Friday, July 31, 2015

বাংলাদেশ_পরিচিতি

**বাংলাদেশ_পরিচিতি**
1.রাজধানী -- ঢাকা
2.বিভাগ --- 7 টি
3.মেট্রোপলিটন-- 7 টি
4.জেলা -- 65 টি
5.উপজেলা--- 487 টি
6.পুলিশ থানা--- 635 টি
7.নৌ থানা --- 4 টি
8.রেলওয়ে থানা -- 21 টি
9.ইউনিয়ন -- 4,562 টি
10.গ্রাম --- 87,191 টি
11.মহল্লা -- 6,016 টি
12.মৌজা -- 59,990 টি
13.মুদ্রা --- টাকা
14.সিটি কপোরেশন-- 11
টি
15.পৌরসভা -- 317 টি
16.মাতৃভাষা --- বাংলা
17.দূতাবাস -- 48 টি
18.রেলস্টেশন -- 505 টি
19.ডাকঘর--- 9,886 টি
20.পর্যটনকাল-- অক্টোবর
থেকে মার্চ
21.শিক্ষা বোর্ড -- 10 টি
22.সীমানা দৈর্ঘ্য--
4,68,480 কি.
মি.

Thursday, July 30, 2015

মেথি ব্যবহার করে ওজন কমানোর ৫টি দারুণ কৌশল

ওজন কমানোর জন্য আমরা কত ভাবেই না যুদ্ধ করি। তবে তার মানে এই না যে শুধুমাত্র মোটা হওয়ার কারনে এইসব চেষ্টা। দেহকে একটি সুন্দর আকৃতি দেয়ার জন্যও এই ধরনের চেষ্টা আমরা করে থাকি। কারণ যাই থাকুক না কেন ভাল থাকার জন্য দেহের সুন্দর আকৃতি ও শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই ওজন কমানোর উদ্যোগকে আরো ফলপ্রসূ করতে আজ আপনাদের কিছু জাদুকরি উপায় জানাবো।
 
ভেষজ মশলা হিসেবে মেথি বীজ আমাদের সবার কাছে বেশ পরিচিত। সেই সাধারণ মেথিও কিন্তু আপনার ওজন কমানোতে দারুণ ভূমিকা রাখতে পারে। কীভাবে? যেমন আপনি জানেন কি, মেথি ভেজানো পানি খেলে খব দ্রত ওজন কমে? চলুন, জেনে নিই মেথি ব্যবহার করে ওজন কমানোর ৫টি দারুণ কৌশল।
 
ভাজা মেথিবীজ-

এটি হচ্ছে ওজন কমানোর জন্য চমৎকার একটি উপায় যার জন্য অন্য কোন ঔষধ খেতে হবে না। কিছু মেথিবীজ একটি প্যানে নিয়ে কম আঁচে ভেজে নিয়ে সেটাকে গ্রাইন্ডারে গুড়ো করে পাউডার করতে হবে। তারপর কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেতে হবে এবং সেই সাথে এই মেথিবীজের পাউডার চাইলে তরকারিতেও ব্যবহার করতে পারেন ওজন কমানোর জন্য।
মেথিবীজ পানিতে ভিজিয়ে-

মেথিবীজ ভেজানো পানি খেলে তা ওজন কমাতে সহায়ক হয়। কারণ এটি খেলে তা খাবারের পরিতৃপ্তি এনে দেয়। যার ফলে ক্ষুধা কম অনুভূত হয় এবং বেশি খাওয়ার ইচ্ছেটা কমে যায়। এর ফলে খুব দ্রুত ওজন কমে। আরো এক ভাবে খেতে পারেন। ১ কাপ মেথিবীজ পানিতে সারারাত ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর পানি ছেঁকে নিয়ে ভেজানো সেই মেথিবীজ গুলো প্রতিদিন সকালে খালি পেটে চিবিয়ে খেতে হবে।
অঙ্কুরিত মেথিবীজ-

অঙ্কুরিত মেথিবীজে উচ্চ মাত্রার ক্যারোটিনয়েড, ভিটামিন এ, বি, সি এবং ই, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, জিংক, পটাসিয়াম, অ্যামাইনো এসিড, হজম সহায়ক খনিজ পদার্থ এবং আরো অনেক কিছু রয়েছে। একটি বাটিতে মেথিবীজ নিয়ে তা একটি পাতলা কাপড় পানিতে ভিজিয়ে নিয়ে ঢেকে রেখে তার উপর ভারি কিছু দিয়ে ৩ রাত এভাবে রেখে দিতে হবে।তারপর দেখা যাবে মেথিবীজ অঙ্কুরিত হয়েছে এবং সেই বীজগুলো খেতে পারেন।
 
মেথিবীজের চা-

চমৎকার মেথিবীজের এই চা দুইটি কাজে সাহায্য করে,ওজন কমাতে এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে। এছাড়া হজমের ক্ষেত্রে ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনেরও তা ভাল কাজ করে।সামান্য পানি দিয়ে কিছু মেথিবীজ পেস্ট করতে হবে।একটি পাত্রে পানি ফুটিয়ে নিয়ে তাতে সেই পেস্ট দিতে হবে। চাইলে তাতে কিছু ভেষজ মশলা দেয়া যায় যেমন আদা এবং দারুচিনি। তারপর পাত্র ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ৫ মিনিট ফুটিয়ে নিতে হবে। প্রতিদিন এই চা খালি পেটে খেতে হবে।
মেথিবীজ ও মধু চা-

