এমএ বাবর
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর রাজধানীর মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের যাত্রাবাড়ী-গুলিস্তান অংশের উদ্বোধন হচ্ছে অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে। তবে উদ্বোধনের পর ফ্লাইওভারের গুলিস্তান থেকে ধলপুর অংশ যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হবে। বাকি অংশের কাজ ২০১৪ সালের মধ্যে সম্পন্ন করার পর চালু হবে।
এদিকে সম্পূর্ণ বেসরকারি অর্থায়নে নির্মিত এ ফ্লাইওভারে যানবাহন চলাচলে কোন ধরনের গাড়ির জন্য কত টোল দিতে হবে তা নিয়ে লুকোচুরি করছে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান ওরিয়ন গ্রুপ ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। এ নিয়ে আবেদন করেও তথ্য পাওয়া যায়নি। উদ্বোধনের আগে টোলের পরিমাণ গণমাধ্যমে প্রকাশ করতে চাইছে না তারা। রাজধানীর এ অংশের যানজট কমাতে এ ফ্লাইওভার নির্মাণের জন্য ২০০৫ সালের ২১ জুন বেসরকারি কোম্পানি ওরিয়ন গ্রুপের সঙ্গে সরকারের পক্ষে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন চুক্তি করে।
২০০৬ সালের জুন মাসে ফ্লাইওভারের কাজ শুরু হয়। ওই সময়ের নকশা অনুযায়ী ৬ দশমিক ৭ কিলোমিটার ফ্লাইওভারটি নির্মাণে ব্যয় ৬৭০ কোটি টাকা ধরা হয়েছিল। কিন্তু ১/১১-পরবর্তী সময়ে প্রকল্পের কাজ বন্ধ হয়ে যায়। তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার কাজ শুরুর আগেই চুক্তি বাতিল করে দেয়। পরে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট সরকার গঠনের পর নতুন নকশায় ফ্লাইওভার নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়।
আর যাত্রাবাড়ী-গুলিস্তান ফ্লাইওভারের নাম মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভার রাখা হয়। নকশায় পরিবর্তন আনায় প্রায় ১১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে এ ফ্লাইওভারের নতুন নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা। দেশে প্রথম সম্পূর্ণ বেসরকারি অর্থায়নে বিওওটি পদ্ধতিতে এ ফ্লাইওভারটি নির্মাণ করা হচ্ছে। ২০১০ সালে ২২ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এদিকে ফ্লাইওভারটি উদ্বোধনের জন্য চার দফা তারিখ দেয়া হলেও নির্মাণ কাজ শেষ না হওয়ায় তা পিছিয়ে দেয়া হয়। সম্পূর্ণ ফ্লাইওভারের কাজ শেষ করতে সম্প্রতি আরো এক বছর সময় চেয়েছিল ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। এ আবেদন বিবেচনায় এনে সেপ্টেম্বরের মধ্যে ফ্লাইওভারের যাত্রাবাড়ী-গুলিস্তান অংশের কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। বাকি কাজ আগামী জুন মাসের মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশ দেয়া হয়। অন্যদিকে গত ৬ অক্টোবর মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করে ২৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। কিন্তু নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ওরিয়ন ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেডকে চিঠি দিয়ে এ প্রকল্পের পরিচালক (ডিএসসিসি) প্রকৌশলী আশিকুর রহমানকে জানিয়েছে, কোনোভাবেই ১০ অক্টোবরের আগে এ প্রকল্প উদ্বোধন সম্ভব নয়। ফলে আগামী ১০ অক্টোবরের আগে উদ্বোধন হচ্ছে না মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভার। পুরো ফ্লাইওভারটি চালু হলে শনির আখড়া থেকে যে কোনো যানবাহন সোজা পলাশী গিয়ে নামতে পারবে। একইভাবে পলাশী থেকে সোজা শনির আখড়া বা ডেমরা রোডে নামার সুযোগ থাকবে। পাশাপাশি গুলিস্তান, জয়কালী মন্দির, সায়েদাবাদ ও যাত্রাবাড়ী পয়েন্ট থেকে যানবাহন উঠতে-নামতে পারবে। এছাড়াও ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল ও খুলনা বিভাগ থেকে আসা সব গাড়িই। এছাড়া নগরীর পূর্ব-পশ্চিমের যোগাযোগ ব্যবস্থাও সহজ হবে।
