাশক হিসেবে এসপিরিন বা ক্লোফেনাক জাতীয় ওষুধ দেয়া যাবে না। এতে রোগীর রক্তক্ষরণ বেড়ে যেতে পারে।
হেমারেজিক বা রক্তক্ষয়ী ডেঙ্গু (যা খুব কমই হয়ে থাকে) বেশি ভয়াবহ। তাই, জ্বরের পাশপাশি রক্তক্ষরণের লক্ষণ দেখ গেলে সাথে সাথেই রোগীকে বিশেষ চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে।
হেমারেজিক বা রক্তক্ষয়ী ডেঙ্গু জ্বরে প্লেটলেট, আর ডেঙ্গু শক সিনড্রমে দরকার রক্তরস বা প্লাজমা। এক ব্যাগ অর্থাৎ ২০০ মিলিলিটার প্লেটলেটের জন্য পুরো ৪ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন পড়ে। অবশ্য সেল সেপারেটর মেশিনের সাহায্যে একজন ডোনারের কাছ থেকেই সম পরিমাণ পে¬টলেট সংগ্রহ করা সম্ভব। কিন্তু সেল সেপারেটর মেশিন বেশি না থাকায় রেফ্রিজারেটেড সেন্ট্রিফিউজ মেশিনে সাধারণত ৩ ব্যাগ ব্যবহার হরে রক্তের তিন ধরণের কম্পোনেন্ট আলাদা করা হয়ে থাকে। ডেঙ্গু হয়ে গেলে অনেক রক্তের প্রয়োজন দেখা দেয়। এক ব্যাগ প্লেটলেটের জন্য ৪ ব্যাগ রক্ত।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে আমাদের করনীয়
০ পরিবেশ সম্পর্কে গণ সচেতনতা তৈরী
০ নিজের ঘর, বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখা
০ ফুলের টব, পুরোনো ক্যান,পাত্র, গামলা ইত্যাদিতে যাতে ৪/৫ দিন পানি জমতে না দেয়া
০ ছোট আবদ্ধ স্থানে যাতে বৃষ্টির পানি না জমে সে ব্যবস্থা নেয়া
০ আপনার এলাকাজুড়ে বাড়ি বাড়ি মশা মারার দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে
০ এডিস মশার প্রজননক্ষেত্র ধ্বংস করতে হবে
০ বাড়ীতে কেউ আক্রান্ত হলে যথাযথ চিকিৎসা করানো

Saturday, August 1, 2015

পেঁয়াজের আট অসাধারণ গুণ

পেঁয়াজ আমাদের রান্নাবান্নার কাজে নিত্যপ্রয়োজনীয়। এটি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। নিয়মিত পেঁয়াজ খাওয়া বিভিন্ন ইনফেকশন এবং রোগ থেকে দূরে রাখে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, পেঁয়াজ টিউমারের বৃদ্ধি বন্ধ করে। নিয়মিত পেঁয়াজ খাওয়া কার্ডিওভাসকুলার পদ্ধতিকে ভালো রাখে। পেঁয়াজের আটটি অসাধারণ গুণের কথা জানিয়েছে বোল্ডস্কাই ডটকম।

১. কান পরিষ্কার রাখে/ব্যথা কমায়

পেঁয়াজের মধ্যে রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি বা প্রদাহ প্রতিরোধক গুণ। এটি কানের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। কানব্যথার সমস্যায় ভুগলে এক টুকরো পেঁয়াজ হতে পারে সহজ সমাধান।

এক টুকরো পেঁয়াজ কানের ভেতরে রাখুন। এটা কানের ময়লাকে নরমের পর বের করে দিতে সাহায্য করবে। তবে সাবধান, যেন সেটা কানের একেবারে গভীরে না ঢুকে যায়।

২. জ্বর কমায়

পেঁয়াজ জ্বর কমানোর ঘরোয়া দাওয়াই হতে পারে। কয়েক টুকরো আলু ও পেঁয়াজ কুচি নিন। এর সঙ্গে সামান্য রসুন বাটা মেশান। মিশ্রণটি দুই পায়ের পাতায় মাখুন। আপনার শরীরে বেড়ে ওঠা তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমে আসবে।

৩. কফ কমায়

মধু ও পেঁয়াজের মিশ্রণ তৈরি করে পান করুন। এতে শুধু আপনার কফই কমবে না, জ্বরাক্রান্ত শরীরের ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে পেঁয়াজের অ্যান্টিবায়োটিক গুণ লড়াই করবে।

৪. মৌমাছির কামড়ে

মৌমাছির কামড়ে পেঁয়াজ পিষে লাগাতে পারেন। এটা জ্বালাপোড়া রোধ করবে এবং অ্যালার্জিজনিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে রক্ষা করবে।

৫. কেটে গেলে

কোথাও কেটে গেলে এক টুকরো পেঁয়াজ লাগান। এটা ইনফেকশন প্রতিরোধে সাহায্য করবে এবং  দ্রুত রক্ত পড়া কমাবে।

৬. চুল এবং ত্বক

কেবল স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী নয়, পেঁয়াজের রয়েছে কিছু সৌন্দর্যবর্ধক গুণাগুণ। এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন-সি। এটি শরীরে কোলাজেনের পরিমাণ ঠিক রাখতে সাহায্য করে, যা স্বাস্থ্যকর চুল ও ত্বক তৈরিতে সাহায্য করে।

৭. হজমে সাহায্য করে

পেঁয়াজ হজমে সাহায্য করে। যদি হজমের সমস্যা হয়, তবে পেঁয়াজ খেতে পারেন।

৮. ইনসুলিনের বৃদ্ধিতে

দেহের ইনসুলিন বাড়াতে পেঁয়াজ খুব উপকারী। এটা ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় কার্যকর এবং রক্তের শর্করা কমাতেও সাহায্য করে।