দেহের আকর্ষণীয় আকৃতি পেতে ও ওজন কমাতে মধুমিশ্রিত মেথিবীজের চা চমৎকার কাজ করে। মেথিবীজ গ্রাইন্ডারে গুড়ো করে নিতে হবে। সেই পাউডার পানিতে দিয়ে ফুটিয়ে নিয়ে ঠাণ্ডা করতে হবে এবং এভাবে ৩ ঘণ্টা রেখে দিতে হবে। তারপর সেই পানিটা ছেকে নিয়ে তাতে লেবুর রস ও মধু যোগ করতে হবে। ভাল ফলাফল পেতে এই চা টি প্রতিদিন সকালে খেতে হবে।

এই পাঁচটি উপায়ই হচ্ছে মেথিবীজ ব্যবহার করে কার্যকর ভাবে ওজন কমানোর প্রক্রিয়া। তাহলে আর দেরি কেন,শুরু করে দিন আজ থেকেই আর পৌছে যান আপনার লক্ষ্যমাত্রার ওজনে।

লেখক
শওকত আরা সাঈদা(লোপা)
জনস্বাস্থ্য পুষ্টিবিদ
এক্স ডায়েটিশিয়ান,পারসোনা হেল্‌থ
খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান(স্নাতকোত্তর)(এমপিএইচ)

তথ্য সূত্রঃ টাইমস ফুল

দাঁত ব্যথায় ঘরোয়া সমাধান

04কথায় বলে- ‘দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম কেউ বোঝে না’। কথাটি বেশ সত্যি। মাঝরাতে আচমকা ঘুম ভেঙ্গে গেল, প্রচন্ড দাঁত ব্যথা। এত রাতে আপনার ডেন্টিস্টের কাছে যাওয়ার সুযোগ নেই, বাসায় নেই কোন ওষুধ। এদিকে দাঁতের ব্যথায় প্রাণ যাবার উপক্রম। কী করবেন? উপশমের উপায় কিন্তু হাতের কাছেই পেয়ে যেতে পারেন একটু খুঁজলে।

কিভাবে? আসুন, জেনে নেই।

দারুচিনি: এটি ব্যাকটোরিয়া প্রতিরোধী উপাদান হিসেবে বেশ পরিচিত। আরও আছে ব্যথা কমানোর গুণ। এটি দাঁতের জন্য খুবই উপকারী। দাঁত ব্যথা করলে দারুচিনির ছোট একটি টুকরো হালকা চিবিয়ে ব্যথা করা অংশের উপর রাখুন। দারুচিনি থেকে বেরুনো রস কিছুক্ষণ রেখে গিলে ফেলুন।Canker_Sore

আদা: যে দাঁতে ব্যথা করছে সে দাঁত দিয়ে ছোট এক টুকরো আদা চিবাতে থাকুন। যদি বেশি ব্যথা লাগে তাহলে অন্য পাশের দাঁত দিয়ে চিবিয়ে ওই আক্রান্ত দাঁতের উপর জিহ্বা দিয়ে চেপে রাখুন।

রসুন: রসুনে প্রচুর পরিমাণে সালফার আছে। যা ব্যাকটোরিয়া প্রতিরোধী এবং দাঁতের ব্যথা কমায়। রসুন অল্প একটু থেতলিয়ে ব্যথার স্থানে রাখুন। 2

লবঙ্গ: এটি দাঁতের ইনফেকশন ও ব্যথা কমে যায়। ব্যথার স্থানে একটা লবঙ্গ রাখুন। ব্যথা না কমা পর্যন্ত রাখুন। দুই এক ফোঁটা লবঙ্গের তেল ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া লবঙ্গ চূর্ণের সঙ্গে পানি বা অলিভ অয়েল মিশিয়ে পেস্ট বানিয়েও লাগাতে পারেন।

লবণ পানি: এক গ্লাস গরম পানিতে বেশি করে লবণ গুলে কুলকুচি করুণ যতক্ষণ সম্ভব। জীবাণুর কারণে দাঁতের ব্যথা হলে তা দূর হবে। মাড়িতে রক্ত চলাচল বাড়ার কারণে সাময়িকভাবে ব্যথা কমে আসে।

শসা: এতে আছে ভিটামিন বি-৬, পটাসিয়াম, থাইমাইনসহ অনেক পুষ্টি উপাদান। শসা একটি টুকরো দিয়ে পেস্ট বানিয়ে ব্যথার স্থানে রাখুন। ভাল সমাধান মিলবে।

