Saturday, November 30, 2013

পেটের চর্বি কমানোর উপায়

পেটের চর্বি ধ্বংসের দাওয়াই

আজকাল পেটে মেদ জমে যাওয়া একটি সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। একটু বয়স হলে অনেকেই এ সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন। তবে অনেকেই আবার এ রোগ নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভুগছেন।
কিন্তু অর্ণব সরকার নামে এক চিকিৎসক বলছেন, এ রোগ নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। কয়েকটি নিয়ম মেনে চললেই পেটের চর্বি ধ্বংস করা সম্ভব।

পেটের চর্বি কমানোর উপায় হিসাবে ডাক্তার অর্ণব নিয়মিত ব্যায়াম উপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেছেন, প্রতিদিন কমপক্ষে ১ ঘন্টা সময় জিমে ব্যয় করলেই মিলবে ফল। এছাড়া কিছু সময় খেলাধুলা বা এখানে সেখানে ছুটাছুটি করে বেড়ালে তো কথাই নেই। তবে অলস সময় কাটানো থেকে বিরত থাকাই ভালো।

ঘুমের ব্যাপারে তিনি বলেছেন, স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য দিনে ৬-৮ ঘন্টা ঘুমানো প্রয়োজন। তবে ৬ ঘন্টার কম ঘুমানো যাবে না। এ ব্যতয় ঘটলে শরীরে চর্বি বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় থাকে।

খাবারের ব্যাপারে তিনি বলেছেন, আপনি চর্বিমুক্ত মাংস, শাকসব্জি এবং কাঁচা বাদাম বেশি করে খাওয়া যেতে পারে। কিন্তু চর্বি বা তেল জাতীয় খাদ্যের পাশাপাশি মিষ্টিজাতীয় খাদ্য পরিহার করাই ভালো।

তিনি আরো বলেন, প্রতিদিন আপনাকে কমপক্ষে ২ লিটার পানি খেতে হবে। তানাহলে আপনি শারীরিকভাবে দূর্বল হয়ে পড়বেন।

আপনি যদি নিয়মিত এসব পরামর্শ মেনে চলেন তাহলে দ্রুত সময়ের মধ্যে আপনার পেটের চর্বি ধ্বংস করা সম্ভব।

কাঁচা টমেটো পাকানো হচ্ছে বিষাক্ত কেমিক্যাল ইথোফেন দিয়ে

রোদে শুকিয়ে ও বিষাক্ত কেমিক্যাল স্প্রে করে কৃত্রিম উপায়ে পাকানো হচ্ছে কাঁচা টমেটো। আর সেই টমেটো পাঠানো হচ্ছে ঢাকাসহ সারা দেশে। চিকিৎসকরা বলছেন, টমেটো পাকাতে ব্যবহৃত ইথোফেনজাতীয় কেমিক্যাল মানুষের শরীরে ধীরে ধীরে কাজ করে। মাত্রাতিরিক্ত ইথোফেন মানবদেহে প্রবেশ করলে ক্যান্সার ও কিডনি নষ্টসহ মৃত্যুর আশংকা রয়েছে।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় চলতি মৌসুমে প্রায় ৪ হাজার হেক্টর জমিতে শীতকালীন হাইব্রিড জাতের টমেটোর চাষ হয়েছে। আর এই বিপুল পরিমাণ জমি থেকে উৎপাদিত টমেটোতে অতিরিক্ত লাভের আশায় কাঁচা টমেটো জমি থেকে তুলে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর রাইপেনজাতীয় ‘ইথোফেন’ নামের এক ধরনের রাসায়নিক কেমিক্যাল মিশিয়ে এবং রোদে শুকিয়ে কৃত্রিম রং ধরিয়ে তা বাজারজাত করেছেন কৃষকরা। যদিও ইথোফেন গ্র“পের কেমিক্যালগুলো বিভিন্ন শাক-সবজির ক্ষেতে বিষ হিসেবে প্রয়োগের কথা। কিন্তু এই ইথোফেনই এখন ব্যবহৃত হচ্ছে কৃত্রিম উপায়ে টমেটো পাকাতে।

