এম এ বাবর: দীর্ঘ দিনেও রাস্তা, স্যুয়ারেজ ও পানি সমস্যার সমাধান হয়নি রাজধানীর গুলশান থানার কয়েকটি এলাকায়। থানার মহাখালী ও কালাচাঁদপুরের অলি-গলিতে নির্বিঘঘ্ন চলে মাদক বেচাকেনা।
নাগরিক দুর্ভোগের পাশাপাশি মহাখালী সাততলা ব¯ি— এলাকা, হাজারী বাড়ি, আইপিএইচ, টিবি গেট, দক্ষিণপাড়া, রসুলবাগ এলাকায় অনেকটা প্রকাশ্যেই চলে মাদক ব্যবসা। আর মাদক সেবীদের উৎপাতসহ সন্ত্রাসীদের অত্যাচারে এলাকাবাসী জিম্মি। ক্ষমতাসীন দলের নাম ভাঙিয়ে প্রভাবশালী কয়েকটি চক্র এসব কার্যক্রম চালাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। মহাখালি ওয়ারলেস রেলগেট এলাকার ইয়াবা ব্যবসায়ীদের মূল হোত ফয়সাল।
এদিকে নর্দ্দা, কালাচাঁদপুর এলাকায় উদীয়মান তর“ণেরা পরিচালনা করছেন জমজমাট ইয়াব ব্যবসা। প্রকাশ্যে ইয়াবা বেচাকেনার সময় কয়েক দিন আগে পিন্টু নামে এক ব্যবসায়ীকে ডিবি পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। পরে ২০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে রাতেই ছাড়া পেয়ে আবার ব্যবসা শরু করে পিন্টু। জানা গেছে এসব ব্যবসায়ীরা স্থানীয় প্রভাবশালীদের আত্মীয়জন।
এদিকে ক‚টনৈতিক পাড়া হিসাবে খ্যাত গুলশান-বারিধারা এলাকার অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাই ভাঙাচোরা আর যত্রতত্র ময়লা আবর্জনারস্তুপ। এ থানার আওতায় রয়েছে আমেরিকা, ব্রিটেন, জাপান, কোরিয়া, চীন, ফ্রান্স, আফগানিস্থান, থাইল্যান্ড, ইরান, ব্রুনাই, নেপাল, নাইজেরিয়া, ভুটান, মালয়েশিয়া, লিবিয়া, থাইল্যান্ড ও মরক্কোর দূতাবাসসহ শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর দূতাবাস। এলাকাটিতে বিদেশি লোকজনের আনাগোনা থাকে সবসময়।
অন্যদিকে গুলশান থানার আওতায় রয়েছে সরকারি-বেসরকারি ২০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। এসব গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের কারণেও সংশিষ্ট প্রতিষ্ঠান সমূহের আশেপাশের এলাকায় প্রচুর মানুষ বসবাস করে।
সরেজমিন দেখা গেছে, গুলশান-১ চত্বর থেকে গুলশান-২, তেজগাঁও ও মহাখালী অভিমুখের রাস্তার ফুটপাত পথচারীদের চলাচলের অনুপোযগী। এসব রাস্তার ফুটপাতের মাঝেমধ্যে ইট দেবে গর্ত হয়ে গেছে। শাখা রাস্তা বেশির ভাগই ভাঙাচোরা।
গুলশান-২ এর ৫৩ নম্বর রাস্তার মাঝেমধ্যে গর্ত ও রাস্তার দু’পাশে ময়লা আবর্জনাস্তূপ। ৫১ নম্বর রাস্তাটির পুরোটারই ভাঙাচোরা ও ড্রেনেজ সমস্যা। এলাকার বাসিন্দা ইসমাইল জানান, একটু বৃষ্টিতেই রাস্তায় ময়লা দুর্গন্ধ পানি জমে যায়। জলাবদ্ধতার কারণে সে সময় গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বের হওয়া যায় না।