সর্বোচ্চ ভিটামিন সি যুক্ত ১০টি খাবার

green-leafy-veggies
ভিটামিন সি এমন একটি পুষ্টি উপাদান যা মানব শরীরের জন্য খুবই জরুরি। কারণ রক্ত চলাচল থেকে শুরু করে শিরা ও ধমনীর কর্মক্ষমতা বজায় রাখা, কোষ গঠন এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি ইত্যাদি সব কিছুতেই ভিটামিন সি-এর উপস্থিতি অপরিহার্য। ভিটামিন সি অত্যন্ত উচ্চ মানের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা বিভিন্ন দূষণ থেকে রক্ষা করে। নানা ধরনের ক্যানসার প্রতিরোধেও সাহায্য করে ভিটামিন সি। এছাড়া এটিপি, ডোপেমিন ও পেপটাইন হরমোনের ক্ষেত্রেও ভিটামিন সি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এককথায়- আমাদের শরীরের চালিকাশক্তি বজায় রাখার জন্য ভিটামিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের ভিটামিন সি-এর প্রাত্যহিক চাহিদা হলো ৬০ মিলিগ্রাম। এই ভিটামিন সি আমরা আমাদের প্রতিদিনের খাবার থেকেই পেয়ে থাকি। ভিটামিন সি-এর একটি ভালো উত্‍সের কথা ভাবতেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে লেবুর ছবি! কিন্তু জানেন কি, সর্বোচ্চ ভিটামিন সি সমৃদ্ধ প্রথম দশটি খাবারের মধ্যেই লেবুর স্থান নেই? এটা সত্যি! অবাক হচ্ছেন নিশ্চয়ই? লেবুর চেয়ে আরো অনেক বেশি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার আমাদের চোখ এড়িয়ে যায়। আসুন জেনে নিই সারাবিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চ ভিটামিন সি যুক্ত দশটি খাবারের কথা

http://amarbangladesh-online.com/wp-content/uploads/2015/07/591.jpgকাঁচা মরিচ :
সর্বোচ্চ ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবারের তালিকার প্রথমেই রয়েছে আমাদের অতি চেনা কাঁচা মরিচ। আমরা স্যুপ, সালাদ, ভর্তার সাথে বা এমনিতেই কাঁচা মরিচ খেয়ে থাকি। প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁচা মরিচে রয়েছে ২৪২.৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি। এর পরেই রয়েছে লাল মরিচের স্থান। প্রতি ১০০ গ্রাম লাল মরিচে রয়েছে ১৪৪ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি


505পেয়ারা : 
দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পেয়ারা। পেয়ারা প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যযোগ্য অংশে রয়েছে ২২৮ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি। একটি মাঝারি আকারের পেয়ারায় প্রায় ১২৬ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি পাওয়া যায়। তবে পেয়ারার জাতভেদে এর পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে।

পেঁপে :
pepe
আমাদের অতি পরিচিত ফল পেঁপে রয়েছে অষ্টম স্থানে। পেঁপেকে ভিটামিন এ এবং ফোলেটের আধার হিসেবে প্রাধান্য দেয়া হলেও এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি। প্রতি ১০০ গ্রাম পেঁপেতে রয়েছে মিলিগ্রাম ৬২ ভিটামিন সি।pepe

 

বেল মরিচ :
বেল মরিচ পাস্তা সস বা পিজার উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি মেক্সিকান মরিচ। প্রতি ১০০ গ্রাম বেল মরিচে রয়েছে ১৮৪ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি।
টাটকা ভেষজ :
Vegelables
বেশির ভাগ ভেষজই নানান পুষ্টিগুণে ভরপুর। সেটা তাজা হোক অথবা শুকনো। তবে তাজা থাইম ও পোর্সলেতে রয়েছে আর সব ভেষজ থেকে বেশি ভিটামিন সি। প্রতি ১০০ গ্রাম থাইমে রয়েছে ১৬০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি এবং প্রতি ১০০ গ্রাম পোর্সলেতে রয়েছে ১৩৩ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি।
Vegelablesগাঢ় সবুজপাতা এবং শাক : 
আমার খাবার হিসেবে যেসব কাঁচা পাতা খাই যেমন পুদিনা বা লেটুস তেমনই একটি হলো কধষব। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। প্রতি ১০০ গ্রাম কধষবতে রয়েছে ১২০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি। শাকের ভেতরে সরিষা শাক সর্বোচ্চ ভিটামিন সি যুক্ত। প্রতি ১০০ গ্রাম সরিষা শাকে রয়েছ ৭০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি।
10
96 
ব্রকোলি :
সবুজ টাটকা ব্রকোলি ভিটামিন সি-এর আরেকটি ভালো উত্‍স। প্রতি ১০০ গ্রাম ব্রকোলিতে রয়েছে ৯৯ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি।


কিউয়ি ফল :
কিউয়ি ফল ভিটামিন সি-এর আরেকটি উত্‍কৃষ্ট উত্‍স। প্রতি ১০০গ্রাম কিউয়িতে রয়েছে ৯৩ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি।
 

কমলা :
কমলার খাদ্যযোগ্য প্রতি ১০০ গ্রাম অংশে রয়েছে ৫৯ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি।

স্ট্রবেরী :

চমৎকার স্বাদের ফল স্ট্রবেরী এমনিতে খাওয়ার পাশাপাশি কেক, আইসক্রিম, ডেজার্ট এবং আরো বিভিন্নভাবে খাওয়া হয়ে থাকে। প্রতি ১০০ গ্রাম স্ট্রবেরীতে রয়েছে ৫৯ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি।

Friday, July 24, 2015

হৃদপিণ্ডের অসুস্থতার যে লক্ষণগুলো প্রতিদিন অবহেলা করছেন আপনি!

