রুপচর্চার প্রথম
ধাপ হল ত্বকের পরিচর্যা। সুন্দর ত্বক বলতে ভুঝি পরিচ্ছন্ন, কোমল, মসৃন,
সজীব ত্বক।সুন্দর ত্বক পেতে হলে নিয়মিত পরিচর্চা করা চাই। ত্বকের সৌন্দর্য
একমাত্র পরিচর্চার দ্বারাই বৃদ্ধি পায়। আর সামান্যতম অবহেলা ত্বকের প্রচন্ড ক্ষতি করে। তাই ত্বকের যত্ন নেওয়ার আগে ত্বকের গঠন ও প্রকৃতি সম্বন্ধে একটু জ়েনে নিলে ভাল হয়।ত্বক মোটামোটি ৪ প্রকারের হয়
স্বাভাবিক
তৈলাক্ত
শুস্ক
মিশ্র প্রকৃতির
কিভাবে বুঝবেন আপনার ত্বক কি রকমের ?
স্বাভাবিক ত্বক
আপনার ত্বক কি ধরনের জানার সহজ উপায় হল, সকালে ঘুম থেকে উঠে মুখ ধোবার আগে এক টুকরো টিসু পেপার নিয়ে নাকের দুপাশে, গালে, থুতনিতে এবং কপালে চেপে ধরবেন, ঘসবেন না। দেখবেন, ত্বকের ছাপ পরেছে, যদি টিসু পেপারে হালকা তৈলাক্ত ভাব থাকে তবে বুঝবেন আপনার ত্বক স্বাভাবিক।
স্বাভাবিক ত্বক আদর্শ ত্বক। ত্বক মসৃন আর সজীব থাকে বলে এই জাতীয় ত্বকে লোমকুপ দেখাই যায় না। ভিজে বা তেলতেলেও থাকে না।নাক, কপাল বেশ উজ্জল হয়।গলার কাছে বা চোখের কোলে তেলতেলে ভাব থাকে না। যৌবনপ্রাপ্ত মেয়েদের ত্বক এরকম থাকে।
তৈলাক্ত ত্বক
টিসু পেপার যদি তেলের ছাপ বেশি থাকে তাহলে বুঝবেন আপনার ত্বক তৈলাক্ত। তৈলাক্ত ত্বক সর্বদা এত তেলতেলে দেখায় যে দেখলেই বোঝা যায়। এ ধরনের ত্বকে ব্রণ, কালো দাগ বেশি হয়। এই ধরনের ত্বকের সব থেকে ভালো কথা হলো, যাদের এই ধরনের ত্বক তাদের ত্বকে বয়সের ছাপ দেরি করে পরে। মেকআপ নেবার পর
এই ধরনের ত্বক আরো তারাতারি তেলতেলে হয়ে যায়।
শুষ্ক ত্বক
টিসু পেপারে প্রায় তেলের ভাব থাকে না।শরিরে জলের ভাগ কম হলে কিংবা ঘর্মগ্রন্থি থেকে ঠিকমত তেল নিঃসৃত না হলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়।শুষ্ক ত্বকে বলিরেখা পরে বয়সের ছাপ তারাতারি এসে পড়ে।এই ধরনের ত্বক পাতলা হয়। শীতকালে শুষ্ক ত্বকের বেশি যত্ন নেওয়া উচিত।
মিশ্র ত্বক
অনেক মেয়ের মিশ্র ত্বক থাকে। যেমন মুখমন্ডলে অনেকের তৈলাক্ত ভাব থাকলেও শরীরের অন্য অংশের ত্বক কিন্তু স্বাভাবিক।
নিজে জানুন আর অন্যকে জানাতে Like ও Share করুন। হয়তো আপনার কোন বন্ধু খুজে বেরাচ্ছে এই টিপগুলো।
No comments:
Post a Comment