Monday, November 2, 2015

শাহি পরোটা তৈরি করুন সহজেই

সহজেই তৈরি করুন শাহি পরোটা
পরোটা তো কম বেশি তৈরি করা হয়ই, শাহি পরোটার রেসিপি কি জানা আছে? অতিথি আপ্যায়ন, ঘরোয়া আড্ডা অথবা নিছকই বিকেলের নাস্তার জন্য তৈরি করে নিতে পারেন সুস্বাদু শাহী পরোটা। রইলো রেসিপি-

উপকরণ : ময়দা ২ কাপ, তেল ১ টেবিল চামচ, ডালডা ২ টেবিল চামচ, ঘি ১ চা চামচ, গুঁড়া দুধ ১ টেবিল চামচ, চিনি ১ চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো, পানি পরিমাণমতো।

প্রণালি : ময়দা ঢেলে একটি পাত্রে ডালডা ও তেল চুলায় একটি পাত্রে গরম করে ঠাণ্ডা করে নিয়ে ময়দার সঙ্গে মেশাতে হবে। তারপর লবণ, ঘি, দুুধ, চিনি ও পানি দিয়ে ভালো করে ময়দা মাখিয়ে একটি পাত্রে ঢেকে রাখতে হবে ৩/৪ ঘণ্টা। তারপর গোলা ময়দা আবার মেশানো ডালডা দিয়ে ভালো করে মথে নিতে হবে। পিঁড়িতে একটু ময়দা ছিটিয়ে গোল বা লম্বা করে তারপর জিলাপির মতো পেঁচিয়ে গোল করে রেখে দিয়ে আধা ইঞ্চি পরিমাণ রুটি বানিয়ে ফ্রাইপ্যানে ২ টেবিল চামচ তেল দিয়ে ভালোভাবে ভেজে নিতে হবে।

Sunday, November 1, 2015

চুলকানি দূর করার ৫টি কার্যকরী ঘরোয়া উপায়

অ্যালার্জি ছাড়াও হঠাৎ করে হাত-পায়ে চুলকানি শুরু হয়ে যেতে পারে। এটি খুব সাধারণ একটি ব্যাপার আর কিন্তু এই ব্যপারটি বিরক্তি পর্যায়ে চলে যায় যখন চুলকানি না থামে। আর বার বার চুলকাতে থাকে। সংবেদনশালী ত্বক যাদের তারা চুলকাতে চুলকাতে লাল করে ফেলে। এই চুলকানির হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য অনেকেই বিভিন্ন মলম ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু মলম ব্যবহারে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। তার চেয়ে যদি ঘরোয়া উপায়ে ত্বকের চুলকানি দূর করা যায়, তা যেমন নিরাপদ তেমনি অনেক বেশি কার্যকর। জেনে নিন ঘরোয়া উপায়ে ত্বকের চুলকানি দূর করার উপায়।
১। নারকেল তেল

নারকেল তেল ত্বকে ব্যবহারের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ পণ্য। যে কোন প্রকার চুলকানি, পোকার কামড় বা অন্য কোন কারণে ত্বকে চুলকানি হলে যেখানে চুলকাবে সেখানে নারকেল তেল দিয়ে দিন। যদি সম্পূর্ণ শরীরে চুলকানি হয় তবে পুরো শরীরে নারকেল তেল মাখতে পারেন। কুসুম গরম পানিতে নারকেল তেল মিশিয়ে গোসলও করে ফেলতে পারেন।
২। পেট্রোলিয়াম জেলি

যদি আপনি সেনসিটিভ ত্বকের অধিকারী হন তবে পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করতে পারেন। এর কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। শরীরের কোন অংশে চুলকানি হলে আপনি পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করতে পারেন। এটি সবার ঘরেই থাকে, ফলে যেকোন সময়ই আপনি এটি ব্যবহার করতে পারবেন।
৩। বেকিং সোডা

চুলকানি প্রতিরোধে বেকিং সোডা অনেক বেশি কার্যকরী। পানি ও বেকিং সোডা দিয়ে পেষ্ট তৈরি করে নিন। এক অংশ পানির মধ্যে ৩ অংশ বেকিং সোডা দিতে হবে। তারপর চুলকানির জায়গায় এই পেষ্ট লাগান। দেখবেন চুলকানি অনেক কমে গেছে। বেকিং সোডা দিয়ে গোসলও করতে পারেন। এক্ষেত্রে বড় এক বালতি পানিতে ১/২ কাপ বেকিং সোডা মেশাতে হবে। বেকিং সোডা মেশানো পানিতে কমপক্ষে ৩০ মিনিট শরীর ভিজিয়ে রাখার পর শরীর পানি দিয়ে না ধুয়ে শুকিয়ে ফেলতে হবে। এতে পুরো শরীরের চুলকানি দূর হয়ে যাবে।
৪। অ্যালোভেরা

