এম এ বাবর
আবাসন ব্যবসায় আশিয়ান গ্রুপ অল্প সময়ের মধ্যে জনপ্রিয়তা ও মানুষের আস্থা অর্জন করায় প্রতিপক্ষ একটি স্বার্থান্বেষী মহল ঈর্ষান্বিত হয়ে উঠেছে। তারা প্রতিষ্ঠানটির সুনাম নষ্ট করতে নিজেদের মালিকানাধীন সংবাদপত্র ও একটি অনলাইন পত্রিকায় অসত্য সংবাদ প্রকাশসহ বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। স্বার্থান্বেষী মহলটি সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টিতে নানা ধরনের অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।
আবাসন ব্যবসায় আশিয়ান গ্রুপ অল্প সময়ের মধ্যে জনপ্রিয়তা ও মানুষের আস্থা অর্জন করায় প্রতিপক্ষ একটি স্বার্থান্বেষী মহল ঈর্ষান্বিত হয়ে উঠেছে। তারা প্রতিষ্ঠানটির সুনাম নষ্ট করতে নিজেদের মালিকানাধীন সংবাদপত্র ও একটি অনলাইন পত্রিকায় অসত্য সংবাদ প্রকাশসহ বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। স্বার্থান্বেষী মহলটি সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টিতে নানা ধরনের অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।
অথচ স্বার্থান্বেষী মহলটির বিরুদ্ধে আবাসন ব্যবসার নামে নানা ধরনের অনিয়ম ও প্রতারণার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তাদের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের জমি জোরপূর্বক দখল করার অভিযোগ রয়েছে। এমনি কি অসংখ্য মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়েও প্লট দিতে না পারায় তাদের বিরুদ্ধে মিছিল, মানববন্ধনসহ মামলা মোকদ্দমা হয়েছে। এসব কারণে তাদের প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট হয়ে মানুষের আস্থা হারিয়েছে। আর অতি অল্প সময়ের মধ্যে আশিয়ান গ্রুপ ব্যাপক ব্যবসায়িক সুনাম ও মানুষের আস্থা অর্জন করায় বিপুল পরিমাণ ক্রেতা প্রতিষ্ঠানটির প্লট পেতে ঝুঁকে পড়ছেন। তাতে ঈর্ষান্বিত হয়ে আশিয়ান গ্রুপের সুনাম ও ক্রেতাদের আস্থা নষ্ট করতে স্বার্থান্বেষী মহলটি বিভিন্নভাবে হয়রানি ও মামলা মোকদ্দমার আশ্রয় নিচ্ছে। অন্যদিকে আশিয়ান গ্রুপের তত্ত্বাবধানে সেনাবাহিনীর সদস্যদের জন্য গড়ে উঠেছে জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্প। পাঁচ বছরের মধ্যে এ প্রকল্পে উন্নয়ন করে বুঝিয়ে দেয়ার কথা থাকলেও মাত্র দেড় বছরেই প্রকল্পের ৭৫ ভাগ উন্নয়নকাজ শেষ হয়েছে। এখন সেনাবাহিনীর সদস্যদের দ্রুত এ প্রকল্প বুঝিয়ে দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। কিন্তু স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের গণমাধ্যমে অসত্য সংবাদ প্রকাশ করে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টির অপপ্রয়াসে লিপ্ত।
