রাস্তায় গাড়ি পার্কিং ও ফাঁকা জায়গা ইজারা
রাজস্ব আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) গাড়ি পার্কিংয়ের ওপরে কর এবং রাস্তা ও ফুটপাতের বাইরের ফাঁকা জায়গা ইজারা দেবে। এ ব্যবস্থা চালু হলে ডিএনসিসির নির্দিষ্ট এলাকার বাইরে যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং করা যাবে না। একই সঙ্গে রাস্তা ও ফুটপাতের বাইরের ফাঁকা জায়গা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে ভাড়া দিয়ে প্রতি বছরে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয়ের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
যানজট কমাতে ও অতিরিক্ত রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যে আগামী
জানুয়ারিতেই এ ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ। এভাবে আদায়
করা অর্থ নগর উন্নয়নের কাজে ব্যবহার করা হবে। এছাড়া যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং ও
ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনা করায়ও পথচারীরা নানা দুর্ভোগে পড়েন।
বিষয়টি নিয়মের মধ্যে আনতে নতুন এ কৌশল। ডিএনসিসির নিজস্ব কার পার্কিং
এলাকায় গাড়ি রাখতে নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে পিক ও অফ পিক
আওয়ার বুঝে অর্থ প্রদান করতে হবে। বিষয়টি তদারকির জন্য অঞ্চলভিত্তিক নিজস্ব
টিম থাকবে।
ডিএনসিসির সম্পত্তি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে মোহম্মদপুর ও কাওরানবাজার এলাকায় ছোট আকারে ৬টি স্থানে কার পার্কিয়ের জন্য লিজ দেয়া আছে। পরীক্ষামূলকভাবে এগুলো লিজ দেয়া হলেও সার্বিকভাবে এ পদ্ধতি অনেকটা সুবিধাজনক। ফলে ব্যবস্থাটি আরো প্রসারিত করতে সুবিধাজনক স্থান নির্বাচনের জন্য ডিএনসিসির প্রধান কার্যালয় থেকে পাঁচটি আঞ্চলিক কার্যালয়ে চিঠি দেয়া হয়। এ বিষয়ে সার্বিক তত্ত্বাবধানের লক্ষ্যে প্রত্যেক আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে আহ্বায়ক করে বিভাগীয়ভাবে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটিও গঠন করা হয়। কমিটি সরেজমিন যাচাইপূর্বক এরই মধ্যে শতাধিক স্থান নির্বাচন করেছে।
ডিএনসিসির কার পার্কিংয়ের জায়গাটি রং দিয়ে চিহ্নিত করে দেয়া থাকবে। কর আদায়কারীদের সিটি কর্পোরেশনের নির্দিষ্ট পোশাক, ব্যাজ ও পরিচয়পত্র থাকবে। পার্কিং এলাকায় ডিএনসিসির নির্ধারিত করের হার উল্লেখপূর্বক সাইনবোর্ড প্রদর্শন করা হবে। কর আদায়ের জন্য কর্পোরেশনের মনোগ্রাম সংবলিত নির্দিষ্ট রসিদ প্রদান করা হবে। আদায়কৃত অর্থ ও তার হিসাব অঞ্চল অফিস থেকে প্রতি মাসের ৫ তারিখের মধ্যে সম্পত্তি বিভাগে জমা করতে হবে। প্রাথমিকভাবে গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য প্রতি ঘণ্টা ১০ টাকা করে কর আদায়ের পরিকল্পনা রয়েছে। পরে এলাকা ও সময় বুঝে এ করের পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে। সর্বপ্রথম কাওরানবাজারে এ ব্যবস্থা উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।
অন্যদিকে ডিএনসিসির আওতাধীন রাস্তা ও ফুটপাতের বাইরের ফাঁকা ও পরিত্যক্ত জায়গা সাধারণ ব্যবসায়ীদের মধ্যে দৈনিক ভিত্তিতে ইজারা (ভাড়া) দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ফুটপাতকে চলাচলের পরিপূর্ণ উপযোগী করতে ও পরিত্যক্ত ফাঁকা জায়গাগুলোকে কাজে লাগাতে ডিএনসিসির এ বিশেষ উদ্যোগ। এজন্য ফাঁকা স্থানের তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পর কর্পোরেশন বর্তমানে কোনো জায়গা বেদখল থাকলে তাও উচ্ছেদ করা হবে। এসব জায়গা পরিষ্কার করে রং দিয়ে মার্জিন করা থাকবে। আগে এলে আগে বরাদ্দ পাবেন ভিত্তিতে জায়গা ইজারা দেয়া হবে। এ ছাড়া ব্যবসায়ীদের সামর্থ্যরে দিকটি বিবেচনা করেই প্রতি বর্গফুট জায়গার জন্য ইজারা নির্ধারণ হবে। এলাকা ও স্থানভেদে ভাড়ার টাকা কম-বেশি হতে পারে। এসব কাজ পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করবেন সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের নির্বাহী কর্মকর্তা। কর্পোরেশনের নির্দিষ্ট স্টাফরা দৈনিক ভাড়া আদায় করবেন। আদায়কৃত অর্থ প্রতিদিন কর্পোরেশনের নিজস্ব তহবিলে জমা হবে।
ডিএনসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. ফসিউল্লাহ্ বলেন, কর্পোরেশনের আয় বৃদ্ধি ও নগরীর আমাদের এলাকায় এলাকায় যানজট নিরসনে প্রাথমিকভাবে এ পদ্ধতি চালু করছি। এতে গাড়ি পার্কিংয়ে শৃঙ্খলা আসবে। এছাড়া ফুটপাতে নির্বিঘেœ চলাচলের উপযোগী করতে ফুটপাতের আশপাশের ফাঁকা জায়গাগুলো ব্যবহার একটি নিয়মের মধ্যে আনার চেষ্টা চলছে। এ ব্যবস্থায় সুফল পাওয়া গেলে সব ফাঁকা জায়গা ইজারা দেয়া হবে।
ডিএনসিসির সম্পত্তি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে মোহম্মদপুর ও কাওরানবাজার এলাকায় ছোট আকারে ৬টি স্থানে কার পার্কিয়ের জন্য লিজ দেয়া আছে। পরীক্ষামূলকভাবে এগুলো লিজ দেয়া হলেও সার্বিকভাবে এ পদ্ধতি অনেকটা সুবিধাজনক। ফলে ব্যবস্থাটি আরো প্রসারিত করতে সুবিধাজনক স্থান নির্বাচনের জন্য ডিএনসিসির প্রধান কার্যালয় থেকে পাঁচটি আঞ্চলিক কার্যালয়ে চিঠি দেয়া হয়। এ বিষয়ে সার্বিক তত্ত্বাবধানের লক্ষ্যে প্রত্যেক আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে আহ্বায়ক করে বিভাগীয়ভাবে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটিও গঠন করা হয়। কমিটি সরেজমিন যাচাইপূর্বক এরই মধ্যে শতাধিক স্থান নির্বাচন করেছে।
ডিএনসিসির কার পার্কিংয়ের জায়গাটি রং দিয়ে চিহ্নিত করে দেয়া থাকবে। কর আদায়কারীদের সিটি কর্পোরেশনের নির্দিষ্ট পোশাক, ব্যাজ ও পরিচয়পত্র থাকবে। পার্কিং এলাকায় ডিএনসিসির নির্ধারিত করের হার উল্লেখপূর্বক সাইনবোর্ড প্রদর্শন করা হবে। কর আদায়ের জন্য কর্পোরেশনের মনোগ্রাম সংবলিত নির্দিষ্ট রসিদ প্রদান করা হবে। আদায়কৃত অর্থ ও তার হিসাব অঞ্চল অফিস থেকে প্রতি মাসের ৫ তারিখের মধ্যে সম্পত্তি বিভাগে জমা করতে হবে। প্রাথমিকভাবে গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য প্রতি ঘণ্টা ১০ টাকা করে কর আদায়ের পরিকল্পনা রয়েছে। পরে এলাকা ও সময় বুঝে এ করের পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে। সর্বপ্রথম কাওরানবাজারে এ ব্যবস্থা উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।
অন্যদিকে ডিএনসিসির আওতাধীন রাস্তা ও ফুটপাতের বাইরের ফাঁকা ও পরিত্যক্ত জায়গা সাধারণ ব্যবসায়ীদের মধ্যে দৈনিক ভিত্তিতে ইজারা (ভাড়া) দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ফুটপাতকে চলাচলের পরিপূর্ণ উপযোগী করতে ও পরিত্যক্ত ফাঁকা জায়গাগুলোকে কাজে লাগাতে ডিএনসিসির এ বিশেষ উদ্যোগ। এজন্য ফাঁকা স্থানের তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পর কর্পোরেশন বর্তমানে কোনো জায়গা বেদখল থাকলে তাও উচ্ছেদ করা হবে। এসব জায়গা পরিষ্কার করে রং দিয়ে মার্জিন করা থাকবে। আগে এলে আগে বরাদ্দ পাবেন ভিত্তিতে জায়গা ইজারা দেয়া হবে। এ ছাড়া ব্যবসায়ীদের সামর্থ্যরে দিকটি বিবেচনা করেই প্রতি বর্গফুট জায়গার জন্য ইজারা নির্ধারণ হবে। এলাকা ও স্থানভেদে ভাড়ার টাকা কম-বেশি হতে পারে। এসব কাজ পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করবেন সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের নির্বাহী কর্মকর্তা। কর্পোরেশনের নির্দিষ্ট স্টাফরা দৈনিক ভাড়া আদায় করবেন। আদায়কৃত অর্থ প্রতিদিন কর্পোরেশনের নিজস্ব তহবিলে জমা হবে।
ডিএনসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. ফসিউল্লাহ্ বলেন, কর্পোরেশনের আয় বৃদ্ধি ও নগরীর আমাদের এলাকায় এলাকায় যানজট নিরসনে প্রাথমিকভাবে এ পদ্ধতি চালু করছি। এতে গাড়ি পার্কিংয়ে শৃঙ্খলা আসবে। এছাড়া ফুটপাতে নির্বিঘেœ চলাচলের উপযোগী করতে ফুটপাতের আশপাশের ফাঁকা জায়গাগুলো ব্যবহার একটি নিয়মের মধ্যে আনার চেষ্টা চলছে। এ ব্যবস্থায় সুফল পাওয়া গেলে সব ফাঁকা জায়গা ইজারা দেয়া হবে।
http://manobkantha.com/archive_details.php?id=99470&&%20page_id=%205&issue_date=%202012-12-23
No comments:
Post a Comment