এমএ বাবর:
আশিয়ান গ্রুপের তত্ত্বাবধানে জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের শুরু থেকেই একটি স্বার্থান্বেষী মহল চক্রান্তে লিপ্ত। মহলটি নানাভাবে অপ-প্রচারসহ প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে অন্তরায় সৃষ্টির অপপ্রয়াস চালিয়ে আসছে।
এতদসত্ত্বেও আশিয়ান সিটি ৫ বছরের চুক্তির মাত্র দেড় বছরের মধ্যে প্রকল্পের ৭৫ ভাগ কাজ সমাপ্ত করে ফেলেছে। আর এতে স্বার্থান্বেষী মহলের চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র বেড়ে চলেছে। কেননা, এ প্রকল্পটির কাজে বাধা সৃষ্টি করে নিজেদের স্বার্থ হাসিলই তাদের লক্ষ্য। কিন্তু আশিয়ান গ্রুপ কর্তৃপক্ষের দৃঢ়তা ও কঠোর অবস্থানের জন্য প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। উল্লেখ্য, সেনা আবাসন প্রকল্পের (আর্মি হাউজিং স্কিম) জমি কেনাকে কেন্দ্র করে ২০১০ সালের ২৩ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়ায় গ্রামবাসীর সঙ্গে র্যাব-পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছিল।
আশিয়ান গ্রুপের তত্ত্বাবধানে জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের শুরু থেকেই একটি স্বার্থান্বেষী মহল চক্রান্তে লিপ্ত। মহলটি নানাভাবে অপ-প্রচারসহ প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে অন্তরায় সৃষ্টির অপপ্রয়াস চালিয়ে আসছে।

এতদসত্ত্বেও আশিয়ান সিটি ৫ বছরের চুক্তির মাত্র দেড় বছরের মধ্যে প্রকল্পের ৭৫ ভাগ কাজ সমাপ্ত করে ফেলেছে। আর এতে স্বার্থান্বেষী মহলের চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র বেড়ে চলেছে। কেননা, এ প্রকল্পটির কাজে বাধা সৃষ্টি করে নিজেদের স্বার্থ হাসিলই তাদের লক্ষ্য। কিন্তু আশিয়ান গ্রুপ কর্তৃপক্ষের দৃঢ়তা ও কঠোর অবস্থানের জন্য প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। উল্লেখ্য, সেনা আবাসন প্রকল্পের (আর্মি হাউজিং স্কিম) জমি কেনাকে কেন্দ্র করে ২০১০ সালের ২৩ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়ায় গ্রামবাসীর সঙ্গে র্যাব-পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছিল।
এ সময় সেনাসদস্য, পুলিশসহ অর্ধশত ব্যক্তি আহত হন। গ্রামবাসীর মধ্যে আহত একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরের দিন মারা যান। এ ঘটনার পর সাধারণ মানুষের সঙ্গে বিরোধে না জড়িয়ে সেখানে আর্মি হাউজিং স্কিম না করার সিদ্ধান্ত নেয়। পরে স্থানীয়দের কাছ থেকে ন্যায্যমূল্যে জমি কিনে সেনাসদস্যদের জন্য ইছাপুরায় একটি আবাসন প্রকল্প গড়ে দেয়ার চুক্তি হয় আশিয়ান গ্রুপের সঙ্গে। সে মোতাবেক ২০১১ সালের শেষদিকে ‘জলসিঁড়ি’ আবাসন প্রকল্পের কাজ শুরু হয় আশিয়ান গ্রুপের সঙ্গে। অন্যদিকে ‘জলসিঁড়ি’ আবাসন প্রকল্প শুরুর সঙ্গে সঙ্গে একটি স্বার্থান্বেষী মহল আশিয়ান গ্রুপের বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লাগে। অভিযোগ রয়েছে ওই স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর উসকানিতে আর্মি হাউজিং স্কিম বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। আর তাদের উসকানিতেই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। তাদের উদ্দেশ্য ছিল ওই জমি নিজেদের দখলে আনা। কিন্তু সেই উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন না হওয়ায় প্রথম থেকেই জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় গোষ্ঠীটি। প্রতিপক্ষ একটি আবাসন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তাদের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়ন না করতে পেরে আশিয়ান গ্রুপের বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লাগে। আশিয়ান যাতে সেনা সদস্যদের জন্য ওই প্রকল্প বাস্তবায়ন না করতে পারে সে জন্য নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। নানাভাবে হয়রানি শুরু করে।
