স্থুলতা বা অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা এখন বিশ্বব্যপী। আর স্থুলতার মূলকারনই হলো আমাদের খাদ্যাভ্যাস। ৩য় বিশ্বের দেশ হয়েও আমাদের দেশের শহুরে
জীবনে এটি ব্যপক মাথাব্যথার কারন । মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের "জেনারেল মোটরস" তাদের স্থুলদেহী কর্মীদের জন্য ডায়েটিশিয়ান দিয়ে এই পদ্ধতি উদ্ভাবন করে ও ব্যবহার করে দারুন ফল পেয়েছিলো। এটি বর্তমানে 'জিএম ডায়েট' নামে পরিচিত এবং বিশ্ব জুড়ে ব্যপক সমাদৃত। এ পদ্ধতি একবার প্রয়োগ করে সাতদিনে আপনি ৩ থেকে ৮ কেজি ওজন কমাতে পারেন। কোনপ্রকারের ব্যয়াম ছাড়াই শুধুমাত্র খাদ্যাভ্যাস পাল্টেই ওজন কমানো সম্ভব এ পদ্ধতিতে।
এটি পুরো ৭ দিনের রুটিন :
জিএম ডায়েট অনুসরন কালে ৭ দিনের প্রতিদিনই শুধুমাত্র ৫ দিন বাদে ১০ গ্লাস করে পানি পান করতে হবে।
১ম দিনঃ কলা ছাড়া যত ইচ্ছা ফল খাওয়া যাবে। আপনাকে প্রথম দিনটি শুধুমাত্র ফল খেয়েই কাটাতে হবে, তবে আপনি যদি শুধুমাত্র তরমুজ ও পেঁপে জাতীয় ফল খেয়ে কাটাতে পারেন, সেক্ষেত্রে আরো ভালো ফল আশা করা যায়।
২য় দিনঃ দ্বিতীয় দিনে খাবেন কেবল মাত্র শাকসবজি। কাঁচা বা রান্না করা যেকোন প্রকারের শাক-শব্জি থাকতে পারে আপনার খাদ্য তালিকায়। তবে মনে রাখবেন শাক সবজি গুলো রান্না হলে তা হতে হবে খুব অল্প তেলে রান্না করা এবং কোন প্রকার মসলা ছাড়া। তবে কার্বোহাইড্রাটের চাহিদা পূরণের জন্য আপনি সকালের নাস্তায় আলু সেদ্ধ খেতে পারেন।
৩য় দিনঃ তৃতীয় দিনে আপনি খেতে পারেন আপনার চাহিদা অনুযায়ী যত ইচ্ছা তত সবজি ও ফলমূল। তবে এই দিনেও আপনাকে বর্জন করতে হবে কলা। আর তৃতীয় দিনে আপনি আলু খেতে পারবেন না।
৪র্থ দিনঃ চতুর্থ দিন আপনাকে কলা আর দুধ খেয়েই থাকতে হবে। তবে সারাদিনে আপনি ৮টির বেশি কলা ও তিন গ্লাসের বেশি দুধ খেতে পারবেন না। এক্ষেত্রে আপনি চাইলে কলা দুধ এক সাথে মাখিয়ে খেতে পারবেন।
৫ম দিনঃ সারাদিনে অল্প পরিমান (২৮০ গ্রাম ) চর্বিহীন মাংশ ও ৬টি টমোটো খেতে পারবেন। তবে এই দিন আপনাকে পানি খাওয়া বাড়িয়ে দিতে হবে। আগের প্রতিদিন ১০ গ্লাস করে পানি খেলেও এই দিনে আপনাকে ১৪ গ্লাস পানি খেতে হবে ।
৬ষ্ঠ দিনঃ ইচ্ছামত চর্বিহীন মাংশ ও শাক সব্জি ।
৭ম দিনঃ লাল চালের ভাত বা রুটি, ফলের রস ও শাক-সব্জি ইচ্ছেমত।
এই পদ্ধতি মাসে একবারের বেশী করা বিপদজনক হতে পারে। এই ৭ দিন কোনভাবেই খাবার নিয়ম বিন্দু পরিমানও বদলানো যাবে না। খাবারের পরিমান এর চাইতে কমানো স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তবে মাসের বাকিদিনগুলিতে বুঝেশুনে খেতে হবে, তা না হলে আগের জায়গায় ফেরত যেতে হবে এটা নিশ্চিত।
এটি পুরো ৭ দিনের রুটিন :
জিএম ডায়েট অনুসরন কালে ৭ দিনের প্রতিদিনই শুধুমাত্র ৫ দিন বাদে ১০ গ্লাস করে পানি পান করতে হবে।
১ম দিনঃ কলা ছাড়া যত ইচ্ছা ফল খাওয়া যাবে। আপনাকে প্রথম দিনটি শুধুমাত্র ফল খেয়েই কাটাতে হবে, তবে আপনি যদি শুধুমাত্র তরমুজ ও পেঁপে জাতীয় ফল খেয়ে কাটাতে পারেন, সেক্ষেত্রে আরো ভালো ফল আশা করা যায়।
২য় দিনঃ দ্বিতীয় দিনে খাবেন কেবল মাত্র শাকসবজি। কাঁচা বা রান্না করা যেকোন প্রকারের শাক-শব্জি থাকতে পারে আপনার খাদ্য তালিকায়। তবে মনে রাখবেন শাক সবজি গুলো রান্না হলে তা হতে হবে খুব অল্প তেলে রান্না করা এবং কোন প্রকার মসলা ছাড়া। তবে কার্বোহাইড্রাটের চাহিদা পূরণের জন্য আপনি সকালের নাস্তায় আলু সেদ্ধ খেতে পারেন।
৩য় দিনঃ তৃতীয় দিনে আপনি খেতে পারেন আপনার চাহিদা অনুযায়ী যত ইচ্ছা তত সবজি ও ফলমূল। তবে এই দিনেও আপনাকে বর্জন করতে হবে কলা। আর তৃতীয় দিনে আপনি আলু খেতে পারবেন না।
৪র্থ দিনঃ চতুর্থ দিন আপনাকে কলা আর দুধ খেয়েই থাকতে হবে। তবে সারাদিনে আপনি ৮টির বেশি কলা ও তিন গ্লাসের বেশি দুধ খেতে পারবেন না। এক্ষেত্রে আপনি চাইলে কলা দুধ এক সাথে মাখিয়ে খেতে পারবেন।
৫ম দিনঃ সারাদিনে অল্প পরিমান (২৮০ গ্রাম ) চর্বিহীন মাংশ ও ৬টি টমোটো খেতে পারবেন। তবে এই দিন আপনাকে পানি খাওয়া বাড়িয়ে দিতে হবে। আগের প্রতিদিন ১০ গ্লাস করে পানি খেলেও এই দিনে আপনাকে ১৪ গ্লাস পানি খেতে হবে ।
৬ষ্ঠ দিনঃ ইচ্ছামত চর্বিহীন মাংশ ও শাক সব্জি ।
৭ম দিনঃ লাল চালের ভাত বা রুটি, ফলের রস ও শাক-সব্জি ইচ্ছেমত।
এই পদ্ধতি মাসে একবারের বেশী করা বিপদজনক হতে পারে। এই ৭ দিন কোনভাবেই খাবার নিয়ম বিন্দু পরিমানও বদলানো যাবে না। খাবারের পরিমান এর চাইতে কমানো স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তবে মাসের বাকিদিনগুলিতে বুঝেশুনে খেতে হবে, তা না হলে আগের জায়গায় ফেরত যেতে হবে এটা নিশ্চিত।
No comments:
Post a Comment