রাজশাহীগোদাগাড়ীতে এখন রাইজার-১৫, রাইপেন, ইমিপাস, টমটম, ইডেন, প্রলং ও হারভেস্টসহ বিভিন্ন নামের দেশীয় ইথেফোনের পাশাপাশি ভারতীয় ইথোফেন বিক্রি হচ্ছে ২০০-২৫০ টাকার মধ্যে। কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অপরিপক্ব টমেটো জমি থেকে উত্তোলনের পর রোদে শুকিয়ে ইথোফেন স্প্রে করা হলে দুই-তিন দিনের মধ্যে টমেটোতে লাল রং ধারণ করে। এতে কাঁচা টমেটো অপেক্ষা বেশি দরে বিক্রি হয় কেমিক্যালযুক্ত লাল রংয়ের টমেটো। সূত্র মতে, কেমিক্যালযুক্ত এসব টমেটো এখন পাঠানো হচ্ছে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে। বিষমিশ্রিত এসব টমেটো গোদাগাড়ীর সবচেয়ে বড় দুটি বাজার- রেলগেট-রেলবাজার ও বাসলীতলা এলাকায় বিক্রি হচ্ছে। 
 বর্তমানে কেমিক্যালমুক্ত কাঁচা টমেটো বিক্রি হচ্ছে মণপ্রতি সাড়ে ৭শ-৮শ টাকা পর্যন্ত। অপরদিকে কেমিক্যালযুক্ত কৃত্রিম পাকা টমেটো বিক্রি হচ্ছে মণপ্রতি ১৫শ-১৮শ টাকা পর্যন্ত। এদিকে এখন পর্যন্ত গোদাগাড়ীতে কেমিক্যালযুক্ত টমেটোর বিরুদ্ধে কোনো অভিযান পরিচালনা করা হয়নি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার খালিদ হোসেন বলেন, গোদাগাড়ীর হাজার হাজার টমেটো চাষী কৃত্রিম উপায়ে টমেটোতে রং ধরিয়ে তা বাজারজাত করছে। কাজেই ক’জন কৃষকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব? এদিকে উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর নাসিমা আক্তার বলেন, কয়েক বছর আগে গোদাগাড়ীর কেমিক্যালযুক্ত টমেটো ঢাকায় একটি ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়েছিল। 
পরীক্ষিত নমুনার প্রাপ্ত ফলাফলে কেমিক্যালযুক্ত টমেটোকে মানবদেহের জন্য সহনীয় উল্লেখ করা হয়। সে কারণে কেমিক্যালযুক্ত টমেটোর বিরুদ্ধে কোনো অভিযান পরিচালনা করা হয় না। গোদাগাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. মুহাম্মদ হোসেন আলী বলছেন ভিন্ন কথা। তিনি বলেন, যে কোনো কেমিক্যালই মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। আর ইথোফেন জাতীয় কেমিক্যাল ধীরে ধীরে কাজ করে বলে মানুষ এগুলো বিবেচনা করে না। তবে মাত্রাতিরিক্ত ইথোফেন মানবদেহে প্রবেশ করলে ক্যান্সার ও কিডনি নষ্টসহ মৃত্যুর আশংকা পর্যন্ত রয়েছে।
রাজশাহী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয়ে উদ্ভিদ সংরক্ষণ বিশেষজ্ঞ সিরাজুল ইসলাম বলেন, শুধু পরিপক্ব টমেটোতেই খাদ্য উপাদন পরিমাণ মতো পাওয়া যায়। তিনি বলেন, তাপে ও বাসি হলে টমেটোর ভিটামিন সি নষ্ট হয়ে যায়। এমনিতেই এই কচি টমেটোতে এসব পুষ্টিমান পরিমাণ মতো তৈরি হয় না। তারপর রোদে শুকানো এবং একাধারে পাঁচ-সাতদিন স্তূপ করে রাখার কারণে এতে যে ভিটামিন থাকে তা নষ্ট হয়ে যায়।

Sunday, November 24, 2013

টক দই তৈরি করুন দশ মিনিটে !

ভাবছেন দশ মিনিটে টক দই তৈরি, তাও কি সম্ভব? ছোট্ট একটা কৌশল জানলে খুব সম্ভব!

অনেক বিশেষ খাবার তৈরি করতে আমরা এই টক দই ব্যবহার করে থাকি। কেউ বাজার থেকে কিনে আনেন, কেউ বা বাড়িতেই দই পাতেন। কিন্তু সব সময় কি দই কেনা বা পাতানোর কথা মনে থাকে? মাঝে মাঝে আমরা ভুলে যাই! আর দই পাতালেই তো আর জমে যায় না, কম করে হলেও ১২ ঘণ্টা প্রয়োজন দই জমতে। আজকালকার এই ব্যস্ত জীবনে কার আছে এতটা সময়? কিংবা ধরুন শখের রান্না কিংবা রূপচর্চা করবেন, ফুরিয়ে গেছে টক দইয়ের মজুদ। এরকম সংকটের মুহূর্তে খুব সহজেই আপনি বানিয়ে ফেলতে পারবেন কাজের উপযোগী দই। আর তাও মাত্র দশ মিনিটে। আসুন, জেনে নেই প্রনালী।

উপকরণ-

গুঁড়ো দুধ
গরম পানি
লেবুর রস

প্রনালী-

উষ্ণ গরম পানিতে গুঁড়ো দুধ গুলে নিতে হবে। প্রতি কাপ পানির জন্য প্রয়োজন হবে ৩ চা চামচ গুঁড়ো দুধের। এবার এতে মেশাতে হবে লেবুর রস। প্রতি কাপ পানির জন্য ২ চা চামচ লেবুর রস নিন। এরপর মিশ্রণটি ১০ মিনিট ঢেকে রাখুন। দশ মিনিট পরেই তৈরি হবে জমাট বাঁধা টক দই! এভাবে মাত্র দশ মিনিটেই আপনি তৈরি করে ফেলতে পারবেন দই।
এই দই সাধারণ দইয়ের মতোই ব্যবহার করতে পারবেন রান্নায়, রায়তা বা লাচ্ছি তৈরিতে। কাজে আসবে রূপচর্চাতেও!
- See more at: http://www.priyo.com/2013/11/24/42088.html#sthash.HuHotQst.dpuf

Saturday, November 23, 2013

কেমন পুরুষ পছন্দ করা উচিত?

​কেমন পুরুষ পছন্দ করা উচিত তা নিয়ে অনেক নারীই দ্বিধাগ্রস্ত থাকেন। বিয়ে করার জন্য জীবন সঙ্গী খোঁজা ব্যাপারটা যেন তাদের কাছে অনেকটা অগ্নি পরীক্ষার মত কঠিন। কারণ যে মানুষটির সাথে সারা জীবনের জন্য নিজেকে বেঁধে ফেলছেন সেই মানুষটি ভালো না হলে তো ভোগান্তিতেই কেটে যাবে জীবনটা। আসুন জেনে নেয়া যাক কোন ৫ ধরনের পুরুষদেরকে এড়িয়ে চলাটাই নারীদের জন্য বুদ্ধিমতির কাজ!

