প্রয়োজনীয় উপকরন, প্রনালী ও বর্ননাঃ
চিকেন প্রিপারেশন বা তেরী –

চিকেন কেটে ভাল করে ধুয়ে নিন (আমরা মাঝারি মোরগের আট টুকরা নিয়েছিলাম) এবং এক টেবিল চামচ পেঁয়াজ বাটা, দেড় চামচ রসুন বাটা, এক টেবিল চামচ টমেটো সস ও সামান্য লবন দিয়ে ভাল করে মেখে নিন।

এমন দেখাবে, এবার চিকেনের পিস গুলো ড্রীপ ফ্রীজে মিনিট ১৫ এর জন্য রেখে দিন। ঢাকনা দিয়ে রাখবেন। ব্যস চিকেন প্রিপারেশন হয়ে গেল।
ডিম ও দুধের একটা মিশ্রন তেরীকরন –
হাফ কাপ তরল দুধে একটা ডিম ভেঙ্গে দিয়ে ভাল করে ফাটিয়ে নিন। এক চিমটে লবন দিতে পারেন।
চিকেন প্রলেপের জন্য একটা পাউডার মিশ্রন তেরীকরন –
হাফ কাপ বেশি ভাল পিসা ময়দা নিন, এক চামচ ব্রেকিং পাউডার নিন, এবং এতে এবার আপনি আপনার পছন্দের মশলা দিন! আমি সামান্য গোল মরিচ গুড়া, জিরা গুড়া, বাসিলো* (তুলশী পাতার গুড়া), ওরিগেনো* (), রাসমারিনো* (ধনিয়া গুড়া) [*নাম গুলো ইতালিয়ান! হা হা হাম আপনাদের না থাকলে নাই!]

ভাল করে মিশিয়ে নিন।
মুল রান্না আসুন –
পাশাপাশি হাতের কাছেই রাখুন।

একটা খোলা ফ্রাই প্যানে তেল গরম করুন, হাতের কাছে সামান্য ঘি কিংবা বাটার থাকলে দিতে পারেন। (ডুবো তেলে চিকেন ভাঁজতে পারলে চিকেন দেখতে আরো সুন্দর হত কিন্তু তেল অপচয়ের সামর্থ্য নেই বলে বা বেশি তেল পছন্দ করি না বলে, কম তেলেই রান্না করি) তেল ভাল গরম করে চুলায় আঁচ মাঝারি করে রাখুন।

তেল গরম হবার ফাঁকে, এবার প্রস্তুতকৃত তরলে চিকেন চুবিয়ে দিন এবং

উঠিয়ে তা প্রস্তুতকৃত পাউডারে রাখুন এবং ভাল করে প্রলেপ লাগিয়ে দিন। প্রয়োজনে একই কাজ দুইবার করতে পারেন, এতে চিকেনের প্রলেপ আরো মোটা এবং পুরু হবে। এভাবে প্রতিটা চিকেনের গায়ে প্রলেপ লাগিয়ে জমা করে ফেলুন।

এবার চিকেন গুলো গরম তেলে ছেড়ে দিন।

ঢাকনা দিতে ভুলবেন না, ঢাকনার কারনে চিকেনের ভিতরটাও নরম হয়ে যাবে। আগুন মাধ্যম আঁচে চলবে। একটু সময় লাগবে।

এক পাশ হয়ে গেলে অন্যপাশ উলটে দিন।

চিকেন উল্টাতে সাবধানতা চাই। গরম তেলের ছিটা গায়ে পড়তে পারে, তাই সাবধানে দুটো চামচ কিংবা দুটো কাঠি দিয়ে উলটে নেবেন।

ঢাকনা দিতেই হবে কারন আমরা ডুবো তেলে ভাঁজতে পারছি না। ডুবো তেলে ভাঁজলে ঢাকনা না হলেও চলত।

রং টা কেমন রাখবেন, সেটা আপনি নির্ধারন করুন। মাংস ভিতরটা হল কি না তা কোন সরু কাটি বা ছুরির মাথা দিয়ে খুঁচিয়ে দেখতে পারেন। ঢাকনা দিয়ে ভাঁজার প্রক্রিয়ায় আগুনের আঁচ মাধ্যম থাকাই ভাল।

সব চিকেনের পিস একই কায়দায় ভেঁজে ফেলুন।

ব্যস পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।

উপরে যেমন তেমন, ভিতরটা বেশ জুসি থাকা চাই! ইয়ামি!