সৌন্দর্য চর্চায় অ্যালোভরার উপকারিতার কথা আমাদের সবার জানা। চুলকানি প্রতিরোধ করতেও অ্যালোভরার অনেক কার্যকরী। একটি তাজা অ্যালোভেরা পাতা থেকে রস বের করে চুলকানির স্থানে লাগান। চুলকানি দ্রুত কমে যাবে।
৫। লেবু

ভিটামিন সি সমৃদ্ধি লেবুতে আছে ব্লিচিং উপাদান যা ত্বকের চুলকানি রোধ করে থাকে। ত্বকের যে স্থানে চুলকানি অনুভূত হচ্ছে সেস্থানে লেবুর রস লাগিয়ে শুকিয়ে নিন। কিছুক্ষণের মধ্যে দেখবেন চুলকানি গায়েব।

রুক্ষ-শুষ্ক হাত দুটিকে করে তুলুন মুখের মতই নরম ও কোমল

soft-hands-fat-graftingসব মেয়েরাই চায় তাঁর হাত দুটো সুন্দর ও কোমল থাকুক। বিশেষ করে সারাদিন কাজ করার পর গৃহিণীদের হাতটাই সবচাইতে বেশি অসুন্দর হয়ে ওঠে। কিন্তু সত্য কথাটা এই যে আমরা সবচেয়ে বেশি অবহেলা করি হাতকেই। আমাদের শরীরের সবচেয়ে ব্যস্ততম অঙ্গ হল হাত। সারাদিনে হাত দিয়ে আমরা বিভিন্ন রকম কাজ করে থাকি যেমন –শাকসবজি কাটা, রান্না করা, থালাবাসন পরিষ্কার করা, কাপড় ধোয়া,বাগান করা সহ গৃহস্থালির অন্যান্য কাজ ইত্যাদি। এসব কাজের ভিড়ে আপনার হাত শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে যাওয়ার কারণগুলো হল:

১। শুষ্ক আবহাওয়া
শীতের সময়ে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কম থাকে তাই আপনার ত্বক ও শুষ্ক হয়ে যায়।

২। পানি
যারা পানি দিয়ে বেশি কাজ করে থাকেন তাদের হাতের ত্বক নিঃসৃত তেলের পরিমাণ কমে যায় ফলে হাত শুষ্ক হয়ে যায়।

৩। রাসায়নিক দ্রব্য
যারা নিয়মিত রাসায়নিক দ্রব্য নিয়ে কাজ করে এবং যারা গৃহস্থলীর কাজে খুব বেশি পরিষ্কারক দ্রব্য ব্যবহার করে তাদের হাত খসখসে হয়ে যায়। রাসায়নিক দ্রব্য হাত থেকে আদ্রতা শুষে নেয় এবং স্কিনের বাইরের লেয়ার নষ্ট করে দেয় ফলে ত্বকের অন্য আরো সমস্যার সৃষ্টি করে।

৪। সাবান
যারা বেশি বেশি সাবান ব্যবহার করেন তাদের হাতের নরমাল ইন্টেগ্রিটি নষ্ট হয়ে যায় ফলে ত্বকের নিজস্ব ক্ষমতা কমে যায় তাই হাতের ত্বক শুষ্ক হয়ে ফেটে যায়।

এছাড়াও ত্বকের কিছু স্বাস্থ্যগত সমস্যা যেমন- সোরিয়াসিস, এক্সিমা, অ্যালার্জি এবং কিছু ঔশুধের জন্যও হাত শুষ্ক হয়ে ফেটে যেতে পারে।

আপনার হাত দুটিও কি রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে গেছে? তাহলে হতাশ হবেন না। এমন কিছু ঘরোয়া উপায় আছে যা দিয়ে আপনার হাত কোমল ও সুন্দর হয়ে উঠবে। আসুন জেনে নেই সেই পন্থাগুলোর খোঁজ।

পেট্রোলিয়াম জেলি সহজ ও সস্তা
রুক্ষ, শুষ্ক ও ফেটে যাওয়া হাতের জন্য পেট্রোলিয়াম জেলি হচ্ছে সবচেয়ে ভালো উপাদান। রাতে ঘুমানোর আগে আপনার হাত পরিস্কার কাপড় দিয়ে মুছে ভালোভাবে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে রাখুন। রাতে আপনি যখন ঘুমিয়ে থাকবেন তখন পেট্রোলিয়াম জেলির সহায়তায় ত্বক নিজেই হাতের ফাটা অংশ গুলো মেরামত করে নেয়।