ব্যক্তিত্বহীন

নারীরা সব সময়েই ব্যক্তিত্ববান পুরুষদেরকে পছন্দ করে। যে সব পুরুষরা খুবই গায়ে পরা স্বভাবের কিংবা স্ত্রীর বা প্রেমিকার পেছনে পেছনে ঘোরে সারাক্ষণ, তাদের প্রতি খুব সহজেই আগ্রহ চলে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। কথা-বার্তা, কাজ-কর্মে ব্যক্তিত্বের ছাপ নেই যে সব পুরুষদের তাদেরকে এড়িয়ে চলুন। কারণ এ ধরণের পুরুষদের সাথে সংসার জীবন বেশ একঘেয়ে লাগে। সবচাইতে বড় কথা একটি দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে তিনি কখনোই আপনার পাশে এসে দাঁড়াবার সাহস করে উঠতে পারবেন না।

শিশু সুলভ

অনেক পুরুষই শিশুসুলভ আচরণ সম্পন্ন হয়। আচার আচরণ, কাজ কর্মে কিংবা দ্বায়িত্ব নেয়ার ক্ষেত্রে অনেক পুরুষই প্রাপ্ত বয়ষ্কদের মত আচরণ করতে পারেন না। নারীরা পুরো জীবন কাটানোর জন্য একজন দ্বায়িত্বশীল পুরুষের সঙ্গ কামনা করে, সেই পুরুষের কাছে নিরাপত্তা ও সংসার চায়। তাই শিশু সূলভ আচরনের পুরুষদেরকে এড়িয়ে চলাই ভালো।

অতিরিক্ত মা ঘেঁষা

মায়ের প্রতি খুব বেশি নির্ভরশীল পুরুষরা সংসার করার যোগ্য নয়। কারণ তাঁরা সব ব্যাপারেই মায়ের কাছে অনুমতি নেয় এবং স্বামী স্ত্রীর ব্যক্তিগত ব্যাপারেও মায়ের মতামত ছাড়া কোনো কিছু করে না। নিজেদের মধ্যে ঝগড়াঝাঁটি হলেও তাঁরা মায়ের কাছে সব কিছু বলে দেয়। এছাড়াও শুধু মাত্র মায়ের কথায় চলার কারণে ভালো মন্দ বিচারের ক্ষমতা থাকে না এধরণের পুরুষদের। তাই অতিরিক্ত মা ঘেঁষা পুরুষদেরকে এড়িয়ে চলাই ভালো।

প্রযুক্তি পাগল

আপনি বিয়ে করেছেন সংসার করা জন্য। কিন্তু বিয়ের পরে যদি দেখেন যে আপনার স্বামী আপনার বদলে তার স্মার্ট ফোন আর ল্যাপটপ নিয়েই সারাদিন সময় কাটিয়ে দিচ্ছে তাহলে সংসারে অশান্তি হওয়াটাই স্বাভাবিক। সংসারের বদলে মোবাইল কিংবা ফেসবুকে বেশি সময় দিলে দুজনের মনোমালিন্য হবেই।তাই এধরণের সমস্যায় পড়তে না চাইলে অতিরিক্ত প্রযুক্তির নেশাগ্রস্ত পুরুষদেরকে এড়িয়ে চলাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।

অসামাজিক

ভুল করেও অসামাজিক পুরুষদেরকে পছন্দ করা উচিত না। অসামাজিক পুরুষরা আপনাকে আপনার পরিবার, আত্মীয় ও বন্ধুদের থেকে অনেক দূরে সরিয়ে নেবেন। এধরণের পুরুষরা তাদের প্রেমিকা কিংবা স্ত্রীর সাথে হিংসুটে ধরনের আচরণ করে এবং সমাজের থেকে তাঁকে আলাদা করে দেয়ার চেষ্টা করে। বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান কিংবা আড্ডায় তাদেরকে নিয়ে গেলে বেশ লজ্জার সম্মুখীন হতে হয়। তাছাড়া এ ধরণের পুরুষের সাথে সম্পর্কে জড়ালে ধীরে ধীরে আপনাকেও সবাই এড়িয়ে চলা শুরু করবে। তাই অসামাজিক পুরুষদের সাথে সম্পর্কে জড়ানো থেকে বিরত থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ।

  http://bd24live.com/992

ওয়াসার পদ্মা নদীর পানি শোধনাগার:শুরুতেই দুর্নীতির অভিযোগ

এম এ বাবর
সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য ঢাকা ওয়াসার পদ্মা নদীর (জশলদিয়া) পানি শোধনাগার প্রকল্পের কাজের শুরুতেই অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস ভঙ্গ করে ঢাকা ওয়াসা কর্তৃপক্ষ ও সরকারের উচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিদের যোগসাজশে ১০ শতাংশ কমিশনের বিনিময়ে কোনো টেন্ডার ছাড়াই একটি প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে।

ঢাকা ওয়াসা জানায়, পদ্মা নদীর মাওয়া ঘাট পয়েন্ট থেকে পানি এনে তা পরিশোধন করে রাজধানীবাসীর কাছে সরবরাহের জন্য গৃহীত প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা। গত ৮ অক্টোবর একনেকে এটি অনুমোদিত হয়েছে। প্রকল্পের মধ্যে দুই হাজার তিনশ’ কোটি টাকার সংস্থান হবে বিদেশি অর্থায়নে। বাকি এক হাজার দুইশ’ কোটি টাকা জোগান দেবে বাংলাদেশ সরকার।

পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস আইন ২০০৬ ও ২০০৮-এর ৩৩(২) ধারায় বলা আছে, ‘কার্যকর প্রতিযোগিতা নিশ্চিত ব্যতিরেকে কাজ প্রদান এবং কোনো প্রকার টেন্ডার প্রক্রিয়ার বৈধতা কোনো সংস্থার বা মন্ত্রণালয়ের নেই। শতকরা ১০০ ভাগ বিদেশি অর্থায়নও যদি হয় তাহলেও রাষ্ট্র ও জনস্বার্থে তা টেন্ডার প্রক্রিয়া মোতাবেক হতে হবে। বিনা টেন্ডারে কাজ দেয়ার বৈধতা বহন করে না। ২১ দিন সময় দিতে হবে টেন্ডার সাবমিট করার জন্য।’ কিন্তু ওই রুলস লঙ্ঘন করে মন্ত্রণালয় তাদের পছন্দের প্রতিষ্ঠানকে কাজ দিয়েছে। আর একনেকে অনুমোদন করিয়েই তড়িঘড়ি ক্রয় সংক্রান্ত কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছে। 
Photo: http://manobkantha.com/2013/11/23/148081.html
 
নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, টেন্ডার ছাড়াই পদ্মা (জশলদিয়া) পানি শোধনাগার নির্মাণ প্রকল্পের কাজ দেয়া হয়েছে সরকারের পছন্দের এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘চায়না সিএএমসি ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেডকে। ১৪ নভেম্বর মন্ত্রণালয়ে প্রকল্পের কাজ শুরুর জন্য ক্রয় সংক্রান্ত কার্যক্রমও অনুমোদিত হয়েছে। এদিকে মন্ত্রণালয় এখন পর্যন্ত কোনো বাংলাদেশি স্থানীয় পরামর্শক নিয়োগ না করেই কার্যক্রম শুরু করেছে। আর এ কাজে সুবিধাভোগীদের মধ্য রয়েছেন একজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীসহ মন্ত্রণালয় এবং ঢাকা ওয়াসার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এদিকে, বিনা টেন্ডারে কাজ দেয়া এবং স্থানীয় পরামর্শক নিয়োগ না দিয়ে কিভাবে কোন আইনে ক্রয় সংক্রান্ত মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে, এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাব দিতে পারেননি সংশ্লিষ্ট কোনো কর্মকর্তা। তবে ওয়াসার একজন কর্মকর্তা জানান, প্রকল্পটি একনেকে উপস্থাপনের আগে অর্থ সংক্রান্ত বিষয়ে অনিয়ম ঘটেছে দাবি করে ডিও লেটার দিয়ে এলজিআরডি মন্ত্রী ফাইল তলব করেন। পরে আবার তা ফেরত পাঠান তিনি। তার হস্তক্ষেপে একনেকে ওই প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে।

ঢাকা ওয়াসার প্ল্যানিংয়ের ডেপুটি চিফ ইঞ্জিনিয়ার আবদুল কাদের বলেন, ‘মন্ত্রী ডিও লেটার দিয়েছেন, অনিয়ম হয়েছে এ ধরনের সংবাদ তার (মন্ত্রীর) কাছে যাওয়ায়, তিনি তা খতিয়ে দেখার জন্য ডিও লেটার দিয়ে ফাইল তলব করেছেন।’ তবে কী ধরনের অনিয়ম হয়েছে তা নিয়ে কিছু বলতে রাজি হননি এ কর্মকর্তা। প্রকল্প পরিচালক রশীদ সিদ্দিকী বলেন, অনেক দিন ধরে এ কাজটি ঝুলে আছে। তাই কাজটি যাতে হয় সে জন্য পছন্দের প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দেয়ার শর্তেই চায়না কোম্পানির সঙ্গে এ ঋণচুক্তিটি হয়েছে। তবে টেন্ডার আহ্বানের ব্যাপারে আমরা বলেছিলাম। কিন্তু সরকার যেমনটা চেয়েছে তেমনভাবেই হয়েছে।
http://manobkantha.com/2013/11/23/148081.html

নকল প্রসাধনীর উৎপাদন বিপণন চলছেই

সফল হচ্ছে না ভেজালবিরোধী অভিযান :
এম এ বাবর 
ভেজাল ও নিুমানের প্রসাধনী পণ্য বিক্রি এখন আর ফুটপাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এসব পণ্য এখন পাইকারি বাজার হয়ে চলে যাচ্ছে দেশের বড় বড় মার্কেটের দোকানে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব নকল-ভেজাল পণ্য ব্যবহারে চর্মরোগসহ ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে। 
 
নকল শ্যাম্পু তৈরিতে গার্মেন্টস শিল্পে ব্যবহার হওয়া তরল সাবানের সঙ্গে রং ও ঘ্রাণ ব্যবহার করা হয়। ল্যাক্সিবেট স্পিরিটে হুবহু রং ও ঘ্রাণ মিলিয়ে পুরনো বডি স্প্রে ও পারফিউমের (সেন্ট) কনটেইনারের মুখে সিরিঞ্জ দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করানো হয়। স্প্রে হওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয় গ্যাসলাইটের গ্যাস। এভাবে সব ধরনের নামি ব্র্যান্ডের পণ্য নকল করে চকবাজার পাইকারি দোকান হয়ে রাজধানীর বিভিন্ন মার্কেটে চলে যায়। এরা খুব নিখুঁতভাবে পণ্যের হুবহু হলোগ্রাম, স্টিকার ও বিএসটিআইয়ের সিলসহ মোড়ক তৈরি করেন। যার ফলে ক্রেতার পক্ষে আসল-নকল যাচাই কঠিন হয়ে পড়ে। প্রসাধনী কিনতে গিয়ে প্রতারিত হওয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। বেশির ভাগ ক্রেতাই প্রতারিত হচ্ছেন ফুটপাতের দোকান থেকে প্রসাধনী সামগ্রী সংগ্রহ করে। আবার কিছু বিক্রেতা ক্রেতা বুঝে অনেক পণ্যের মধ্যে এক-দুইটি ভেজাল পণ্য কৌশলে বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এভাবে বিক্রেতা লাভবান হচ্ছেন ভেজাল পণ্য আসল পণ্যের দামে বিক্রি করে। এদিকে ক্রেতা পছন্দের আসল পণ্যটি সংগ্রহ করতে গিয়ে প্রতারিত হয়ে আস্থা হারাচ্ছেন তার নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের পণ্যের ওপরে।
Photo: http://manobkantha.com/2013/11/22/index.html 
http://www.emanobkantha.com/2013/11/22/