চিকেন ফ্রাই! মোরগ কাটা থেকে খাবার টেবিলে আনতে পুরা দেড় ঘন্টা আমাকে টানা কাজ করতে হয়েছে এবং খেতে বসে ব্যাটারী, বুলেটের প্রশংসা পেয়ে ভাল লাগছে! (ছবি না তুলতে হলে অবশ্য ঘন্টা খানেক যথেষ্ট ছিল। কাজ এবং ছবি তোলার জন্য বার বার হাত ধুয়ে মোছাতে* অনেক সময় লাগে)
চিকেন কেটে ভাল করে ধুয়ে নিন (আমরা মাঝারি মোরগের আট টুকরা নিয়েছিলাম) এবং এক টেবিল চামচ পেঁয়াজ বাটা, দেড় চামচ রসুন বাটা, এক টেবিল চামচ টমেটো সস ও সামান্য লবন দিয়ে ভাল করে মেখে নিন।
এমন দেখাবে, এবার চিকেনের পিস গুলো ড্রীপ ফ্রীজে মিনিট ১৫ এর জন্য রেখে দিন। ঢাকনা দিয়ে রাখবেন। ব্যস চিকেন প্রিপারেশন হয়ে গেল।
ডিম ও দুধের একটা মিশ্রন তেরীকরন –
হাফ কাপ তরল দুধে একটা ডিম ভেঙ্গে দিয়ে ভাল করে ফাটিয়ে নিন। এক চিমটে লবন দিতে পারেন।
চিকেন প্রলেপের জন্য একটা পাউডার মিশ্রন তেরীকরন –
হাফ কাপ বেশি ভাল পিসা ময়দা নিন, এক চামচ ব্রেকিং পাউডার নিন, এবং এতে এবার আপনি আপনার পছন্দের মশলা দিন! আমি সামান্য গোল মরিচ গুড়া, জিরা গুড়া, বাসিলো* (তুলশী পাতার গুড়া), ওরিগেনো* (), রাসমারিনো* (ধনিয়া গুড়া) [*নাম গুলো ইতালিয়ান! হা হা হাম আপনাদের না থাকলে নাই!]
ভাল করে মিশিয়ে নিন।
মুল রান্না আসুন –
পাশাপাশি হাতের কাছেই রাখুন।
একটা খোলা ফ্রাই প্যানে তেল গরম করুন, হাতের কাছে সামান্য ঘি কিংবা বাটার থাকলে দিতে পারেন। (ডুবো তেলে চিকেন ভাঁজতে পারলে চিকেন দেখতে আরো সুন্দর হত কিন্তু তেল অপচয়ের সামর্থ্য নেই বলে বা বেশি তেল পছন্দ করি না বলে, কম তেলেই রান্না করি) তেল ভাল গরম করে চুলায় আঁচ মাঝারি করে রাখুন।
তেল গরম হবার ফাঁকে, এবার প্রস্তুতকৃত তরলে চিকেন চুবিয়ে দিন এবং
উঠিয়ে তা প্রস্তুতকৃত পাউডারে রাখুন এবং ভাল করে প্রলেপ লাগিয়ে দিন। প্রয়োজনে একই কাজ দুইবার করতে পারেন, এতে চিকেনের প্রলেপ আরো মোটা এবং পুরু হবে। এভাবে প্রতিটা চিকেনের গায়ে প্রলেপ লাগিয়ে জমা করে ফেলুন।
এবার চিকেন গুলো গরম তেলে ছেড়ে দিন।
ঢাকনা দিতে ভুলবেন না, ঢাকনার কারনে চিকেনের ভিতরটাও নরম হয়ে যাবে। আগুন মাধ্যম আঁচে চলবে। একটু সময় লাগবে।
এক পাশ হয়ে গেলে অন্যপাশ উলটে দিন।
চিকেন উল্টাতে সাবধানতা চাই। গরম তেলের ছিটা গায়ে পড়তে পারে, তাই সাবধানে দুটো চামচ কিংবা দুটো কাঠি দিয়ে উলটে নেবেন।
ঢাকনা দিতেই হবে কারন আমরা ডুবো তেলে ভাঁজতে পারছি না। ডুবো তেলে ভাঁজলে ঢাকনা না হলেও চলত।
রং টা কেমন রাখবেন, সেটা আপনি নির্ধারন করুন। মাংস ভিতরটা হল কি না তা কোন সরু কাটি বা ছুরির মাথা দিয়ে খুঁচিয়ে দেখতে পারেন। ঢাকনা দিয়ে ভাঁজার প্রক্রিয়ায় আগুনের আঁচ মাধ্যম থাকাই ভাল।
সব চিকেনের পিস একই কায়দায় ভেঁজে ফেলুন।
ব্যস পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।
উপরে যেমন তেমন, ভিতরটা বেশ জুসি থাকা চাই! ইয়ামি!
চিকেন ফ্রাই! মোরগ কাটা থেকে খাবার টেবিলে আনতে পুরা দেড় ঘন্টা আমাকে টানা কাজ করতে হয়েছে এবং খেতে বসে ব্যাটারী, বুলেটের প্রশংসা পেয়ে ভাল লাগছে! (ছবি না তুলতে হলে অবশ্য ঘন্টা খানেক যথেষ্ট ছিল। কাজ এবং ছবি তোলার জন্য বার বার হাত ধুয়ে মোছাতে* অনেক সময় লাগে)
- তবে কিছু অংশে আমার ছেলে বুলেট আমাকে হেল্প করেছে এবং চিকেন ফ্রাই যেহেতু তার পছন্দের খাবার তাই রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে থেকে আমাকে উৎসাহ দিয়েছে!
No comments:
Post a Comment