কুড়িল ফ্লাইওভারের সুফল প্রত্যাশা : ডিএমডিপির আওতায় আসছে প্রগতি সরণি
এম এ বাবর
রাজধানীর কুড়িল ফ্লাইওভারের সুফল পেতে ঢাকা মেট্রোপলিটান ডেভেলপমেন্ট প্ল্যানের (ডিএমডিপি) আওতায় আসছে প্রগতি সরণি। এ জন্য ফ্লাইওভারের কেন্দ্র থেকে বারিধারা এলাকার নতুন বাজার পর্যন্ত সড়ক আরো ৫০ ফুট প্রশস্ত করবে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)। পরে এটি মৌচাক পর্যন্ত সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
রাজধানীর কুড়িল ফ্লাইওভারের সুফল পেতে ঢাকা মেট্রোপলিটান ডেভেলপমেন্ট প্ল্যানের (ডিএমডিপি) আওতায় আসছে প্রগতি সরণি। এ জন্য ফ্লাইওভারের কেন্দ্র থেকে বারিধারা এলাকার নতুন বাজার পর্যন্ত সড়ক আরো ৫০ ফুট প্রশস্ত করবে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)। পরে এটি মৌচাক পর্যন্ত সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রগতি সরণির যানজট নিরসনে সম্প্রতি রাজউক, ওয়াসা, ডিএনসিসি ও ট্রাফিক বিভাগের সমন্বিত সভা হয়। ওই সভায় স্বল্পমেয়াদি সমাধান হিসেবে কুড়িল থেকে বাড্ডা পর্যন্ত ১০০ ফুট প্রশস্ত সড়ককে ১৫০ ফুটে রূপান্তরিত করা এবং সড়কের ওই অংশকে অযান্ত্রিক যানমুক্ত করার ব্যাপারে জোরালো প্রস্তাব ওঠে। আর এ প্রস্তাব লিখিতভাবে বুয়েটের কাছে পাঠিয়ে মতামত চেয়েছে ডিএনসিসি।
ডিএনসিসির নগর পরিকল্পনা বিভাগ থেকে জানা যায়, ১০০ ফুট প্রগতি সরণির দুই পাশে ২৫ ফুট চওড়া দুটি সার্ভিস রোডের বিষয়টি ঢাকা মেট্রোপলিটান ডেভেলপমেন্ট প্ল্যানে আগেই ছিল। সে অনুযায়ী বাড্ডার নতুনবাজার চৌরাস্তা থেকে কালাচাঁদপুর পর্যন্ত সড়কের পশ্চিম পাশে একটি সার্ভিস রোড রয়েছে। একইভাবে নতুনবাজার চৌরাস্তা থেকে নর্দা পর্যন্ত সড়কের পূর্ব পাশেও আরেকটি সার্ভিস রোড আছে। এ ছাড়া নতুনবাজার থেকে উত্তর বাড্ডা পর্যন্ত দুই পাশে দুটি সার্ভিস রোড রয়েছে। রামপুরা সেতু থেকে কুড়িল পর্যন্ত দুই পাশে এ সার্ভিস রোডের জন্য ১৯৬২ সালে তৎকালীন ঢাকা ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্ট (ডিআইটি) কিছু জায়গাও অধিগ্রহণ করেছিল।
কিন্তু কিছু অংশে সার্ভিস রোড হয়ে আর কাজ এগোয়নি। ১৯৯৪ সালের দিকে বারিধারা জে ব্লকের কোকাকোলা মোড় থেকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা পর্যন্ত পূর্বদিকের ওই জমি ছেড়ে দেয় সরকার। ফলে বাড্ডা চৌরাস্তা থেকে বারিধারা জে ব্লক পর্যন্ত প্রগতি সরণির পূর্বদিকের সার্ভিস রোডটি কুড়িল মুখে আর এগোয়নি। কিছু জমি সার্ভিস রোডের জন্য এখনো সংরক্ষিত থাকায় প্রগতি সরণি প্রশস্ত করার কাজ এখন সহজ হবে। এ পর্যায়ে সার্ভিস রোডকে মূল সড়কের সঙ্গে সংযুক্ত করে প্রগতি সরণিকে ১৫০ ফুট প্রশস্ত করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এর জন্য কেবল কিছু পয়েন্টে রাস্তার দুই পাশে ২৫ ফুট জায়গা অধিগ্রহণ করা হবে। কিছু অবকাঠামো অপসারণ করতে হতে পারে।
এ বিষয়ে ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল খায়ের বলেন, নতুনবাজার চৌরাস্তা থেকে কুড়িল লেভেল ক্রসিং পর্যন্ত রাস্তার দু’পাশ আরো প্রশস্ত করা হলে এ সমস্যার সাময়িক সমাধান সম্ভব। সাব-কমিটি সে বিষয়টিও যাচাই-বাছাই করে দেখছে। আর সাময়িক সমাধান হিসেবে সবার পরামর্শের ভিত্তিতে রাস্তা প্রশস্ত করার ব্যাপারে আমরা বুয়েটের মতামত চেয়েছি। আশা করছি, শিগগিরই অভিমত পেয়ে যাব। তারপর সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে যে পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন সেটা নেব। এ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি পরামর্শও বুয়েটের কাছে চাওয়া হয়েছে। আমরা দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ হিসেবে কুড়িল ফ্লাইওভারকে মৌচাক ফ্লাইওভারের সঙ্গে সংযুক্ত করার প্রস্তাব করেছি।
http://manobkantha.com/2013/11/11/146574.html
No comments:
Post a Comment