‘মেদ ঝরাও! ভুড়ি কমাও!’। আর মেদ ঝরানো মানেই কঠিন সব ব্যায়ামকে করে নিতে হবে নিত্যসঙ্গী। ঘাম ঝরাতে গিয়ে জীবনটাই না ঝরে যায়। কিন্তু একটু চোখ কান খোলা রাখলেই বেরিয়ে আসবে সরল সমাধান। খাবার ছেড়ে দিয়ে নয়, চাইলে খেয়েও কমানো যায় মেদ! কী খাবেন? সন্দেশ দিচ্ছে ৬টি মেদ ঝরানো খাবারের তালিকা।
::লাল মরিচ::
কিছু খাওয়ার পর সেটাকে হজম করতে শরীরকে যদি বাড়তি ক্যালরি খরচ করতে হয়, তবে ওই খাবারটাকে বলে থার্মোজেনিক ফুড। আর এই তালিকায় সবার আগে আছে লাল মরিচ। বাঙালি খাবারে গুড়ো মরিচ আবশ্যিক হলেও পশ্চিমে এর চল কম। তবে গবেষণাটা হয়েছে সেখানেই। অক্সফোর্ড ব্র“কস ইউনিভার্সিটির গবেষকরা বের করেছেন খাবারে বাড়তি গুড়ো মরিচ যোগ করা হলে সেটা থার্মোজেনেসিস প্রক্রিয়া ত্বরাণ্বিত করে। গলে যায় বাড়তি মেদ। এর বাইরে লাল মরিচের ঝাল বাড়িয়ে দেবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও কাজ করে প্রাকৃতিক ব্যথানাশক হিসেবে। হৃদরোগেও উপকারি ভূমিকা রাখে এ মসলা।
::কালো গোলমরিচ::
কিং অব স্পাইস খ্যাত গোলমরিচে আছে পিপারিন। জার্নাল অব অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড ফুড কেমিস্ট্রির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চর্বির কোষ তৈরিতে বাধা দেয় পিপারিন। এ ছাড়া, এটি শ্বসন প্রক্রিয়ার গতিও বাড়ায়। গ্যাস্ট্রো-ইনটেস্টিনাল ও প্রদাহের জন্যেও উপকারী। এছাড়া, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, হজম ও ক্ষতিকর অণুজীব নিধনেও সমান ভূমিকা রাখে গোলমরিচ।
::দারুচিনি::
দারুচিনির সুঘ্রাণটা আসে সিনামোলডিহাইড নামের একটি উপকরণ থেকে। জার্নাল অব ক্রিটিক্যাল রিভিউ অ্যান্ড ফুড সায়েন্সের গবেষণায় দেখা গেছে রক্তে সুগার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে ওই উপাদানটি। অনেকটা ইনসুলিনের মতোই কাজ করে। আর সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকলে ওজন কমানোটাও সহজ হয়ে যায়। তবে এর জন্য দিনে অন্তত তিন গ্রাম দারুচিনি খাওয়া জরুরি। এছাড়া, কোলেস্টেরল কমানো ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও দারুচিনি উপকারী। তবে অতিরিক্ত খেলে হিতে বিপরীতই হবে।
::সবুজ চা::
সবুজ চায়ের নানান উপকার অনেক আগ থেকেই প্রমাণিত। তবে ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ড মেডিক্যাল সেন্টার কদিন আগে গবেষণায় দেখেছে গ্রিন টি শ্বসনের গতি বাড়িয়ে চর্বিও কমিয়ে দিতে পারে। আর কাণ্ডটা ঘটায় গ্রিন টিতে থাকা ক্যাটাচিন নামের পদার্থটি।
::লেটুস::
লেটুস যত খুশি খান। ওজন এক আউন্সও বাড়বে না। আমেরিকান জার্নাল অব এপিডেমিওলোজিতে বলা হয়েছে ফাইবার সমৃদ্ধ লেটুস মেদের বিরুদ্ধে কার্যকর এক যোদ্ধা। এর বাইরে এটি ফোলেট, বিটা-ক্যারোটিন, ভিটামিন সি ও পটাশিয়াম সমৃদ্ধ।
::ডিমের সাদা অংশ::
ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব ওবেসিটির এক জরিপে দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন সকালে দুটো ডিমের সাদা অংশ দিয়ে নাস্তা সেরেছে, তাদের চর্বি কমেছে অন্যদের তুলনায় ৩৪ শতাংশ বেশি। কারণ, ডিমের সাদা অংশ উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার। তাই এটা খাওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যেই হজম প্রক্রিয়ার গতি ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়। আর হাই-প্রোটিন খাবার এমনিতেই চর্বি গলিয়ে দেয়। খানিকটা চিন্তার বিষয় হলো, ডিমের সাদা অংশে সোডিয়ামের পরিমাণ খানিকটা বেশি। তাই বেশি বেশি খাওয়ার আগে পুষ্টিবিদের পরামর্শ জরুরি।
