প্রিয়জনের সঙ্গে
বিতর্কে জড়িয়ে পড়লে তা আপনার হৃদয়কে আঘাত হানতে পারে। যে দম্পতির অনেকে মনে
করেন তার সঙ্গী যথেষ্ট সহায়তা করে না, জেনে রাখুন তাদের জন্যে হৃদরোগে
আক্রাšত্ম হওয়া অনেকটা সহজ হয়ে যায়। কারণ তাদের সঙ্গীর প্রতি এক ধরনের
বিতৃষ্ণা জম্মে যা তার হৃদরোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সোজা কথা আপনি আপনার
সহধর্মীনির সঙ্গে ঝগড়া করলে তা শুধু সম্পর্কের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে না
তা একই সঙ্গে আপনার হৃদযন্ত্রের আর্টারিকে ক্ষীণ করে তোলে।
চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা বলছেন, স্ত্রী বা পার্টনারের সঙ্গে ঝগড়া করলে তা আপনার মনকে শুধ বিষণœ করে না, আপনার হৃদযন্ত্রকে দুর্বল করে তোলে। অর্থাৎ আপনি ঝগড়ায় অভ্য¯ত্ম হয়ে উঠছেন মানে ক্রমশ হৃদরোগের দিকেও অগ্রসর হচ্ছেন।
উথা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল
বিজ্ঞানী দেখতে পেয়েছেন, ঝগড়ার কারণে যে সব দম্পতি বিষণœ থাকেন তাদের
হৃদযন্ত্রে রক্ত জমাট বাঁধার শঙ্কা বাড়ে অধিক হারে। এবং মৃত্যুর খুব
কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ার মত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
অর্থাৎ কথায় বলে না ‘ রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন’ আর ধর্মে আছে রেগে গেলে দাঁড়িয়ে থাকলে বসে পড়-ন, বসে থাকলে শুয়ে পড়-ন। কারণ রেগে ঝগড়া করার সময় তর্কে বিতর্কে লিপ্ত হলে আপনার শরীরে হঠাৎ করেই রক্তচাপ দ্রুত বৃদ্ধি পায় যার ধাক্কা আপনার হ্রদযন্ত্র নাও সামলাতে পারে।
চিকিৎসাবিজ্ঞানী বার্ট উচিনো বলেন, সহধর্মীনির সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি মৃত্যুর সূচক হিসেবেও কাজ করে। বিশেষ করে হৃদরোগের ক্ষেত্রেতো বটেই। কিন্তু এমন কোনো সম্পর্ক নেই যা মতপার্থক্যবিহীন কিংবা কমবেশি ঝগড়ায় লিপ্ত হয় না। গবেষকরা ১৩৬ জন বয়স্ক দম্পতির আচরণ পরীক্ষা করে দেখেছেন, তাদের বিবাহিত জীবনে তারা কতটা নিজেদের প্রতি সহায়ক ছিলেন, কতটা ঝগড়ায় লিপ্ত ছিলেন।

পর্যালোচনা করে দেখা গেছে এসব দম্পতি একে অপরকে কতটা পরামর্শ দিয়েছেন, তাতে দেখা গেছে ৩০ ভাগ দম্পতির সম্পর্ক ছিল ইতিবাচক আর ৭০ ভাগেরই অভিজ্ঞতা তিক্ততায় পরিপূর্ণ যা বিষণœতারই নামাšত্মর। তাদের সিটি স্ক্যানার করে দেখা যায় পারস্পরিক সম্পর্কের কারণে তাদের হৃদযন্ত্রে রক্ত জমাট পরিমাণ কতটা। প্রমাণ পাওয়া গেছে যে সব দম্পতি অধিকমাত্রায় ঝগড়ায় লিপ্ত ছিল তাদের হৃদযন্ত্রে রক্ত জমাটের পরিমাণও বেশি। এসব দম্পতি গড়ে ৩৬ বছর সংসার করেছেন। চিকিৎসকরা তাই এসব দম্পতিদের পারস্পরিক আচরণের প্রতি আরো যতœবান হবার পরামর্শ দিয়েছেন। ডেইলি মেইল
চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা বলছেন, স্ত্রী বা পার্টনারের সঙ্গে ঝগড়া করলে তা আপনার মনকে শুধ বিষণœ করে না, আপনার হৃদযন্ত্রকে দুর্বল করে তোলে। অর্থাৎ আপনি ঝগড়ায় অভ্য¯ত্ম হয়ে উঠছেন মানে ক্রমশ হৃদরোগের দিকেও অগ্রসর হচ্ছেন।
অর্থাৎ কথায় বলে না ‘ রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন’ আর ধর্মে আছে রেগে গেলে দাঁড়িয়ে থাকলে বসে পড়-ন, বসে থাকলে শুয়ে পড়-ন। কারণ রেগে ঝগড়া করার সময় তর্কে বিতর্কে লিপ্ত হলে আপনার শরীরে হঠাৎ করেই রক্তচাপ দ্রুত বৃদ্ধি পায় যার ধাক্কা আপনার হ্রদযন্ত্র নাও সামলাতে পারে।
চিকিৎসাবিজ্ঞানী বার্ট উচিনো বলেন, সহধর্মীনির সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি মৃত্যুর সূচক হিসেবেও কাজ করে। বিশেষ করে হৃদরোগের ক্ষেত্রেতো বটেই। কিন্তু এমন কোনো সম্পর্ক নেই যা মতপার্থক্যবিহীন কিংবা কমবেশি ঝগড়ায় লিপ্ত হয় না। গবেষকরা ১৩৬ জন বয়স্ক দম্পতির আচরণ পরীক্ষা করে দেখেছেন, তাদের বিবাহিত জীবনে তারা কতটা নিজেদের প্রতি সহায়ক ছিলেন, কতটা ঝগড়ায় লিপ্ত ছিলেন।
পর্যালোচনা করে দেখা গেছে এসব দম্পতি একে অপরকে কতটা পরামর্শ দিয়েছেন, তাতে দেখা গেছে ৩০ ভাগ দম্পতির সম্পর্ক ছিল ইতিবাচক আর ৭০ ভাগেরই অভিজ্ঞতা তিক্ততায় পরিপূর্ণ যা বিষণœতারই নামাšত্মর। তাদের সিটি স্ক্যানার করে দেখা যায় পারস্পরিক সম্পর্কের কারণে তাদের হৃদযন্ত্রে রক্ত জমাট পরিমাণ কতটা। প্রমাণ পাওয়া গেছে যে সব দম্পতি অধিকমাত্রায় ঝগড়ায় লিপ্ত ছিল তাদের হৃদযন্ত্রে রক্ত জমাটের পরিমাণও বেশি। এসব দম্পতি গড়ে ৩৬ বছর সংসার করেছেন। চিকিৎসকরা তাই এসব দম্পতিদের পারস্পরিক আচরণের প্রতি আরো যতœবান হবার পরামর্শ দিয়েছেন। ডেইলি মেইল
No comments:
Post a Comment