গুলশান-২ থেকে ৬ কিলোমিটার দূরে পূর্বাচলে বালুনদীর পারে গড়ে উঠছে আবাসন প্রকল্প জলসিঁড়ি। পূর্বে শীতলক্ষ্যা, পশ্চিমে বালুনদী, উত্তরে রাজউক পূর্বাচল ও দক্ষিণে ১২০ ফুট চওড়া মাদানী এভিনিউজুড়ে তৈরি হচ্ছে দেশের সবচেয়ে আধুনিক এ জলসিঁড়ি প্রকল্প। প্রকল্পে থাকছে প্রতিটি ৫ কাঠার প্রায় ৪ হাজার প্লট। ৪০ থেকে ১০০ ফুট প্রশস্ত রাস্তা, মসজিদ, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যাংক-বীমাসহ প্রয়োজনীয় সবই থাকবে হাতের নাগালে। ২০১১ সালের শেষদিকে আশিয়ান গ্রুপ হাতে নেয় প্রকল্পটি। গত দেড় বছরে মাটি ভরাট, লেভেলিংসহ বিভিন্ন উন্নয়নের কাজ প্রায় শেষ। ড্রেজার দিয়ে মাটি খনন করে তৈরি করা হচ্ছে ১৫০ ফুট প্রশস্ত কৃত্রিম লেক। এখানকার বাসিন্দারা পাবেন স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, শপিংমলসহ আধুনিক স্যাটেলাইট শহরের সব সুযোগ সুবিধা। যে কেউ সরেজমিনে প্রকল্প পরিদর্শন করলেই ধারণা করতে পারবেন জলসিঁড়ি প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি।
হযরত শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বিপরীতে হাজি ক্যাম্পসংলগ্ন আশিয়ান সিটি পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত একটি নগরী। মানুষের সাধ ও সাধ্যকে গুরুত্ব দিয়েই শ্রেষ্ঠ নগরবিদদের পরামর্শে এখানের জমি উন্নয়ন করে প্লট তৈরি করা হয়েছে। রাজউক প্রণীত সংশ্লিষ্ট এরিয়া স্ট্রাকচারাল প্ল্যানের এসপি (২) জোনে ভুক্ত আর্বান ডেভেলপমেন্টের আওতায় জনগণের সকল চাহিদা পূরণ করতে শতভাগ সফল এই আশিয়ান সিটি। রাজউকের সব ধরনের নীতিমালা এবং শীর্ষ স্থপতি, নগর পরিকল্পনাবিদ, পরিবেশবিদ দ্বারা পরিকল্পনা করা হয়েছে আশিয়ান গ্রুপের আওতাধীন আশিয়ান সিটির।
গুলশান-২ থেকে ৬ কিলোমিটার দূরে পূর্বাচলে বালুনদীর পারে গড়ে উঠছে আবাসন প্রকল্প জলসিঁড়ি। পূর্বে শীতলক্ষ্যা, পশ্চিমে বালুনদী, উত্তরে রাজউক পূর্বাচল ও দক্ষিণে ১২০ ফুট চওড়া মাদানী এভিনিউজুড়ে তৈরি হচ্ছে দেশের সবচেয়ে আধুনিক এ জলসিঁড়ি প্রকল্প। প্রকল্পে থাকছে প্রতিটি ৫ কাঠার প্রায় ৪ হাজার প্লট। ৪০ থেকে ১০০ ফুট প্রশস্ত রাস্তা, মসজিদ, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যাংক-বীমাসহ প্রয়োজনীয় সবই থাকবে হাতের নাগালে। ২০১১ সালের শেষদিকে আশিয়ান গ্রুপ হাতে নেয় প্রকল্পটি। গত দেড় বছরে মাটি ভরাট, লেভেলিংসহ বিভিন্ন উন্নয়নের কাজ প্রায় শেষ। ড্রেজার দিয়ে মাটি খনন করে তৈরি করা হচ্ছে ১৫০ ফুট প্রশস্ত কৃত্রিম লেক। এখানকার বাসিন্দারা পাবেন স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, শপিংমলসহ আধুনিক স্যাটেলাইট শহরের সব সুযোগ সুবিধা। যে কেউ সরেজমিনে প্রকল্প পরিদর্শন করলেই ধারণা করতে পারবেন জলসিঁড়ি প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি।
হযরত শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বিপরীতে হাজি ক্যাম্পসংলগ্ন আশিয়ান সিটি পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত একটি নগরী। মানুষের সাধ ও সাধ্যকে গুরুত্ব দিয়েই শ্রেষ্ঠ নগরবিদদের পরামর্শে এখানের জমি উন্নয়ন করে প্লট তৈরি করা হয়েছে। রাজউক প্রণীত সংশ্লিষ্ট এরিয়া স্ট্রাকচারাল প্ল্যানের এসপি (২) জোনে ভুক্ত আর্বান ডেভেলপমেন্টের আওতায় জনগণের সকল চাহিদা পূরণ করতে শতভাগ সফল এই আশিয়ান সিটি। রাজউকের সব ধরনের নীতিমালা এবং শীর্ষ স্থপতি, নগর পরিকল্পনাবিদ, পরিবেশবিদ দ্বারা পরিকল্পনা করা হয়েছে আশিয়ান গ্রুপের আওতাধীন আশিয়ান সিটির।
http://manobkantha.com/2013/06/23/126959.html
http://www.emanobkantha.com/2013/06/23/
No comments:
Post a Comment