::লাল মরিচ::
কিছু খাওয়ার পর সেটাকে হজম করতে শরীরকে যদি বাড়তি ক্যালরি খরচ করতে হয়, তবে ওই খাবারটাকে বলে থার্মোজেনিক ফুড। আর এই তালিকায় সবার আগে আছে লাল মরিচ। বাঙালি খাবারে গুড়ো মরিচ আবশ্যিক হলেও পশ্চিমে এর চল কম। তবে গবেষণাটা হয়েছে সেখানেই। অক্সফোর্ড ব্র“কস ইউনিভার্সিটির গবেষকরা বের করেছেন খাবারে বাড়তি গুড়ো মরিচ যোগ করা হলে সেটা থার্মোজেনেসিস প্রক্রিয়া ত্বরাণ্বিত করে। গলে যায় বাড়তি মেদ। এর বাইরে লাল মরিচের ঝাল বাড়িয়ে দেবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও কাজ করে প্রাকৃতিক ব্যথানাশক হিসেবে। হৃদরোগেও উপকারি ভূমিকা রাখে এ মসলা।
কিং অব স্পাইস খ্যাত গোলমরিচে আছে পিপারিন। জার্নাল অব অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড ফুড কেমিস্ট্রির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চর্বির কোষ তৈরিতে বাধা দেয় পিপারিন। এ ছাড়া, এটি শ্বসন প্রক্রিয়ার গতিও বাড়ায়। গ্যাস্ট্রো-ইনটেস্টিনাল ও প্রদাহের জন্যেও উপকারী। এছাড়া, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, হজম ও ক্ষতিকর অণুজীব নিধনেও সমান ভূমিকা রাখে গোলমরিচ।
::দারুচিনি::
দারুচিনির সুঘ্রাণটা আসে সিনামোলডিহাইড নামের একটি উপকরণ থেকে। জার্নাল অব ক্রিটিক্যাল রিভিউ অ্যান্ড ফুড সায়েন্সের গবেষণায় দেখা গেছে রক্তে সুগার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে ওই উপাদানটি। অনেকটা ইনসুলিনের মতোই কাজ করে। আর সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকলে ওজন কমানোটাও সহজ হয়ে যায়। তবে এর জন্য দিনে অন্তত তিন গ্রাম দারুচিনি খাওয়া জরুরি। এছাড়া, কোলেস্টেরল কমানো ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও দারুচিনি উপকারী। তবে অতিরিক্ত খেলে হিতে বিপরীতই হবে।
::সবুজ চা::
সবুজ চায়ের নানান উপকার অনেক আগ থেকেই প্রমাণিত। তবে ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ড মেডিক্যাল সেন্টার কদিন আগে গবেষণায় দেখেছে গ্রিন টি শ্বসনের গতি বাড়িয়ে চর্বিও কমিয়ে দিতে পারে। আর কাণ্ডটা ঘটায় গ্রিন টিতে থাকা ক্যাটাচিন নামের পদার্থটি।
::লেটুস::
লেটুস যত খুশি খান। ওজন এক আউন্সও বাড়বে না। আমেরিকান জার্নাল অব এপিডেমিওলোজিতে বলা হয়েছে ফাইবার সমৃদ্ধ লেটুস মেদের বিরুদ্ধে কার্যকর এক যোদ্ধা। এর বাইরে এটি ফোলেট, বিটা-ক্যারোটিন, ভিটামিন সি ও পটাশিয়াম সমৃদ্ধ।
::ডিমের সাদা অংশ::
ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব ওবেসিটির এক জরিপে দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন সকালে দুটো ডিমের সাদা অংশ দিয়ে নাস্তা সেরেছে, তাদের চর্বি কমেছে অন্যদের তুলনায় ৩৪ শতাংশ বেশি। কারণ, ডিমের সাদা অংশ উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার। তাই এটা খাওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যেই হজম প্রক্রিয়ার গতি ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়। আর হাই-প্রোটিন খাবার এমনিতেই চর্বি গলিয়ে দেয়। খানিকটা চিন্তার বিষয় হলো, ডিমের সাদা অংশে সোডিয়ামের পরিমাণ খানিকটা বেশি। তাই বেশি বেশি খাওয়ার আগে পুষ্টিবিদের পরামর্শ জরুরি।
No comments:
Post a Comment