চিকেন থাই স্যুপ রেসিপিঃ বিথী জগলুল
সাধারণ “নর স্যুপ” দিয়ে ঘরেই তৈরি করে ফেলুন রেস্টুরেন্টের স্বাদের অসাধারণ চিকেন থাই স্যুপ । কিভাবে? খুব সিম্পল, খুব সহজ। চলুন, রেসিপি দেখে নেয়া যাকঃ
সময়ঃ ৩০ মিনিট
উপকরন:
- নর থাই স্যুপ– ১ প্যাকেট
- চিকেন ব্রেস্ট– ১ টি মুরগীর
- ডিমের কুসুম–৩টি (হাঁসের ডিমের কুসুম হলে স্যুপের রঙ সুন্দর হবে)
- কর্ণস্টার্চ/ কর্নফ্লাওয়ার– ২ টে চামচ
- টমাটো সস– ২ টে চামচ
- ফিশ সস– ২ টে চামচ
- সয়াসস– ১ টে চামচ
- লেবুর রস– ২ চা চামচ
- গোলমরিচ গুঁড়া– স্বাদমতো
- চিনি– ১ চা চামচ( স্বাদমতো)
- কাঁচামরিচ ফালি– ৫-৬টি( বিচি ফেলা)
- পানি– ৫-৬ বাটি ( নরমাল স্যুপের বাটি দিয়ে মাপা)
যেভাবে করবেনঃ
কিউব করে চিকেন কেটে নিন। সামান্য আদা-রসুন বাটা ও লবন দিয়ে চিকেন সেদ্ধ করে রাখুন।
একটি সসপ্যানে লেবুর রস, চিনি ও কাঁচামরিচ ফালি ছাড়া পানির সাথে সব
উপকরন মিশিয়ে চুলায় জ্বাল দিন। ফুটে উঠলে কাঁচামরিচ, চিনি ও লেবুর রস
মিশিয়ে নিন।
যদি আপনার কাছে মনে হয় স্যুপের ঘনত্ব কম, তাহলে অল্প একটু ঠান্ডা পানিতে আর একটু কর্নফ্লাওয়ার গুলিয়ে দিতে পারেন।
পরিবেশন :-
** অনথন, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই দিয়ে পরিবেশন করুন ইয়াম্মি থাই চিকেন স্যুপ।
উপকরণ:
- চিকেন স্টক ৬কাপ
- গাজর কুচি ২ টেবিল চামচ
- ক্যাণ কর্ণ ২-৩ টেবিল চামচ
- কাচাঁমরিচ কুচি ২টি ( ঝাল পছন্দ মত)
- সুগন্ধি লেবুর রস ২টেবিল চামচ
- লেমন গ্রাস ২-৩ টুকরা (না দিলে ও অসুবিধা নেই ,তবে লেমন গ্রাস স্যূপের স্বাদ দ্বিগুন করে )
- পেয়াজঁ পাতা কুচি ২ টেবিল চামচ
- ধনেপাতার ডাটা থেতলানো ৩টেবিল চামচ
- লবণ আন্দাজ মত
- কর্ণফ্লাওয়ার ২ টেবিল চামচ
- ডিমের সাদা অংশ ২টি (ফেটানো )
পদ্ধতি :
স্টক তৈরি করতে যা যা লাগবে :
- হাড় যুক্ত চিকেন ২৫০ গ্রাম
- আদা -রসূন বাটা ১টেবিল চামচ
- লবণ ১চা চামচ
- গোলমরিচের গুড়াঁ ১/২ চা চামচ
- বাটার বা সেসিমি অয়েল ১চা চামচ
- চিকেন কিউব ১ টি (ইচ্ছা )
- পানি ২ লিটার
একটি পাত্রে বাটার গরম করে আদা-রসূন বাটা ,চিকেন দিয়ে ,একে একে
বাকি উপকরণ দিয়ে পানি দিয়ে নেড়ে ঢেকে সিদ্ধ করতে হবে ৪০-৪৫ মিনিট।হয়ে গেলে
নামিয়ে স্টক ছেকেঁ নিন এবং চিকেন হাড় থেকে আলাদা করে রাখুন স্যূপ বা অন্য
কিছু বানাতে ব্যবহার করতে পারেন।
ভেজিটেবল স্যূপ বানানোর পদ্ধতি :-
১: একটি পাত্রে ৬কাপ চিকেন স্টক মেপে নিন ।
২: চুলায় জ্বাল দিয়ে, এবার চিকেন স্টকে, গাজর কুচি, কর্ণ, লেমন গ্রাস
দিয়ে বলক আনুন। দু বার বলক তোলে, এখন গুলে রাখা কর্ণফ্লাওয়ার দিন এবং নেড়ে