র‌্যাবের ভেজালবিরোধী অভিযান পরিচালনা টিম সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর দোকান ও ফুটপাত দেশি-বিদেশি নামি ব্র্যান্ডের শ্যাম্পু, সাবান, লোশন, তেল, সেভিং ক্রিম, পারফিউম, নেল পলিশসহ বিভিন্ন ভেজাল পণ্যে ছেয়ে গেছে। তাদের বিভিন্ন অভিযানের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে, ৩-৪ ধাপে এসব ভেজাল পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করা হয়। একশ্রেণীর ফেরিওয়ালা রাজধানীর অভিজাত এলাকায় ঘুরে ঘুরে ব্যবহৃত পণ্যের টিউব বা কনটেইনার সংগ্রহ করেন। এদের কাছ থেকে চলে যায় রাজধানীর বেগম বাজার, লালবাগ ও চকবাজারে ভাঙাড়ির পাইকার দোকানে। ভাঙাড়ির পাইকার বিক্রেতা ব্র্যান্ড অনুযায়ী কনটেইনার ও টিউব পৃথক করে বস্তাবন্দি করে রাখেন। ভেজাল পণ্য উৎপাদনকারীরা এসব দোকান থেকে টিউব ও কনটেইনার সংগ্রহ করেন। আবার অনেক সময় তারা হকারের কাছ থেকেও তা সংগ্রহ করে থাকেন। এরা ওই কনটেইনার বা টিউবের বাইরে দিকটি খুব ভালোভাবে পরিষ্কার করে পণ্যের রং ও ঘ্রাণ হুবহু মিলিয়ে মোড়কজাত করে নিজেদের প্রতিনিধির মাধ্যমে বাজারজাত করেন।

র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফরহাদ হোসেন জানান, তাদের পরিচালনায় ভেজালবিরোধী অভিযানে যেসব প্রসাধনী পণ্যে বেশি ভেজাল পাওয়া গেছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- প্যান্টিন ও সানসিল্কসহ বিভিন্ন দেশি বিদেশি ব্র্যান্ডের শ্যাম্পু, সাবান, ফেয়ার অ্যান্ড লাভলী, মহারানী øো, গার্নিয়ার, ডাভ, জনসন ব্র্যান্ডের পণ্য, বডি লোশন, সেভিং ক্রিম ও নেল পালিশ। 
তিনি বলেন, বারবার অভিযান চালিয়েও ভেজাল পণ্য উৎপাদন প্রতিরোধ নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না। চকবাজারের একটি মার্কেটের কয়েকটি দোকানে বারবার অভিযান চালিয়ে জেল-জরিমানা করেও সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। এরা জরিমানা দিয়ে পুনরায় আবার ভেজাল পণ্যের ব্যবসা শুরু করেন। আবার কিছু ব্যবসায়ী অভিযান থেকে রক্ষা পেতে তাদের ব্যবসার কৌশল পরিবর্তন করছেন। ভেজাল পণ্যের ব্যাপারে জনসাধারণকে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। 
রসায়নবিদ নজরুল ইসলাম বলেন সাবান, শ্যাম্পু, পেস্ট ও øোতে ব্যবহার হওয়া সোডিয়াম লরাইল ইথার সালফেট, সোডিয়াম পালমিটেট, ডাইমেথিকোন, ফ্রেগরেন্স টিটেনিয়াম ডাই অক্সাইড, অ্যালকোহল, ওয়ার হাইড্রোক্স প্রোপাইল, ট্রাইমনিয়াম ক্লোরাইড, ইথাইল, হেক্সাইল মেথোক্সি সিনামেট, জিংক, ক্যাটিওনিক, টাইটেনিয়াম-ডাই-অক্সাইড, টেকোপার্ল এসিটেট, পটাশিয়াম স্টিয়ারেট, সেট্রিমাইড, পটাশিয়াম স্টিয়েরেট,  সেট্রিমাইড ক্যালসিয়াম কার্বোনেট ইত্যাদি রসায়ন সামগ্রী। এগুলো সঠিক মানে ও শোধন না করে ব্যবহার করলে স্ক্রীনে মারাত্মক রোগ দেখা দিতে পারে।
চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এমইউ কবির চৌধুরী জানান, মেয়াদ উত্তীর্ণ, ভেজাল ও নিুমানের প্রসাধনী পণ্য ব্যবহারে চুলকানি, একজিমাসহ বিভিন্ন রকমের চর্মরোগ দেখা দেয়। এমনকি এসব সামগ্রী দীর্ঘদিন ব্যাবহার করলে ক্যান্সারের মতো ভয়াবহ রোগও হতে পারে।
http://manobkantha.com/2013/11/22/147940.html

