খাবারের পরিমাণ:
প্রেগনেন্সির সময় পরিমাণে নিজের নর্মাল খাবারের দু গুণ খেতে হয়, এই ধারণা ঠিক নয়। নিজের খাবারের সঙ্গে সঙ্গে আর একজন ছোট শিশুর যতটা খাবার দরকার ততটা খাবার ডায়েট রাখতে হয়। অতিরিক্ত খাবার না খেয়ে, নিয়মিত হেলদি খাবার খাওয়া দরকার।
ওজন:
এই সময় প্রায় ৯-১১ কেজি ওজন বাড়া উচিত। তবে প্রেগন্যান্ট হওয়ার আগে একজনের ওজন কত ছিল, ছেলেমেয়ে কজন আছে তার ওপরে ওজন বাড়া-কমাটা নির্ভর করে।
কোন মাসে কীরকম ডায়েট:
* প্রেগনেন্সিতে প্রয়োজন ব্যালেন্সড ডায়েট। প্রথম কয়েক মাসে এনার্জি বেশি দরকার হয়। কারণ এই মাসে কোষগুলো তৈরি হতে থাকে। রাতের বদলে দুপুরে হাই প্রোটিন খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। রাতের চেয়ে দুপুরে খাবার সহজে হজম হয়।
* প্রেগনেন্সির শেষ কয়েক মাসে মায়ের শরীর থেকে ক্যালসিয়াম বাচ্চার শরীরে প্রবশ করতে শুরু করে। তাই কমলালেবু, সবুজ শাকপাতা, তিলের বীজ, জুমুর ইত্যাদি খেয়ে ডায়েট রাখুন।
* বেশি ক্যামিকেল বা কীটনাশক খাবার এই সময় খেলে বাচ্চার শারীরিক ও মানসিক স্বাস্হ্যের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে।
প্রেগনেন্সির সময় সতর্কতা:
* বেশি তেলমশলাযুক্ত খাবার এড়িযে চলুন।
* অনেক্ষন খালি পেটে থাকবেন না। বারে বারে অল্প করে খান।
* ছাকা তেলে ভাজা খাবর কম খান।
* খিদে পেলে ঠান্ডা দুধ বা এমন কিছু খান যার ফলে অ্যাসিডিটি হওয়ার সম্ভাবনা কম।
তাই প্রেগনেন্সির সময় ছোট ছোট ভাগে বার বার খান। বিশিষ করে বাইরে বেরোনোর কাজ খুব না থাকলে, ঘরে থাকলে বারে বারে খাবার খেলে অসুবিধিা হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে সে ক্ষে্ত্রে অতিরিক্ত ফ্যাটজাতীয় খাবার কম খাওয়ার চেষ্টা করুন।
No comments:
Post a Comment