কায়েতপাড়াবাসীর মূর্তিমান আতঙ্ক আন্ডা রফিক
নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের দিনমজুর আমান উল্লার ছেলে রফিক ওরফে আন্ডা রফিক মাত্র ৭ বছরে কোটি কোটিপতি বনে গেছেন।
এক সময় ইউনিয়নের
বিভিন্ন গ্রামের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ডিম সংগ্রহ করে ঢাকায় বিক্রি করতেন। এতে
তিনি গ্রামের কিশোর, যুবক ও বৃদ্ধাসহ সব বয়সী মানুষের কাছে আন্ডাওয়ালা রফিক
নামে পরিচিত হন।
এদিকে ঢাকায় ডিম বিক্রির আড়ালে এক অদৃশ্য শক্তির প্রভাবে
তিনি হয়ে যান ভয়ঙ্কর ভূমিদস্যু। ৪৫ বছর বয়সী আন্ডাওয়ালা রফিক এখন কোটিপতি
রফিক সাহেব! রাজধানী ঢাকায় বেশ কয়েকটি বাড়িসহ রয়েছে গাড়ি ও অঢেল সম্পদের
পাহাড়। আর এসব সম্পদের পাহাড় তিনি গড়ে তুলেছেন ভূমি সন্ত্রাসের মাধ্যমে।
তার গঠিত সন্ত্রাসী বাহিনীর (রফিক বাহিনী) কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন
কায়েতপাড়া ইউনিয়নের ৮ গ্রামের মানুষ। এ বাহিনীর মাধ্যমে অস্ত্র ঠেকিয়ে
এলাকার বহু নিরীহ কৃষকের বসতভিটাসহ কৃষিজমি দখলের অভিযোগ রয়েছে।
এলাকাবাসী জানিয়েছে, রূপগঞ্জের নাওড়া এলাকার রফিক বিগত সরকারের আমলে বিএনপির হয়ে কাজ করলেও বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। ক্ষমতাসীন দলের দোহাই দিয়ে ভূমিদস্যুতা থেকে শুরু করে সব অপকর্মের সঙ্গে তিনি জড়িত। কায়েতপাড়া ইউনিয়নের নাওড়া, বরুণা, কামসাইর, নিমেরটেক, হরিণা, হরিণা নদীরপাড়, মাঝিনা, সুতিরপাড় এলাকার কয়েক হাজার লোক রফিকের ভয়ে অতিষ্ঠ। স্থানীয় নিরীহ মানুষের জমি জাল-জালিয়াতি ও জোরপূর্বক দখল করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলাও হয়েছে। কিন্তু অদৃশ্য শক্তির কারণে কোনো মামলা-মোকাদ্দমা তার অন্যায়-অনিয়ম দমাতে পারেনি। ফলে অনেক সাধারণ ও নিরীহ মানুষ তাদের বাপ-দাদার বসতভিটাটুকুও রক্ষা করতে পারবেন কি-না তা নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন।
সরেজমিন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, দরিদ্র পরিবারে সন্তান রফিকুল ইসলাম (আন্ডা রফিক) রূপগঞ্জের বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে ঘুরে ডিম সংগ্রহ করে রাজধানীর বনানী বাজারে বিক্রি করতেন। এরপরে তিনি একই বাজারে একটি ফলের দোকান দেন কিছু দিন। ওখান থেকে তিনি একটি হাউজিং কোম্পানির জমির দালালি শুরু করেন। ওই কোম্পানির মদতে আস্তে আস্তে তিনি একজন বড় ধরনের ভূমিদস্যু হয়ে যান। আর অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ অর্থের মদতে গড়ে তোলেন রফিক বাহিনী। অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলায় তার প্রভাব থেকে রক্ষা পেতে সাধারণ মানুষ প্রশাসনের কোনো সহযোগিতা পাচ্ছে না। তিনি এখন আওয়ামী সন্ত্রাসী রফিক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। তার সন্ত্রাস, জাল-জালিয়াতির অপকর্মের শিকার হয়েছেন এলাকার অনেকেই। কিছুদিন আগে তিনি নাওড়া গ্রামের মাহাতুল্যাকে ভুয়া মালিক বানিয়ে রফিজউদ্দিনের ৩৯ শতাংশ জমি বিক্রি করে দেন। ছয়দনীপাড়ার হরিসাধনের ৩৫ শতাংশ জমি জাল দলিলের মাধ্যমে দখলে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। স্থানীয় অবসরপ্রাপ্ত একজন পুলিশ সুপারের ৯ বিঘা জমি জালিয়াতি করে অন্যত্র বিক্রি করে দেন তিনি। এ ধরনের অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে রফিকের বিরুদ্ধে।
