স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দাবি, সিটি কর্পোরেশনের আয়তন বাড়লে আয় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নাগরিক সেবার মান উন্নয়ন হবে। আর নগর গবেষকদের মতে, বিদ্যমান আয়তনেই ন্যূনতম সেবাটুকু দিতেই ব্যর্থ ঢাকা সিটি কর্পোরেশন (ডিসিসি)। এর ওপর আয়তন বাড়লে নতুন করে নানা ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হবে। ফলে নাগরিক সেবার মান সর্বনিু অবস্থানে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিলুপ্ত ডিসিসির পক্ষ থেকে ২০০৯ সালে কিছু এলাকা কর্পোরেশনের আওতাভুক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। এর মধ্যে ২০১০ সালে সুলতানগঞ্জ ইউনিয়নের কিছু এলাকা সিটি কর্পোরেশনে অন্তর্ভুক্ত করে বিলুপ্ত ডিসিসির ৯১ ও ৯২ নম্বর ওয়ার্ড তৈরি করা হয়। এরপর আবার কয়েকটি এলাকা ডিসিসির আওতায় আনার প্রক্রিয়া শুরু করলে সেসব এলাকার জনপ্রতিনিধি এবং এলাকাবাসীর আপত্তির মুখে তা সম্ভব হয়নি। ২০১০ সালের ২৯ নভেম্বর ডিসিসি দুই ভাগে বিভক্ত হলে নতুন করে উভয় কর্পোরেশনের আয়তন বাড়ানোর পরিকল্পনা নেয়া হয়। ওই পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ডিসেম্বরে সুলতানগঞ্জ ইউনিয়ন ডিএসসিসির আওতাভুক্ত করা হয়। আর চলতি মাসের প্রথম দিকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে ইসিকে চিঠি দিয়ে উল্লিখিত এলাকা ডিসিসির অন্তর্ভুক্ত করার ব্যাপারে অবগত করা হয়।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে ডিসিসির আয়তন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত সঠিক নয় মন্তব্য করে নগর গবেষক অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেন, এতে আগামী ডিসিসি নির্বাচনে দুই অংশের ওয়ার্ডের সীমানা পুনর্র্নির্ধারণ নিয়ে নতুন জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। বিদ্যমান ডিসিসির অধীন নির্বাচন সম্পন্ন করে পরে এর আয়তন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত সঠিক হবে বলে তিনি মনে করেন।
ডিএনসিসির সম্পত্তি কর্মকর্তা কাজী শফিকুল আলম বলেন, উল্লিখিত এলাকাসমূহ কর্পোরেশনের আওতায় আনার পরিকল্পনা প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। এলাকাগুলো কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত হলে এখানকার নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বাড়বে এবং এতে এলাকাবাসীর জীবনমানের উন্নয়ন হবে।
http://manobkantha.com/details_news.php?id=105777&&%20page_id=%206
No comments:
Post a Comment