গুঁড়া হলুদ বিক্রি নিষিদ্ধের পর প্রাণের মসলা ক্রয়ে ধন্দে ক্রেতারা

এম এ বাবর 
বিষাক্ত গুঁড়া হলুদ বিপণন করে বিপাকে পড়েছে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ। সম্প্রতি বাজার
থেকে সংগ্রহ করা প্রাণের গুঁড়া হলুদ পরীক্ষা করে দেশে পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ স্টান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউট (বিএসটিআই) ৪০ পিপিএম (পার্টস পার মিলিয়ন) থেকে ৫৮ পিপিএম মাত্রায় সিসা পায়, যা মানব দেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। পরে গত সপ্তাহে প্রাণের প্যাকেটজাত গুঁড়া হলুদের লাইসেন্স স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয় বিএসটিআই। এ লাইসেন্সে আর প্যাকেটজাত গুঁড়া হলুদ বিপণন করতে পারবে না প্রাণ।
Photo: http://manobkantha.com/2013/11/21/147817.html
 
এদিকে প্রাণের প্যাকেটজাত গুঁড়া হলুদে সিসা পাওয়ার পর থেকে দেশের বাজারগুলোতে প্রাণের পণ্য কিনতে ধন্দে পড়েছেন ক্রেতারা। ব্যবসায়ীদের  সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, বাজার থেকে প্রাণ হলুদ সরিয়ে নিলেও, বিশেষ করে রান্নার কাজে ব্যবহার্য প্রাণের প্যাকেটজাত গুঁড়া মরিচ, গুঁড়া জিরা, গুঁড়া মসলা কিনতে চাইছেন না বেশিরভাগ ক্রেতা। বিক্রেতারা বলছেন, প্রাণের এসব পণ্য আসলেই ভালো মানসম্পন্ন কি-না ক্রেতাদের আমরা আস্থার সঙ্গে তাও বলতে পারছি না। ফলে বিক্রি কমে যাওয়ায় বেশিরভাগ দোকানেই প্রাণের প্যাকেটজাত গুঁড়া পণ্য স্টক হয়ে আছে।   

দক্ষিণ বারিধারা রাজউক কাঁচাবাজারের কবির জেনারেল স্টোরের মালিক কবির হোসেন বলেন, ‘ক্রেতাদের চাহিদার ওপরে ভিত্তি করেই আমরা মাল রাখি। কিন্তু প্রাণের গুঁড়া হলুদে বিষাক্ত সিসা পাওয়ার কারণে ক্রেতারা প্রাণের প্যাকেটজাত গুঁড়া কোনো ধরনের মসলাই কিনতে চাইছেন না। এমনকি ভেজাল সন্দেহে প্রাণের সরিষার তেলও বিক্রি হচ্ছে না। আর কোম্পানির ডিলাররাও হলুদ ছাড়া অন্য মাল ফেরত নিচ্ছে না। ফলে আমাদের প্রত্যেকের দোকানেই প্রচুর মাল আটকে আছে, যা ব্যবসার মূলধনের ওপরে চাপ সৃষ্টি করেছে।’ 
 
গৃহিণী শান্তা আকরাম বলেন, ‘প্রাণ একটি নামকরা বড় কোম্পানি বলে জানি। ভারতের বাজারেও প্রাণের অনেক পণ্য বিক্রি হতে দেখেছি। কিন্তু যে প্রতিষ্ঠান প্রচার-প্রচারণা করে মানুষের বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে, অতি মুনাফা অর্জনের জন্য ভেজাল ও বিষাক্ত পণ্য বিক্রি-বিপণন করে তাদের পণ্য আমি বর্জন করেছি। জেনেশুনে বিষ খেতে চাই না।’
 
এ ব্যাপার বিএসটিআইর উপপরিচালক (প্রশাসন) তাহের জামিল বলেন, দেশের লোকাল মার্কেটের জন্য মানসম্পন্ন পণ্য বাজারজাত করার জন্য নির্দিষ্ট সময়ের জন্য লাইসেন্স দেয় বিএসটিআই। বিদেশের রফতানির জন্য আলাদা অনুমোদন নিতে হয় না। তবে বিএসটিআইর অনুমোদনপ্রাপ্ত পণ্য বিদেশে রফতানির বিষয়টি দেখবে রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান। প্রাণের গুঁড়া হলুদের ক্ষেত্রে যখন বিদেশ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেল আমরা তাৎক্ষণিকভাবে বাংলাদেশে বিএসটিআইর জেলা অফিসগুলো থেকে প্রাণসহ অন্যান্য কোম্পানির গুঁড়া হলুদ সংগ্রহ করে ল্যাবে পরীক্ষা করেছি। এতে শুধু প্রাণের হলুদেই বিভিন্ন মাত্রায় সিসা পাওয়া গেছে। এরপর প্রাণকে চিঠি দেয়া হয়। চিঠি পেয়ে প্রাণ কর্তৃপক্ষ তাদের প্যাকেটজাত গুঁড়া হলুদে মাত্রাতিরিক্ত সিসার অস্তিত্বের বিষয়টি মেনে নেয়। পরে প্রাণ বিএসটিআইকে জানায় বাজার থেকে প্যাকেটজাত সব গুঁড়া হলুদ তুলে নেয়া হবে। 
 
