হার্ভার্ডের গবেষণা
নিয়মিত যারা মাছ খান, তাদের হূদরোগের ঝুঁকি তুলনামূলক কম থাকে— এটি আগেই বিজ্ঞানীরা জানিয়েছিলেন। সম্প্রতি হার্ভার্ডের স্কুল অব পাবলিক হেলথের নেতৃত্বে এক দল মার্কিন বিজ্ঞানীর গবেষণায় দেখা যায়, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিডসমৃদ্ধ বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছ যারা বেশি খান, অন্যদের তুলনায় দুই বছর বেশি বেঁচে থাকার সম্ভাবনা থাকে তাদের।
তাছাড়া যাদের রক্তে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড পর্যাপ্ত মাত্রায় থাকে, অন্যদের চেয়ে তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি ২৭ শতাংশ এবং হূদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ৩৫ শতাংশ কম থাকে।
৬৫ বছরের বেশি বয়সী ২ হাজার ৭০০ মানুষের স্বাস্থ্য-সম্পর্কিত উপাত্ত নিয়ে গবেষণায় বিজ্ঞানীরা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিডের সঙ্গে মৃত্যুঝুঁকির সংশ্লিষ্টতা খোঁজার চেষ্টা করেন।
ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড মাছ খেয়েই গ্রহণ করা উচিত, নাকি সাপ্লিমেন্ট ক্যাপসুল সেবনেই কাজ চলে, এ বিতর্ক পুরনো। মাছের তেল থেকে তৈরি ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিডসমৃদ্ধ ক্যাপসুল সেবনকারীদের এ গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
গবেষণায় দেখা যায়, উচ্চমাত্রায় ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিডসমৃদ্ধ স্যামন, টুনা, হ্যালিবাট, সার্ডিনস, হেরিং, মেকেরেল প্রভৃতি সামুদ্রিক মাছ নিয়মিত খেতে অভ্যস্ত বয়স্ক লেখকদের রক্তে এসিডগুলো পর্যাপ্ত মাত্রায় থাকে। যাদের দেহে এর মাত্রা কম, তারা গড়ে ২ দশমিক ২ বছর বেশি বাঁচেন।
ডোকোসাহেক্সানয়িক এসিড (ডিএইচএ), ইকোসাপেন্টানোয়িক এসিড (ইপিএ) ও ডোকোসাপেন্টানোয়িক এসিড (ডিপিএ) এ তিন ধরনের ফ্যাটি এসিডকে একত্রে বলা হয় ওমেগা থ্রি।
গবেষণায় বিজ্ঞানীরা দেখতে পান ডিএইচএ ফ্যাটি এসিড করোনারি ধমনীতে ব্লক হয়ে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়। ইপিএ সাধারণ হার্ট অ্যাটাক এবং ডিপিএ স্ট্রোকে মৃত্যুজনিত ঝুঁকি কমায়।
এজন্য বিজ্ঞানীরা নিয়মিত প্রতি সপ্তাহেই কিছু মাছ খাওয়ার পরামর্শ দেন।
নিয়মিত যারা মাছ খান, তাদের হূদরোগের ঝুঁকি তুলনামূলক কম থাকে— এটি আগেই বিজ্ঞানীরা জানিয়েছিলেন। সম্প্রতি হার্ভার্ডের স্কুল অব পাবলিক হেলথের নেতৃত্বে এক দল মার্কিন বিজ্ঞানীর গবেষণায় দেখা যায়, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিডসমৃদ্ধ বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছ যারা বেশি খান, অন্যদের তুলনায় দুই বছর বেশি বেঁচে থাকার সম্ভাবনা থাকে তাদের।
৬৫ বছরের বেশি বয়সী ২ হাজার ৭০০ মানুষের স্বাস্থ্য-সম্পর্কিত উপাত্ত নিয়ে গবেষণায় বিজ্ঞানীরা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিডের সঙ্গে মৃত্যুঝুঁকির সংশ্লিষ্টতা খোঁজার চেষ্টা করেন।
ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড মাছ খেয়েই গ্রহণ করা উচিত, নাকি সাপ্লিমেন্ট ক্যাপসুল সেবনেই কাজ চলে, এ বিতর্ক পুরনো। মাছের তেল থেকে তৈরি ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিডসমৃদ্ধ ক্যাপসুল সেবনকারীদের এ গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
গবেষণায় দেখা যায়, উচ্চমাত্রায় ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিডসমৃদ্ধ স্যামন, টুনা, হ্যালিবাট, সার্ডিনস, হেরিং, মেকেরেল প্রভৃতি সামুদ্রিক মাছ নিয়মিত খেতে অভ্যস্ত বয়স্ক লেখকদের রক্তে এসিডগুলো পর্যাপ্ত মাত্রায় থাকে। যাদের দেহে এর মাত্রা কম, তারা গড়ে ২ দশমিক ২ বছর বেশি বাঁচেন।
ডোকোসাহেক্সানয়িক এসিড (ডিএইচএ), ইকোসাপেন্টানোয়িক এসিড (ইপিএ) ও ডোকোসাপেন্টানোয়িক এসিড (ডিপিএ) এ তিন ধরনের ফ্যাটি এসিডকে একত্রে বলা হয় ওমেগা থ্রি।
গবেষণায় বিজ্ঞানীরা দেখতে পান ডিএইচএ ফ্যাটি এসিড করোনারি ধমনীতে ব্লক হয়ে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়। ইপিএ সাধারণ হার্ট অ্যাটাক এবং ডিপিএ স্ট্রোকে মৃত্যুজনিত ঝুঁকি কমায়।
এজন্য বিজ্ঞানীরা নিয়মিত প্রতি সপ্তাহেই কিছু মাছ খাওয়ার পরামর্শ দেন।
No comments:
Post a Comment