ঘনিয়ে আসছে ঈদ-উল-আযহা বা কোরবানির ঈদ। একদিকে যেমন সবার প্রিয়জনের
সাথে ঈদ উদযাপনের জন্য ঘরে ফেরার তাড়া বাড়ছে, আরেক দিকে জমে উঠেছে
কোরবানির পশুর বাজার। 
ইতোমধ্যেই হাটগুলোতে কোরবানির জন্য পশু আসা শুরু হয়ে
গিয়েছে। ক্রেতারাও হাটে হাটে ঘুরে তাদের পছন্দমত পশুটি কিনতে চেষ্টা
করছেন। ক্রেতা-বিক্রেতার হাঁক-ডাকে তাই ঈদের আনন্দ যেন ঈদের কয়েক দিন আগেই
শুরু হয়ে যায়। তবে যেহেতু কোরবানি দেয়া ধর্মীয় দিক থেকে খুব
গুরত্বপূর্ণ বিষয় এবং একটি পশু কেনার জন্য আপনাকে বেশ অর্থ ব্যয় করতে
হবে, সেজন্য একটু দেখে-শুনে কোরবানির পশুটি কেনাই ভালো। নয়তো দেখা গেল,
ঈদের আগেই আপনার কেনা পশুটি হয়তো অসুস্থ হয়ে গেল। তাই কেনার আগেই জেনে
নিন কিভাবে সুস্থ পশু চিনবেন-(১)নিজে না চিনলে অভিজ্ঞ কাউকে সাথে নিয়ে
যাবেন, যিনি সুস্থ গরু দেখে চিনতে পারেন। কোরবানির জন্য দুই বছরের কম
বয়সের গরু বা মহিষ এবং ৬ মাসের কম বয়সের ছাগল বা ভেড়া কোনভাবেই উপযুক্ত
নয়।
(২) দিনের আলো থাকত থাকতেই গরু কিনে ফেলুন, কারণ রাতের বেলায় অনেক সময় রোগাক্রান্ত গরু দেখে বুঝতে অসুবিধা হতে পারে।
(৩) গরুর মুখের সামনে কিছু খাবার ধরুন। গরু যদি নিজ থেকে জিব দিয়ে খাবার টেনে নিয়ে খেতে থাকে তবে বোঝা যাবে গরুটি সুস্থ। কারণ গরু যদি অসুস্থ হয়, তবে সে খাবার খেতে চায় না।
(৪) সুস্থ গরুর নাকের উপরটা ভেজা ভেজা থাকে।
(৫) গাভী না কেনাই ভালো। কেনার আগে নিশ্চিত হয়ে নিতে চেষ্টা করুন গাভীটি গর্ভবতী কিনা। গর্ভবতী গরু কিন্তু কোরবানি দেয়া যায় না।
(৬) সুস্থ গরুর পিঠের কুঁজ মোটা ও টান টান হয়।
(২) দিনের আলো থাকত থাকতেই গরু কিনে ফেলুন, কারণ রাতের বেলায় অনেক সময় রোগাক্রান্ত গরু দেখে বুঝতে অসুবিধা হতে পারে।
(৩) গরুর মুখের সামনে কিছু খাবার ধরুন। গরু যদি নিজ থেকে জিব দিয়ে খাবার টেনে নিয়ে খেতে থাকে তবে বোঝা যাবে গরুটি সুস্থ। কারণ গরু যদি অসুস্থ হয়, তবে সে খাবার খেতে চায় না।
(৪) সুস্থ গরুর নাকের উপরটা ভেজা ভেজা থাকে।
(৫) গাভী না কেনাই ভালো। কেনার আগে নিশ্চিত হয়ে নিতে চেষ্টা করুন গাভীটি গর্ভবতী কিনা। গর্ভবতী গরু কিন্তু কোরবানি দেয়া যায় না।
(৬) সুস্থ গরুর পিঠের কুঁজ মোটা ও টান টান হয়।
(৭) দেশি গরু কিনতে চেষ্টা করুন। কারণ সীমান্ত পার হয়ে আসা গরুগুলো
অনেক দূর থেকে আসে বলে ক্লান্ত হয়, আর অনেক সময় ছোট-খাট আঘাতপ্রাপ্তও
হয়। আর দুর্বল গরু সুস্থ নাকি অসুস্থ সেটা বোঝা বেশ কষ্টকর।
(৮) মোটা গরু মানেই কিন্তু সুস্থ গরু নয়। মোটা গরুতে চর্বি অনেক বেশি হয়, যা খাওয়ার পর মানুষের স্বাস্থ্যের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। আর এ ধরণের অস্বাভাবিক মোটা গরু কিন্তু বিভিন্ন ওষুধ প্রয়োগ করেও মোটাতাজা করা হতে পারে। তাই সাবধান থাকুন।
(৯)পশু কেনার আগে এর শরীরের কোথাও ক্ষত আছে কিনা পরীক্ষা করে নিন।
(১০) শিং ভাঙ্গা আছে কিনা, লেজ, মুখ, দাঁত, খুর এসব কিছুই পরীক্ষা করে দেখুন, কোন ত্রুটি চোখে পড়ে কিনা।
সুস্থ পশু চিনে ক্রয় করুন। আপনার কোরবানি হোক ঝুঁকিমুক্ত। ঈদ হোক আনন্দময়।
(৮) মোটা গরু মানেই কিন্তু সুস্থ গরু নয়। মোটা গরুতে চর্বি অনেক বেশি হয়, যা খাওয়ার পর মানুষের স্বাস্থ্যের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। আর এ ধরণের অস্বাভাবিক মোটা গরু কিন্তু বিভিন্ন ওষুধ প্রয়োগ করেও মোটাতাজা করা হতে পারে। তাই সাবধান থাকুন।
(৯)পশু কেনার আগে এর শরীরের কোথাও ক্ষত আছে কিনা পরীক্ষা করে নিন।
(১০) শিং ভাঙ্গা আছে কিনা, লেজ, মুখ, দাঁত, খুর এসব কিছুই পরীক্ষা করে দেখুন, কোন ত্রুটি চোখে পড়ে কিনা।
সুস্থ পশু চিনে ক্রয় করুন। আপনার কোরবানি হোক ঝুঁকিমুক্ত। ঈদ হোক আনন্দময়।
No comments:
Post a Comment