এম এ বাবর
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মশক নিধন প্রকল্পের দেড় কোটি টাকা লোপাটের অপচেষ্টা চলছে। অভিযোগ রয়েছে, সংস্থার উচ্চপর্যায়ের কয়েক কর্মকর্তা ও ঠিকাদারের সমন্বিত সিন্ডিকেট টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম করে মশক নিধন ওষুধ অ্যাডলডি সাইড ও লার্ভিসাইড ক্রয়ের নামে উল্লিখিত পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ থেকে গত জুলাই মাসে মশক নিধনের ওষুধ ক্রয়ের জন্য দুই দফায় টেন্ডার আহ্বান করে ডিএনসিসি। সর্বশেষ ১৯ আগস্ট পুনরায় টেন্ডার আহ্বান করা হয়। কিন্তু ওই টেন্ডারের নথিপত্র টেন্ডার (টেক) কমিটির বৈঠকে উপস্থাপন না করে দেড় মাস অতিবাহিত করেছেন ডিএনসিসির প্রধান ক্রয় ও ভাণ্ডার কর্মকর্তা। টেন্ডারের নিয়ম বিধিতে বলা আছে টেন্ডার আহ্বানের সাত কার্যদিবসের মধ্যে টেন্ডার কমিটিতে উপস্থাপন করতে হবে। কিন্তু ডিএনসিসির কর্মকর্তারা তা না করে ঠিকাদারদের সঙ্গে গোপন আঁতাতের মাধ্যমে সময়ক্ষেপণ করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সূত্র জানায়, গত ৩ অক্টোবর টেন্ডার কমিটির বৈঠকে দ্বিতীয় দফা পুনরায় টেন্ডারে অংশ নেয়া কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের দরপত্র উপস্থাপন করেন প্রধান ক্রয় ও ভাণ্ডার কর্মকর্তা। এখানে সর্বনি¤œ দরদাতার দরপত্রটির বাজার যাচাই করে ওষুধ ক্রয়ের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটির সদস্যরা হলেন আঞ্চলিক সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ইমদাদুল হক, সহকারী ক্রয় কর্মকর্তা আবদুল মালেক ও একজন সহকারী স্টোরকিপার।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মশক নিধন প্রকল্পের দেড় কোটি টাকা লোপাটের অপচেষ্টা চলছে। অভিযোগ রয়েছে, সংস্থার উচ্চপর্যায়ের কয়েক কর্মকর্তা ও ঠিকাদারের সমন্বিত সিন্ডিকেট টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম করে মশক নিধন ওষুধ অ্যাডলডি সাইড ও লার্ভিসাইড ক্রয়ের নামে উল্লিখিত পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ থেকে গত জুলাই মাসে মশক নিধনের ওষুধ ক্রয়ের জন্য দুই দফায় টেন্ডার আহ্বান করে ডিএনসিসি। সর্বশেষ ১৯ আগস্ট পুনরায় টেন্ডার আহ্বান করা হয়। কিন্তু ওই টেন্ডারের নথিপত্র টেন্ডার (টেক) কমিটির বৈঠকে উপস্থাপন না করে দেড় মাস অতিবাহিত করেছেন ডিএনসিসির প্রধান ক্রয় ও ভাণ্ডার কর্মকর্তা। টেন্ডারের নিয়ম বিধিতে বলা আছে টেন্ডার আহ্বানের সাত কার্যদিবসের মধ্যে টেন্ডার কমিটিতে উপস্থাপন করতে হবে। কিন্তু ডিএনসিসির কর্মকর্তারা তা না করে ঠিকাদারদের সঙ্গে গোপন আঁতাতের মাধ্যমে সময়ক্ষেপণ করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সূত্র জানায়, গত ৩ অক্টোবর টেন্ডার কমিটির বৈঠকে দ্বিতীয় দফা পুনরায় টেন্ডারে অংশ নেয়া কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের দরপত্র উপস্থাপন করেন প্রধান ক্রয় ও ভাণ্ডার কর্মকর্তা। এখানে সর্বনি¤œ দরদাতার দরপত্রটির বাজার যাচাই করে ওষুধ ক্রয়ের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটির সদস্যরা হলেন আঞ্চলিক সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ইমদাদুল হক, সহকারী ক্রয় কর্মকর্তা আবদুল মালেক ও একজন সহকারী স্টোরকিপার।
এদিকে টেন্ডার পাইয়ে দেয়ায় দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রথমদিকে ডিএনসিসিকে অ্যাডলডি সাইড প্রতি লিটার ৪০০ টাকা দর জমা দেয়া হয়। অথচ গত অর্থবছরের শেষদিকে ডিএনসিসিকে একই ব্র্যান্ডের মশার ওষুধ প্রতি লিটার ৩৩৭ টাকা দরে সরবরাহ করা হয়েছে। এছাড়া গত জুলাই মাসে মশার ওষুধ ক্রয়ের টেন্ডারে এক লাখ লিটার অ্যাডলডি সাইড ক্রয়ে দরপত্রে প্রতি লিটার ৪৭২ টাকা এবং দ্বিতীয় দফা গত ১৯ আগস্ট পুনরায় টেন্ডারে দরপত্রে প্রতি লিটার ৪৬৩ টাকা দর নির্ধারণ করা হয়। ফলে সিন্ডিকেটের কারণে অল্প দিনের ব্যবধানে গত অর্থবছরের (২০১২-১৩) চেয়ে চলতি অর্থবছরে (২০১৩-১৪) অতিরিক্ত এক কোটি ২৬ লাখ টাকা ডিএনসিসিকে প্রদান করতে হচ্ছে। অন্যদিকে গত অর্থবছরের শেষদিকে প্রতি লিটার লার্ভিসাইড ওষুধ এক হাজার ৪৮০ টাকা হিসাবে দুই হাজার লিটার ওষুধ ডিএনসিসিকে সরবরাহ করা হয়। আর চলতি অর্থবছরে ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সর্বনি¤œ দরদাতা হিসাবে প্রতি লিটার লার্ভিসাইড এক হাজার ৯৭৩ টাকা হিসাবে চার হাজার লিটার ওষুধের দরপত্র দাখিল করেছে। ফলে ওই ওষুধের জন্য ডিএনসিসিকে এবার অতিরিক্ত ১৯ লাখ ৭২ হাজার টাকা গুনতে হচ্ছে।
নগরীতে মশার উৎপাত বেড়েছে উল্লেখ করে ডিএনসিসির প্রধান ক্রয় ও ভাণ্ডার কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী বলেন, গোডাউনে মশার কোনো ওষুধ মজুদ নেই। তাই এবার এক কোটি ৪৫ লাখ ৭২ হাজার টাকা বেশি দিয়েই মশার ওষুধ ক্রয় হচ্ছে। আর ক্রয়ে কোনো সিন্ডিকেট কাজ করছে না। এক লাখ লিটার অ্যাডলডি সাইড এবং চার হাজার লিটার লার্ভিসাইড ক্রয়ের আগে বাজারদর যাচাই করে নেয়া হচ্ছে।
No comments:
Post a Comment