এদিকে সম্প্রতি যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু আলম মো. শহিদ খান মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের জানান, নকশা পরিবর্তনের কারণে নির্মাণ ব্যয় বাড়লেও যানবাহনের টোলের হার বাড়বে না। কিন্তু যানবাহনের টোলের হার কত ধরা হয়েছে তাৎক্ষণিকভাবে তারা জানাতে পারেনি। অন্যদিকে এ ফ্লাইওভারে যানবাহনের টোলের হার জানতে ওরিয়ন গ্রুপ ও ডিএসসিসির কাছে মানবকণ্ঠ থেকে যোগাযোগ করা হলে কেউ তথ্য দিতে রাজি হয়নি। পরে ১৮ সেপ্টেম্বর টোলের হার জানতে মানবকণ্ঠের পক্ষ থেকে ডিএসসিসিতে লিখিত আবেদন করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ডিএসসিসি থেকে একটি প্রতিবেদন দেয়া হলেও টোলের হার জানানো হয়নি। মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের প্রকল্প পরিচালক আশিকুর রহমান স্বাক্ষরিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০৩ সালে প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ফ্লাইওভারের টোলের হার ধার্য করা হয়েছে। শুধু ফ্লাইওভার ব্যবহারকারী যানবাহনের জন্য টোল আদায়ে (ওরয়িন গ্রুপ) অনুমোদিত কনসেশন পিরিয়ড ২৪ বছর। ফ্লাইওভার ব্যবহারকারী যানবাহনের জন্য অনুমোদিত হারে টোল দিতে হবে। ফ্লাইওভারের নিচের রাস্তা চলাচলকারী যানবাহনকে কোনো টোল দিতে হবে না।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের এক সূত্রে অবশ্য টোলের হার জানা গেছে। এ হার হচ্ছে- দুই চাকার যানের টোল পাঁচ টাকা, সিএনজি অটোরিকশা ১০ টাকা, প্রাইভেটকার ৩৫ টাকা, জিপ ৪০ টাকা, মাইক্রোবাস ৫০ টাকা, পিকআপ ৭৫ টাকা, বাস ১০০ টাকা, ট্রাক ১০০ টাকা, ছয় চাকার ট্রাক দেড়শ টাকা ও ট্রেইলর ২০০ টাকা। সেমি ডিজিটাল ও ডিজিটাল পদ্ধতিতে এ টোল দেয়ার সুযোগ থাকবে। যে কেনো স্থান থেকে উঠলেই এ ভাড়া প্রযোজ্য হবে।
ফ্লাইওভার প্রসঙ্গে প্রকল্প পরিচালক ও ডিএসসিসির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আশিকুর রহমান বলেন, শুরু থেকে কাজের খুব ভালো অগ্রগতি হচ্ছিল। কিন্তু বৃষ্টি ও অনাকাক্সিক্ষত হরতাল-অবরোধ কর্মসূচির জন্য নির্মাণ কাজ পিছিয়ে যায়। যত দ্রুত সম্ভব কাজ শেষ করে পুরো ফ্লাইওভারটি চালু হবে। তবে উদ্বোধনের আগে টোলের হার সম্পর্কে কোনো তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন তিনি।
- See more at: http://www.manobkantha.com/2013/09/21/139701.html#sthash.piOVJ0gV.dpuf
এদিকে সম্পূর্ণ বেসরকারি অর্থায়নে নির্মিত এ ফ্লাইওভারে যানবাহন চলাচলে কোন ধরনের গাড়ির জন্য কত টোল দিতে হবে তা নিয়ে লুকোচুরি করছে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান ওরিয়ন গ্রুপ ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। এ নিয়ে আবেদন করেও তথ্য পাওয়া যায়নি। উদ্বোধনের আগে টোলের পরিমাণ গণমাধ্যমে প্রকাশ করতে চাইছে না তারা। রাজধানীর এ অংশের যানজট কমাতে এ ফ্লাইওভার নির্মাণের জন্য ২০০৫ সালের ২১ জুন বেসরকারি কোম্পানি ওরিয়ন গ্রুপের সঙ্গে সরকারের পক্ষে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন চুক্তি করে।
২০০৬ সালের জুন মাসে ফ্লাইওভারের কাজ শুরু হয়। ওই সময়ের নকশা অনুযায়ী ৬ দশমিক ৭ কিলোমিটার ফ্লাইওভারটি নির্মাণে ব্যয় ৬৭০ কোটি টাকা ধরা হয়েছিল। কিন্তু ১/১১-পরবর্তী সময়ে প্রকল্পের কাজ বন্ধ হয়ে যায়। তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার কাজ শুরুর আগেই চুক্তি বাতিল করে দেয়। পরে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট সরকার গঠনের পর নতুন নকশায় ফ্লাইওভার নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়।