সেনাসদস্যদের প্রকল্প গড়ে দিতে গিয়ে আশিয়ান গ্রুপের সব ব্যবসার ওপরে নেমে আসে বিভিন্ন ধরনের চাপ। প্রতিপক্ষ মহল ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন কায়দা কৌশলে আশিয়ান গ্রুপকে নানা ধরনের মামলায় জড়িয়ে দেয়। আর তাদের মালিকানাধীন গণমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। কিন্তু কোনো বাধাই দমিয়ে রাখতে পারেনি আশিয়ান গ্রুপের পথচলা। দ্রুতগতিতে উন্নয়ন কাজ চলছে জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পের। দ্রুত কাজ শেষ করে সেনাসদস্যদের প্লট বুঝিয়ে দেয়ার জন্য সর্বাত্মক প্রয়াস গ্রহণ করা হয়েছে।
গুলশান-২ থেকে ৬ কিলোমিটার দূরে পূর্বাচলে বালুনদীর পারে গড়ে উঠছে আবাসন প্রকল্প জলসিঁড়ি। পূর্বে শীতলক্ষ্যা, পশ্চিমে বালুনদী, উত্তরে রাজউক পূর্বাচল ও দক্ষিণে ১২০ ফুট চওড়া মাদানী এভিনিউজুড়ে গড়ে উঠেছে এই দেশের সবচেয়ে আধুনিক জলসিঁড়ি প্রকল্প। প্রকল্পে থাকছে প্রতিটি ৫ কাঠার প্রায় ৪ হাজার প্লট। ৪০ থেকে ১০০ ফুট প্রশস্ত রাস্তা, মসজিদ, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যাংক-বীমাসহ প্রয়োজনীয় সবই পাবেন হাতের নাগালে। ২০১১ সালের শেষদিকে আশিয়ান গ্রুপ হাতে নেয় প্রকল্পটি।
সেনাসদস্যদের প্রকল্প গড়ে দিতে গিয়ে আশিয়ান গ্রুপের সব ব্যবসার ওপরে নেমে আসে বিভিন্ন ধরনের চাপ। প্রতিপক্ষ মহল ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন কায়দা কৌশলে আশিয়ান গ্রুপকে নানা ধরনের মামলায় জড়িয়ে দেয়। আর তাদের মালিকানাধীন গণমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। কিন্তু কোনো বাধাই দমিয়ে রাখতে পারেনি আশিয়ান গ্রুপের পথচলা। দ্রুতগতিতে উন্নয়ন কাজ চলছে জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পের। দ্রুত কাজ শেষ করে সেনাসদস্যদের প্লট বুঝিয়ে দেয়ার জন্য সর্বাত্মক প্রয়াস গ্রহণ করা হয়েছে।
গুলশান-২ থেকে ৬ কিলোমিটার দূরে পূর্বাচলে বালুনদীর পারে গড়ে উঠছে আবাসন প্রকল্প জলসিঁড়ি। পূর্বে শীতলক্ষ্যা, পশ্চিমে বালুনদী, উত্তরে রাজউক পূর্বাচল ও দক্ষিণে ১২০ ফুট চওড়া মাদানী এভিনিউজুড়ে গড়ে উঠেছে এই দেশের সবচেয়ে আধুনিক জলসিঁড়ি প্রকল্প। প্রকল্পে থাকছে প্রতিটি ৫ কাঠার প্রায় ৪ হাজার প্লট। ৪০ থেকে ১০০ ফুট প্রশস্ত রাস্তা, মসজিদ, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যাংক-বীমাসহ প্রয়োজনীয় সবই পাবেন হাতের নাগালে। ২০১১ সালের শেষদিকে আশিয়ান গ্রুপ হাতে নেয় প্রকল্পটি।

গত দেড় বছরে মাটি ভরাট, লেভেলিংসহ বিভিন্ন উন্নয়নের কাজ প্রায় শেষ। ড্রেজার দিয়ে মাটিখনন করে তৈরি করা হচ্ছে ১৫০ ফুট প্রশস্ত কৃত্রিম লেক। এখানকার বাসিন্দারা পাবেন স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, শপিংমলসহ আধুনিক স্যাটেলাইট শহরের সব সুযোগ-সুবিধা।
http://manobkantha.com/2013/06/26/127257.html
http://manobkantha.com/2013/06/26/127257.html
http://www.emanobkantha.com/2013/06/26/
No comments:
Post a Comment