সাব্বিন হাসান:
বাংলা একাডেমী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাফিকস ডিজাইন বিভাগ ও প্রধামন্ত্রীর কার্যালয়ের অ্যাকসেস টু ইনফরমেনশনের (এটুআই) যৌথ উদ্যোগে ১২ নভেম্বর সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে বলে সরকারি সূত্র জানিয়েছে।
এ অনুষ্ঠানে বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাফিকস ডিজাইন বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর নাইমা হক এবং অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের প্রকল্প পরিচালক ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) কবির বিন আনোয়ার নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারক সই করবেন।
এ মুহূর্তে দেশীয় অনলাইন আবহে বাংলা ভাষার জন্য একাধিক ফন্ট থাকলেও তা বাংলা একাডেমীর অনুমোদন ছাড়াই প্রস্তুত হচ্ছে। অনেক প্রতিষ্ঠান নিজ উদ্যোগে বাংলা ফন্ট প্রস্তুত করে ব্যবহার ও বিতরণ করছে। এসব ফন্টে যুক্তবর্ণ ও অন্য সব বিষয় ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আর জটিলতা রয়েই যাচ্ছে।
এদিকে প্রমিতকরণের কাজটি অসম্পূর্ণই রয়ে গেছে। এ ছাড়া সরকারের সব সেবাকে ই-সেবাভুক্ত এবং জনসাধারণের কাছে নিয়ে যেতে প্রায় ২৫ হাজার সরকারি অফিসের ওয়েবসাইট তৈরির অপেক্ষায়।
এ ছাড়া সরকারি সেবা সুনিশ্চিত করতে মোবাইল ফোন ব্যবহারের পরিকল্পনাও আছে। এ অবস্থায় সরকারি উদ্যোগে অনলাইনে বাংলা ভাষার চাহিদা বিবেচনায় ইউনিকোড সুবিধার প্রমিত বাংলা ফন্ট প্রস্তুতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তথ্যপ্রযুক্তির সুবিধা দেশের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রকল্প থেকে নানা ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে অনলাইন গণমাধ্যমে বাংলা ভাষাকে জনপ্রিয় করতে জাতীয় ই-তথ্যকোষ এবং মোবাইল ফোনের জন্য প্রমিত বাংলা কিপ্যাড চালু করা হয়েছে। এ ধারাবাহিকতায় ‘আমার বর্ণমালা’ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়।
প্রসঙ্গত, বাংলা একাডেমী বাংলা ভাষা ও ফন্ট বিষয়ক গবেষণা, প্রমিতকরণ, প্রচারণা এবং বিতরণে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী বাংলা একাডেমীর নেতৃত্বে ফন্ট প্রস্তুত কাজে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাফিক্স ডিজাইন বিভাগ কারিগরি এবং অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন প্রকল্পে আর্থিক সহায়তা দেবে।
No comments:
Post a Comment