তিনি বলেন, আমরা ৫ হাজার প্যাকেট পণ্যের প্যাকেটজাত গুঁড়া হলুদ জব্দ করে ডাম্পিং স্টেশনে নিয়ে যাচ্ছি। ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতে এগুলো ধ্বংস করা হবে। এ ছাড়া বিএসটিআই কর্তৃপক্ষ প্রাণের গুঁড়া হলুদের লাইসেন্স স্থগিত (বাতিল) করার ফলে এখন থেকে আর প্যাকেটজাত গুঁড়া হলুদ বাজারজাত করতে পারবে না প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ। মানসম্পন্ন গুঁড়া হলুদ উৎপাদন করতে সক্ষম হলে, বিএসটিআইর সব ধরনের পরীক্ষায় তা মানসম্পন্ন প্রমাণ হলে পরেই যাচাই-বাছাই শেষে নতুন করে হলুদ বাজারজাত করে লাইসেন্সে পেতে পারে। আগের লাইসেন্সে প্রাণ গুঁড়া হলুদ বাজারজাত করতে পারবে না।  

প্রাণ গ্রুপের মিডিয়া প্রধান সুজন মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের ল্যাবে হলুদের কোনো সমস্যা পাচ্ছি না। তবে বিএসটিআইর নির্দেশে বাজার থেকে আমরা সব গুঁড়া হলুদই তুলে নিয়েছি। বিএসটিআইর নিয়ম অনুযায়ী আগামীতে মানসম্পন্ন হলুদ উৎপাদন করতে পারলেই পুনরায় প্রাণ গুঁড়া হলুদ বাজারজাত করা হবে।’ 

যে কারণে বেশী বয়সের নারীর প্রতি আকৃষ্ট হয় তরুণরা

লক্ষ লক্ষ অবিবাহিত ও সুন্দরী তরুণী বিস্মিত হন এই ভেবে যে কেন ছেলেরা তাদের চেয়ে বেশী বয়সের নারীদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়।
দিন দিন এই ধরনের সম্পর্কের মাত্রা বেড়েই চলেছে। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। বেশী বয়সের নারীর মধ্যে শারীরিক ও চারিত্রিক বহু আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট আছে। আর এগুলো তারা সুন্দরভাবে মেলেও ধরতে পারেন। ছেলেরা এই লুকায়িত সৌন্দর্যই খুঁজে বেড়ায় এবং এতে মুগ্ধ হয়। সবচেয়ে বড় কথা সুন্দরী, অবিবাহিত তরুণীরা যত আকর্ষণীয় হোক না কেন একজন মধ্যবয়স্ক নারীর পূর্ণতার কাছে অনেক ক্ষেত্রেই আনাড়ি তারা। নিষিদ্ধের প্রতি তরুণদের এ আকর্ষণ চিরন্তন।
এখন অনেক ছেলে মধ্যবয়স্ক নারীকে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষায় অনেকটাই উন্মুখ। এ ব্যাপারটা প্রকাশেও তারা কোন রাখঢাক রাখছে না। এই হার ক্রমশই বেড়ে চলেছে। কিন্তু কেন? বিশেষজ্ঞরা কিছু কারণ খুজেঁ বের করেছেন। 
আত্মবিশ্বাস
একজন মধ্যবয়স্ক নারী এটা ভালো করেই উপলব্ধি করতে পারেন যে তারা অন্যদের চেয়ে আলাদা। তিনি নিজের সম্পর্কে ভালোভাবেই জানেন। আর তাই তার ভেতরটা আত্মবিশ্বাসে পরিপূর্ণ থাকে। এই ভারসাম্য ও আত্মপ্রত্যয়ী মনোভাবই তাকে ভেতর থেকে তীব্র আবেদনময়ী ও আকর্ষণীয় করে তোলে। আত্মবিশ্বাসী নারীরাই পুরুষের কাছে কাম্য। আত্মবিশ্বাসী নারীরা ছকবাঁধা নিয়মে চলতে পছন্দ করে, তারা নিজের জগতে কখনও সন্ত্রস্ত হয় না।

নারীর এই দৃঢ় রূপ ও আবেদনময়ী চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যে ছেলেরা মুগ্ধ হয়। তাই
ক্রমশ: পুরুষ একজন মধ্যবয়স্ক নারীর প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠে। এই ধরনের নারীর সাথে সময় ব্যয় করা করা খুবই সহজ, তার চাওয়া থাকে খুব কম। তার সঙ্গ উপভোগ্য এবং জীবন সম্পর্কে টলটলে জলের মত স্বচ্ছ ধারনা রয়েছে তার। তাদের আত্মবিশ্বাস পুরুষের মাঝে সঞ্চারিত হয় কম নাটকীয়তা ও অবাধ আনন্দের সাথে।
pp

দায়িত্বশীলতা
একজন মধ্যবয়স্ক নারী নিজেকে গড়ে তোলার জন্য যথেষ্ট পরিশ্রম করেন। নিজে কী চান সেটা তারা ভালো করেই জানেন তাই তাদের লক্ষ্য স্থির ও স্বচ্ছ থাকে। মধ্যবয়স্ক নারীই পারে একজন মানুষকে জীবনের আঁকাবাঁকা পথ চেনাতে, আস্থা তৈরি করতে, ওপরে উঠার প্রবল ইচ্ছাশক্তি তৈরি করতে এমনকি প্রবল আত্মসম্মানবোধ তৈরি করতে। জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি একটি মানুষকে কল্পনার জগতে ভেসে বেড়াতে নয়, জীবনের অমোঘ বাস্তবতা শেখাতে পারেন। এটি একজন তরুণের কাছে নির্ভরতার জায়গা।স্বাধীনতা

সাধারণত অধিকাংশ মধ্যবয়স্ক নারী কোন ভনিতা ছাড়াই পুরোপুরি খুশি থাকে। একজন পুরুষকে তার আবশ্যিক করে তোলার কোন দরকার পড়ে না। তিনি কখনোই তার ওপর নির্ভর করেন না, এমনকি তার নিজের ডিনার অথবা কফির বিল নিজেই দেয়ার মানসিকতা রাখেন।