আর যাত্রাবাড়ী-গুলিস্তান ফ্লাইওভারের নাম মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভার রাখা হয়। নকশায় পরিবর্তন আনায় প্রায় ১১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে এ ফ্লাইওভারের নতুন নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা। দেশে প্রথম সম্পূর্ণ বেসরকারি অর্থায়নে বিওওটি পদ্ধতিতে এ ফ্লাইওভারটি নির্মাণ করা হচ্ছে। ২০১০ সালে ২২ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এদিকে ফ্লাইওভারটি উদ্বোধনের জন্য চার দফা তারিখ দেয়া হলেও নির্মাণ কাজ শেষ না হওয়ায় তা পিছিয়ে দেয়া হয়। সম্পূর্ণ ফ্লাইওভারের কাজ শেষ করতে সম্প্রতি আরো এক বছর সময় চেয়েছিল ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। এ আবেদন বিবেচনায় এনে সেপ্টেম্বরের মধ্যে ফ্লাইওভারের যাত্রাবাড়ী-গুলিস্তান অংশের কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। বাকি কাজ আগামী জুন মাসের মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশ দেয়া হয়। অন্যদিকে গত ৬ অক্টোবর মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করে ২৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। কিন্তু নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ওরিয়ন ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেডকে চিঠি দিয়ে এ প্রকল্পের পরিচালক (ডিএসসিসি) প্রকৌশলী আশিকুর রহমানকে জানিয়েছে, কোনোভাবেই ১০ অক্টোবরের আগে এ প্রকল্প উদ্বোধন সম্ভব নয়। ফলে আগামী ১০ অক্টোবরের আগে উদ্বোধন হচ্ছে না মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভার। পুরো ফ্লাইওভারটি চালু হলে শনির আখড়া থেকে যে কোনো যানবাহন সোজা পলাশী গিয়ে নামতে পারবে। একইভাবে পলাশী থেকে সোজা শনির আখড়া বা ডেমরা রোডে নামার সুযোগ থাকবে। পাশাপাশি গুলিস্তান, জয়কালী মন্দির, সায়েদাবাদ ও যাত্রাবাড়ী পয়েন্ট থেকে যানবাহন উঠতে-নামতে পারবে। এছাড়াও ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল ও খুলনা বিভাগ থেকে আসা সব গাড়িই। এছাড়া নগরীর পূর্ব-পশ্চিমের যোগাযোগ ব্যবস্থাও সহজ হবে।
এদিকে সম্প্রতি যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু আলম মো. শহিদ খান মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের জানান, নকশা পরিবর্তনের কারণে নির্মাণ ব্যয় বাড়লেও যানবাহনের টোলের হার বাড়বে না। কিন্তু যানবাহনের টোলের হার কত ধরা হয়েছে তাৎক্ষণিকভাবে তারা জানাতে পারেনি। অন্যদিকে এ ফ্লাইওভারে যানবাহনের টোলের হার জানতে ওরিয়ন গ্রুপ ও ডিএসসিসির কাছে মানবকণ্ঠ থেকে যোগাযোগ করা হলে কেউ তথ্য দিতে রাজি হয়নি। পরে ১৮ সেপ্টেম্বর টোলের হার জানতে মানবকণ্ঠের পক্ষ থেকে ডিএসসিসিতে লিখিত আবেদন করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ডিএসসিসি থেকে একটি প্রতিবেদন দেয়া হলেও টোলের হার জানানো হয়নি। মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের প্রকল্প পরিচালক আশিকুর রহমান স্বাক্ষরিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০৩ সালে প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ফ্লাইওভারের টোলের হার ধার্য করা হয়েছে। শুধু ফ্লাইওভার ব্যবহারকারী যানবাহনের জন্য টোল আদায়ে (ওরয়িন গ্রুপ) অনুমোদিত কনসেশন পিরিয়ড ২৪ বছর। ফ্লাইওভার ব্যবহারকারী যানবাহনের জন্য অনুমোদিত হারে টোল দিতে হবে। ফ্লাইওভারের নিচের রাস্তা চলাচলকারী যানবাহনকে কোনো টোল দিতে হবে না।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের এক সূত্রে অবশ্য টোলের হার জানা গেছে। এ হার হচ্ছে- দুই চাকার যানের টোল পাঁচ টাকা, সিএনজি অটোরিকশা ১০ টাকা, প্রাইভেটকার ৩৫ টাকা, জিপ ৪০ টাকা, মাইক্রোবাস ৫০ টাকা, পিকআপ ৭৫ টাকা, বাস ১০০ টাকা, ট্রাক ১০০ টাকা, ছয় চাকার ট্রাক দেড়শ টাকা ও ট্রেইলর ২০০ টাকা। সেমি ডিজিটাল ও ডিজিটাল পদ্ধতিতে এ টোল দেয়ার সুযোগ থাকবে। যে কেনো স্থান থেকে উঠলেই এ ভাড়া প্রযোজ্য হবে।
ফ্লাইওভার প্রসঙ্গে প্রকল্প পরিচালক ও ডিএসসিসির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আশিকুর রহমান বলেন, শুরু থেকে কাজের খুব ভালো অগ্রগতি হচ্ছিল। কিন্তু বৃষ্টি ও অনাকাক্সিক্ষত হরতাল-অবরোধ কর্মসূচির জন্য নির্মাণ কাজ পিছিয়ে যায়। যত দ্রুত সম্ভব কাজ শেষ করে পুরো ফ্লাইওভারটি চালু হবে। তবে উদ্বোধনের আগে টোলের হার সম্পর্কে কোনো তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন তিনি।
- See more at: http://www.manobkantha.com/2013/09/21/139701.html#sthash.piOVJ0gV.dpuf
No comments:
Post a Comment