মিশান। চুলার আচঁ মিড়িয়াম রাখুন। এবার কাচাঁমরিচ কুচি ,ধনেপাতার ডাটা ছেচাঁ
দিন ,অল্প পেয়াজঁ পাতা কুচি দিন।অল্প গোলমরিচের গুড়াঁ দিন এবং লবণ চেক করে
লবণ দিন।
৩: ফেটানো ডিম নেড়ে মিশান আস্তে আস্তে । এবার লেবুর রস দিয়ে নেড়ে নামিয়ে নিন।
৪: গরম গরম স্যূপ বাটিতে ঢেলে উপরে পেয়াজঁ পাতা কুচি ছিটিয়ে পরিবেশন করুন অন্হুুন বা স্প্রিং রোলের সাথে ।
উপকরনঃ
- চিকেন ৩০০ গ্রাম
- ডিম ২টা
- সাদা গোল মরিচ ১ চা চামচ
- কর্ন ফ্লাওয়ার ৩ চা চামচ
- টেষ্টিং সল্ট ১ চা চামচ
- লবন পরিমানমত
- চিকেন স্টক ৪ কাপ
- বাটার ১ চা চামচ
- বেবি কর্ন ১/২ কাপ
প্রনালি:
– চিকেন কিউব করে কেটে নিন। এবার প্যানে বাটার দিয়ে চিকেনে সামান্য লবন মেখে হালকা করে ভেজে নিন।
– বাটারে চিকেন স্টক দিয়ে দিন, পরিমানমত লবন, টেষ্টিং সল্ট, বেবি কর্ন, গোল মরিচ দিয়ে রান্না করুন, যতখন না মাংসটা ভালভাবে সেদ্ধ হয়।
– এবার ২ টা ডিমের সাদা অংশ আলাদা করুন,ফেটে নিন ভাল করে। কর্ন ফ্লাওয়ার ঠান্ডা পানিতে গুলে চিকেন স্টকে দিয়ে ভাল করে নাড়তে থাকুন।
– কিছুখন পর ফেটানো ডিমটা দিয়ে আবার ভালো করে নেড়ে নিন। ঘন হয়ে আসলে নামিয়ে নিন। গরম গরম পরিবেশন করুন
উপকরনঃ
- দুধ দেড় কেজি
- চিনি পৌনে ১ কাপ
- দইয়ের বীজ ৩ চা চামচ
প্রনালি :
– দুধ জ্বাল দিয়ে দেড় কেজিকে ১ কেজি করতে হবে। বার বার নেড়ে দিন যাতে সর
না পরে। এবার অন্য পাত্রে ১ চামচ চিনি ১ চা চামচ পানি জ্বাল দিয়ে
ক্যারামেল করুন, গরম দুধে ঢেলে দিন। এতে দইয়ের সুন্দর রং আসবে। বাকি চিনি ও
দিন, ভালো করে নেড়ে আরো কিছুটা সময় জ্বাল দিয়ে এবার দুধটা ঠান্ডা হতে দিন।
একটু পর পর নেড়ে দিন।
– ঠান্ডা হলে দইয়ের বীজ ২ চা চামচ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে দিন দুধের সাথে।
আর বাকি বীজটা দই পাতার জন্য ব্যবহৃত মাটির পাত্রের ভেতরে লাগিয়ে দিন।
– এবার পাত্রে দুধটা উপর থেকে একবারে ঢেলে দিন। যাতে উপরে ফেনা জমে।
পাত্রটি ঢেকে এবার মোটা কম্বল বা কাথা দিয়ে জড়িয়ে দিন কিংবা কোন গরম স্থানে
রাখুন ৭/৮ ঘন্টার জন্য। খেয়াল রাখবেন ডাতে নাড়াচাড়া না লাগে।
৭/৮ ঘন্টা পর দেখবেন দই জমে গেছে।
উপকরনঃ
১)
- ছানা ৩ কাপ
- ডিম ১টা
- কনডেন্সড মিল্ক ১/২ কাপ
- দারচিনি গুড়া সামান্য
২)
- গাজর কুচি ৩ কাপ
- গুড়া দুধ ১/২ কাপ
- কনডেন্সড মিল্ক ১/৩ কাপ
- বাটার ২-৩ টেবিল চামচ
৩)
- বাটার ২চেবিল চামচ
- ওভেন প্রুফ চারকোনা ডিস (৫.৫)
প্রণালীঃ
- গাজর কুচি গরম পানিতে বয়েল করে পানি চিপে রাখুন।
- ২ নং উপকরন দিয়ে গাজর কুচি ভেজে নিন। বেশি ভাজবেন না। ঠান্ডা করে নিন।