রূপগঞ্জ থানা সূত্রে জানা গেছে, রফিকের বিরুদ্ধে রূপগঞ্জ থানায় ৪০ (৯) ২০০৯, ৪১ (৯) ২০০৯, ৫৬ (৮) ২০০৮, ২৭ (৪) ২০০৯, ০৮ (৪) ২০১২, ১৬ (৫) ২০১০ মামলাসহ অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। এসব মামলায় গ্রেফতারও হন। জানা গেছে, গত নির্বাচনে আন্ডাওয়ালা রফিক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে ১৫ কোটি টাকা খরচ করে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। আটজন চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে তার অবস্থান ছিল ষষ্ঠ। নির্বাচনে টাকা বিতরণের সময় পুলিশ তাকে আটকও করে বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসী জানিয়েছে, রূপগঞ্জের নাওড়া এলাকার রফিক বিগত সরকারের আমলে বিএনপির হয়ে কাজ করলেও বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। ক্ষমতাসীন দলের দোহাই দিয়ে ভূমিদস্যুতা থেকে শুরু করে সব অপকর্মের সঙ্গে তিনি জড়িত। কায়েতপাড়া ইউনিয়নের নাওড়া, বরুণা, কামসাইর, নিমেরটেক, হরিণা, হরিণা নদীরপাড়, মাঝিনা, সুতিরপাড় এলাকার কয়েক হাজার লোক রফিকের ভয়ে অতিষ্ঠ। স্থানীয় নিরীহ মানুষের জমি জাল-জালিয়াতি ও জোরপূর্বক দখল করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলাও হয়েছে। কিন্তু অদৃশ্য শক্তির কারণে কোনো মামলা-মোকাদ্দমা তার অন্যায়-অনিয়ম দমাতে পারেনি। ফলে অনেক সাধারণ ও নিরীহ মানুষ তাদের বাপ-দাদার বসতভিটাটুকুও রক্ষা করতে পারবেন কি-না তা নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন।
সরেজমিন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, দরিদ্র পরিবারে সন্তান রফিকুল ইসলাম (আন্ডা রফিক) রূপগঞ্জের বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে ঘুরে ডিম সংগ্রহ করে রাজধানীর বনানী বাজারে বিক্রি করতেন। এরপরে তিনি একই বাজারে একটি ফলের দোকান দেন কিছু দিন। ওখান থেকে তিনি একটি হাউজিং কোম্পানির জমির দালালি শুরু করেন। ওই কোম্পানির মদতে আস্তে আস্তে তিনি একজন বড় ধরনের ভূমিদস্যু হয়ে যান। আর অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ অর্থের মদতে গড়ে তোলেন রফিক বাহিনী। অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলায় তার প্রভাব থেকে রক্ষা পেতে সাধারণ মানুষ প্রশাসনের কোনো সহযোগিতা পাচ্ছে না। তিনি এখন আওয়ামী সন্ত্রাসী রফিক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। তার সন্ত্রাস, জাল-জালিয়াতির অপকর্মের শিকার হয়েছেন এলাকার অনেকেই। কিছুদিন আগে তিনি নাওড়া গ্রামের মাহাতুল্যাকে ভুয়া মালিক বানিয়ে রফিজউদ্দিনের ৩৯ শতাংশ জমি বিক্রি করে দেন। ছয়দনীপাড়ার হরিসাধনের ৩৫ শতাংশ জমি জাল দলিলের মাধ্যমে দখলে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। স্থানীয় অবসরপ্রাপ্ত একজন পুলিশ সুপারের ৯ বিঘা জমি জালিয়াতি করে অন্যত্র বিক্রি করে দেন তিনি। এ ধরনের অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে রফিকের বিরুদ্ধে।
রূপগঞ্জ থানা সূত্রে জানা গেছে, রফিকের বিরুদ্ধে রূপগঞ্জ থানায় ৪০ (৯) ২০০৯, ৪১ (৯) ২০০৯, ৫৬ (৮) ২০০৮, ২৭ (৪) ২০০৯, ০৮ (৪) ২০১২, ১৬ (৫) ২০১০ মামলাসহ অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। এসব মামলায় গ্রেফতারও হন। জানা গেছে, গত নির্বাচনে আন্ডাওয়ালা রফিক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে ১৫ কোটি টাকা খরচ করে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। আটজন চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে তার অবস্থান ছিল ষষ্ঠ। নির্বাচনে টাকা বিতরণের সময় পুলিশ তাকে আটকও করে বলে জানা গেছে।
http://manobkantha.com/2013/04/29/118765.html
No comments:
Post a Comment