যে
মস্তিস্ক আমাদের পুরো শরীরকে পরিচালনা করে, তার সুস্থতার জন্য আমরা খুব
একটা ভাবি না। বরং চিন্তাভাবনা, অনিয়ম, অনিয়ন্ত্রিত খাওয়া-দাওয়া করে
মস্তিস্ককে আরও বেশি অসুস্থ আর বিকল করে ফেলি। কিন্তু ভালো থ্কতে গেলে আগে
দরকার মাথা ঠিক রাখা। এজন্য এমন কিছু খাবার খাওয়া দরকার যা মস্তিস্ককে ভালো
আর সুস্থ রাখবে।
ব্রকলি
ব্রকলিতে আছে সালফারাফেন নামক উপাদান। এটি খেলে শরীরের ক্ষতিকর উপাদান বেরিয়ে যায়। এতে করে মস্তিস্কের কোষের থেকেও বর্জ্য পদার্থ বেরিয়ে যায়। ফলে মস্তিস্ক সতেজ থাকে।
ডিম
এতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় কোলিন এবং উপকারি কোলেস্টেরল। যা নিউরনের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ফলে সার্বিকভাবে মস্তিস্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে থাকে। প্রতিদিন ডিম খেলে শরীরে বিশেষ ধরনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। মস্তিস্কের কোষের কোনো ক্ষতি হয়না।
জাম
এই ফলে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মস্তিস্কের কোষ শুকিয়ে যাওয়ার কবল থেকে আমাদের বাঁচায়। পাশাপাশি মস্তিস্কের প্রদাহ কমিয়ে মস্তিস্কের রোগ কমিয়ে দেয়। যাদের পরিবারে অ্যালঝাইমারস বা ডিমেনশিয়ার মতো মস্তিষ্কের রোগের ইতিহাস রয়েছে, তাদের প্রতিদিন জাম খেলে উপকার মিলবে।
শতমূলী
শতমূলীতে প্রচুর মাত্রায় ফাইবারসহ কিছু উপাদান রয়েছে, যা মস্তিষ্কের উপকারি ব্য়াকটেরিয়ার মাত্রা বৃদ্ধি করে। সেই সঙ্গে এর ফলেট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটারি উপাদানও এক্ষেত্রে বিশেষ সহায়ক।
অলিভ অয়েল
অলিভ অয়েলে রয়েছে পলিফনল নামে একটি উপাদান, যা মস্তিস্ক সচল করতে সহায়তা করে। করেছেন পলিফেনল নামক উপাদানটি নার্ভ সেলের কর্মক্ষমতা বাড়য়ে দেয়। ফলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়তে শুরু করে।
আখরোট
আখরোটে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, কপার, ম্যাগনেশিয়াম এবং ফাইবার। এগুলো নানাভাবে মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়াতে কাজে লাগে। সেই সঙ্গে দেহে উপকারি ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যাও বাড়ায়। ফলে সবদিক থেকে মস্তিষ্কের উপকার হয়।
পালং শাক
পালং শাকে আছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন কে, ফলেট এবং লুটেইন। এগুলো মস্তিস্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতে দারুণ কাজে আসে।
মাছ
তৈলাক্ত মাছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধিতে দারুন কাজে আসে। এই উপাদনটি মস্তিস্কের কোষের ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি মস্তিষ্কের স্মৃতিশক্তি বাড়িয়ে দেয়।
হলুদ
মস্তিস্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি, বিভিন্ন প্রদাহ কমানো, বুদ্ধির বিকাশে হলুদের কোনো বিকল্প নেই। এটি প্রাচীনকালে থেকে আয়ুর্বেদীয় চিকিৎসাতে ব্যবহার হয়ে আসছে। এবং আজ পর্যন্ত এর সেই প্রচলন রয়ে গেছে।
ব্রকলি
ব্রকলিতে আছে সালফারাফেন নামক উপাদান। এটি খেলে শরীরের ক্ষতিকর উপাদান বেরিয়ে যায়। এতে করে মস্তিস্কের কোষের থেকেও বর্জ্য পদার্থ বেরিয়ে যায়। ফলে মস্তিস্ক সতেজ থাকে।
ডিম
এতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় কোলিন এবং উপকারি কোলেস্টেরল। যা নিউরনের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ফলে সার্বিকভাবে মস্তিস্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে থাকে। প্রতিদিন ডিম খেলে শরীরে বিশেষ ধরনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। মস্তিস্কের কোষের কোনো ক্ষতি হয়না।
জাম
এই ফলে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মস্তিস্কের কোষ শুকিয়ে যাওয়ার কবল থেকে আমাদের বাঁচায়। পাশাপাশি মস্তিস্কের প্রদাহ কমিয়ে মস্তিস্কের রোগ কমিয়ে দেয়। যাদের পরিবারে অ্যালঝাইমারস বা ডিমেনশিয়ার মতো মস্তিষ্কের রোগের ইতিহাস রয়েছে, তাদের প্রতিদিন জাম খেলে উপকার মিলবে।
শতমূলী
শতমূলীতে প্রচুর মাত্রায় ফাইবারসহ কিছু উপাদান রয়েছে, যা মস্তিষ্কের উপকারি ব্য়াকটেরিয়ার মাত্রা বৃদ্ধি করে। সেই সঙ্গে এর ফলেট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটারি উপাদানও এক্ষেত্রে বিশেষ সহায়ক।
অলিভ অয়েল
অলিভ অয়েলে রয়েছে পলিফনল নামে একটি উপাদান, যা মস্তিস্ক সচল করতে সহায়তা করে। করেছেন পলিফেনল নামক উপাদানটি নার্ভ সেলের কর্মক্ষমতা বাড়য়ে দেয়। ফলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়তে শুরু করে।
আখরোট
আখরোটে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, কপার, ম্যাগনেশিয়াম এবং ফাইবার। এগুলো নানাভাবে মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়াতে কাজে লাগে। সেই সঙ্গে দেহে উপকারি ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যাও বাড়ায়। ফলে সবদিক থেকে মস্তিষ্কের উপকার হয়।
পালং শাক
পালং শাকে আছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন কে, ফলেট এবং লুটেইন। এগুলো মস্তিস্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতে দারুণ কাজে আসে।
মাছ
তৈলাক্ত মাছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধিতে দারুন কাজে আসে। এই উপাদনটি মস্তিস্কের কোষের ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি মস্তিষ্কের স্মৃতিশক্তি বাড়িয়ে দেয়।
হলুদ
মস্তিস্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি, বিভিন্ন প্রদাহ কমানো, বুদ্ধির বিকাশে হলুদের কোনো বিকল্প নেই। এটি প্রাচীনকালে থেকে আয়ুর্বেদীয় চিকিৎসাতে ব্যবহার হয়ে আসছে। এবং আজ পর্যন্ত এর সেই প্রচলন রয়ে গেছে।

No comments:
Post a Comment