- ১ নং উপকরন গুলি বিটার দিয়ে ৩-৪ মিনিট বিট করুন।
- ২চেবিল চামচ বাটার ওভেন প্রুফ চারকোনা ডিসে ব্রাশ করে নিন।
- অর্ধেক ছানা বাটিতে সমান করে দিন, তার উপরে গাজর সমান করে দিন, বাকি অর্ধেক ছানা উপরে দিয়ে ১৬০ ডিগ্রীতে ৩৫-৪০ মিনিট বেইক করুন।
- পুরা ঠান্ডা করে পিস পিস করে কেটে পরিবেশন করুন মজাদার লেয়ার সন্দেশ।
উপকরণ:
- গুড়াঁ দুধ ১ কাপ,
- ডিম ১টা,
- বেকিং পাউডার ১চা চামচ,
- ময়দা ১ চামচ,
- এলাচ গুড়া ২ চিমটি,
- গোলাপজল ১/২ চা চামচ,
- চিনি ২ টেবিল চামচ,
- তরল দুধ আধা কেজি।
প্রস্তুত প্রনালীঃ
– হাড়িতে চিনি, দুধ, ১ চিমটি এলাচ গুড়োঁ সব দিয়ে অল্প আচেঁ চুলায় জ্বাল
দিন। এবার আরেকটি পাত্রে গুড়াঁ দুধ ১ কাপ, বেকিং পাউডার ১চা চামচ, ময়দা ১
চামচ, এলাচ গুড়া ১ চিমটি, গোলাপ জল সব মিশিয়ে নিন। ডিম ফেটিয়ে এই মিশ্রনে
মিশিয়ে দিন।সব ভাল ভাবে মিশিয়ে নিন। বেশি মাখাবেন না সব ভাল ভাবে মিশে
গেলেই হবে।
– প্রথমে খামিরটা হাতের সাথে আঠালো ভাবে আটকে যাবে। এটা ৫ মিনিট রেখে
দিলেই ঠিক হয়ে যাবে। এবার হাতে তেল বা ঘি মেখে পছন্দ মত আকারে মিষ্টি
বানিয়ে নিন।এবার দুধে বলক তুলে মিষ্টিগুলো দিয়ে দিন।মিষ্টিগুলো ফুলে উঠলে
চুলার জাল কমিয়ে ঢাকনা দিয়ে দিন। ১০ মিনিট পর ঢাকনা তুলে দেখুন মিষ্টি ভাল
ভাবে সিদ্ধ হয়েছে কিনা। হয়ে গেলে নামিয়ে ঠান্ডা বা গরম দুইভাবেই পরিবেশন
করতে পারেন।
উপকরনঃ
- -লিকুইড দুধ -১ লিটার
- -সিরকা ৩ টে চা + পানি ৩ টে চা
- -ময়দা-১/২চা চামচ
- -বেকিং পাউডার – ১ চিমটি
সিরার জন্যঃ
- -১ – ১/২ কাপ চিনি
- – ৫ কাপ পানি
- -এলাচ- ২ টা
একটি পাত্রে চিনি, পানি আর এলাচ নিয়ে চুলায় অল্প আঁচে জ্বাল দিয়ে নেড়ে নেড়ে চিনি আর পানিটা মিশে গেলেই চুলা বন্ধ করে রাখুন।
প্রস্তুত প্রনালীঃ
একটি পাত্র চুলায় দিয়ে দুধ জ্বাল দিতে হবে ও দুধ ফুটে উঠলে একটু একটু
করে সিরকা ও পানির মিশ্রন দুধে ছড়িয়ে দিয়ে নাড়তে হবে ও যখন দুধ ছানা হয়ে
যাবে এবং পানিটা সবুজাভ হবে তখন পাত্র টাকে প্রায় ঠান্ডা হওয়া
পর্যন্ত রাখতে হবে। ঠাণ্ডা হলে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে একটা সুতির পাতলা কাপড়ে
ছানার পানি ঝরাতে হবে।এবং কলের নিচে একটা পাত্রের উপর ছানার কাপড়টা রেখে
পানি দিয়ে ছানা টাকে নেড়েচেরে ধুয়ে নিতে হবে। এবার কাপরটাকে হাত দিয়ে চেপে
চেপে পানি যতটুকু বের করা যায় বের করতে হবে।তারপর কাপড় সহ ছানাটাকে ঝুলিয়ে
রাখতে হবে পানি ঝরার জন্য ২ ঘণ্টা। পানি ঝরে গেলে ছানাটা একটা ছড়ানো প্লেটে
রাখতে হবে। ৫ /৭ মিনিট হাত দিয়ে একটু বাতাসে ছড়িয়ে দিয়ে বাড়তি পানি টা