গুলশান-১ এর ৯, ৩৫ ও ৩৬ নম্বর রাস্তাটি খানাখন্দে ভড়া। সরু পয়:নিষ্কাশন ব্যবস্থার করণে একটু বৃষ্টিতে গুলশান এভিনিউর ৯০ ও ৯১ নম্বর রাস্তায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এলাকার ১৫, ১৯, ২১, ২৩, ২৩/এ, ২৩/বি, ২৪, ৩২, ৪৬, ৫৩, ৬২, ৬৩, ৬৪, ৬৫, ৭৬, ৮১, ৯৮, ১০১, ১০৪, ১০৯, ১১০, ১১১, ১১৩, ১৩১, ১৩২, ১৩৩ ও ১৩৪ রাস্তাগুলোয় প্রচুর খানাখন্দ। নিকেতনের একাংশ, নাবিস্কো থেকে মেরুল বাড্ডা সংযোগ রাস্তাটিও ভাঙাচোরা।
মহাখালী দক্ষিণপাড়া এলাকার রাস্তা বলতে কয়েকটি অপরিসর আঁকাবাঁকা গলি। তাও আবার অসংখ্য খানাখন্দে ভরা। রাস্তা প্রসস্থ না হওয়ায় যানবাহন ঢুকতে পারে না এই এলাকায়। রিকশা কিংবা তিন চাকার অটোরিকশা চলাচল করে কোনোমতে। এছাড়া ড্রেনেজ ব্যবস্থাও খুব নাজুক হওয়ায় একটু বৃষ্টিতেই রাস্তায় দীর্ঘক্ষণ জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। আর সিটি কর্পোরেশনের ডাস্টবিন না থাকায় রা¯—ার পার্শ্বে ময়লা ফেলছে এলাকাবাসী। ফলে এলাকায় ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধ থাকে সবসময়।
ওয়্যারলেস থেকে মহাখালী কাঁচা বাজার এবং কলেরা হাসপাতালে থেকে নিকেতন যাওয়ার রাস্তাটি ভাঙাচোরা। এলাকাবাসী জানায়, ড্রেনেজ ও স্যুয়ারেজ লাইনগুলো দীর্ঘদিন সংস্কার করা হয় না। ফলে একটু বৃষ্টি হলেই বক-চ, ছ, সাততলা বস্তি হাজারী বাড়ি, আইপিএইচ, টিবি গেট, দক্ষিণপাড়া, রসুলবাগে হাঁটু পর্যর্ন্ত পানি জমে যায়। আর পুরো এলাকায় মশার উপদ্রব রয়েছে।
কালাচাঁদপুর, নর্দ্দা, বারিধারা এলাকায় দুই লক্ষাধিক মানুষ বসবাস করে। এলাকার প্রধান সড়কগুলো ভাল হলেও গলির ভেতরে বেশকিছু রাস্তা ভাঙাচোরা ও যত্রতত্র ময়লা আবর্জনার স্তুপ। ড্রেনেজ ও স্যুয়ারেজ লাইনের দৈন্যদশা দীর্ঘ দিনের। নর্দ্দার বাসিন্দা ফুলমিয়া বলেন, এলাকায় চুরি, ছিনতাইর ঘটনা মাঝে মাঝে ঘটে। বিশ্বরোডের মাথায় রেললাইন যানজটে অনেক সময় যাত্রীদের হাতে যা-ই থাকে, তা ছিনিয়ে নিয়ে ছিনতাইকারীরা দৌড়ে পালিয়ে যায়।
নর্দ্দা ও কালাচাঁদপুরে অনেকটা প্রকাশ্যেই চলে ইয়াবা বেচাকেনা। পুলিশকে ম্যানেজ করেই এখানে ইয়াবা ব্যবসা চলে বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে এসব ইয়াবা ব্যবসায়ী তর“ণেরা অপ্রতিরোধ্য অবস্থায় যত্রতত্র খদ্দেরের কাছে ইয়াবা বিক্রি করছে।