আমাদের মূল সমস্যা হচ্ছে যতক্ষণ পর্যন্ত খুব বেশী সমস্যা না হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা আমাদের শারীরিক সমস্যাগুলোর দিকে একেবারেই নজর দিই না। আবার অনেকে কিছু মারাত্মক সমস্যার লক্ষণকে সাধারণ জীবনযাপন সংক্রান্ত সমস্যা, খাওয়া দাওয়ার সমস্যা ইত্যাদি ভেবে অবহেলা করে চুপ করে থাকেন।

এতে দেহের ভেতরের রোগটি মারাত্মক পর্যায়ে চলে যাওয়ার সুযোগ পেয়ে যায়। প্রতিবছর হার্টের সমস্যায় ভুগে মৃত্যুবরণ করেন অসংখ্য মানুষ। আর এর বেশীরভাগই হয়ে থাকে লক্ষণ অবহেলার কারণে রোগের আকার মারাত্মক হয়ে যাওয়ার কারণে। নিজে থেকে সতর্ক হতে হবে সবাইকে। প্রতিদিন হার্টের সমস্যার যে লক্ষণগুলো সাধারণ ভেবে অবহেলা করছেন তা বন্ধ করুন আজ থেকেই।

১) ছোট ছোট শ্বাস নেয়া

যদি আপনার অ্যাজমা বা দীর্ঘমেয়াদি অবস্ট্রাক্টিভ পালমনারি ডিজিজ ধরণের সমস্যা না ভুগেই ছোট ছোট শ্বাস নেয়ার ঘটনা হতে থাকে তাহলে এটি আপনার হৃদপিণ্ড জনিত সমস্যার লক্ষণ প্রকাশ করছে।
২) অসুস্থবোধ করা

পেটে ব্যথা, হজমে সমস্যা, বমিভাব ও বমি হওয়া এবং অস্বস্তি লাগার সমস্যাকে অনেকেই খাদ্য সংক্রান্ত সমস্যা মনে করে থাকেন। কিন্তু এগুলো হার্ট অ্যাটাকের পূর্ব লক্ষণ।
৩) চাপ অনুভব করা

যদি বুকে এবং বুকের চারপাশে চাপ ও আড়ষ্টতা অনুভূত হতে থাকে এবং আটকে যাওয়ার মতো অনুভূতি হতে থাকে তাহলে বুঝে নেবেন এটি আপনার হার্টের সমস্যার কারণে হচ্ছে।
৪) বুকে ব্যথা

সকল ধরণের বুকে ব্যথাই হৃদপিণ্ডের সমস্যা প্রকাশ করে না। ব্রেস্টবোনের উপর, একটু বাম কেন্দ্রিক ব্যথাগুলোই প্রধানত হার্টের সমস্যার লক্ষণ। আর ব্যথা এমনভাবে অনুভূত হতে থাকে যেন বুকের উপর অনেক ভারী কিছু চেপে বসে আছে।
৫) অতিরিক্ত অস্থিরতা

মাথা ঘোরানো, ঝাপসা দেখা, বুকে ব্যথা ইত্যাদি অস্বস্তির পাশাপাশি যদি অতিরিক্ত অস্থিরতা দেখতে পান নিজের মধ্যে তাহলে অবহেলা করবেন না। কারণ এই লক্ষণগুলো হার্টের সমস্যা প্রকাশ করে।
৬) হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া

কোনো পরিশ্রম ছাড়াই দুর্বলতা অনুভব, মাথা ঘোরানোর পাশাপাশি যদি হৃদ স্পন্দন বেড়ে যেতে থাকে এবং বুক ধড়ফড় করতে থাকে তাহলে জেনে রাখুন এগুলো, হার্ট ফেইলিওর, হার্ট অ্যাটাক অথবা অ্যারিদমিয়া সমস্যার লক্ষণ।
৭) ঠাণ্ডা ঘাম হওয়া

হুট করে ঘেমে যাওয়া বা অনেক ঘেমে যাওয়ার সমস্যা অনেকেরই রয়েছে, কিন্তু ঠাণ্ডা ঘাম হওয়ার সমস্যাকে মিলিয়ে ফেললে চলবে না। কারন ঠাণ্ডা ঘাম হওয়া হার্ট অ্যাটাকের পূর্ব লক্ষণ।

ত্বকের সুরক্ষায় তৈরি করুন দারুণ 'ক্লিনজার'