শুকিয়ে নিতে হবে। ছানাটা খুব নরম হবে।
এবার ছানার সাথে ময়দা ও বেকিং পাউডার মিশিয়ে হাতের তালু দিয়ে প্লেটের
উপর ছানাটা ঘষে ঘষে মথে নিতে হবে১০/১২ মিনিট । খেয়াল রাখতে হবে যেন ছানার
মধ্যে কোনো দলা দলা না থাকে এবং বল করলে যেন খুব মসৃন বল হয়।
ছানাটা ১২ ভাগ করে ১২ টা মসৃণ বল বানাতে হবে। বল করার সময় চুলায় সিরা
বসিয়ে অল্প আচে রাখতে হবে। সিরা যাতে ঘন না হয়ে যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে
হবে। এবার বলগুলি হয়ে গেলে একসাথে সিরাতে ছেড়ে দিবে এবং ঢাকনা দিয়ে আচ
বাড়িয়ে বলক আসা পর্যন্ত রাখতে হবে। বলক আসলে চুলার আচ কমিয়ে দিতে হবে ও
মিষ্টি নাড়াচড়া করা যাবে না।
১০ মিনিট পর আবার ১/২ কাপ পানি দিতে হবে সিরা যেন ঘন না হয়। এভাবে ২০
মিনিট জ্বাল দিতে হবে অল্প আচে। এবার চুলা বন্ধ করুন। ঢাকনা দিয়ে ঢেকে
রাখুন ২ ঘন্টা। এবার হয়ে গেলে পাত্রে ঢেলে সুন্দর করে সাজিয়ে পরিবেশন করুন
দারুন মজার রসগোল্লা
রাজভোগ মিষ্টি রেসিপি
উপকরনঃ
ছানা তৈরির জন্যঃ
- ১ কেজি দুধ ,
- আধা কাপ ভিনেগার,
- আধা কাপ পানি।
যেভাবে ছানা তৈরি করবেনঃ
- পানি ও ভিনেগার একসঙ্গে মিশিয়ে আলাদা করে রাখুন।
- দুধ চুলায় জ্বাল দিয়ে ফুটিয়ে নিন। দুধ ফুটে উঠলে চুলা বন্ধ করে দিয়ে
এতে ভিনেগার মেশানো পানি দিয়ে দিন। ছানা হয়ে গেলে তা ছেঁকে পানি ঝরতে রেখে
দিন।
মাওয়া তৈরির জন্যঃ
- আধা কাপ গুঁড়ো দুধ,
- ২ টেবিল চামচ মিহি চিনি,
- ১ টেবিল চামচ ঘি,
- ১ চা চামচ গোলাপ জল।
যেভাবে মাওয়া তৈরি করবেনঃ
- একটি পাত্রে সবকটি উপকরণ মিশিয়ে নিন।
- এবার একটি চালনি দিয়ে বড় বড় করে দানা তৈরি করে চেলে মাওয়া তৈরি করুন।
সিরা তৈরির জন্যঃ
- ৪ কাপ চিনি,
- ৭ কাপ পানি,
- সামান্য জাফরান। (জাফরান মিষ্টির রঙ হলুদ করবে )
যেভাবে সিরা তৈরি করবেনঃ
- একটি প্যানে চিনি ও পানি জ্বাল দিয়ে পাতলা সিরা তৈরি করে নিতে হবে।
- এবার সিরা একটি পাতলা কাপড়ে ছেঁকে নিয়ে আবার চুলায় দিয়ে জাফরান দিন। সিরা পাতলাই থাকবে।
রাজভোগ তৈরির জন্যঃ
- ১ কাপ ছানা,
- ১ চা চামচ চিনি,
- ৩ চা চামচ সুজি।
মূল প্রস্তুত প্রণালীঃ
– প্রথমে খুব ভালো করে ছানা মেখে নিয়ে এতে চিনি ও সুজি দিয়ে আবার মথে
নিন। ছানার মিশ্রণ ৬/৮টি সমান ভাগে ভাগ করে নিয়ে হাতে গোল বলের মতো তৈরি
করে ভেতরে মাওয়ার পুর দিয়ে দিন। লক্ষ্য রাখবেন পুর যেন ভেতর থেকে বের না
হয়ে যায়।
– এরপর পাতলা চিনির সিরা জ্বাল দেয়া অবস্থায় এতে ছানার বলগুলো দিয়ে দিন। এর পর ছানার বল দিয়ে ঢেকে দিন ৪০ মিনিটের জন্য মাঝারি আঁচে।
– ছানার বলগুলো ফুলে প্রায় দ্বিগুণ হলে বুঝবেন আপনার রাজভোগ তৈরি। এবার
