Thursday, January 2, 2014

শীতে উষ্ণ রাখবে ৬ টি জাদুকরী মশলা

শরীর ঠাণ্ডা করে এমন খাবারের পরিবর্তে শরীরকে একটু বাড়তি উষ্ণতা দেয় এমন খাবার খুঁজি আমরা এ সময়। সে জন্যই রান্নাঘরে স্থায়ী স্থান পেয়ে যায় কফি, মধু এবং কালিজিরার কৌটা। আমাদের খুব সাধারণ খাবার থেকেও কিন্তু ইচ্ছে করলেই শীতের বিরুদ্ধে লড়াই করার উষ্ণতা পাওয়া যায়। কীভাবে? খাবারে রাখুন এমন কিছু মশলা যা শীত দূর করতে সহায়ক। এমনিতেই আমরা বাঙালিরা মশলা ভালবাসি। তার ওপরে যদি এ থেকে পাওয়া যায় উপকারিতা, তবে তো সে মশলা রান্নায় ব্যবহার হতেই পারে! পুরো শীত জুড়েই ব্যবহার করুন এসব মশলা। এক কাপ গরম চা অথবা কোনও রান্নায় একটু করে মিশিয়ে দিন, শরীর জুড়ে উষ্ণতা ছড়িয়ে যাবে। দূরে থাকবে শীতের রোগ বালাই।

গোলমরিচ

গোলমরিচের ঝাঁঝ শীতের হাত থেকে বাঁচাতে পারে আপনাকে। Piperaceae ফ্যামিলির এই মশলার রয়েছে অ্যান্টিসেপ্টিক এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টাল বৈশিষ্ট্য। খাবার রান্না করার সময় যেমন ব্যবহার করতে পারেন একে, তেমনি খাবার খাওয়ার সময়ে তার স্বাদ বাড়াতেও গোলমরিচ গুঁড়োর তুলনা নেই।

এলাচি

কার্ডামম (Elettaria cardamomum) বা এলাচি হলো Zingiberaceae ফ্যামিলির একটা মশলা। এলাচির গন্ধটা বেশ মিষ্টি, মোটেও ঝাঁঝালো নয়। কিন্তু তাই বলে এই শীতে একে তাচ্ছিল্য করবেন না যেন! এর মূল কাজ হলো শ্বাসযন্ত্রের মধ্য দিয়ে নিঃশ্বাস চলাচল সুগম করে দেওয়া। শীতের সময় যে কোনও মিষ্টি খাবারে ব্যবহার করতে পারেন এলাচি।

মরিচ

শীত যতই হোক, আলুভর্তায় একটু বেশি করে মরিচ দিলেই একেবারে কান-মাথা গরম হয়ে যায়, চোখে পানি চলে আসে। এতে রয়েছে ভিটামিন সি, যা শরীর থেকে ঠাণ্ডার অনুভূতি দূর করতে সাহায্য করে, সর্দি এবং কফ কমায়। শুধু খাবারে নয়, বরং মোজার মাঝে একটুখানি মরিচের গুঁড়ো রেখে দিতে পারেন। বাইরে যতই ঠাণ্ডা থাকুক, আপনার পা থাকবে উষ্ণ (হাত এবং মুখে যেন লেগে না থাকে সে ব্যাপারে লক্ষ্য রাখুন)।

দারুচিনি

শীতে অনেকের শরীরে রক্ত চলাচল ভালোভাবে না হবার কারণে তারা শীত কাটিয়ে উঠতে পারেন না। তাদের জন্য কাজে আসতে পারে দারুচিনি। শুধু তাই নয়, দারুচনি অ্যান্টিসেপটিক হিসেবেও কাজ করে এবং হজমে করে সহায়তা। ঝাল বা মিষ্টি যে কোনও ধরণের খাবারে ব্যবহার করুন দারুচিনি।

রসুন

শীতে অসুস্থ হয়ে পড়েন অনেকেই। আপনাদের কাজে আসতে পারে রসুন, কারণ এটি ইনফেকশন রোধ করে। রক্ত জমাট বাঁধা রোধ করে রসুন আর রক্ত চলাচল ভালো হলে শরীরের তাপমাত্রাও থাকে নিয়ন্ত্রণে।

আদা

আদার মাঝেও রয়েছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅএক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টিসেপ্টিক বৈশিষ্ট্য। সারা শরীরে উষ্ণতা ছড়িয়ে দেয় আদা। চা এবং খাবারের মাঝে আদার ঝাঁঝ তো কাজে লাগেই, আদার রস মেশানো জলে গোসল করলেও শরীর উষ্ণ থাকে, পেশী শিথিল হয়, আর ঠাণ্ডা এবং সর্দি দূর করে।
www.priyo.com/2014/01/02/47351.html#sthash.9amD2KoX.dpuf

No comments: