তালিকাভুক্ত মানব পাচারকারীদের ধরতে শিগগির বিশেষ অভিযান শুরু করবে সরকার।
এরই মধ্যে গোয়েন্দা সংস্থা ও বিজিবির সমন্বয়ে মানব পাচারকারীদের চূড়ান্ত
নামের তালিকা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা পড়েছে। তালিকায় একজন এমপির ভাই,
ইউপি চেয়ারম্যানসহ নানা পেশার বিভিন্ন লোক রয়েছে। তাদের ধরতে কার্যকর
ব্যবস্থা নিতে সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসব মানব
পাচারকারী গোয়েন্দা নজরদারির আওতায় রয়েছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর
কার্যালয়ে এ সংক্রান্ত এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। মানব পাচারকারীদের গ্রেফতারের
জন্য শিগগিরই বিশেষ অভিযান চালাবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে । আড়াইশ' ব্যক্তি এ পাচার
চক্রে রয়েছে।
জানা গেছে, গ্রামাঞ্চলের অশিক্ষিত-দরিদ্র নারী, পুরুষ ও শিশুদের অধিক উপার্জনের আশায় চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ভারত, পাকিস্তান, সিঙ্গাপুর, মধ্যপ্রাচ্যসহ অন্যান্য দেশে পাচার করা হচ্ছে। কয়েকটি সংঘবদ্ধ দালাল ও পাচারকারী চক্র দীর্ঘদিন ধরে স্থল, সীমান্ত ও বিমানবন্দর দিয়ে এ জঘন্যতম কাজটি চালিয়ে যাচ্ছে। সংঘবদ্ধ চক্রটি শুধু দেশে নয়, বিদেশেও তাদের দালালদের মাধ্যমে সক্রিয় থেকে স্থল, সীমান্ত ও বিমানবন্দর দিয়ে নারী-শিশু পাচার করছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও দালালদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা সিন্ডিকেট এ কাজ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকে এমন তথ্য সংবলিত প্রতিবেদন সরকারের উচ্চ পর্যায়ে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
গোয়েন্দা সূত্র জানায়, কক্সবাজারের এক এমপির ছোট ভাই মৌলভী মুজিবুর রহমান রয়েছে গডফাদারের তালিকায়। সে মালয়েশিয়ায় সমুদ্রপথে ট্রলারে মানব পাচার করে আসছে। তালিকাভুক্ত মানব পাচারকারী হয়েও রয়েছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। অন্যজন রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ থানার দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বলে গোয়েন্দা রিপোর্টে উল্লেখ হয়েছে। দৌলতদিয়া পতিতাপল্লীতে রয়েছে তার একক আধিপত্য। অন্যজন গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার প্রভাবশালী ব্যক্তি। গডফাদার হিসেবে দিনাজপুর জেলার সীমান্ত এলাকায় মানব পাচার নিয়ন্ত্রণ করে সে। তার নেতৃত্বে বিরামপুরের কাটলা ও ঘাসুরিয়া সীমান্ত এলাকায় দালাল ও পাচারকারীরা সক্রিয় রয়েছে।
এভাবে সারাদেশে আড়াইশ' ব্যক্তি মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত থেকে সক্রিয় রয়েছে। বিজিবি ও গোয়েন্দা সংস্থা যৌথ নামের তালিকা হালনাগাদ করে চূড়ান্ত করেছে।
তথ্য মতে, প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে ১৫ হাজার নারী ও শিশু পাচার করছে ওই সংঘবদ্ধ চক্রটি। স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত বিদেশে ১০ লাখেরও বেশি নারী-শিশু পাচার হয়েছে। মাঝে-মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে দু'চারজন পাচারকারী ধরা পড়লেও বিশেষ তদবিরে তারা ছাড়া পেয়ে যায়। চক্রের মূল হোতারা থেকে যাচ্ছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। আবার প্রত্যেক সরকারের আমলে বিপুল অর্থের বিনিময়ে সংঘবদ্ধ পাচারকারীরা থাকে বহাল তবিয়তে। অভিযোগ রয়েছে, পাচারকারী চক্রের সদস্যদের শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশসহ অন্যরা নারী-শিশু পাচারে সহযোগিতা করে থাকে। মোটা অঙ্কের অর্থ দিয়ে ইমিগ্রেশনের কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার সঙ্গে ওই চক্রের যোগাযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু বলেন, মানব পাচার রোধে সরকার নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। পাচারকারীদের ধরতে পুলিশ ও র্যাবের একাধিক টিম কাজ করছে।
বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট সালমা আলী বলেন, পাচারকারীদের বিরুদ্ধে সবাইকে রুখে দাঁড়াতে হবে। তালিকাভুক্ত পাচারকারীদের গ্রেফতার করে শাস্তি দিতে হবে। উচ্চ আদালত থেকে এসব আসামি যাতে জামিন না নিতে পারে সে জন্য নজরদারি বাড়াতে হবে।
জানা গেছে, গ্রামাঞ্চলের অশিক্ষিত-দরিদ্র নারী, পুরুষ ও শিশুদের অধিক উপার্জনের আশায় চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ভারত, পাকিস্তান, সিঙ্গাপুর, মধ্যপ্রাচ্যসহ অন্যান্য দেশে পাচার করা হচ্ছে। কয়েকটি সংঘবদ্ধ দালাল ও পাচারকারী চক্র দীর্ঘদিন ধরে স্থল, সীমান্ত ও বিমানবন্দর দিয়ে এ জঘন্যতম কাজটি চালিয়ে যাচ্ছে। সংঘবদ্ধ চক্রটি শুধু দেশে নয়, বিদেশেও তাদের দালালদের মাধ্যমে সক্রিয় থেকে স্থল, সীমান্ত ও বিমানবন্দর দিয়ে নারী-শিশু পাচার করছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও দালালদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা সিন্ডিকেট এ কাজ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকে এমন তথ্য সংবলিত প্রতিবেদন সরকারের উচ্চ পর্যায়ে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
গোয়েন্দা সূত্র জানায়, কক্সবাজারের এক এমপির ছোট ভাই মৌলভী মুজিবুর রহমান রয়েছে গডফাদারের তালিকায়। সে মালয়েশিয়ায় সমুদ্রপথে ট্রলারে মানব পাচার করে আসছে। তালিকাভুক্ত মানব পাচারকারী হয়েও রয়েছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। অন্যজন রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ থানার দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বলে গোয়েন্দা রিপোর্টে উল্লেখ হয়েছে। দৌলতদিয়া পতিতাপল্লীতে রয়েছে তার একক আধিপত্য। অন্যজন গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার প্রভাবশালী ব্যক্তি। গডফাদার হিসেবে দিনাজপুর জেলার সীমান্ত এলাকায় মানব পাচার নিয়ন্ত্রণ করে সে। তার নেতৃত্বে বিরামপুরের কাটলা ও ঘাসুরিয়া সীমান্ত এলাকায় দালাল ও পাচারকারীরা সক্রিয় রয়েছে।
এভাবে সারাদেশে আড়াইশ' ব্যক্তি মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত থেকে সক্রিয় রয়েছে। বিজিবি ও গোয়েন্দা সংস্থা যৌথ নামের তালিকা হালনাগাদ করে চূড়ান্ত করেছে।
তথ্য মতে, প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে ১৫ হাজার নারী ও শিশু পাচার করছে ওই সংঘবদ্ধ চক্রটি। স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত বিদেশে ১০ লাখেরও বেশি নারী-শিশু পাচার হয়েছে। মাঝে-মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে দু'চারজন পাচারকারী ধরা পড়লেও বিশেষ তদবিরে তারা ছাড়া পেয়ে যায়। চক্রের মূল হোতারা থেকে যাচ্ছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। আবার প্রত্যেক সরকারের আমলে বিপুল অর্থের বিনিময়ে সংঘবদ্ধ পাচারকারীরা থাকে বহাল তবিয়তে। অভিযোগ রয়েছে, পাচারকারী চক্রের সদস্যদের শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশসহ অন্যরা নারী-শিশু পাচারে সহযোগিতা করে থাকে। মোটা অঙ্কের অর্থ দিয়ে ইমিগ্রেশনের কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার সঙ্গে ওই চক্রের যোগাযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু বলেন, মানব পাচার রোধে সরকার নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। পাচারকারীদের ধরতে পুলিশ ও র্যাবের একাধিক টিম কাজ করছে।
বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট সালমা আলী বলেন, পাচারকারীদের বিরুদ্ধে সবাইকে রুখে দাঁড়াতে হবে। তালিকাভুক্ত পাচারকারীদের গ্রেফতার করে শাস্তি দিতে হবে। উচ্চ আদালত থেকে এসব আসামি যাতে জামিন না নিতে পারে সে জন্য নজরদারি বাড়াতে হবে।
http://www.samakal.com.bd/details.php?news=17&action=main&menu_type=&option=single&news_id=316414&pub_no=1269&type=
No comments:
Post a Comment