চুলা বন্ধ করে দিয়ে নামিয়ে নিন। ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে পরিবেশন করুন মজাদার রাজভোগ মিষ্টি ।
http://www.bn.banglarecipe.net/%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%97-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BF/
তুলতুলে নরম রসমালাই
এই রসমালাই এর রেসিপিটি আমি তিনটি ধাপে লিখে দিলাম যাতে আপনাদের বুঝতে
সুবিধা হয়। আমার টিপস গুলো ফলো করলে ইনশাআল্লাহ্ আপনার রসমালাই নরম হবেই।
আর কখনো বানানোর পর শক্ত হয়ে যাবে না। দেখে নিন যেভাবে তৈরি করবেন
তুলতুলে নরম রসমালাই ।
উপকরনঃ
ছানা তৈরি :
- দুধ – ১ লিটার (পুর্ন ননীযুক্ত )
- সিরকা – ৩ টেবিল চামচ সিরকা +৩ টেবিল চামচ পানি
- ময়দা – ১ +১/২ চাচামচ
- প্রনালি : –
-
– দুধ জ্বাল দিয়ে নিন। ফুটে উঠলে চুলা অফ করে দিন ।
– ভালভাবে দুধ ফুটিয়ে নিবেন ঘন করার দরকার নেই ।
– চুলা অফ করে সিরকা আর পানি মিক্স করে অল্প অল্প করে ঢালতে থাকুন ।
– সিরকা দিবেন আর চামচ দিয়ে আস্তে আস্তে নাড়তে থাকবেন ।
– ছানা হয়ে গেলে ১০-১৫ মিনিট পর সামান্য গরম থাকতে ছানা পাতলা সুতির কাপরের উপর ঢেলে নিন ।
– ভাল করে ধুয়ে নিন যাতে সিরকার ফ্লেবার না আসে ।
– চিপে পানি ফেলে দিন । বেশি চাপবেন না এতে ও মিষ্টি শক্ত হয়ে যায় ।
– ফ্যান এর নিচে ১-২ ঘন্টা ঝুলিয়ে রাখুন । ৪-৫ ঘন্টা রাখলেও সমস্যা নেই।
তবে খেয়াল রাখতে হবে যাতে ছানা বেশি শুকিয়ে না জায় । আমি ৫-৬ ঘন্টাও রাখি ।
– ১-২ ঘণ্টা পর ছানা ছড়ানো পাত্রে মেলে দিন ।
– পানি পানি ভাব বেশি থাকলে ফ্যানের নিচে ৭-৮ মিনিট রেখে দিন ।
– বেশি ভেজা ভেজা না থাকলে ফ্যানের নিচে দেয়ার প্রয়োজন নেই ।
– বাড়তি পানি শুকিয়ে গেলে ময়দা দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে হাত দিয়ে চেপে চেপে ছানাটা মিহি করে নিন ।
– ছানা মিহি হয়ে গেলেই আর ছানবেন না । ছানার তেল বের হয়ে গেলে আবার মিস্টি শক্ত হয়ে যেতে পারে ।
– ৫-৬ মিনিট এভাবে করার পর আটার খামির মত হলে হাত দিয়ে চেপে চেপে শেপ ঠিক করে বল তৈরি করুন ।
– কিছুর উপর রেখে বল তৈরি করলে অনেক ভাল বল হবে
স্পঞ্জ মিষ্টি তৈরি :
- চিনি – ১ কাপ
- পানি- ৪ কাপ
প্রনালি :-
– চিনি , ৪ কাপ পানি এক সাথে বড় একটি পাত্রে নিয়ে চুলায় অল্প আচে জ্বাল দিন ।
– আচ বাড়িয়ে দিন চিনি গলে ফুটে উঠলে একদম কমিয়ে দিন ।
– বল গুলো আস্তে আস্তে সিরাতে ছেড়ে দিন । কয়েক সেকন্ড পর ঢাকনা দিয়ে
ঢেকে দিন ৫ মিনিট । ফুটে উঠলে জ্বাল মাঝারি আচের থেকে সামান্য কমিয়ে দিন ।
