টাইপ-২ ডায়াবেটিস হওয়ার জন্য কিছু ‘রিস্ক ফ্যাক্টর’ আছে। এগুলোর মধ্যে আছে বয়স ৪৫ বছরের বেশি হওয়া, শরীর বেশি মোটা, পরিবারে বাবা, মা, ভাই কিংবা বোনের কারও ডায়াবেটিস থাকা, শারীরিক পরিশ্রম, হাঁটাহাঁটি বা ব্যায়াম কম করা, রক্তে এইচডিএলের মাত্রা ৩৫-এর কম আর ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা ২৫০-এর বেশি থাকা, রক্তচাপ ১৪০/৯০ মিমি পারদের বেশি থাকা, গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস হওয়া, বেশি ওজনের বাচ্চা প্রসবের ইতিহাস থাকা, খালি পেটে রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা প্রতি ডেসিলিটারে ১১০-১২৫ মিলিগ্রাম (৬.১ মিলিমোল থেকে ৬.৯ মিলিমোল/লিটার) এবং ৭৫ গ্রাম গ্লুকোজ খাওয়ার দুই ঘণ্টা পর রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা প্রতি ডেসিলিটারে ১৪০-১৯৯ মিলিগ্রাম (৭.৮ মিলিমোল থেকে ১১ মিলিমোল/লিটার) হওয়া অর্থাৎ ‘প্রি-ডায়াবেটিক’ হওয়া।
তবে একসঙ্গে বেশি মিষ্টি খেলে হঠাৎ করেই রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেশি হয়ে যায়। এটা একটা সমস্যা। তা ছাড়া মিষ্টি খেয়ে খেয়ে বেশি ক্যালোরি গ্রহণ করে ঠিকমতো হাঁটাহাঁটি বা ব্যায়াম না করলে সে ক্যালোরি শরীরে জমা হয়ে শরীর মোটা হয়।
ডায়াবেটিস হলে মিষ্টি খাওয়া যায় না। মিষ্টি শর্করাজাতীয় খাবার। শরীরে ক্যালোরির চাহিদা হিসাব করে বেশি নয়, সামান্য কিছু তো খাওয়া যাবে। ডায়াবেটিস হলে শুধু মিষ্টি কেন, সব খাবারই হতে হবে স্বাস্থ্যসম্মত এবং পরিমিত। পরিবারে কারও ডায়াবেটিস না থাকলেও অন্য কোনো রিস্ক ফ্যাক্টর উপস্থিত থাকলে ডায়াবেটিস হতে পারে।
No comments:
Post a Comment