অলিভ অয়েল দেবে স্বাস্থ্য উজ্জ্বল ত্বক
অলিভ অয়েল এর অ্যান্টিওক্সিডেন্ট ও হেলদি ফ্যাটি এসিড শুষ্ক হাতের জন্য ভালো। জলপাই এর তেল ত্বকের আদ্রতা ফিরিয়ে এনে ত্বককে নরম ও কোমল করে এবং ত্বকের তারুণ্য ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে। প্রতিদিন দুই বার জলপাই তেল গরম করে ৫-১০ মিনিট আপনার হাতে ম্যাসাজ করুন, আপনার হাত নরম ও কোমল হবে।

নারিকেল তেল বহুগুনী
নারিকেল তেল ও অল্প লেবুর রস মিশিয়ে বোতলে ভরে রেখে দিন। আপনার সব কাজ শেষ হয়ে গেলে তেলের মিশ্রণটি ভালো ভাবে আপনার হাতে লাগান। লেবুর রস এসিডিক তাই প্রাকৃতিক ব্লিচ হিসেবে কাজ করে এবং এটা হাতের দাগ দূর করতে পারে।আর নারিকেল তেল এর ফ্যাট হাতের ত্বকের পুষ্টির যোগান দেয় ও আদ্রতা ফিরিয়ে আনে। তাই উপকার পেতে চাইলে রোজ এই মিশ্রণটি ব্যবহার করুন।

কিছু টিপস:
– যতোটা সম্ভব সাবান ব্যবহার কমিয়ে দিন এবং ব্যবহারের পরে খুব ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।
– বাড়িতে এয়ার ড্রায়ার ব্যবহার কমিয়ে দিন।
– কটন ও লেদারের গ্লাভস ব্যবহার করুন। ভিনাইল গ্লাভস ব্যবহার করবেন না, কারণ এটা
হাতকে আরো শুষ্ক করে দিবে।
– মুখের ন্যায় হাতের ত্বকও এক্সফলিয়েট করুন। এতে হাতের পুরনো ত্বক দূর হয়ে নতুন ত্বকের সৃষ্টি হয় ।
– যাদের হাতের অবস্থা খুব বেশি খারাপ তারা রাতে পেট্রোলিয়াম জেলি,অলিভ অয়েল বা নারিকেল তেলের মিশ্রণটি লাগানোর পর হাতে সুতির গ্লাভস বা উলের মোজা পরে নিতে পারেন।
-অ্যালোভেরার রস হাতে লাগাতে পারেন।
– মধু ও ওটমিল ব্যবহার করতে পারেন স্ক্রাবার হিসাবে।

পা ফাটা দূর করুন সহজ ৩ টি উপায়ে

শুষ্ক আবহাওয়া ও পায়ের পাতার গোড়ালির নিচের অংশ ফেটে যাওয়াকে পা ফাটা বলে। সাধারণত শীতকালে পা ফাটা সমস্যাটা দেখা যায়, তবে অনেকেই সারা বছর পা ফাটা সমস্যায় ভোগে থাকেন। অনেকেই পা ফাতা রোধ করার জন্য বিভিন্ন ধরণের ক্রিম ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু সবসময় এই সকল ক্রিম কাজ করে না। বরং কোন কোন ক্রিমে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়ে থাকে। এই পা ফাটা ঘরোয়া উপায়ে দূর করা সম্ভব।
পা ফাটার কারণ:

ঠান্ডা আবহাওয়া
পানির স্বল্পতা
কারো পা প্রাকৃতিক ভাবে শুষ্ক হয় তবে ফেটে যেতে পারে
দীর্ঘ সময় কোন শক্ত স্থানে দাঁড়িয়ে থাকলে পা ফেটে যেতে পারে
অনেক গরম পানি দিয়ে গোসল করা
ডায়াবেটিস বা থাইরয়েডে সমস্যায়
বয়স বৃদ্ধির কারণে
নিয়মিত ময়েশ্চারাইজিং না করা ইত্যাদি।

http://aviationnews.com.bd/wp-content/uploads/2015/10/SkinCare02_3.jpg

১। নারকেল তেল

পা ফাটা রোধ করার সবচেয়ে সহজ এবং সস্তা উপায় হল নারকেল তেল। নারকেল তেল পা ময়েশ্চারাইজ করে ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাস দূর করে থাকে।
– ঘুমাতে যাওয়ার আগে কুসুম গরম পানিতে পা ভিজিয়ে নিন। তারপর পা ঘষে নিন।
– তারপর পা মুছে নারকেল তেল লাগিয়ে নিন।
– এভাবে সারা রাত থাকুন।
– পরের দিন সকালে পা ধুয়ে ফেলুন।
– এটি নিয়মিত করুন যত দিন পর্যন্ত না পা ফাটা সম্পূর্ণ ভাল হচ্ছে। আপনি চাইলে অলিভ অয়েলও ব্যবহার করতে পারেন।
২। পেট্রোলিয়াম জেলি এবং লেবুর রস