সিরা খুব গরম অথবা ফুটন্ত অবস্থায় মিষ্টির বল গুলো ছাড়বেন না ।
– বল গুলো সিরাতে ছাড়ার আগে হাত দিয়ে একটু গোল করে নিবেন।
– ২০-২৫ মিনিট এভাবে ফুটাবেন । মিষ্টি নাড়াচাড়া করবেন না । (আমার ২০-২২ মিনিটের মধ্যেই হয়ে গিয়েছেল ।)
– মিষ্টি হয়ে গেলে নামিয়ে রেখে দিন । আরেকদিকে দুধ জ্বাল দিতে হবে মালাই এর জন্য ।
মালাই তৈরি জন্য :
- দুধ – ১/২ কেজি বা তার বেশি
- কর্নফ্লাওয়ার – ৩ -৪ চাচামচ (আধাকাপ নরমাল দুধের সাথে মিক্স করে রাখুন )
- অরেঞ্জ ফুড কালার – ১ চিমটি
প্রনালি :-
– জ্বাল দিয়ে অর্ধেক এর সামান্য বেশি রাখুন ।
– সবচেয়ে ভাল হয় একদিকে মিষ্টি সিরায় ফুটবে আরেকদিকে দুধ জ্বাল দিলে।
সিরা থেকে মিস্টি নামানোর ৪-৫ মিনিটের মধ্যে দুধে দিয়ে দিলে ভাল হয়।
– দুধ ঘন হয়ে আসলে কালার ও কর্নফ্লাওয়ার দিয়ে নাড়তে থাকুন ।
– স্পঞ্জ মিষ্টি গুলো সিরা থেকে তুলে দুধের মধ্যে দিয়ে দিন ।
– সব মিষ্টি এভাবে দেয়া হয়ে গেলে ৪-৫ মিনিট ফুটিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে নিন ।
– সাথে সাথেও পরিবেশন করতে পারবেন এই মিষ্টি ।
– ৫-৬ ঘন্টা পরে ভিতরে দুধ ঢুকে আরো নরম হয়ে যাবে । ভিতিরের পানসে ভাব ও থাকবে না ।
– ফ্রিজে রাখা অবস্থায় মিষ্টি সামান্য শক্ত লাগতে পারে। বাহিরে কিছুক্ষন বের করে রাখলেই নরম তুলতুলে হয়ে যাবে ।
টিপস :-
** সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন টিপস হচ্ছে মিস্টি ২০ মিনিট হলেই একটা টেস্ট করে
দেখবেন । হয়ে গেলেই নামিয়ে নিবেন আর বেশিক্ষন জ্বাল দিবেন না। জ্বাল বেশি
হলেই মিস্টি শক্ত হয় এবং চুপসে জায় । দুধে দিয়েও বেশিক্ষন জ্বাল দিবেন না ।
* রসগোল্লা, চেক করার জন্য একটা রসগোল্লা বাটিতে নরমাল ডুবো পানিতে ছেড়ে দিতে হবে। যদি ডুবে যায় তবে বুঝবে হয়ে গেছে।
* সিরা বেশি ঘন হলে এবং মিষ্টি বেশিক্ষণ জ্বাল দিলে মিষ্টি শক্ত হতে পারে ।তাই সিরাটা পাতলা রাখার চেস্টা করুন ।
* মেজরমেন্ট এর কাপ দিয়ে মেপে নিতে হবে সব কিছু।
রস ঘন করারা টিপস :-
দুধ একটু বেশি পরিমানে নিয়ে জ্বাল দিয়ে ঘন করে তারপর কর্নফ্লাওয়ার মিক্স করলে একদম বাহিরের মত পারফেক্ট রস হবে ।
এছাড়া কর্নফ্লাওয়ার না দিতে চাইলে । দুধের সাথে পাউডার মিল্ক মিক্স করে
জ্বাল দিবেন । তবে আমার কাছে মনে হয় কর্ন ফ্লাওয়ার দিলেই রস্টা বেশি আঠালো
হয় আর ভাল হয় ।
http://www.bn.banglarecipe.net/%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF/%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%B0%E0%A6%AE-%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%87/