আপনি কি কোন জটিল মানসিক গেম আপনার প্রিয়জনের সাথে খেলতে পারবেন? ভালো করে চিন্তা করে দেখুন। মধ্যবয়স্কা নারীরা কখনোই কোন গেম খেলতে যান না কারন তাঁরা ভালো করে জানেন তাঁদের কী প্রয়োজন। মানসিক এবং আর্থিক স্বাধীনতা একটি মানুষের জীবনের গুরুত্বপুর্ণ অর্জন।

সততা
একজন মধ্যবয়স্ক নারী পুরুষকে বিশ্বাস এবং সততার স্তরগুলো ভালোভাবে শিখিয়ে নিতে পারেন। প্রেম, ভালোবাসা, বিয়ে যে কোনো ধরনের সম্পর্কেই শ্রদ্ধা একটি গুরুত্ত্বপূর্ণ ব্যাপার। মধ্যবয়স্ক নারী তার দৈনন্দিন জীবনে অত্যন্ত দক্ষতার পরিচয় দেন। তার মধ্যে সততা, বিশ্বাস এবং শ্রদ্ধাবোধ প্রবল থাকে। একজন মধ্যবয়স্ক নারী কখনোই একাধিক পুরুষের প্রতি কামনা রাখেন না। যে পুরুষটি অন্য একাধিক নারীদের সাথে ডেট করছে তার প্রতি এ নারীরা কখনোই আগ্রহ প্রকাশ করেন না।

অভিজ্ঞতা
একজন মধ্যবয়স্ক নারী জীবনে একাধিক সম্পর্কে জড়িয়েছেন তাই তার অভিজ্ঞতাও অনেক। জীবনের ছোটখাট সবধরনের সম্পর্কের অভিনয় তিনি নিখুঁতভাবে বিবেচনা করতে পারেন । এটা কীভাবে সমাধান করা যায় যায় সেটাও তিনি ভালো জানেন। মধ্যবয়স্ক নারী যথাসময়ে আবেগী হয়ে ওঠেন এবং পুরুষটির সাথে সত্যিকার গাঢ় সম্পর্ক স্থাপন করার চেষ্টা করেন। তিনি প্রিয় মানুষটির কাছে নিজেকে এমন ভাবে মেলে ধরেন যাতে সেই মানুষটি তাকে সহজভাবে পড়তে পারে। ফলে তিনি একজন ভালো মানুষ, একজন ভালো বন্ধু, এমনকি দীর্ঘ চলার পথে ভালো একজন সঙ্গী হতে পারেন।

পারস্পরিক বোঝাপড়া
একে অপরের মধ্যে যদি বোঝাপড়া ভালো না হয় তাহলে সম্পর্কের শুরুতেই হোঁচট খেতে হয়। তীব্র আগ্রহ মুখ থুবড়ে পড়ে। সম্পর্কের মধ্যে বোঝাপড়াটা খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। অর্থময় বোঝপড়া সম্পর্ককে আনন্দময় করে তোলে। আর এটা গড়ে ওঠে মধ্যবয়স্ক নারীর জীবনের অভিজ্ঞতা শেয়ারের মাধ্যমে। পারস্পরিক কথোপকথন জীবনের গল্পকে থামিয়ে দিবে না, বরং জীবনের গতিকে বাড়িয়ে দেবে। পরস্পরকে ভালো করে বুঝে ওঠার পথ তৈরি করে দেবে। যে পুরুষটি শুধু সেক্স এবং একটু মুগ্ধতার চোখে তাকানোর জন্য অপেক্ষা করতো সেই পুরুষটির মধ্যেও এই নারীর প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জেগে ওঠে।

নিবিড় যৌন সম্পর্কবিছানায় একজন মধ্যবয়স্ক নারী যথেষ্ট অভিজ্ঞ, সে তার চরম মুহূর্তের চাওয়া পুরুষটিকে বলতে দ্বিধা করে না। তৃপ্তিময় যৌনতায় তিনি সব ধরনের অনিরাপদ ভীতিকর ব্যাপারগুলোর উর্ধ্বে থাকেন। এই খোলামেলা সততাই দুজনকে সুখের চরম পর্যায়ে নিয়ে যায়। আমরা যদি কাউকে `সেক্সুয়ালি স্যাটিসফাইড` বলি সেটা অবিশ্বাস্যভাবে সেই ব্যক্তিকে আত্মবিশ্বাসী ও ভেতর থেকে সতেজ করে তোলে। মধ্যবয়স্ক নারীর এই ধরনের গুনাবলী একজন পুরুষকে সহজেই সন্তুষ্ট করে। অন্যান্য বড় কারণ ছাড়াও এই কারণে মধ্যবয়স্ক নারীর প্রতি পুরুষেরা বেশি আকৃষ্ট হয়। এ নারীরা বিছানায় অত্যাধিক প্লেফুল, রোমাঞ্চকর হন। পুরুষটির মাঝে নিজেকে উৎসর্গ করে দিতে পারেন।

মধ্যবয়স্ক নারীর মধ্যে এমন কিছু বৈশিষ্ট্য থাকে যা তাকে তার সঙ্গীর সাথে গভীরভাবে যুক্ত করে। এখন পুরো ব্যাপারটাই সেইসব পুরুষদের হাতে যারা উদারমনষ্ক, আত্মবিশ্বাসী, আবেদনময়ী এবং স্বনির্ভরশীল নারীদের নিকট হতে শিখতে দ্বিধাবোধ করে না।

বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভ ডট কম/সজিব/স.স. ১০:০০ এএম
- See more at: http://bd24live.com/992/