জানা যায়, কয়েকদিন আগে কালাচাঁদপুর এলাকা পিন্টু নামে এক ইয়াবা ব্যবসায়ীকে আটক করে ডিবি পুলিশ। পরে ২০ হজার টাকা ঘুষ দিয়ে রাতেই সে ছাড়া পেয়ে আবার সে ব্যবসা শুরু করে। এখানের ইয়াবা ব্যবসায়ীরা স্থানীয় প্রভাশালীদের নিকট আÍীয়। মহাখালী ওয়ারলেস গেট এলাকার ইয়াবা ব্যবসার মূল হোতা ফয়সাল। সে শীর্ষ সন্ত্রাশী ইমামের সহযোগী ছিল।
নাগরিক দুর্ভোগের পাশাপাশি মহাখালী সাততলা ব¯ি— এলাকা, হাজারী বাড়ি, আইপিএইচ, টিবি গেট, দক্ষিণপাড়া, রসুলবাগ এলাকায় অনেকটা প্রকাশ্যেই চলে মাদক ব্যবসা। আর মাদক সেবীদের উৎপাতসহ সন্ত্রাসীদের অত্যাচারে এলাকাবাসী জিম্মি। ক্ষমতাসীন দলের নাম ভাঙিয়ে প্রভাবশালী কয়েকটি চক্র এসব কার্যক্রম চালাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। মহাখালি ওয়ারলেস রেলগেট এলাকার ইয়াবা ব্যবসায়ীদের মূল হোত ফয়সাল।
এদিকে নর্দ্দা, কালাচাঁদপুর এলাকায় উদীয়মান তর“ণেরা পরিচালনা করছেন জমজমাট ইয়াব ব্যবসা। প্রকাশ্যে ইয়াবা বেচাকেনার সময় কয়েক দিন আগে পিন্টু নামে এক ব্যবসায়ীকে ডিবি পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। পরে ২০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে রাতেই ছাড়া পেয়ে আবার ব্যবসা শরু করে পিন্টু। জানা গেছে এসব ব্যবসায়ীরা স্থানীয় প্রভাবশালীদের আত্মীয়জন।
এদিকে ক‚টনৈতিক পাড়া হিসাবে খ্যাত গুলশান-বারিধারা এলাকার অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাই ভাঙাচোরা আর যত্রতত্র ময়লা আবর্জনারস্তুপ। এ থানার আওতায় রয়েছে আমেরিকা, ব্রিটেন, জাপান, কোরিয়া, চীন, ফ্রান্স, আফগানিস্থান, থাইল্যান্ড, ইরান, ব্রুনাই, নেপাল, নাইজেরিয়া, ভুটান, মালয়েশিয়া, লিবিয়া, থাইল্যান্ড ও মরক্কোর দূতাবাসসহ শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর দূতাবাস। এলাকাটিতে বিদেশি লোকজনের আনাগোনা থাকে সবসময়।
সরেজমিন দেখা গেছে, গুলশান-১ চত্বর থেকে গুলশান-২, তেজগাঁও ও মহাখালী অভিমুখের রাস্তার ফুটপাত পথচারীদের চলাচলের অনুপোযগী। এসব রাস্তার ফুটপাতের মাঝেমধ্যে ইট দেবে গর্ত হয়ে গেছে। শাখা রাস্তা বেশির ভাগই ভাঙাচোরা।
গুলশান-২ এর ৫৩ নম্বর রাস্তার মাঝেমধ্যে গর্ত ও রাস্তার দু’পাশে ময়লা আবর্জনাস্তূপ। ৫১ নম্বর রাস্তাটির পুরোটারই ভাঙাচোরা ও ড্রেনেজ সমস্যা। এলাকার বাসিন্দা ইসমাইল জানান, একটু বৃষ্টিতেই রাস্তায় ময়লা দুর্গন্ধ পানি জমে যায়। জলাবদ্ধতার কারণে সে সময় গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বের হওয়া যায় না।