ব্রণ নিয়ে আমাদের চিন্তার শেষ নেই। আর এই ব্রণের উৎপত্তি হয় অপরিষ্কার ত্বক থেকে। ত্বক অপরিষ্কার থাকলে শুধু ব্রণ নয় হতে পারে আরও নানা স্কিন সমস্যা। ত্বক পরিষ্কার করার জন্য আমরা কত না ক্রেমিক্যাল পন্য ব্যবহার করে থাকি। ক্লিনজার, ফেইস ওয়াস, সাবান ও আরোও কত কি। কিন্তু আমাদের রান্নাঘরে আছে এমন কিছু সহজলভ্য প্রাকৃতিক উপাদান যা ক্লিনজার হিসাবে দারুণ ভাল কাজ করে থাকে। প্রাকৃতিক ক্লিনজার ব্যবহারে ফেসিয়াল, ম্যাসেজিং করার প্রয়োজনীয়তা কমে যায় অনেকখানি। কিছু উপাদান আছে যা সরাসরি ব্যবহার করা যায় আবার প্যাক হিসাবে ও ব্যবহার করা যায়। আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক প্রাকৃতিকভাবে ক্লিনজার তৈরির উপায় ।


১। মধু

মধু নিজেই খুব ভাল প্রাকৃতিক ক্লিনজার। কয়েক ফোটাঁ মধু হাতের তালুতে নিন, এরপর আস্তে আস্তে মুখে ঘষুন। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। মধু সবরকম ত্বকে ব্যবহার করা যায়। আপনি যদি মধুর সাহায্যে মেকআপ তুলতে চান তবে ভেজা তোয়ালে বা তুলায় কয়েক ফোঁটা মধু নিন এবং তার সাথে সামান্য পরিমাণে বেকিং সোডা মেশান।এরপর টাওয়াল দিয়ে মেকআপ তুলে ফেলুন। ত্বকের অন্যান্য ময়লা দূর করার জন্য একটি টোনার ব্যবহার করতে পারেন। শুষ্ক ত্বকের অধিকারীরা মধুর সাথে দুধ এবং তৈলাক্ত ত্বকের জন্য দুধের পরিবর্ততে লেবুর রস ব্যবহার করতে পারেন।
২। তেল

সেই আদিকাল থেকে তেল প্রাকৃতিক ক্লিনজার হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এটি শুধু ক্লিনজার হিসাবে ব্যবহৃত হয় না ত্বককে মসৃণ এবং দীপ্তিশীল করতে তেলের জুঁড়ি নেই। কয়েক ফোঁটা তেল নিয়ে বৃত্তাকার গতিতে দু হাত দিয়ে ম্যাসেজ করুন। এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুঁয়ে ফেলুন। যেকোন প্রকার তেল ব্যবহার করতে পারেন তবে অলিভ ওয়েল ব্যবহার করা বেশী ভাল।
৩। দই

প্রাকৃতিকভাবে ত্বক পরিষ্কারে টক দই অনেক ভাল একটি উপাদান। টক দই এ ল্যাকটিক অ্যাসিড উপাদান ত্বকের ভিতর থেকে ময়লা পরিষ্কার করে থাকে। এক টেবিল চামচ টক দই, দুই চামচ লেবুর রস দিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। মিশ্রণটি ভালভাবে মুখে ম্যসেজ করুন। ৫ মিনিট পর গরম পানি দিয়ে ধুঁয়ে ফেলুন।
৪। দুধ

কাঁচা দুধের সাহায্যে খুব সহজ়ে একটি পরিষ্কার এবং আকর্ষণীয় ত্বক পাওয়া যায়। একটি তুলার বল তৈরি করে তাতে কয়েক ফোঁটা কাচাঁ দুধ মিশিয়ে মুখে ভালভাবে ম্যাসেজ করুন। এই কাজটি তিন চার বার করুন। এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
৫। বেসন

দুই চা চামচ বেসনের সাথে এক চা চামচ ঠান্ডা পানি দিয়ে পেষ্ট তৈরি করে নিন। পেষ্টটি এমনভাবে তৈরি করুন যাতে বেশি পাতলা বা ঘন না হয়। এটি মুখে লাগিয়ে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
৬। টমেটো
রোদ থেকে ঘরে ফিরে এক টুকরো টমেটো হতে পারে অনেক ভাল ক্লিমজার। রোদে পোড়া দাগ হতে রক্ষা পাওয়া প্রায় অসম্ভব। কিন্তু রোদ থেকে ফিরে যদি এক টুকরো টমেটো দিয়ে মুখ পরিষ্কার করা যায় তবে রোদে পোড়া দাগ ত্বকে স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে যায়। এক টুকরো টমেটো মুখে ভালভাবে ঘষুন। ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
৭। মুলতানি মাটি

মুলতানি মাটির প্যাক মুখের কালো দাগ দূর করতে ব্যবহৃত হলেও এটি অনেক ভাল ক্লিনজার হিসাবেও ব্যবহার করা যায়। দুই চা চামচ মুলতানি মাটি, এক চা চামচ গোলাপ জল্‌, এবং এক চা চামচ দুধ মিশিয়ে একটি প্যাক তৈরি করুন। ১০ মিনিট মুখে রেখে শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

মাথাব্যাথার অব্যর্থ ওষুধ যৌনসঙ্গম!

