প্রায় ৪৫০০ বছর ধরে মানুষ টক দই প্রস্তুত করছে এবং তা খেয়ে আসছে। সারা পৃথিবীতেই এটি জনপ্রিয়। পুষ্টিকর এবং সুস্বাদু খাদ্য হিসেবে এর টক দইয়ের জুড়ি নেই। রান্না-বান্না থেকে শুরু করে রূপ চর্চা, সব খানেই দইয়ের ব্যবহার হয়। দই অনেকেরই প্রিয় খাবার। বাংলাদেশের প্রায় সব মিষ্টির দোকানেই টক দই পাওয়া যায়। তবে স্বাস্থ্যকর দই খেতে চাইলে ঘরেই বানিয়ে ফেলতে পারেন দই।
টক দই খাওয়ার উপকারিতাঃ
ওজন কমাতে সাহায্য করে।
কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়।
টক দই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়|
টক দই হজম শক্তি বাড়ায় ।
টক দই শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে |
টক দই হাড় ও দাঁতের গঠনে সাহায্য করে ।
টক দই রক্ত বিশুদ্ধ করে।
রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।
ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে।
পুষ্টিগুণঃ
টক দই একটি ল্যাক্টিক ফারমান্টেড খাবার| টক দই অত্যন্ত পুষ্টিকর কারণ এতে ভিটামিন, মিনারেল, আমিষ ইত্যাদি অনেক উপাদান আছে| টক দই কে দুধের চাইতেও বেশি পুষ্টিকর খাবার হিসাবে গণ্য করা হয়| কারণ দইতে দুধের চাইতে বেশি ভিটামিন, যেমন ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস আছে। টক দইতে কোনো কার্বহাইড্রেট বা চিনি নেই।
টক দই বানানোর উপকরণঃ
দুধ ১ লিটার,
পানি ১ কাপ,
পুরানো দই ১ টেবিল চামচ,
মাটির হাঁড়ি ১টি।
প্রস্তুত প্রণালিঃ
দুধে ১ কাপ পানি মিশান।
মাঝারি আঁচে পাঁচ মিনিট জ্বাল দিন।
দুধে বলক এলে আঁচ কমিয়ে দিন।
অল্প আঁচে ১৫ মিনিট দুধ জ্বাল দিন।
দুধ মাঝেমধ্যে নাড়ুন নাহলে তলায় লেগে যাবে।
দুধ ঘন হলে চুলা থেকে নামিয়ে নাড়তে থাকুন।
দুধ কিছুটা ঠান্ডা করুন।
দুধটা মাটির হাঁড়িতে ঢালুন।
কুসুম গরম থাকতে পুরোনো দইটা দিয়ে নেড়ে দিন এবং ঢেকে রাখুন।
চার-পাঁচ ঘণ্টা পর দই জমে যাবে।
দই জমে গেলে ঠাণ্ডা করার জন্য ফ্রিজে রেখে দিন।
দোকান থেকে কিনে আনা দইয়ের পুরনো মাটির হাড়িটি ভালো করে ধুয়ে রেখে দিন। সেটাতেই বানিয়ে ফেলতে পারবেন বাসার দই। বাসায় বানানো দই যেহেতু ভেজাল মুক্ত তাই স্বাদও বেশি। তাই দেরি না করে আজই বানিয়ে ফেলুন টক দই।
- See more at: http://www.priyo.com/2013/08/19/27384.html#sthash.DoXJJ29r.dpuf
No comments:
Post a Comment