এম এ বাবর:
জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে রাজধানীতে মেট্রোরেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পরিকল্পনা করা হলেও এ সরকারের আমলে তা সম্ভব হচ্ছে না। পরামর্শক নিয়োগ, প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণ, নকশা প্রণয়ন ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রাথমিক কাজই এখনো শুরু হয়নি। তাই শুধু ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ছাড়া বর্তমান সরকারের সময় মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজ শুরু করা সম্ভব নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। রাজধানীর যানজট নিরসনে সরকার ২০১০ মেট্রোরেল ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেয়। এর ধারাবাহিকতায় প্রথম পর্যায়ে ২০ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজ শুরুর লক্ষ্যে ২০ ফেব্র“য়ারি বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকার সঙ্গে চুক্তি হয়। প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয় ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। এর মধ্যে প্রকল্প সাহায্য হিসেবে জাইকা ১৬ হাজার ৫৯৪ কোটি ৪৮ লাখ টাকা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। বাকি ৫ হাজার ৩৯০ কোটি টাকা জোগান দেবে সরকার।
জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে রাজধানীতে মেট্রোরেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পরিকল্পনা করা হলেও এ সরকারের আমলে তা সম্ভব হচ্ছে না। পরামর্শক নিয়োগ, প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণ, নকশা প্রণয়ন ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রাথমিক কাজই এখনো শুরু হয়নি। তাই শুধু ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ছাড়া বর্তমান সরকারের সময় মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজ শুরু করা সম্ভব নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। রাজধানীর যানজট নিরসনে সরকার ২০১০ মেট্রোরেল ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেয়। এর ধারাবাহিকতায় প্রথম পর্যায়ে ২০ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজ শুরুর লক্ষ্যে ২০ ফেব্র“য়ারি বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকার সঙ্গে চুক্তি হয়। প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয় ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। এর মধ্যে প্রকল্প সাহায্য হিসেবে জাইকা ১৬ হাজার ৫৯৪ কোটি ৪৮ লাখ টাকা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। বাকি ৫ হাজার ৩৯০ কোটি টাকা জোগান দেবে সরকার।
উত্তরা থেকে পল্লবী, খামারবাড়ী, ফার্মগেট, শাহবাগ, টিএসসি, দোয়েল চত্বর, প্রেসক্লাব ও মতিঝিল রুটে মেট্রোরেল চলাচল করার রুট নির্ধারণ করা হয়। পরে ১৯ মে ঢাকা যানবাহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের এক সভায় যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জুলাই মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে মেট্রোরেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ঘোষণা দেন। সূত্র জানায়, মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়ন ব্যয় ১২ বছরে বিভাজন করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে খরচ ধরা হয়েছে ৩৫১ কোটি ২৫ লাখ টাকা, আগামী অর্থবছরে ১ হাজার ৬৫ কোটি ৪৩ লাখ, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৯৫৩ কোটি ১১ লাখ, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৭৪৮ কোটি ৩৪ লাখ ও ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৫৯০ কোটি টাকা।
এদিকে মেট্রোরেল প্রকল্পের
ব্যবস্থাপক ও ঢাকা যানবাহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) তত্ত্বাবধায়ক
প্রকৌশলী আনিসুর রহমান বলেন, মেট্রোরেল প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ অনেক কাজ
বাকি রয়েছে, যা শেষ হতে আরো দুই-তিন বছর লেগে যাবে। মূল প্রকল্পের
বিস্তারিত নকশা প্রণয়নে পরামর্শক নিয়োগ দিতে প্রায় ৬ মাস লাগবে। এরপর নকশা
প্রণয়নের কাজ শুরু করা হবে। পাশাপাশি চলবে জমি অধিগ্রহণের কাজ। তাই ২০১৬
সালের আগে মূল প্রকল্পের দরপত্র আহ্বান করা সম্ভব নয়।
ফলে নির্মাণ কাজ শুরু
হবে ২০১৭ সালে।অন্যদিকে যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, শিগগিরই
মেট্রোরেল চালু করা হবে। মেট্রোরেলের বিস্তারিত নকশা তৈরি ও নির্মাণ কাজ
তদারকির জন্য পরামর্শক নিয়োগের প্রস্তাব মূল্যায়ন কাজ শেষ হয়েছে।
ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন শেষে দ্রুত কাজ শেষ করে মেট্রোরেল
চালু করা হবে। আর মেট্রোরেল পরিচালনার জন্য ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি
গঠন করা হয়েছে। মেট্রোরেল প্রকল্পের ডিপো নির্মাণের জন্য রাজউক ৪১ বিঘা জমি
দিয়েছে। ইতিমধ্যে জমির দখলও বুঝে নিয়েছে ডিটিসিএ। এছাড়া মেট্রোরেল
অপারেশনের জন্য নীরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের নিশ্চয়তা দিয়েছে বিদ্যুৎ
বিভাগ। পরিবেশগত ছাড়পত্র দিয়েছে পরিবেশ অধিদফতর। আর প্রকল্পের জন্য জনবল
নিয়োগ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
http://manobkantha.com/2013/06/09/124793.html

No comments:
Post a Comment