মাথাব্যাথার অব্যর্থ ঔষধ নাকি যৌনসঙ্গম। সম্প্রতি চমকে দেওয়ার মতো এমনই মন্তব্য করেছেন- আমেরিকার স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ লরেন স্ট্রেইশার। এক টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্ট্রেইশার জানান, অনেক সময় দৈহিক মিলনের ফলে মাথাব্যথা কমে যেতে পারে। তাঁর মতে, সঙ্গমের সময় পুরুষ-নারী উভয়ের শরীর থেকে এন্ড্রোফিন নিঃসৃত হয় ।

 

শরীর থেকে বেশি মাত্রায় এন্ড্রোফিন বেরিয়ে যাওয়ার কারণেই, দ্রুত মাথাব্যাথার হাত থেকে রেহাই মেলে। তাঁর দাবি শুধু মাথাই নয়, শরীরের বিভিন্ন অংশের ব্যথা এই পদ্ধতিতে সারে। তাঁর পরামর্শ , শরীরে বেশ কিছুদিন ধরে কোনও ব্যথা ঘাঁটি গাড়লে পেইন কিলার না খেয়ে বরং নিয়মিত যৌন মিলনের অভ্যাস করুন।
লরেনের কথায়, যৌনতার উত্তেজনায়, সাময়িক ক্ষণের জন্য হলেও মনোযোগ বিক্ষিপ্ত হয়। এই কারণে, ব্যথার বোধ খানিকটা দূর হয়। তবে পরিশেষে তাঁর উপলব্ধি, প্রচণ্ড ব্যথার ক্ষেত্রে কিন্তু এই মতবাদ কার্যকরী নয় । তখন প্রয়োজন চিরাচরিত পেইন কিলার খেতে হতে পারে তবে অবশ্যই তা চিকিৎসকেরা পরামর্শ মেনে।

ত্বকে বাদামী ছোপ ছোপ দাগ? জেনে নিন দ্রুত মুক্তির দারুণ উপায়

অনেক সময় মুখের ত্বকে বাদামী ছোপ ছোপ দাগ দেখতে পাওয়া যায় যা খুবই বিরক্তিকর। ত্বকে বাদামী ছোপ দাগ পড়লে দেখতেও বেশ বিশ্রী লাগে। কিন্তু বর্তমানের আবহাওয়া এবং ত্বকের অযত্নের কারণে ত্বকে এই ধরণের দাগ হওয়া খুবই স্বাভাবিক। আজকে জেনে নিন এই বাদামী ছোপ ছোপ দাগের যন্ত্রণা থেকে দ্রুত মুক্তির দারুণ একটি উপায়।
 

কেন হয় এই দাগ?

মূলত এই বাদামী ছোপ দাগ অতিরিক্ত সূর্যের রশ্মি, বয়স জনিত কারণ, লিভারের অসুস্থতা, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, গর্ভধারণ, ভিটামিনের অভাব জনিত সমস্যার কারণে হয়ে থাকে। তাই যতোটা সম্ভব নিজের যত্ন নিয়ে প্রতিরোধ করা উচিত এই বাদামী ছোপ দাগ।
দাগ দূর করার কার্যকরী উপায়

বাদামী ছোপ দাগের সমস্যা নিয়ে খুব বেশী চিন্তা করার প্রয়োজন নেই। ঘরের সামান্য টুকিটাকি জিনিসেই এই দাগ তুলে ফেলতে পারবেন খুব সহজে। যে জিনিসগুলওর ব্লিচিং ইফেক্ট রয়েছে সেগুলো এই ধরণের ছোপ দাগ তুলতে খুবই কার্যকরী। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক উপায়টি।
 
যা যা লাগবে

- ২ চা চামচ বেসন
- ১ চা চামচ দুধ বা টক দই (যেটা হাতের কাছে পান)
- মাঝারী আকারের লেবুর অর্ধেকটা পরিমাণের রস
- ১ চা চামচ টমেটোর রস
- ২ চিমটি হলুদ গুঁড়ো
- কয়েক ফোঁটা ক্যাস্টর অয়েল/অলিভ অয়েল
- গোলাপজল পরিমাণমতো
 

পদ্ধতি ও ব্যবহারবিধি

    - লেবুর রস চিপে নিয়ে লেবির খোসা পরিমাণমতো গোলাপ জলে ডুবিয়ে আলাদা করে রাখুন।
    - এরপর বাকি সব উপকরণ (অলিভ/ ক্যাস্টর অয়েল বাদে) একসাথে মিশিয়ে মসৃণ পেস্টের মতো তৈরি করে নিন।
    - মুখ ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে এই পেস্ট হাতে নিয়ে আলতো করে ঘষে নিন আক্রান্ত স্থানগুলোতে। এরপর পেস্টটি ত্বকে লাগিয়ে রাখুন শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত।
    - পেস্টটি পুরোপুরি শুকিয়ে গেলে হাতে কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল/ ক্যাস্টর অয়েল নিয়ে ত্বকে লাগানো মস্কের উপরেই আলতো করে ম্যাসেজ করে নিন ৩-৫ মিনিট। জোরে ঘষবেন না, আলতো করে ঘষে স্ক্রাব করে মাস্কটি আপনা থেকেই ঝরে যেতে দিন।
    - এরপর গোলাপজলে ডোবানো লেবুর খোসা নিয়ে ত্বকে ম্যাসেজ করে নিন কিছুক্ষণ। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ত্বক খুব ভালো করে ধুয়ে মুছে নিন।
    - সপ্তাহে ২/১ বার ব্যবহার করুন এই পদ্ধতিটি। ২ সপ্তাহ পর নিজের ত্বকে এটি স্যুট করেছে কিনা তা বুঝে নিয়ে এরপর ত্বক থেকে দাগ উঠে যাওয়া পর্যন্ত ব্যবহার করুন।
    - নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের বাদামী দাগ দূর হওয়ার পাশাপাশি ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে এবং ব্রণের সমস্যা থেকেও মুক্তি পাবেন।

