পুরান ঢাকার ব্যবসায়ীদের আতঙ্ক কমেনি
চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে ডাকাত শহীদের ১২ সহযোগী
জুবায়ের চৌধুরী:
রাজধানীর পুরান ঢাকায় ব্যবসায়ীদের ডাকাত শহীদ আতঙ্ক সহসাই কমছে না। র্যাবের ক্রসফায়ারে ডাকাত শহীদ মারা যাবার পর চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করছে তার ১২ সহযোগী।
আগের মতোই ভূতুরে ফোন ও চিরকুট আতঙ্কে রয়েছেন পুরান ঢাকার ব্যবসায়ীরা। ঈদকে ঘিরে চাঁদার দাবিতে বেপরোয়া হয়ে উঠছে পুরান ঢাকার চিহ্নিত এসব চাঁদাবাজরা। আগে শুধু ডাকাত শহীদের নামেই চাঁদা উঠানো হতো। তার মৃত্যুর পর সহযোগীদের মধ্যে আধিপত্য বি¯—ারের চেষ্টা চলছে। এতে প্রতিনিয়ত আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন ওই এলাকার ব্যবসায়ীরা।
জুবায়ের চৌধুরী:
রাজধানীর পুরান ঢাকায় ব্যবসায়ীদের ডাকাত শহীদ আতঙ্ক সহসাই কমছে না। র্যাবের ক্রসফায়ারে ডাকাত শহীদ মারা যাবার পর চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করছে তার ১২ সহযোগী।
আগের মতোই ভূতুরে ফোন ও চিরকুট আতঙ্কে রয়েছেন পুরান ঢাকার ব্যবসায়ীরা। ঈদকে ঘিরে চাঁদার দাবিতে বেপরোয়া হয়ে উঠছে পুরান ঢাকার চিহ্নিত এসব চাঁদাবাজরা। আগে শুধু ডাকাত শহীদের নামেই চাঁদা উঠানো হতো। তার মৃত্যুর পর সহযোগীদের মধ্যে আধিপত্য বি¯—ারের চেষ্টা চলছে। এতে প্রতিনিয়ত আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন ওই এলাকার ব্যবসায়ীরা।
গোয়েন্দা সূত্র জানায়, পুরান ঢাকার চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ডাকাত শহীদের ১২ সহযোগী। এদের মধ্যে ভাগনে ফার“কের নিয়ন্ত্রণে সূত্রাপুর, দয়াগঞ্জ ও ¯^ামীবাগ, বাংগাল মামুন সূত্রাপুর, পাতা রাসেল দয়াগঞ্জ, মেহের, শুভ ও ফায়সা বাবু নিয়ন্ত্রণ করছে ¯^ামীবাগ, বুদ্ধ লিটন দ¶িণ মৈসুন্দি, চাক্কু হাসান পো¯—গোলা, নুর আলম মুন্সিরচৌকি, মগা লিটন ও ইব্রাহিম নিয়ন্ত্রণ করছেন কড়াইটোলা এলাকা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ¯^র্ণ ব্যবসায়ী মানবকণ্ঠকে জানান, প্রতিবছরই ডাকাত শহীদের নামে নির্দিষ্ট পরিমাণ চাঁদা দিতেন তিনি। কিন্তু তার সহযোগীদের মধ্যে একধরনের প্রতিযোগিতা চলছে কে আগে চাঁদা নিবে। প্রতিদিনই কেউ না কেউ চাঁদা দাবি করছে। ব্যবসায়ীরা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
আরেক ব্যবসায়ী জানান, ঈদ সেলামী হিসেবে ব্যবসায়ীদের কাছে ৫০ হাজার থেকে ৫ লাখ টাকা দাবি করছে তারা। তবে ফোনে চাঁদা দাবির চেয়ে চিরকুট ও রাতের কোন এক সময় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চিঠি ফেলে যাচ্ছে। ব্যবসায়ীরাও সন্ত্রাসীদের চাহিদামত চাঁদা দিয়ে ব্যবসা করছেন।
একজন কাপড় ব্যবসায়ী বলেন, চাঁদাবাজির এ ঘটনা পুলিশ জানে। ব্যবসায়ীরা হয়রানির ভয়ে কোন ঝামেলায় যেতে চান না বেশীরভাগ ব্যবসায়ী। তাছাড়া এসব চাঁদাবাজদের সঙ্গে পুলিশের সখ্য রয়েছে বলেও জানান তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ¯^র্ণ ব্যবসায়ী মানবকণ্ঠকে জানান, প্রতিবছরই ডাকাত শহীদের নামে নির্দিষ্ট পরিমাণ চাঁদা দিতেন তিনি। কিন্তু তার সহযোগীদের মধ্যে একধরনের প্রতিযোগিতা চলছে কে আগে চাঁদা নিবে। প্রতিদিনই কেউ না কেউ চাঁদা দাবি করছে। ব্যবসায়ীরা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
আরেক ব্যবসায়ী জানান, ঈদ সেলামী হিসেবে ব্যবসায়ীদের কাছে ৫০ হাজার থেকে ৫ লাখ টাকা দাবি করছে তারা। তবে ফোনে চাঁদা দাবির চেয়ে চিরকুট ও রাতের কোন এক সময় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চিঠি ফেলে যাচ্ছে। ব্যবসায়ীরাও সন্ত্রাসীদের চাহিদামত চাঁদা দিয়ে ব্যবসা করছেন।
একজন কাপড় ব্যবসায়ী বলেন, চাঁদাবাজির এ ঘটনা পুলিশ জানে। ব্যবসায়ীরা হয়রানির ভয়ে কোন ঝামেলায় যেতে চান না বেশীরভাগ ব্যবসায়ী। তাছাড়া এসব চাঁদাবাজদের সঙ্গে পুলিশের সখ্য রয়েছে বলেও জানান তিনি।
নয়াবাজারের এক রড-সিট ব্যবসায়ী বলেন, ভাগনে ফার“কের নামে গত সপ্তাহে দেড় লাখ টাকা চেয়ে তার কাছে টেলিফোন আসে। ব্যবসায়িক মন্দা দেখিয়ে ৫০ হাজার টাকা দেন তিনি। পুলিশকে জানিয়ে কোন লাভ হয় না। পুলিশের কাছে অভিযোগ করলে চাঁদার পরিমাণ বেড়ে যায় ও প্রাণনাশের আশংকা থাকে। তাই নিয়মিতি চাঁদা দিয়েই তারা ব্যবসা করেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কাশিমপুর কারাগারে বন্দি ডাকাত শহীদের অন্যতম সহযোগী বিদ্যুতের মুক্তির জন্য ৩ লাখ টাকা চেয়ে সম্প্রতি তাঁতীবাজারের এক ব্যবসায়ীর কাছে চিঠি আসে। যাতে বলা হয়েছে ‘জামিনের জন্য তিন লাখ টাকা লাগবে। পুরো টাকা দিলে ভালো হবে। আর না হয় বুঝতেই পারছেন। বস না থাকলেও আমরা কিন্তু এলাকায় আছি।’
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের এডিসি মশিউর রহমান বলেন, ডাকাত শহীদের মৃত্যুর পর তার সহযোগীরা পুরান ঢাকায় তৎপর হয়ে উঠেছে। ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ডাকাত শহীদের সহযোগীদের নামে চাঁদা আদায়ের একাধিক অভিযোগ তাদের কাছে রয়েছে। মোবাইল ফোনে চাঁদাদাবির পাশাপাশি সন্ত্রাসীরা চিরকুটও ব্যবহার করছে। ফলে প্রযুক্তি ব্যবহার করে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করা কঠিন হয়ে পড়েছে। গত শুক্রবার ডাকাত শহীদের অন্যতম সহযোগী ভাগনে ফার“ককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাকীদের ধরার চেষ্টা চলছে।

No comments:
Post a Comment