এমএ বাবর
বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের চতুর্থ দফায় ৭২ ঘণ্টার অবরোধ শেষে গতকাল শুক্রবার রাজধানী ফিরে যায় আগের চেহারায়। ছুটির দিন হলেও অধিকাংশ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান খোলা থাকায় সকাল থেকেই রাস্তায় ছিল কর্মমুখী মানুষের ঢল। গণপরিবহনে ছিল প্রচণ্ড ভিড়। আর স্থবির জনজীবনে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এলেও আজ শনিবার থেকে আবার ৮৩ ঘণ্টার অবরোধ ঘিরে জনমনে ছিল তীব্র আতঙ্ক। ধারাবাহিক অবরোধ কর্মসূচিতে গোটা দেশে প্রায় অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। অফিস-আদালত, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও স্কুল-কলেজসহ প্রয়োজনীয় সব নাগরিক কাজ থমকে আছে। তাই প্রয়োজনীয় কাজ সারতে ছুটির দিনই সবার ভরসা। অনেকে আবার জরুরি কেনাকাটা করতে সপরিবারে বের হয়েছেন। কিন্তু এই স্বস্তিতে বাধা হয়ে দাঁড়ায় তীব্র যানজট। এদিকে বৃহস্পতিবার রাতে দেশের নানা প্রান্ত থেকে পণ্যবাহী ট্রাকও অনবরত ঢাকায় আসতে শুরু করে, আবার ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে রওনা হয়। এতে বৃহস্পতিবার রাত থেকেই মহাসড়কে সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট।
বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের চতুর্থ দফায় ৭২ ঘণ্টার অবরোধ শেষে গতকাল শুক্রবার রাজধানী ফিরে যায় আগের চেহারায়। ছুটির দিন হলেও অধিকাংশ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান খোলা থাকায় সকাল থেকেই রাস্তায় ছিল কর্মমুখী মানুষের ঢল। গণপরিবহনে ছিল প্রচণ্ড ভিড়। আর স্থবির জনজীবনে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এলেও আজ শনিবার থেকে আবার ৮৩ ঘণ্টার অবরোধ ঘিরে জনমনে ছিল তীব্র আতঙ্ক। ধারাবাহিক অবরোধ কর্মসূচিতে গোটা দেশে প্রায় অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। অফিস-আদালত, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও স্কুল-কলেজসহ প্রয়োজনীয় সব নাগরিক কাজ থমকে আছে। তাই প্রয়োজনীয় কাজ সারতে ছুটির দিনই সবার ভরসা। অনেকে আবার জরুরি কেনাকাটা করতে সপরিবারে বের হয়েছেন। কিন্তু এই স্বস্তিতে বাধা হয়ে দাঁড়ায় তীব্র যানজট। এদিকে বৃহস্পতিবার রাতে দেশের নানা প্রান্ত থেকে পণ্যবাহী ট্রাকও অনবরত ঢাকায় আসতে শুরু করে, আবার ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে রওনা হয়। এতে বৃহস্পতিবার রাত থেকেই মহাসড়কে সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট।
গতকাল সাপ্তাহিক ছুটির দিনও সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক-বীমা প্রতিষ্ঠানগুলো খোলা ছিল। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যথারীতি পরীক্ষাও হয়েছে। নগরীর বিভিন্ন এলাকা, অফিস এবং শপিং মলসহ বিভিন্ন মার্কেটে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। পাশাপাশি প্রত্যেকেরই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কাজ সেরে দ্রুত ঘরে ফেরার তাড়া লক্ষ্য করা গেছে। পুরনো ঢাকার ব্যবসায়িক এলাকা চকবাজার পাইকারি মার্কেটেও সকাল থেকে ভিড় দেখা গেছে। ব্যবসায়ীরা জানান, অবরোধের সময় বিক্রি ছিল মন্দা। প্রতিদিন দোকান খুললেও তেমন কোনো ক্রেতা ছিল না। গতকাল দোকান খুলতে না খুলতেই ক্রেতাদের ভিড় বাড়তে শুরু করে।
এদিকে গতকাল রাজধানীর বিভিন্ন ব্যাংকেও প্রচণ্ড ভিড় দেখা গেছে। গ্রাহকরা দীর্ঘক্ষণ লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে লেনদেন করেছেন। বিরোধীদলীয় জোটের এভাবে ধারাবাহিক অবরোধ কর্মসূচি অপরাজনীতি চর্চা মন্তব্য করে রামপুরা ও প্রগতি সরণি এলাকার কয়েকটি ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলেন, হরতাল-অবরোধ-সহিংসতার আতঙ্কের কারণে কর্মদিবসে অনেক গ্রাহক ব্যাংকে আসেননি। আর বেশিরভাগ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ব্যবসায়িক লেনদেনও ছিল তুলনামূলক কম। কিন্তু আজ (শুক্রবার) ব্যাংক খোলা থাকায় গ্রাহকদের প্রচণ্ড ভিড় হয়েছে
http://manobkantha.com/2013/12/21/151966.html
No comments:
Post a Comment