গুলশান-১ এর ৯, ৩৫ ও ৩৬ নম্বর রাস্তাটি খানাখন্দে ভড়া। সরু পয়:নিষ্কাশন ব্যবস্থার করণে একটু বৃষ্টিতে গুলশান এভিনিউর ৯০ ও ৯১ নম্বর রাস্তায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এলাকার ১৫, ১৯, ২১, ২৩, ২৩/এ, ২৩/বি, ২৪, ৩২, ৪৬, ৫৩, ৬২, ৬৩, ৬৪, ৬৫, ৭৬, ৮১, ৯৮, ১০১, ১০৪, ১০৯, ১১০, ১১১, ১১৩, ১৩১, ১৩২, ১৩৩ ও ১৩৪ রাস্তাগুলোয় প্রচুর খানাখন্দ। নিকেতনের একাংশ, নাবিস্কো থেকে মেরুল বাড্ডা সংযোগ রাস্তাটিও ভাঙাচোরা।
মহাখালী দক্ষিণপাড়া এলাকার রাস্তা বলতে কয়েকটি অপরিসর আঁকাবাঁকা গলি। তাও আবার অসংখ্য খানাখন্দে ভরা। রাস্তা প্রসস্থ না হওয়ায় যানবাহন ঢুকতে পারে না এই এলাকায়। রিকশা কিংবা তিন চাকার অটোরিকশা চলাচল করে কোনোমতে। এছাড়া ড্রেনেজ ব্যবস্থাও খুব নাজুক হওয়ায় একটু বৃষ্টিতেই রাস্তায় দীর্ঘক্ষণ জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। আর সিটি কর্পোরেশনের ডাস্টবিন না থাকায় রা¯—ার পার্শ্বে ময়লা ফেলছে এলাকাবাসী। ফলে এলাকায় ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধ থাকে সবসময়।
ওয়্যারলেস থেকে মহাখালী কাঁচা বাজার এবং কলেরা হাসপাতালে থেকে নিকেতন যাওয়ার রাস্তাটি ভাঙাচোরা। এলাকাবাসী জানায়, ড্রেনেজ ও স্যুয়ারেজ লাইনগুলো দীর্ঘদিন সংস্কার করা হয় না। ফলে একটু বৃষ্টি হলেই বক-চ, ছ, সাততলা বস্তি হাজারী বাড়ি, আইপিএইচ, টিবি গেট, দক্ষিণপাড়া, রসুলবাগে হাঁটু পর্যর্ন্ত পানি জমে যায়। আর পুরো এলাকায় মশার উপদ্রব রয়েছে।
কালাচাঁদপুর, নর্দ্দা, বারিধারা এলাকায় দুই লক্ষাধিক মানুষ বসবাস করে। এলাকার প্রধান সড়কগুলো ভাল হলেও গলির ভেতরে বেশকিছু রাস্তা ভাঙাচোরা ও যত্রতত্র ময়লা আবর্জনার স্তুপ। ড্রেনেজ ও স্যুয়ারেজ লাইনের দৈন্যদশা দীর্ঘ দিনের। নর্দ্দার বাসিন্দা ফুলমিয়া বলেন, এলাকায় চুরি, ছিনতাইর ঘটনা মাঝে মাঝে ঘটে। বিশ্বরোডের মাথায় রেললাইন যানজটে অনেক সময় যাত্রীদের হাতে যা-ই থাকে, তা ছিনিয়ে নিয়ে ছিনতাইকারীরা দৌড়ে পালিয়ে যায়।
নর্দ্দা ও কালাচাঁদপুরে অনেকটা প্রকাশ্যেই চলে ইয়াবা বেচাকেনা। পুলিশকে ম্যানেজ করেই এখানে ইয়াবা ব্যবসা চলে বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে এসব ইয়াবা ব্যবসায়ী তর“ণেরা অপ্রতিরোধ্য অবস্থায় যত্রতত্র খদ্দেরের কাছে ইয়াবা বিক্রি করছে।
জানা যায়, কয়েকদিন আগে কালাচাঁদপুর এলাকা পিন্টু নামে এক ইয়াবা ব্যবসায়ীকে আটক করে ডিবি পুলিশ। পরে ২০ হজার টাকা ঘুষ দিয়ে রাতেই সে ছাড়া পেয়ে আবার সে ব্যবসা শুরু করে। এখানের ইয়াবা ব্যবসায়ীরা স্থানীয় প্রভাশালীদের নিকট আÍীয়। মহাখালী ওয়ারলেস গেট এলাকার ইয়াবা ব্যবসার মূল হোতা ফয়সাল। সে শীর্ষ সন্ত্রাশী ইমামের সহযোগী ছিল।
No comments:
Post a Comment