সারাদিন
এতো এতো কাজ, দুশ্চিন্তা আর ক্লান্তির ভিড়ে মাঝেমধ্যে সব ছেড়ে পালিয়ে
যেতে ইচ্ছা করে। এই অবস্থায় শরীর আর মন শরীরের সুস্বাস্থ ধরে রাখা মুশকিল
হয়ে পড়ে। শরীর আর মন ক্লান্ত হলে রক্তচাপ বাড়ে।
আর এর কারণ হলো শরীরে
পর্যাপ্ত ম্যাগনেশিয়ামের অভাব। এই অভাব মেটানোর জন্য হুট করে ওষুধ খেয়ে
নেওয়াও ঠিক না। এর চেয়ে খাদ্যাভাস সমৃদ্ধ করুন। এমন কিছু খাবার খান যা
ক্লান্তি দূর করবে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখবে, ম্যাগনেশিয়ামের অভাব পূরণ
করবে। কী সেই খাবার দেখে নিই-
কলা
কলা প্রায় বারোমাসই বাজারে পাওয়া যায়। এই ফল শরীরে রক্তে লোহিত কণিকার মাত্রা বাড়ায়। পাকা কলা ঘাটতি মেটায় ম্যাগনেশিয়ামের। একটি মাঝারি মাপের কলায় ৮% ম্যাগনেশিয়াম থাকে| তাই নিয়ম করে কলা খান।
ঢ্যাড়স
১ কাপ পরিমাণ ঢ্যাড়স সিদ্ধতে থাকে ১৪ শতাংশ ম্যাগনেশিয়াম। অল্প দামের এই সবজিতে যখন এতো পুষ্টি, তখন নিয়মিত ঢ্যাড়স খাওয়াই যায়।
মসুর ডাল
ডাল বেশিরভাগ মানুষেরই প্রিয়। চিকিৎসকেরা বাচ্চাদের নিয়মিত ডালের পানি খাওয়ার পরামর্শ দেন। এটা বড়দের জন্যেও খুব উপকারি। এই ডালে আছে ১৮শতাংশ ম্যাগনেশিয়াম। তাই প্রতিদিন ডাল খাওয়ার চেষ্টা করুন, চনমনে থাকুন।
কুমড়োর দানা
সবাই কুমড়ো খেলেও কুমড়োর দানা বা বিচি খাইনা। কিন্তু আমরা জানিই না যে কুমড়োর দানায় প্রায় ১৯ শতাংশ ম্যাগনেশিয়াম থাকে। তাই দানা ফেলে না দিয়ে রোদে শুকিয়ে কৌটোয় ভরে রাখুন। পরে রান্না করেও খাওয়া যায়।
ডুমুর
কম দামের সস্তা ও পুষ্টিকর ফল ডুমুর| ডুমুরে প্রচুর আয়রন আছে| তাই যাঁরা অ্যানিমিয়ায় ভোগেন তারা রোজ এই ফলটি খেতে পারেন| এছাড়াও, ডুমুরে আছে ২৫ শতাংশ ম্যাগনেশিয়াম| শরীরের ক্লান্তি মেটাতে এর জুড়ি নেই।
পালং শাক
এক কাপ পালং শাকে প্রায় ৩৯ শতাংশ ম্যাগনেশিয়াম থাকে। শীতকালে এই শাক বাজারে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়, দামও যথেষ্ট কম থাকে। তাই আর দেরি না করে এই শাক বিভিন্ন ভাবে রান্না করে খেয়ে নিন।
সয়াবিন বড়ি বা দানা
এতে আছে ৫০ শতাংশ ম্যাগনেশিয়াম। কমদামি এই পুষ্টিকর খাবার বাড়ির ছোট-বড় সবাই খেতে পারেন। বিভিন্ন পদ্ধতিতে এই বড়ি রান্না করে খাওয়া যায়।
ডার্ক চকলেট
চকলেট কে না ভালবাসে? আর ডার্ক চকলেট হলে তো আর কথাই নিই। অনেকেরই ধারণা চকলেট খেলে ওজন বাড়ে, দাঁত নষ্ট হয়ে যায়। এতে ম্যাগনেশিয়ামের পরিমাণ ৫৮ শতাংশ। এই কারণেই অনেক চিকিত্সক দ্রুত ক্লান্তি কাটাতে ডার্ক চকলেট খাওয়ার পরামর্শ দেন।
কাজু
একমুঠো বাদাম শরীরে পুষ্টি বাড়ায়| একমুঠো কাজু শরীরে ২০ শতাংশ ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি পূরণ করে| তাই এই বাদাম নানাভাবে খেয়ে দেখতে পারেন।
ব্রাউন রাইস
ঢেঁকি ছাটা মোটা, লালচে ভাতের কথা শুনে অনেকেই নাক কোঁচকাবেন| খুব স্বাদু না হলেও এই চাল অত্যন্ত পুষ্টিকর| এই চাল থেকে কমপক্ষে ২১ শতাংশ ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া যায়। তাই আর নাক না কুচকে এই চাল খান নিয়মিত।