সাবধানতা

* অনেকের ত্বক লেবু ও টমেটো রসে অ্যালার্জি প্রবণ হয়, তারা এই পদ্ধতি থেকে দূরে থাকুন।
* ত্বকে ইনফকেশনের সমস্যা থাকলে ব্যবহার করবেন না।
* অনেক সময় বাদামী দাগ ত্বকের ক্যান্সারের লক্ষণ প্রকাশ করে, তাই ডারমাটোলজিস্টের পরামর্শ নিন।

ত্বকে বাদামী ছোপ ছোপ দাগ? জেনে নিন দ্রুত মুক্তির দারুণ ১ টি উপায় - See more at: http://www.priyo.com/2015/Jul/23/158642-%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%80-%E0%A6%9B%E0%A7%8B%E0%A6%AA-%E0%A6%9B%E0%A7%8B%E0%A6%AA-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%97-%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A4-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A3-%E0%A7%A7-%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A7%9F#sthash.E7lR2SLM.dpuf

Tuesday, July 21, 2015

টাক পড়ে যাচ্ছে মাথায়? জেনে নিন নতুন চুল গজানোর এক অব্যর্থ কৌশল

মাথার চুল পড়ে যাওয়া আজকাল কমবেশি সকলেরই সমস্যা। চুল একবার পড়ে যাওয়ার পর নতুন করে চুল গজানো যেন অসম্ভব একটি ব্যাপার! তবে হ্যাঁ, এই অসম্ভবকে সম্ভব করারও আছে উপায়। সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ দিন রাতে ঘুমানোর আগে করুন একটি সহজ কাজ।
এই কাজটি আপনার খালি হয়ে যাওয়া মাথায় নতুন চুল গজাতে অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। আর এতে আপনার কাজে আসবে খুব সাধারণ অলিভ অয়েল ও রসুন! হ্যাঁ, রসুনেই গজাবে চুল! রসুনে আছে উচ্চমাত্রার সালফার, ভিটামিন সি, সেলেনিয়াম এবং হরেক রকম খনিজ উপাদান যারা নতুন চুল গজাতে অত্যন্ত সহায়ক। রসুনে উপস্থিত কপার নতুন চুল গজায়, চুল কালো করে ও চুলকে ঘন করে। রসুনের ব্যবহারে চুলে কোন সাইড এফেক্ট হওয়ার সম্ভাবনা একদম নেই। কী করবেন? আপনাকে করতে হবে দুটি কাজ।
এক, রসুনের নির্যাস মেশানো অলিভ অয়েল তৈরি করতে হবে। এটা করার জন্য এক বোতল অলিভ অয়েলে কয়েক কোয়া রসুন ফেলে রাখুন সপ্তাহ খানেক। মোটামুটি ৭ দিন পার হয়ে গেলেই তৈরি আপনার তেল। মাথায় যখনই তেল দেবেন, এই তেলটি ব্যবহার করুন। চুল পড়া রোধ করতে ও মাথায় নতুন চুল গজাতে এই তেলটি অত্যন্ত সহায়ক। এছাড়াও সপ্তাহে কমপক্ষে ৩ বার করবেন এই কাজটি- 


১। কয়েক কোয়া রসুন নেবেন, এই রসুনের কোয়া একটু থেঁতলে নিয়ে চুল কমে যাওয়া স্থানগুলোতে ঘষে ঘষে লাগাবেন। আপনি চাইলে রসুনের রস বা রসুনের পেস্টও চুল কমে যাওয়া স্থানগুলোতে প্রয়োগ করতে পারেন। 
২। রসুন মাথায় লাগানোর পর এক ঘণ্টা অপেক্ষা করবেন। তারপর অলিভ অয়েল দিয়ে মাথার ত্বক খুব ভালো করে ম্যাসাজ করে নেবেন। 

৩। তারপর একটি শাওয়ার ক্যাপ বা পলিথিন মাথায় লাগিয়ে ঘুমাতে যান। কমপক্ষে ৮ ঘণ্টা চুলে এই মিশ্রণ রাখবেন। 

৪। সকালে ভালো করে শ্যাম্পু করে নিন। টিপস যদি রসুন দেয়ায় মাথায় জ্বলুনি হয়, তাহলে সাথে সাথে ধুয়ে ফেলুন মাথা। এবং আর কখনো ব্যবহার করবেন না।

