এমএ বাবর
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর রাজধানীর মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভার (যাত্রাবাড়ী-গুলিস্তান) উদ্বোধন হচ্ছে আজ শুক্রবার। উদ্বোধনের পর ফ্লাইওভারের গুলিস্তান থেকে যাত্রাবাড়ীর কুতবখালী অংশ যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হবে। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের প্রথম টোলদাতা হবেন। বেলা ৩টা ১০ মিনিটে ফ্লাইওভারের কুতুবখালী অংশে ফলক উšে§াচনের পর প্রধানমন্ত্রী গাড়িবহরসহ ফ্লাইওভারটি পরিদর্শন করবেন। এ সময় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ও প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন।
প্রধানমন্ত্রী টোল দেয়ার পর তার সঙ্গে থাকা অন্যান্য গাড়িও টোল দিয়ে ফ্লাইওভার পরিদর্শন করবেন। প্রধানমন্ত্রী তার গাড়ির জন্য ৫০ টাকা টোল দেবেন। তার কাছ থেকে টোল নেয়ার মাধ্যমে এই ফ্লাইওভারটি সর্ব সাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে। এছাড়া ফ্লাইওভার পরিদর্শন শেষে বিকেল ৪টায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
রাজধানীর এ অংশের যানজট কমাতে এ ফ্লাইওভার নির্মাণের জন্য ২০০৫ সালের ২১ জুন বেসরকারি কোম্পানি ওরিয়ন গ্রুপের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদন করে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন (সরকারের পক্ষে)। সম্পাদিত চুক্তির পর ২০০৬ সালের জুন মাসে ফ্লাইওভারের কাজ শুরু হয়। ওই সময়ের নকশা অনুযায়ী ৬ দশমিক ৭ কিলোমিটার ফ্লাইওভারটি নির্মাণে ব্যয় ৬৭০ কোটি টাকা ধরা হয়েছিল। কিন্তু ১/১১-পরবর্তী সময়ে প্রকল্পের কাজ বন্ধ হয়ে যায়। তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার কাজ শুরুর আগেই চুক্তি বাতিল করে দেয়। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট সরকার গঠনের পর নতুন নকশায় ফ্লাইওভারটি নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়।
আর যাত্রাবাড়ী-গুলিস্তান ফ্লাইওভারের নাম পরিবর্তন করে নাম দেয়া হয় মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভার। নকশায় পরিবর্তন আনায় প্রায় ১১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে এ ফ্লাইওভারের নতুন নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা। দেশে প্রথম সম্পূর্ণ বেসরকারি অর্থায়নে বিওওটি পদ্ধতিতে এ ফ্লাইওভারটি নির্মিত হচ্ছে। ২০১০ সালে ২২ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে গুলিস্তান-যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভার নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এদিকে ফ্লাইওভারটি উদ্বোধনের জন্য চার দফা তারিখ দেয়া হলেও নির্মাণ কাজ শেষ না হওয়ায় তা পিছিয়ে দেয়া হয়। সম্পূর্ণ ফ্লাইওভারের কাজ শেষ করতে সম্প্রতি আরো এক বছর সময় চেয়েছিল ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান।
ওই আবেদন বিবেচনায় এনে সেপ্টেম্বরের মধ্যে যাত্রাবাড়ী-গুলিস্তান ফ্লাইওভার অংশের কাজ শেষ করার নির্দেশ দেয় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। বাকি কাজ আগামী জুন মাসের মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশ দেয়া হয়। অন্যদিকে গত ৬ সেপ্টেম্বর মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করে ২৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
এ ফ্লাইওভার পরিপূর্ণভাবে চালু হলে শনির আখড়া থেকে যে কোনো যানবাহন সোজা পলাশী গিয়ে নামতে পারবে। একইভাবে পলাশী থেকে সোজা শনির আখড়া বা ডেমরা রোডে নামার সুযোগ থাকবে। পাশাপাশি গুলিস্তান, জয়কালী মন্দির, সায়েদাবাদ ও যাত্রাবাড়ী পয়েন্ট থেকে যানবাহন উঠতে-নামতে পারবে। চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল ও খুলনা বিভাগ থেকে আসা সব গাড়িই ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে। এছাড়া নগরীর পূর্ব-পশ্চিমের যোগাযোগ ব্যবস্থাও সহজ হবে।
http://manobkantha.com/2013/09/21/139701.html
প্রধানমন্ত্রী টোল দেয়ার পর তার সঙ্গে থাকা অন্যান্য গাড়িও টোল দিয়ে ফ্লাইওভার পরিদর্শন করবেন। প্রধানমন্ত্রী তার গাড়ির জন্য ৫০ টাকা টোল দেবেন। তার কাছ থেকে টোল নেয়ার মাধ্যমে এই ফ্লাইওভারটি সর্ব সাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে। এছাড়া ফ্লাইওভার পরিদর্শন শেষে বিকেল ৪টায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
রাজধানীর এ অংশের যানজট কমাতে এ ফ্লাইওভার নির্মাণের জন্য ২০০৫ সালের ২১ জুন বেসরকারি কোম্পানি ওরিয়ন গ্রুপের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদন করে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন (সরকারের পক্ষে)। সম্পাদিত চুক্তির পর ২০০৬ সালের জুন মাসে ফ্লাইওভারের কাজ শুরু হয়। ওই সময়ের নকশা অনুযায়ী ৬ দশমিক ৭ কিলোমিটার ফ্লাইওভারটি নির্মাণে ব্যয় ৬৭০ কোটি টাকা ধরা হয়েছিল। কিন্তু ১/১১-পরবর্তী সময়ে প্রকল্পের কাজ বন্ধ হয়ে যায়। তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার কাজ শুরুর আগেই চুক্তি বাতিল করে দেয়। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট সরকার গঠনের পর নতুন নকশায় ফ্লাইওভারটি নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়।
এদিকে ফ্লাইওভারটি উদ্বোধনের জন্য চার দফা তারিখ দেয়া হলেও নির্মাণ কাজ শেষ না হওয়ায় তা পিছিয়ে দেয়া হয়। সম্পূর্ণ ফ্লাইওভারের কাজ শেষ করতে সম্প্রতি আরো এক বছর সময় চেয়েছিল ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান।
ওই আবেদন বিবেচনায় এনে সেপ্টেম্বরের মধ্যে যাত্রাবাড়ী-গুলিস্তান ফ্লাইওভার অংশের কাজ শেষ করার নির্দেশ দেয় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। বাকি কাজ আগামী জুন মাসের মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশ দেয়া হয়। অন্যদিকে গত ৬ সেপ্টেম্বর মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করে ২৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
এ ফ্লাইওভার পরিপূর্ণভাবে চালু হলে শনির আখড়া থেকে যে কোনো যানবাহন সোজা পলাশী গিয়ে নামতে পারবে। একইভাবে পলাশী থেকে সোজা শনির আখড়া বা ডেমরা রোডে নামার সুযোগ থাকবে। পাশাপাশি গুলিস্তান, জয়কালী মন্দির, সায়েদাবাদ ও যাত্রাবাড়ী পয়েন্ট থেকে যানবাহন উঠতে-নামতে পারবে। চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল ও খুলনা বিভাগ থেকে আসা সব গাড়িই ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে। এছাড়া নগরীর পূর্ব-পশ্চিমের যোগাযোগ ব্যবস্থাও সহজ হবে।
http://manobkantha.com/2013/09/21/139701.html
No comments:
Post a Comment