আর এর কারণ হলো শরীরে
পর্যাপ্ত ম্যাগনেশিয়ামের অভাব। এই অভাব মেটানোর জন্য হুট করে ওষুধ খেয়ে
নেওয়াও ঠিক না। এর চেয়ে খাদ্যাভাস সমৃদ্ধ করুন। এমন কিছু খাবার খান যা
ক্লান্তি দূর করবে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখবে, ম্যাগনেশিয়ামের অভাব পূরণ
করবে। কী সেই খাবার দেখে নিই-কলা
কলা প্রায় বারোমাসই বাজারে পাওয়া যায়। এই ফল শরীরে রক্তে লোহিত কণিকার মাত্রা বাড়ায়। পাকা কলা ঘাটতি মেটায় ম্যাগনেশিয়ামের। একটি মাঝারি মাপের কলায় ৮% ম্যাগনেশিয়াম থাকে| তাই নিয়ম করে কলা খান।
ঢ্যাড়স
১ কাপ পরিমাণ ঢ্যাড়স সিদ্ধতে থাকে ১৪ শতাংশ ম্যাগনেশিয়াম। অল্প দামের এই সবজিতে যখন এতো পুষ্টি, তখন নিয়মিত ঢ্যাড়স খাওয়াই যায়।
মসুর ডাল
ডাল বেশিরভাগ মানুষেরই প্রিয়। চিকিৎসকেরা বাচ্চাদের নিয়মিত ডালের পানি খাওয়ার পরামর্শ দেন। এটা বড়দের জন্যেও খুব উপকারি। এই ডালে আছে ১৮শতাংশ ম্যাগনেশিয়াম। তাই প্রতিদিন ডাল খাওয়ার চেষ্টা করুন, চনমনে থাকুন।
কুমড়োর দানা
সবাই কুমড়ো খেলেও কুমড়োর দানা বা বিচি খাইনা। কিন্তু আমরা জানিই না যে কুমড়োর দানায় প্রায় ১৯ শতাংশ ম্যাগনেশিয়াম থাকে। তাই দানা ফেলে না দিয়ে রোদে শুকিয়ে কৌটোয় ভরে রাখুন। পরে রান্না করেও খাওয়া যায়।
ডুমুর
কম দামের সস্তা ও পুষ্টিকর ফল ডুমুর| ডুমুরে প্রচুর আয়রন আছে| তাই যাঁরা অ্যানিমিয়ায় ভোগেন তারা রোজ এই ফলটি খেতে পারেন| এছাড়াও, ডুমুরে আছে ২৫ শতাংশ ম্যাগনেশিয়াম| শরীরের ক্লান্তি মেটাতে এর জুড়ি নেই।
পালং শাক
এক কাপ পালং শাকে প্রায় ৩৯ শতাংশ ম্যাগনেশিয়াম থাকে। শীতকালে এই শাক বাজারে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়, দামও যথেষ্ট কম থাকে। তাই আর দেরি না করে এই শাক বিভিন্ন ভাবে রান্না করে খেয়ে নিন।
সয়াবিন বড়ি বা দানা
এতে আছে ৫০ শতাংশ ম্যাগনেশিয়াম। কমদামি এই পুষ্টিকর খাবার বাড়ির ছোট-বড় সবাই খেতে পারেন। বিভিন্ন পদ্ধতিতে এই বড়ি রান্না করে খাওয়া যায়।
ডার্ক চকলেট
চকলেট কে না ভালবাসে? আর ডার্ক চকলেট হলে তো আর কথাই নিই। অনেকেরই ধারণা চকলেট খেলে ওজন বাড়ে, দাঁত নষ্ট হয়ে যায়। এতে ম্যাগনেশিয়ামের পরিমাণ ৫৮ শতাংশ। এই কারণেই অনেক চিকিত্সক দ্রুত ক্লান্তি কাটাতে ডার্ক চকলেট খাওয়ার পরামর্শ দেন।
কাজু
একমুঠো বাদাম শরীরে পুষ্টি বাড়ায়| একমুঠো কাজু শরীরে ২০ শতাংশ ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি পূরণ করে| তাই এই বাদাম নানাভাবে খেয়ে দেখতে পারেন।
ব্রাউন রাইস
ঢেঁকি ছাটা মোটা, লালচে ভাতের কথা শুনে অনেকেই নাক কোঁচকাবেন| খুব স্বাদু না হলেও এই চাল অত্যন্ত পুষ্টিকর| এই চাল থেকে কমপক্ষে ২১ শতাংশ ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া যায়। তাই আর নাক না কুচকে এই চাল খান নিয়মিত।
No comments:
Post a Comment