Wednesday, July 8, 2015

ইফতারে ‍গরম গরম ক্লিয়ার সবজি স্যুপ

ইফতারে ‍গরম গরম ক্লিয়ার সবজি স্যুপইফতারে রোজকার আইটেমের সঙ্গে প্রতিদিনি একটি নতুন আইটেম থাকলে পরিবারের সবাই খুশি হয়ে যায়। তবে নতুন খাবারটি হতে হবে সুস্বাদু ও পুষ্টিকর। কেননা রোজা রাখার পর ইফতারে মজাদার খাবার যেমন চাই, তেমনি চাই স্বাস্থ্যকার খাবার যা শরীরে যোগাবে প্রয়োজনীয় পুষ্টি। এক্ষেত্রে ক্লিয়ার সবজি স্যুপের কোনো জুড়ি নেই।

খুব সহজেই তেল ছাড়া এই ক্লিয়ার সবজি স্যুপ তৈরি করা যায়। যেভাবে তৈরি করবেন-


প্রয়োজনীয় উপকরণ:  মাঝারি সাইজের বাঁধাকপি অর্ধেকটা, মাঝারি সাইজের পেঁপে অর্ধেকটা, ১টি বড় পেঁয়াজ, ১টি মাঝারি সাইজের গাজর, ৬ থেকে ৮ পিস মাশরুম, থাইপাতা ৪ থেকে ৫টি, পেঁয়াজ পাতা ২ থেকে ৩টি, রসুন ১টি, ক্যাপসিকাম মাঝারি সাইজের ‍১টি, লবণ স্বাদমতো, আধা চা চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো, আধা চা চামচ লেবুর রস। এছাড়াও চাইলে বিভিন্ন মৌসুমি সবজি দেয়া যেতে পারে।

প্রস্তুত প্রণালী:  প্রথমে ফ্রাইপ্যানে ৪ থেকে ৫ কাপ পানি নিয়ে গরম করতে হবে। পানি গরম হওয়ার সময়  পেঁপে, বাঁধাকপির পাতা, গাজর, মাশরুম, থাইপাতা ও পেঁয়াজ কুচি কুচি করে কেটে গরম পানিতে ছাড়তে হবে। এবার রসুন কুচি করে কেটে সবজির মধ্যে দিতে হবে। এরপর ক্যাপসিকাম কুচি করে কেটে পানিতে দিতে হবে। সবজি হালকা সিদ্ধ হয়ে আসলে এর মধ্যে লবণ, গোলমরিচ গুঁড়ো, লেবুর রস দিয়ে ভালোভাবে সবজির সঙ্গে মিশাতে হবে। সবজি ফুটতে থাকলে নামিয়ে ইফতারে গরম গরম পরিবেশন করুন।

শরীরের জন্য খুবই উপকারি হবে তেলবিহীন এই ক্লিয়ার সবজি স্যুপ। আর স্বাদেও ভিন্নতা নিয়ে আসবে।-

খুব সহজেই তেল ছাড়া এই ক্লিয়ার সবজি স্যুপ তৈরি করা যায়। যেভাবে তৈরি করবেন-
প্রয়োজনীয় উপকরণ:  মাঝারি সাইজের বাঁধাকপি অর্ধেকটা, মাঝারি সাইজের পেঁপে অর্ধেকটা, ১টি বড় পেঁয়াজ, ১টি মাঝারি সাইজের গাজর, ৬ থেকে ৮ পিস মাশরুম, থাইপাতা ৪ থেকে ৫টি, পেঁয়াজ পাতা ২ থেকে ৩টি, রসুন ১টি, ক্যাপসিকাম মাঝারি সাইজের ‍১টি, লবণ স্বাদমতো, আধা চা চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো, আধা চা চামচ লেবুর রস। এছাড়াও চাইলে বিভিন্ন মৌসুমি সবজি দেয়া যেতে পারে। 

প্রস্তুত প্রণালী:  প্রথমে ফ্রাইপ্যানে ৪ থেকে ৫ কাপ পানি নিয়ে গরম করতে হবে। পানি গরম হওয়ার সময়  পেঁপে, বাঁধাকপির পাতা, গাজর, মাশরুম, থাইপাতা ও পেঁয়াজ কুচি কুচি করে কেটে গরম পানিতে ছাড়তে হবে। এবার রসুন কুচি করে কেটে সবজির মধ্যে দিতে হবে। এরপর ক্যাপসিকাম কুচি করে কেটে পানিতে দিতে হবে। সবজি হালকা সিদ্ধ হয়ে আসলে এর মধ্যে লবণ, গোলমরিচ গুঁড়ো, লেবুর রস দিয়ে ভালোভাবে সবজির সঙ্গে মিশাতে হবে। সবজি ফুটতে থাকলে নামিয়ে ইফতারে গরম গরম পরিবেশন করুন।
শরীরের জন্য খুবই উপকারি হবে তেলবিহীন এই ক্লিয়ার সবজি স্যুপ। আর স্বাদেও ভিন্নতা নিয়ে আসবে।
- See more at: http://www.channelionline.com/news/details/%e0%a6%87%e0%a6%ab%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e2%80%8d%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a6%ae-%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a6%ae-%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8#sthash.olcXoxQQ.dpuf