পেট্রোলিয়াম জেলি আপনার শুষ্ক ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে থাকে। এটি ফাটা দাগ সমান করে থাকে। এর সাথে পায়ের পাতা নরম করে তোলে।
– ১ চা চামচ পেট্রোলিয়াম জেলি, ১টি লেবুর রস মিশিয়ে নিন।
– প্রথমে পা কুসুম গরম পানিতে ১০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন।
– তারপর পা শুকিয়ে নিন।
– জেলি, লেবুর রসের মিশ্রণটি পায়ে লাগান।
– হালকা হাতে ম্যাসাজ করুন।
– এভাবে সারা রাত রাখুন। সকালে ঘুম থেকে উঠে পা ধুয়ে ফেলুন।
– ভাল ফল পেতে নিয়মিত ব্যবহার করুন।
৩। ভিনেগার

ভিনেগারে অ্যাসিটিক এসিড আছে যা পায়ের তালু এক্সফলিয়েট করে। এবং পায়ের পাতাকে নরম করে থাকে।
– ১/২ বা ১ কাপ সাদা বা আপেল সাইড ভিনেগার এবং ২ কাপ পানি দিয়ে মিশিয়ে নিন।
– এই মিশ্রণে পা ১০ থেকে ১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন।
– তারপর হালকা হাতে ঘষে নিন।
– পা শুকিয়ে গেলে পেট্রোলিয়াম জেলি বা ময়েশ্চারাইজার দিয়ে দিন।
– এছাড়া চালের গুঁড়া, মধু, ভিনেগার, অলিভ অয়েল মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন।
– পা ভাল করে ধুয়ে এটি দিয়ে কয়েক মিনিট ঘষুন। তারপর কসুমু গরম পানি দিয়ে পা ধুয়ে ফেলুন।
এটি সপ্তাহে দু বার করুন।

ঘরে তৈরি করে ফেলুন নিরাপদ “ভ্যাসেলিন”

http://aviationnews.com.bd/wp-content/uploads/2015/11/DSC_1943.jpg “ইউরোপীয় ইউনিয়নের অনেকে পেট্রোলিয়াম জেলি পণ্য নিষিদ্ধ করেছে, এবং অনেকে বিশেষজ্ঞদের মতে এটি ক্যান্সারের মত রোগের সাথে সংযুক্ত হতে পারে” এমন তথ্য পাওয়া যায়

onegoodthingbyjillee.com থেকে। তাই বাজারের পেট্রোলিয়াম জেলী ব্যবহার না করে ঘরে তৈরি করে নিতে পারেন নন-পেট্রোলিয়াম জেলী বা ভ্যাসলিন। খুব বেশি উপাদানের প্রয়োজন পড়বে না ঘরে ভ্যাসলিন তৈরি করার জন্য। ঘরে ভ্যাসলিন তৈরি করার সহজ নিয়ম পাওয়া যায় onegoodthingbyjillee.com, .littlehouseliving.com এবং adelightfulhome.com এ।

যা যা লাগবে


১/৮ কাপ বিশুদ্ধ মোম কুচি (প্রায় ১ আউন্স)
১/২ কাপ অলিভ অয়েলে
যেভাবে তৈরি করবেন

১। একটি প্যানে মোম এবং অলিভ অয়েল মিশিয়ে অল্প আঁচে জ্বাল দিন।
২। মোম গলে তেলের সাথে মিশে যাবে।
৩। দুইবার বলক আসলে চুলা থেকে নামিয়ে একটি খালি জারে রেখে দিন।
৪। এবার জারটি জানালার পাশে বা অন্য কোন স্থানে রেখে দিন।
৫। জানালার পাশে রাখলে ৩০ মিনিটের মধ্যে দেখবেন জেলী ঘন হয়ে বসে গেছে।
৬। আপনি যদি আরও বেশি ঘন এবং নরম চান তবে এতে অলিভ অয়েলের পরিমাণ বাড়িয়ে দিবেন। দেখবেন ভ্যাসলিন অনেক বেশি নরম হয়েছে। এই নন-পেট্রোলিয়াম জেলী ভ্যাসলিনের মত ব্যবহার করতে পারবেন। এর কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই।